Logo
শিরোনাম

করোনা: দৈনিক সংক্রমণ সাড়ে ৫ লাখের নিচে

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ১৬৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চলমান করোনা মহামারিতে বিশ্বজুড়ে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা আরও কমেছে। একইসঙ্গে আগের দিনের তুলনায় কমেছে নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা নেমেছে প্রায় দেড় হাজারে। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা নেমে এসেছে সাড়ে ৫ লাখের নিচে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে জার্মানিতে। অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে রাশিয়া। প্রাণহানির তালিকায় এরপরই রয়েছে জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া, ইতালি, থাইল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র। এতে বিশ্বব্যাপী করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫০ কোটি ৯০ লাখের ঘর। অন্যদিকে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৬২ লাখ ৪১ হাজার।

রোববার (২৪ এপ্রিল) সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ৫৩৬ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে প্রায় এক হাজার। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৬২ লাখ ৪১ হাজার ৮৬৫ জনে।

একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ লাখ ৪৮ হাজার ১৯৩ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে ১ লাখের বেশি। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ কোটি ৯০ লাখ ৬৩ হাজার ৫৪৩ জনে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে বৈশ্বিক মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর



ঈদের সকালে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৫৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঈদের দিন সকালে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কালবৈশাখী ঝড় ও মৃদু থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে নামাজ শেষে বাসায় ফিরতে ভোগান্তিতে পড়েন মুসল্লিরা।

বৃষ্টি হওয়ার পূর্বাভাস আগেই দিয়েছিল আবহাওয়া অধিদফতর। এরই ধারাবাহিকতায় ভোর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে।

এদিকে সকালে আকাশে মেঘ থাকায় মুসল্লিরা ঘর থেকে ছাতা নিয়ে বের হন। বৃষ্টির কারণে নামাজ শেষে বাসায় ফিরতে অনেকেই বিপাকে পড়েন। খোলা আকাশের নিচে ঈদগাহে জামাত আয়োজনে বিপত্তি দেখা দেয়। তবে বৃষ্টি হওয়ায় গরম থেকে রক্ষা পেয়েছে মানুষ। এতে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেকে।

আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া দুপুর ১২টার পর খুলনা, বরিশাল, কুমিল্লা ও নোয়াখালীর দিকে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়াবিদ ও গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ জানান, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল বিভাগে কালবৈশাখী ঝড় হয়েছে। ঢাকায় সকাল ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে।  এছাড়া নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জেও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

গোপালগঞ্জ, খুলনা, মাদারীপুর, শরিয়তপুর, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও চট্টগ্রামে বৃষ্টিপাত হতে পারে দুপুর ১২টার দিকে। এছাড়া খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সকল জেলায় ভারী বৃষ্টিপাতের শতভাগ সম্ভাবনা রয়েছে।

এর আগে সোমবার দিবাগত রাত ২টার দিকে মোস্তফা কামাল পলাশ জানান, মধ্যরাতের পরে ভারতের বিহার রাজ্য থেকে আগত একটি কালবৈশাখী ঝড় রাজশাহী বিভাগ দিয়ে বাংলাদেশের প্রবেশ করবে রাত ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে। এটি রাজশাহী বিভাগের জেলাগুলোর উপর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে বগুড়া, নওগাঁ, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, ঢাকা, পাবনা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরিয়তপুর, মুন্সিগঞ্জ, নরায়নগঞ্জ, কুমিল্লা জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

এই আবহাওয়াবিদ আরও জানান, যেহেতু বিহার থেকে আসা ঝড়টি রাজশাহী বিভাগের উপর দিয়ে প্রবেশ করেছে, তাই এর প্রভাবে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই। মেঘালয় পর্বতমালার ওপর কালবৈশাখী ঝড় হওয়ার মতো কোনো মেঘের উপস্থিতি দেখা যায়নি।


আরও খবর



করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ২১

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ এপ্রিল 20২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এই সময়ে ২১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। শুক্রবার (২২ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) করোনায় কেউ মারা যাননি। আর এই সময়ে ২৮ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৯১৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৫৪ শতাংশ।

নতুন রোগীদের নিয়ে মহামারির মধ্যে এ পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ১৯ লাখ ৫২ হাজার ৫০৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এ পর্যন্ত ২৯ হাজার ১২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের শেষে চীনের উহানে প্রথম করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ে। এরপর কয়েক মাসের মধ্যে এ ভাইরাস সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। দেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ মার্চ। আর প্রথম মৃত্যু হয় একই বছরের ১৮ মার্চ।


আরও খবর



এ বছর ডেঙ্গু বাড়ার শঙ্কা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৬৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ চলতি বছর বাড়তে পারে- এমন আশঙ্কা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের। তারা বলছেন, সম্প্রতি মৌসুমপূর্ববর্তী এডিস মশা জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে, বিগত যে কোনো সময়ের তুলনায় এ বছর ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় এডিস মশার লার্ভা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পাওয়া গেছে। বিশেষ করে রাজধানীর উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ৩৮, ৪০, ৪৫নং ওয়ার্ড এবং দক্ষিণ সিটির (ডিএসসিসি) ২০ ও ৩২নং ওয়ার্ড বেশি ঝুঁকিপূর্ণ, যা ২০১৯ সালের ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাবের তুলনায় অনেক বেশি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা এ জরিপ করে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০১৯ সালের মতো ডেঙ্গু মহামারী পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়া রোধে এখন থেকেই নিতে হবে আগাম প্রস্তুতি। জরিপ অনুযায়ী, ডিএনসিসির ৪৫নং ওয়ার্ডে সর্বোচ্চ ব্রুটো ইনডেক্স (মশার ঘনত্ব) ২৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। ৩৮ ও ৪০নং ওয়ার্ডে ব্রুটো ইনডেক্স ২০ শতাংশ। এসব এলাকায় পরিত্যক্ত কনটেইনারে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে সর্বোচ্চ ২৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এ ছাড়া জলমগ্ন মেঝে ও প্লাস্টিক কনটেইনারে বেশি মাত্রায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে ডিএসসিসির ২০ ও ৩২নং ওয়ার্ডে এডিস মশার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে। এই দুটি এলাকায় ব্রুটো ইনডেক্স ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এসব এলাকায় পরিত্যক্ত কনটেইনার, প্লাস্টিক ড্রামে এডিস মশার লার্ভা সবচেয়ে বেশি ২৩ দশমিক ১৯ শতাংশ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া জলমগ্ন মেঝেতে ২১ দশমিক ৭৪ শতাংশ লার্ভা পাওয়া গেছে। রাজধানীর দুই সিটির ৯৮টি ওয়ার্ডের ১১০টি সাইটে তিন হাজার ১৫০টি বাড়িতে এই প্রাক-মৌসুম জরিপ চালানো হয়। ২১টি দল ১০ দিন ডিএনসিসির ৪০টি এবং ডিএসসিসির ৫৮টি ওয়ার্ডে এই জরিপ চালায়। এর মধ্যে উত্তর সিটির ৬৩টি এবং দক্ষিণ সিটির ৯৬টি বাড়িতে এডিস মশা অতিরিক্ত মাত্রায় চিহ্নিত হয়েছে।

জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল এবং এডিসবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির সাবেক ডিপিএম ডা. এমএম আক্তারুজ্জামান বলেন, জরিপের রিপোর্টের তথ্যমতে, মৌসুমের আগেই অনেক স্থানে এডিস মশা জন্ম নিচ্ছে। যে মাত্রায় এটি বাড়ছে তা অস্বাভাবিক। এই সার্ভে থেকে এটিই প্রতীয়মান হয়- মৌসুম শুরু হলে এটি আরও বিস্তৃতি লাভ করবে। ম্যালেরিয়া নির্মূল হয়, কিন্তু ডেঙ্গুর নির্মূল নেই। তাই কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। বিশেষ করে ডাবের খোসা, পরিত্যক্ত টায়ার, পানির বোতল, ফুলের টব, ট্রে, মাটির পাত্র ইত্যাদি যত্রতত্র কোনোভাবেই ফেলে রাখা যাবে না। বিষয়টি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এই সার্ভে রিপোর্টকে গুরুত্ব দিয়ে এখনই জনগণকে সম্পৃক্ত করে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করতে হবে। ডেঙ্গুপ্রবণ এলাকাগুলোতে কার্যকর ইনসেকটিসাইড ব্যবহার করতে হবে।

গত তিন বছরের সঙ্গে তুলনামূলক চিত্রে দেখা যায়, ২০১৯ সালে প্লাস্টিক ড্রামে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায় ১১ দশমিক ৪৩ শতাংশ, সেখানে ২০২২ সালে মৌসুমপূর্ব জরিপে লার্ভার পরিমাণ দ্বিগুণের বেশি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ দশমিক ৯৮ শতাংশ। ২০১৯ সালে জলমগ্ন ফ্লোরে লার্ভা ছিল ২০ শতাংশ, এখন সেটি ২৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ। প্লাস্টিক বালতিতে ছিল ছিল ১১ দশমিক ৪৩ শতাংশ, চলতি বছর তা ১৪ দশমিক ৪ শতাংশ। পানির ট্যাংকে ছিল ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ, এ বছর ১০ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

এ প্রসঙ্গে কথা হয় কীটতত্ত্ববিদ ড. মঞ্জুর আহমেদ চৌধুরীর সঙ্গে। তিনি বর্তমানে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ডেঙ্গুর সার্ভে মৌসুমের আগে বা পরে করলে হবে না। এটি সারাবছরই করতে হবে। বিশেষ করে নির্দিষ্ট অঞ্চলে, যেখানে ডেঙ্গুর ভাইরাস শনাক্ত হয়। আধুনিক পদ্ধতিতে ভাইরাসের সার্ভেইলেন্স করতে হবে। কোনো এলাকায় রোগী পাওয়া গেলে সেই বাড়িগুলো চিহ্নিত করতে হবে। তাদের সতর্ক করতে হবে, পর্যাপ্ত ফগিং করতে হবে। যাতে রোগটি আর ছড়িয়ে পড়তে না পারে। তা ছাড়া রাজধানীর চারপাশের জলাশয় দূষিত হয়ে পড়েছে। ফলে কিউলেক্স মশা ব্যাপক হারে বেড়েছে। এটিও উদ্বেগজনক, এদিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

এদিকে ২০১৮ সালে প্রণীত ন্যাশনাল গাইডলাইন ফর ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট অব ডেঙ্গু সিনড্রোম বর্তমানে অচল বলে মনে করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। গাইডলাইনে রোগীদের মধ্যে এক্সপান্ডেড ডেঙ্গু সিনড্রোম খুবই বিরল হিসেবে উল্লেখ করা হলেও এখন তা আর বিরল নেই, বরং সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এক্সপান্ডেড ডেঙ্গু সিনড্রোম, অর্থাৎ লিভার, কিডনি, মস্তিষ্ক ও হৃৎপিণ্ডের জটিলতা তৈরি হতে সময় লাগছে না।

চিকিৎসকরা বলছেন, ২০১৯ সালে ডেঙ্গু হলে পাঁচ দিনের আগে অবস্থা জটিল হতো না। এ বছরে তিন থেকে চার দিনের মধ্যে রক্তচাপ নেমে যাচ্ছে, পেটে-বুকে পানি চলে আসছে, রক্তক্ষরণ হচ্ছে, চট করে শকে চলে যাচ্ছে রোগী। এবার ডেঙ্গু শক সিনড্রোমের রোগীদের ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশের এক্সপান্ডেড ডেঙ্গু সিনড্রোম দেখা যাচ্ছে। গতবার এটি ছিল ৫ থেকে ১০ শতাংশ।

নিউজ ট্যাগ: ডেঙ্গু জ্বর

আরও খবর



করোনায় প্রথম মৃত্যুর ঘোষণা উ. কোরিয়ার

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৫৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করল উত্তর কোরিয়া। একই সঙ্গে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, সে দেশে আরও হাজার হাজার মানুষ মধ্যে জ্বরের লক্ষণ রয়েছে। স্থানীয় সময় আজ শুক্রবার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, কোভিডের ওমিক্রন ভ্যারিয়্যান্টে আক্রান্ত হওয়ার পর এক জনসহ জন্য জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মোট ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আরও বলছে—জ্বরে আক্রান্ত এক লাখ ৮৭ হাজার ব্যক্তিকে সঙ্গনিরোধে রেখে চিকিত্সা’ করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞেরা মনে করেন উত্তর কোরিয়ায় বেশ অনেক দিন ধরেই করোনাভাইরাসের উপস্থিতি রয়েছে। কিন্তু, দেশটির কর্তৃপক্ষ গতকাল বৃহস্পতিবার প্রথম বারের মতো কোভিডে আক্রান্ত রোগীর তথ্য জানায়।

উত্তর কোরিয়া বলছে দেশটির রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে ওমিক্রন ভ্যারিয়্যান্টের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে, এবং সেখানে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। তবে, কত জন কোভিডে আক্রান্ত হয়েছে, সে তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

তবে আজ শুক্রবার একটি হালনাগাদ তথ্যে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ জানিয়েছে যে, ওমিক্রনের প্রাদুর্ভাবটি রাজধানীর বাইরেও ছড়িয়েছে।

কেসিএনএ বলছে, এপ্রিলের শেষ দিক থেকে এক ধরনের জ্বর দেশব্যাপী বিস্ফোরকের মতো ছড়িয়ে পড়ে। এ জ্বরের কারণ শনাক্ত করা যায়নি।’

প্রায় সাড়ে তিন মানুষের মধ্য ওই জ্বরের লক্ষণ দেখা গেছে বলে কেসিএনএ’র খবরে বলা হয়েছে। তবে, জ্বরে আক্রান্তদের মধ্য কতজন কোভিড পরীক্ষায় পজিটিভ হয়েছে, তা জানায়নি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমটি।

বিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের সর্বশেষ পরিসংখ্যানে এক ধরনের জ্বর’ দেশটিতে ছড়িয়ে পড়ার কথা স্বীকার করা যে ইঙ্গিত দিচ্ছে, তা হলো—খুব সম্ভবত দেশটি অভূতপূর্ব এক প্রাদুর্ভাবের কবলে পড়েছে।

বিশেষজ্ঞেরা আরও বলছেন ২৫ মিলিয়ন জনসংখ্যার দেশ উত্তর কোরিয়া অপ্রতুল টিকাদান কর্মসূচি ও দুর্বল স্বাস্থ্যসেবার কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় গত বছর উত্তর কোরিয়াকে কয়েক মিলিয়ন অ্যাস্ট্রাজেনেকা কোভিড টিকা এবং চীনের তৈরি টিকা সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু, উত্তর কোরিয়া সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। উলটো দেশটি দাবি করে তারা ২০২০ সালের জানুয়ারির শুরুর দিকে নিজেদের সীমান্ত বন্ধ করে দিয়ে করোনা নিয়ন্ত্রণ করেছে।

উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার স্থল সীমান্ত রয়েছে। চীন ও দক্ষিণ কোরিয়াকে করোনা মহামারির বিরুদ্ধে লড়তে হয়েছে। এর মধ্যে চীন বর্তমানে দেশটির বড় শহরগুলোতে লকডাউন দিয়ে ওমিক্রনের প্রকোপ ঠেকানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে।

আজ শুক্রবার কেসিএনএ জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন দেশটির একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন এবং কোভিড-১৯-এর দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে জানতে পেরেছেন।’

উত্তর কোরিয়ার বর্তমান পরিস্থিতিটিকে কেসিএনএ তাত্ক্ষণিক জনস্বাস্থ্য সংকট’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

কোভিড-সংক্রান্ত নতুন বিধি-বিধানের রূপরেখা তৈরির এক বৈঠকে গতকাল বৃহস্পতিবার কিমকে টেলিভিশনে মাস্ক পরা অবস্থায় দেখা গেছে। বলা হচ্ছে, প্রথম বারের মতো কিমকে মাস্ক পরতে দেখা গেল।

বৈঠকে কিম সর্বাধিক জরুরি’ ভিত্তিতে ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে নির্দেশ দেন। কিমের নির্দেশের মধ্যে স্থানীয় লকডাউন এবং কর্মক্ষেত্রে বেশি লোক একসঙ্গে জড়ো হওয়ায় বিধিনিষেধের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উত্তর কোরিয়ার করোনার মহামারির শুরু থেকেই দাবি করে আসছে যে, তারা কোভিড মহামারি প্রতিরোধে উজ্জ্বল সাফল্য’ পেয়েছে। কিন্তু, দেশটিতে মহামারিকালজুড়ে কোভিডের সম্ভাব্য উপস্থিতির লক্ষণ দেখা গেছে। মাঝে মধ্যেই অসমর্থিত সূত্রে খবর পাওয়া যেত যে, উত্তর কোরিয়ায় করোনায় আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে এবং হ্যাজমাট স্যুট পরা কর্মীদের দেখা গেছে।


আরও খবর



‘শেখ রাসেলকে হত্যার ঘটনা কারবালার নিষ্ঠুরতাকেও হার মানিয়েছে’

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ এপ্রিল 20২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৮২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শেখ রাসেলকে হত্যার ঘটনা কারবালার নিষ্ঠুরতাকেও হার মানিয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শুক্রবার (২২ এপ্রিল) রাজধানীর  শেখ রাসেল রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদ আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি  এ কথা বলেন।

শ ম রেজাউল করিম  বলেন, পৃথিবীতে যত রাষ্ট্র ক্ষমতার পরিবর্তন, অভ্যুত্থান ও অন্যান্য ঘটনা ঘটেছে কোথাও এত বড় নিষ্ঠুরতা দেখা যায়নি, যেটা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু পরিবারের সবচেয়ে কনিষ্ঠ সদস্য নিষ্পাপ শিশু শেখ রাসেলকে বর্বরোচিতভাবে হত্যার মাধ্যমে ঘটেছিল।

মন্ত্রী আরও বলেন, শেখ রাসেল আমাদের প্রেরণার জায়গা। শেখ রাসেল ছিল অমিত সম্ভাবনাময় এক প্রতিভা। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সবচেয়ে ভালোবাসা ও স্নেহের ছিল শিশু শেখ রাসেল।

তিনি বলেন, শেখ রাসেলের স্বপ্ন তিমিরেই নস্যাৎ করে দিয়েছিল এদেশের বর্বর, খুনি, কুলাঙ্গাররা, যার নেপথ্যে ছিল জিয়াউর রহমান। তার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিল বঙ্গবন্ধুর খুনিরা। ১৫ আগস্টের নিকৃষ্ট ঘটনা ঘটাতে জিয়াউর রহমান খুনিদের এগিয়ে যেতে বলেছিল। পরে খুনিদের বিভিন্ন দেশে পুনর্বাসিত করেছিল জিয়া। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু ও শেখ রাসেলের খুনের বিচার করা যাবে না এ অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করেছিল জিয়াউর রহমান।

রেজাউল করিম বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বেঁচে না থাকলে বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক পূর্ব পাকিস্তানের মতো থাকতো। আজ দেশের উন্নয়ন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এসব কিছু শেখ রাসেলের বড় বোন শেখ হাসিনার হাত ধরে সম্ভব হয়েছে।

শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের সম্পৃক্ত শিশু-কিশোররা যেন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত না হয়, মাদকাসক্ত না হয়, ভুল পথে না যায় এবং শেখ রাসেলের মতো নিষ্পাপ জীবন গড়ে তুলতে পারে, সে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের মহাসচিব কে এম শহীদুল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ রতনসহ পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর