Logo
শিরোনাম

কোরবানির হাটে মাঝারি গরুর চাহিদা বেড়েছে

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৫৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঢাকার বিভিন্ন কোরবানির হাটে ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি। ক্রেতারা প্রথম সারির তালিকায় মাঝারি ধরনের গরু রাখছেন। ইতোমধ্যে হাটে যেসব গরু বিক্রি হয়েছে এর অধিকাংশই মাঝারি।

সরেজমিন দেখা গেছে, হাটে গবাদিপশু ভরপুর থাকলেও ক্রেতাদের আনাগোনা কম। তবে বিক্রেতারা মনে করছেন আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে হাটে ক্রেতাদের ভিড় দেখা যাবে। কারণ রাজধানীতে অনেকে গরুর রাখার জায়গার সমস্যা থাকায় শেষ দিকে গরু কেনেন।

গরুর ব্যাপারীরা বলছেন, গত দুই দিনে ছয়টা গরু বিক্রি করেছেন সবগুলো মাঝারি সাইজের। তবে আশা করছি বড় গরুগুলো আগামী দুই একদিনের মধ্যে বিক্রি করতে পারব।

হাটে গরু কিনতে আসা ক্রেতারা বলেন, এবার গরুর দাম খুব। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে হাটে ঘুরছি কিন্তু দরদাম মিলছে না। বিক্রেতারা মনে করছেন আরও পরে গরু বিক্রি করলে বেশি দাম পাবে। সেই ভেবে বেশি দাম চাচ্ছেন।


আরও খবর

ব্যাংকে লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১




গণতন্ত্রকে দুর্বল করতে বিএনপি নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত : সেতুমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৯ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ১২৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
বিএনপি যদি নির্বাচনে না থাকে তাহলে গণতন্ত্র কিভাবে অর্থবহ হবে? উল্টো তারা গণতন্ত্রকে দুর্বল করতে নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নিজেদের ব্যর্থতা এবং জনবিচ্ছিন্নতা আড়াল করতে নির্বাচন ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিএনপির রাজনীতি কথামালার আড়ালে বৈপরীত্যের প্রদর্শনী মাত্র।

মঙ্গলবার ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংকালে একথা বলেন। আওয়ামী একচ্ছত্র শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য রাষ্ট্রকাঠামো পরিবর্তন করে দিচ্ছে, বিএনপি নেতাদের এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এটা একেবারেই কল্পিত, মনগড়া ও মুখরোচক। এর সঙ্গে বাস্তবতার কোনো সম্পর্ক নেই।

তিনি বলেন, বিএনপিকে প্রতিদিন সরকারের বিরুদ্ধে কিছু না কিছু বলতেই হবে- এটি সেই ধারাবাহিকতারই অংশ।

রাষ্ট্র এবং সরকার চলে সুনির্দিষ্ট সাংবিধানিক কাঠামো ও বিধিবিধানের আওতায় উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় বিরোধীদল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি মুখে রাষ্ট্রকাঠামো কিংবা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার কথা বললেও নিজেরাই নির্বাচন থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রশ্ন রেখে বলেন, বিএনপি যদি নির্বাচনে না থাকে তাহলে গণতন্ত্র কিভাবে অর্থবহ হবে? উল্টো তারা গণতন্ত্রকে দুর্বল করতে নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

শক্তিশালী রাষ্ট্রকাঠামোর প্রতি বিএনপির কমিটমেন্ট থাকলে তারা সরকারের বিরুদ্ধাচারণ করতে গিয়ে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধাচারণ করতো না বলেও মনে করেন ওবায়দুল কাদের।

একদিকে রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্ট এবং দেশ-বিদেশে রাষ্ট্রবিরোধী অপপ্রচার অব্যাহত রাখা, অন্যদিকে রাষ্ট্র কাঠামোর শক্তিশালীকরণের কথা বলা বিএনপির দ্বিচারিতা ছাড়া কিছু নয় বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

এর আগে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সভাকক্ষে শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।


আরও খবর



খুলনায় করোনায় আরও ১১ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৭১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

খুলনার তিন হাসপাতালে করোনা সংক্রমণে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬ জন, আড়াইশ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ১ জন, গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৪ জন মারা যান। আজ শনিবার (৩ জুলাই) সকাল ৯টায় এ খবর নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের মুখপাত্ররা।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল করোনা ইউনিট মুখপাত্র ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, ৩ জুলাই সকাল পর্যন্ত এ হাসপাতালে ২১৩ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে রেড জোনে ১১৩ জন, ইয়োলো জোনে ৬০, আইসিইউতে ২০ ও এইচডিইউতে ২০ জন। নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৩৫ জন। ছাড়পত্র নিয়েছেন ২৬ জন। আর মারা গেছেন ৬ জন।

আড়াইশ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, ভর্তি থেকে ৭০ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদের মধ্যে পুরুষ ৩৩ ও মহিলা ৩৭ জন। মারা গেছেন ১ জন।

গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. গাজী মিজানুর রহমান বলেন, ৩ জুলাই সকাল ৯টা পর্যন্ত হাসপাতালে ১২০ জন ভর্তি ছিলেন। নতুন করে ভর্তি হয়েছেন আরও ২৭ জন। ছাড়পত্র নিয়েছেন ১২ জন। আইসিইউতে আছে ৯ জন ও এইচডিইউতে আছে ১০ জন। একই সময়ে মারা গেছেন ৪ জন।



আরও খবর



সিরাজগঞ্জে পৌঁছেছে ২০০ টন অক্সিজেনবাহী ট্রেন

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৪৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছেছে ভারত থেকে আনা ২০০ মেট্রিক টন তরল মেডিকেল অক্সিজেন (এলএমও) বহনকারী ভারতীয় রেলওয়ের অক্সিজেন এক্সপ্রেস ট্রেন। রবিবার (২৫ জুলাই) বেলা পৌনে ১১টার দিকে ভারতীয় রেলওয়ের এই বিশেষ ট্রেনটি বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছায়।

বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশনে তরল মেডিকেল অক্সিজেন বুঝে নেন আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান লিনডে বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সুফিয়া বেগম, প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সেলস) নুর উর রহমানসহ প্রমুখ। অক্সিজেন এক্সপ্রেসর ১০টি কনটেইনারে আসা তরল মেডিকেল অক্সিজেন এই স্টেশন থেকে সড়কপথে ঢাকায় নেওয়া হবে। ইতোমধ্যেই ঢাকাসহ বেশ কিছু স্থান থেকে অক্সিজেনবাহী ট্রাক এসেছে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার ইসমাইল হোসেন জানান, ভারতের ঝাড়খন্ড প্রদেশের জামশেদপুর টাটানগর থেকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আমদানি করা ২০০ মেট্রিক টন তরল অক্সিজেন শনিবার রাত ১০টার দিকে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। বেনাপোল বন্দরে আমদানি সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে ১০টি কনটেইনারবাহী ট্রেনটি রওনা হয়। আজ সকাল ৭টায় ঈশ্বরদী স্টেশন হয়ে বেলা পৌনে ১১টার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছায়।

লিনডে বাংলাদেশের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সুফিয়া খাতুন জানান, করোনা মোকাবেলায় আমদানিকৃত তরল মেডিকেল অক্সিজেন সড়কপথে বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে ঢাকায় নেওয়া হবে। সেখান থেকে দেশের হাসপাতালগুলোতে এ অক্সিজেন সরবরাহ করা হবে।

এর আগে টাটা দক্ষিণ পূর্ব রেলওয়ের অধীনে চক্রধরপুর বিভাগের কাছে বাংলাদেশের বেনাপোল বন্দরে ২০০ মেট্রিক টন তরল মেডিকেল অক্সিজেন পরিবহনের চাহিদা জানানো হয়।

এ পর্যন্ত ভারতের অভ্যন্তরে এ ধরনের ৪৮০টি অক্সিজেন এক্সপ্রেস চালু করা হয়েছে। ২৪ জুলাই টাটা দক্ষিণ পূর্ব রেলওয়ের অধীনে চক্রধরপুর বিভাগের কাছে বাংলাদেশের বেনাপোলে ২০০ মেট্রিক টন তরল মেডিকেল অক্সিজেন পরিবহনের চাহিদা জানায়।

২০২১ সালের ২৪ এপ্রিল ভারতে এই বিশেষ ট্রেন সেবা শুরুর পর থেকে এই প্রথম প্রতিবেশী দেশে অক্সিজেন এক্সপ্রেস চালু হলো। এ পর্যন্ত ভারতের অভ্যন্তরে এই ধরনের ৪৮০টি অক্সিজেন এক্সপ্রেস চালু করা হয়েছিল।


আরও খবর



বগুড়ায় ২৪ ঘণ্টায় ১৭ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ১১ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | ৪৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বগুড়ায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় তিন হাসপাতালে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে ৷ এ সময়ের মধ্যে করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৮৩ জনের। 

রোববার (১১ জুলাই) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন।

অন্যদিকে বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল ও টিএমএসএস হাসপাতালে করোনা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন বাংলানিউজকে জানান, বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শমিজেক) হাসপাতালের পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন (পিসিআর) ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার মোট ২৮২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

এতে ১০৮ জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে, এছাড়া জিন এক্সপার্ট মেশিনে ২৬ নমুনায় ১৬ জন, এন্টিজেন পরীক্ষায় ১৩৮ জনের মধ্যে ৩৬ জন এবং বেসরকারি টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজের পিসিআর ল্যাবে ৪১টি নমুনার মধ্যে ২৩ জনসহ মোট ১৮৩ জনের পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এ নিয়ে বগুড়ায় মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ হাজার ৭০৭ জনে দাঁড়ালো। আক্রান্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৩ হাজার ৫৩৫ জন। এছাড়া নতুন সাত জনসহ মোট মৃত্যু সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৬৭ জনে এবং বর্তমানে করোনা আক্রান্ত চিকিৎসাধীন রয়েছে ১ হাজার ৭০৫ জন।


আরও খবর



খুলনা বিভাগে করোনায় আরও ১৪ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ২৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে খুলনা বিভাগে। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে করোনায় মৃত্যু ও শনাক্তের সংখ্যা। ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে করোনা আক্রান্ত হয়ে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৮৪৮ জনের।

এর একদিন আগে শুক্রবার সকাল ৮টার আগের ২৪ ঘণ্টায় অদৃশ্য এই ভাইরাসে রেকর্ড ১ হাজার ৩৩২ জনের শনাক্ত এবং আরও ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। শনিবার দুপুরে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে কুষ্টিয়া ও যশোরে। কুষ্টিয়ার ৫ জন, যশোরের ৫ জন, খুলনার দুইজন, ঝিনাইদহের একজন ও মেহেরপুরের একজন মারা গেছেন।

খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৫০ হাজার ৯৬৫ জন। আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৫৩ জনে। এ সময় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৬ হাজার ১২৫ জন।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জেলাভিত্তিক করোনা-সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, খুলনায় ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছে ১৭২ জন। জেলায় এ পর্যন্ত মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৪ হাজার ৩৩৩ জনের। মারা গেছেন ২৩৫ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১০ হাজার ৪৩৩ জন।



আরও খবর