Logo
শিরোনাম

করোনা: বিশ্বজুড়ে দৈনিক শনাক্ত ৬ লাখ, মৃত্যু ২ হাজার

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৪৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চলমান করোনা মহামারিতে বিশ্বজুড়ে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। একইসঙ্গে আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন প্রায় দুই হাজার মানুষ। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে প্রায় ৬ লাখে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে জার্মানিতে। অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে যুক্তরাজ্য। প্রাণহানির তালিকায় এরপরই রয়েছে জার্মানি, কানাডা, ব্রাজিল, ফিনল্যান্ড, ইতালি ও রাশিয়া। এতে বিশ্বব্যাপী করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫১ কোটি ৯৬ লাখের ঘর। অন্যদিকে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৬২ লাখ ৮৪ হাজার।

শুক্রভার (১৩ মে) সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ৯৩৪ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে চার শতাধিক। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৬২ লাখ ৮৪ হাজার ৩৮৪ জনে।

একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ লাখ ৯২ হাজার ৯৫৪ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ২২ হাজার। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ কোটি ৯৬ লাখ ৪৩ হাজার ২৮২ জনে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর



দুর্বল অবকাঠামো নিয়েই ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিদ্যুৎ সঞ্চালন

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৫৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা এখন চাহিদার দ্বিগুণ। উৎপাদনেও একের পর এক রেকর্ড গড়ছে বিদ্যুৎ বিভাগ। তবে সঞ্চালনের দুর্বলতায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। পাশাপাশি চাহিদা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও তা প্রতিবন্ধক হিসেবে ভূমিকা রাখছে। সঞ্চালন লাইন শক্তিশালী করতে নেয়া প্রকল্পের অনেকগুলোরই মেয়াদ শেষ হয়ে এলেও অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়। প্রত্যাশা ছিল এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে সঞ্চালনের দুর্বলতা কেটে যাবে। যদিও অগ্রগতি বিবেচনায় ২০২৪ সালের আগে প্রকল্পগুলো সম্পন্ন হচ্ছে না। সঞ্চালন অবকাঠামোর এমন ধীরগতি অনিশ্চয়তা তৈরি করছে বিদ্যুতের বড় প্রকল্পগুলোতেও।

বিদ্যুতের সঞ্চালন অবকাঠামো বাস্তবায়নের দায়িত্বে নিয়োজিত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) বলছে, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা, দরপত্র আহ্বান ও কভিড মহামারীর কারণে প্রকল্পের কাজ পিছিয়ে পড়েছে। এখন দ্রুতগতিতে বেশির ভাগ প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে। পিজিসিবির তথ্য বলছে, ২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় সংস্থাটির ২০টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। যার সবই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও গ্রিড কানেক্টিভিটি বাড়াতে নির্মাণ করা হচ্ছে। তবে প্রকল্পের ধীরগতির কারণে মেয়াদ ও খরচ দুটোই বেড়ে যাচ্ছে। এতে একদিকে যেমন এসব প্রকল্পের আর্থিক সংকট তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে বিদ্যুতের মেগা প্রকল্পগুলোর উৎপাদন নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে।

সঞ্চালন অবকাঠামো যথাসময়ে প্রস্তুত করতে না পারায় বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ শেষেও পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না। পায়রা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট সক্ষমতার কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ২০২০ সালের জুনে উৎপাদনে এলেও তা থেকে ৫৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার জন্য যে গ্রিড লাইন দরকার তার কাজ এখনো শেষ হয়নি। ফলে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি অর্ধেক সক্ষমতায় চালানো হচ্ছে। বাকি অর্ধেক সক্ষমতা ব্যবহার না করে বসিয়ে ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হচ্ছে।

২০২৩ সালে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প। এরই মধ্যে কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটের মূল কাজ শেষ হয়ে গেছে। অথচ এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুৎ ইভাকুয়েশনের জন্য যে লাইন প্রয়োজন তা এখনো শুরুর দিকে। এ ইভাকুয়েশন প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি মাত্র ২৪ শতাংশ। আগামী ২০২৩ সালের ডিসেম্বর নাগাদ এ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, রূপপুরের বিদ্যুৎ ইভাকুয়েশনের জন্য ৪০০ কেভি ৪৬৪ কিলোমিটার এবং ২৩০ কেভি ২০৫ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন রয়েছে। এর মধ্যে মোট ২০ কিলোমিটার নদী ক্রসিং। প্রকল্পসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, ইভাকুয়েশন প্রকল্পের নদী ক্রসিংয়ের জন্য সম্প্রতি দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এছাড়া জমি অধিগ্রহণ শেষ। এখন মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু হচ্ছে। রূপপুরের সঞ্চালন অবকাঠামো নির্মাণের দায়িত্বে রয়েছে ভারত। দেশটির চারটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এ প্রকল্পে কাজ করছে। গুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্পটি এলওসি (ইন্ডিয়ান লাইন অব ক্রেডিট-৩) ঋণের আওতায় করা হচ্ছে। এ প্রকল্পে মোট ব্যয় হচ্ছে ১০ হাজার ৯৮১ কোটি টাকা। যার সিংহভাগ অর্থায়ন করছে ভারত।

এছাড়া ভারত আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎ দেশে আমদানির লক্ষ্যে এরই মধ্যে একটি সঞ্চালন লাইন নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। তবে এ বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত এবং নেপাল ও ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির লক্ষ্যে যে গ্রিড লাইন নির্মাণ হওয়ার কথা তার কাজ এখনো শুরুর দিকে। মূলত ভারত থেকে আমদানীকৃত বিদ্যুৎ দেশের উত্তরাঞ্চলে ব্যবহারের লক্ষ্যে বড়পুকুরিয়া-বগুড়া কালিয়াকৈর ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হচ্ছে। চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত এ প্রকল্পের অগ্রগতি মাত্র ১২ শতাংশ। অথচ এ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হতে বাকি আর মাত্র দুই মাস। এরই মধ্যে মেয়াদ বাড়াতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রস্তাব পাঠিয়েছে পিজিসিবি।

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নির্মাণ করা হচ্ছে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট সক্ষমতার রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ অর্থায়নে নির্মিত এ প্রকল্পের জন্য আমিনবাজার-মাওয়া-মোংলা ৪০০ কেভি’ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হচ্ছে। চলতি বছরের জুন নাগাদ এ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পদ্মা রিভার ক্রসিংয়ের কারণে এ বছর শেষ নাগাদ লেগে যেতে পারে। ফলে রামপালের উৎপাদন শুরু হলে সেখানকার বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা না গেলে তা কোথায় ব্যবহার করা হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

সারা দেশে সঞ্চালন লাইনের সক্ষমতা ও অর্থনৈতিক অঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে পিজিসিবির আরো এক ডজনের বেশি প্রকল্প চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্পের মেয়াদ চলতি ও আগামী ২০২৩ সাল নাগাদ শেষ হওয়ার কথা। অথচ পিজিসিবির বিদ্যমান অগ্রগতি দেখে বোঝা যাচ্ছে এসব প্রকল্পের কাজ চূড়ান্তভাবে শেষ করতে আরো দুই-তিন বছর লেগে যাবে।

জানা গেছে, পিজিসিবির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে গ্রিড সম্প্রসারণ প্রকল্পের কাজ ৫৪ শতাংশ, চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সম্প্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের কাজ ৯ শতাংশ, ঢাকা-চট্টগ্রাম মেইন পাওয়ার গ্রিড স্ট্রেংদেনিং প্রকল্পের কাজ ৫৯ শতাংশ, পাওয়ার সিস্টেম রিলায়েবিলিটি অ্যান্ড ইফিসিয়েন্সি ইমপ্রুভমেন্ট প্রকল্পের কাজ ৭ শতাংশ, গ্রিড বেজ পাওয়ার সাপ্লাইয়ের কাজ ২৯ শতাংশ শেষ হয়েছে। এছাড়া বাকি যেসব প্রকল্প রয়েছে সেগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে এলেও তা নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হয়ে যাবে।

পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) গোলাম কিবরিয়া বলেন, সঞ্চালন অবকাঠামো বিলম্বিত হওয়ার প্রধানতম জটিলতা হলো ভূমি অধিগ্রহণ। এটি করতে প্রকল্পের অর্ধেক সময় লেগে যায়। এরপর প্রকল্পের দরপত্র আহ্বানে জটিলতা রয়েছে। তাছাড়া এ খাতে যন্ত্রাংশ চীননির্ভর হওয়ায় কভিডের কারণে যথাসময়ে দেশে মালামাল শিপমেন্ট হয়নি। অনেকগুলো প্রকল্প থেকে বিদেশী কর্মী চলে গিয়েছিল। সব মিলিয়ে বিলম্বিত হয়েছে কিছুটা। তবে এখন সব প্রকল্পে গতি পেয়েছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা কাজ সমাপ্ত করতে পারব।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উৎপাদন খাতকে বেশি গুরুত্ব দেয়ায় সঞ্চালন ও অবকাঠামো খাত পিছিয়ে পড়ছে। এখন এ পরিস্থিতি থেকে বের হতে হবে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ম. তামিম বলেন, দেশের বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে বরাবরই উৎপাদনকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। যে কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রস্তুত হয়েছে ঠিকই কিন্তু তা যথাসময়ে চালু করা যায়নি। বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে শুধু উৎপাদন নয়, সঞ্চালন ও বিতরণ অবকাঠামো সমান গুরুত্বপূর্ণ। কারণ উৎপাদিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে না পারলে তার জন্য সরকারকে কেন্দ্র বসিয়ে রেখে মাশুল গুনতে হবে। এখন সময় এসেছে সঞ্চালন ও বিতরণে সরকারের গুরুত্ব দেয়া। তাহলে বিদ্যুৎ খাতে একটা ভারসাম্য তৈরি হবে।


আরও খবর

বাঘাবাড়ী নৌবন্দর খুঁড়িয়ে চলছে

বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২




অশনি’র পর এবার আসতে পারে ‘করিম’

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৫৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঘূর্ণিঝড় অশনি’র সংকেতের মাঝেই আরও একটি ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা করছেন আবহাওয়াবিদরা। এবার ভারত মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড় করিম’ নামে আরেকটি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, নতুন এই ঘূর্ণিঝড় ভারত মহাসাগরের উপকূলে হানা দেবে বলেই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। সপ্তাহ শেষেই তৈরি হতে পারে এই নতুন ঘূর্ণিঝড়। ইন্ডিয়া টাইমসসহ সূত্রের বরাতে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়, করিম নামে এই নতুন ঘূর্ণিঝড় কতটা শক্তিশালী হয়ে আসবে, সে তথ্য এখনও দিতে পারেনি দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে ওই ঘূর্ণিঝড়ের কারণে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে বলেই এখনও জানা যাচ্ছে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১১ মে) থেকে ওড়িশার দিকে ঘুরতে পারে ঘূর্ণিঝড় অশনি’র গতিপথ। পরে সন্ধ্যা নাগাদ পৌঁছাতে পারে উপকূলে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় অশনি’ বাংলাদেশের স্থলভাগ থেকে এখনো এক হাজার কিলোমিটার দূরে থাকলেও এর অগ্রবর্তী অংশের প্রভাবে সোমবার থেকে সারাদেশে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এই বৃষ্টি আগামী তিনদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

সোমবারের মত বুধবারও দেশের উপকূলীয় তিন বিভাগে (খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম) অতিভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তা জারি করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। উপকূলীয় এই তিন বিভাগে আগামী তিনদিন ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।


আরও খবর



কলকাতায় এএফসি কাপে দুর্দান্ত সূচনা বসুন্ধরা কিংসের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

এএফসি কাপে মালদ্বীপের ক্লাব মাজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশনের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে জয় তুলেছে বসুন্ধরা কিংস। কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে উদ্বোধনি দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে গ্রুপ ডির ম্যাচে বসুন্ধরা কিংস মুখোমুখি হয় মালদ্বীপের ক্লাবটির।

এই ম্যাচে দাপট দেখিয়ে ম্যাচটি জিতে নেয় বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে চ্যাম্পিয়নরা। যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে নুহা মারংয়ের গোলে ৩৩ মিনিটে এগিয়ে যায় বসুন্ধরা। মাঝ মাঠ থেকে সোহেলে রানার লম্বা পাসে হেডের মাধ্যমে গোল আদায় করেন গাম্বিয়ান এই ফরোয়ার্ড।

প্রথমার্ধের গোলে এগিয়ে থেকেই মাঠ ছাড়ে কিংস। বিরতির পর ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে মাজিয়া। যদিও শেষ পর্যন্ত মালদ্বীপের চ্যাম্পিয়নদের পাত্তা না দিয়েই জয় তুলে নেয় অস্কার ব্রুজনের শিষ্যরা।

ম্যাচে মাজিয়া স্পোর্টসসের নেয়া ১৬ শটের বিপরিতে কিংস নেয় ১২টি শট। টার্গেট শট দুদলের ছিল সমান ৫টি। আগামী ২১ মে একই ভেন্যুতে গ্রুপের বাকি ম্যাচে ২১ মে মোহন বাগান ও ২৪ মে গোকুলম কেরালার বিপক্ষে লড়বে বসুন্ধরা কিংস।

 


আরও খবর



জ্বালানির চেয়েও বড় সংকট খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ২৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর বিভিন্ন দেশের সরকার জ্বালানি সংকট কাটাতে বেশি মনোযোগী হয়ে উঠেছে এবং অনেক সময় ও সম্পদ ব্যয় করছে। কিন্তু যুদ্ধ আরও বড় একটি সংকটের বীজ বপন করেছে যা একই ধরনের মনোযোগ পাচ্ছে না। বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংকটের কারণে খাদ্যের দাম গত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। উন্নত দেশগুলোর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাবের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ব দুর্ভিক্ষ ও ঋণ সংকটের হুমকির মধ্যে পড়েছে। রাশিয়ার আগ্রাসন খাদ্য নিরাপত্তাহীনতাকে আরও গভীর করছে। ইউক্রেন এবং রাশিয়া বিশ্বব্যাপী খাদ্যের ১০ ভাগের এক ভাগ সরবরাহ করে। তারা বিশ্বের গম রপ্তানির ৩০ শতাংশের পাশাপাশি সূর্যমুখী তেলের ৬০ শতাংশ উৎপাদন করে। কমপক্ষে ২৬টি দেশ তাদের অর্ধেকেরও বেশি খাদ্যশস্যের জন্য রাশিয়া এবং ইউক্রেনের ওপর নির্ভরশীল।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষিবিষয়ক সংস্থা বলছে, যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনের ২০ থেকে ৩০ শতাংশ জমি ২০২২ সালের মৌসুমে অনাবাদি বা চাষের আওতার বাইরে থেকে যাবে। সম্প্রতি জি-৭ অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে ইউক্রেনের বন্দর রাশিয়া দ্বারা অবরুদ্ধ থাকা এবং খাদ্যশস্য রপ্তানি আটকে থাকার বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে। যদিও রাশিয়ান কৃষকরা এখনও উৎপাদন করতে পারছেন। তবে নিষেধাজ্ঞার কারণে রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

বিশ্বের বৃহত্তম সার রপ্তানিকারক দেশ রাশিয়া মার্চের শুরুতে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে। বেলারুশ থেকে করা রপ্তানি, নামমাত্র রাশিয়ার সাথে জোটবদ্ধ থাকলেও তাদের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। চীনও গত গ্রীষ্মে সার রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ফলে এখন বিশ্বব্যাপী সারের ঘাটতিও দেখা দিয়েছে। দামও লাফিয়ে বাড়ছে। আর এর প্রভাব পড়ছে কৃষকদের খাদ্য উৎপাদনে। এফএও-র খাদ্য মূল্যসূচক অনুসারে, গত এপ্রিলে খাদ্যের দাম প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোই সবচেয়ে বেশি এই সংকটে পড়েছে। নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে মোট পরিবারের ব্যয়ের অন্তত অর্ধেক খাদ্য ক্রয়ের জন্য বরাদ্দ এবং অনেক দেশেই সরকার খাদ্য ভর্তুকি প্রদান করে। এগুলোর ব্যবস্থাপনা বজায় রাখা কঠিন হয়ে উঠছে। কারণ খরচ এবং খাদ্যের দাম ক্রমাগত বাড়ছে। বিশ্বব্যাংকের মতে, প্রতি শতাংশ খাদ্যমূল্য বৃদ্ধি বিশ্বব্যাপী ১ কোটি মানুষকে চরম দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা ইতোমধ্যেই সামাজিক অস্থিরতা ও ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকির উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। শ্রীলঙ্কা, তিউনিসিয়া এবং পেরুতে খাদ্য ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি বিক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোতেও এর প্রভাব পড়ছে। গত এপ্রিল মাসে প্রায় ১ কোটি ব্রিটিশ নাগরিক খাদ্য ব্যয় কমিয়ে দিয়েছে এবং ফ্রান্স দরিদ্র পরিবারগুলোতে খাদ্য ভাউচার দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। খাদ্য ও জ্বালানির মূল্যের বৃদ্ধির কারণে মুদ্রাস্ফীতির ফলে তা মার্কিন প্রচারাভিযানের ইস্যু হয়ে উঠেছে। কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে এটি একটি পরিবর্তন আনতে পারে।

অর্থনীতিবিদ অ্যালান ব্লাইন্ডার ও জেরেমি রুড যুক্তি দেন যে, ৭০এর দশকের অস্থিরতা জ্বালানি এবং খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধির কারণে হয়েছিল। ফলে খাদ্য নিরাপত্তা সংকট নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকারদের ভাবা দরকার। স্থানীয় সরবরাহ রক্ষার জন্য বেশ কয়েকটি দেশ দ্বারা আরোপিত বাণিজ্য বিধিনিষেধের প্রভাবও খাদ্য মূল্যস্ফীতিকে ত্বরান্বিত করছে। রাশিয়ার সূর্যমুখী তেলের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার কারণে গত এপ্রিলে ইন্দোনেশিয়া পাম ওয়েল রপ্তানি নিষিদ্ধ করে। গত সপ্তাহে ভারতও গম রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

খাদ্য সহায়তা প্রদানের জন্য বিশ্বব্যাপী প্রচেষ্টা ঐতিহাসিকভাবে বেহাল এবং কখনো কখনো বিপরীতমুখী হয়েছে। বিশ্বের বৃহত্তম খাদ্য সহায়তা প্রদানকারী দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নগদ অর্থ নয় বরং আমেরিকান-উৎপাদিত খাদ্যের বেশি প্রয়োজন। একই সঙ্গে সরবরাহের অর্ধেক যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব খরচে হওয়া দরকার। সম্প্রতি আফ্রিকান দেশগুলোর জন্য অনুমোদিত একটি খাদ্য সহায়তা বিলে দেখা যায় যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২৮২ মিলিয়ন ডলারের খাদ্য পণ্য পরিবহনে ৩৮৮ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করবে।

অর্থনীতিবিদ ও খাদ্য সহায়তাবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, শুধু খাদ্য মজুত না করে নগদ অর্থ এবং দক্ষতার দিকে মনোনিবেশ করা উচিত। কৃষকদের তাদের জলবায়ু ও মাটির অবস্থার সঙ্গে খাপ খাইয়ে স্থানীয়ভাবে ফসল উৎপাদনে সাহায্য করা অনেক কম ব্যয়বহুল এবং অনেক বেশি কার্যকর।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইইউ, আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিলের মতো খাদ্য ও সার রপ্তানিকারকদের বাণিজ্য বিধিনিষেধ আরোপ না করার বিষয়ে সম্মত হওয়া উচিত এবং ভারতের উচিত তাদের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া। ইউক্রেন থেকে খাদ্যশস্য বের করার উপায়গুলো জাতিসংঘের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিবেচনা করা উচিত। চীন সারের ওপর রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে এবং ভুট্টা, চাল ও গমের মজুত হ্রাস করে অবদান রাখবে এই সম্ভাবনা ক্ষীণ। রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানি বন্ধের কারণে যে ক্ষতি হচ্ছে সে বিষয়ে বিভিন্ন দেশকে সহায়তার পরিকল্পনা ভালো ভাবেই চলছে। তবে জ্বালানির দামও কমিয়ে আনতে হবে। কিন্তু খাদ্য সংকট দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং আরও লাখ লাখ মানুষকে প্রভাবিত করবে। যুদ্ধ শেষ হলেও জলবায়ু পরিবর্তন খাদ্য সরবরাহকে প্রভাবিত করতে থাকবে। সে কারণে বৈশ্বিক নেতাদের যে উপদেশটি মনে রাখা দরকার তা হলো যে, যেমন কর্ম তেমন ফল।

নিউজ ট্যাগ: ইউক্রেন

আরও খবর



খিলক্ষেতে ভেকুর ধাক্কায় ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৩২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় ভেকু মেশিনের সঙ্গে ধাক্কা লেগে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা বনলতা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেছে। এ ঘটনায় দুর্ঘটনা কবলিত রেললাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

তবে পাশের লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল অব্যাহত আছে। বুধবার (১৮ মে) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন কমলাপুর স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সরোয়ার।

তিনি জানান, দুপুরে খিলক্ষেত বনরুপা এলাকায় রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা বনলতা এক্সপ্রেস’ নামে একটি ট্রেনের লাইনের পাশে থাকা ভেকু মেশিনের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। ঘটনার পর একটি লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, অপর লাইন দিয়ে চালু আছে।

বিমানবন্দর রেলস্টেশনের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) কামরুল হাসান জানান, ভেকু মেশিনটি রেললাইনের পাশে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছিল।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেনের লাইনটি চালু হয়নি। তবে শিগগিরই তা চালু হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ঠরা।


আরও খবর