Logo
শিরোনাম

করোনার টিকা ব্যবস্থাপনা: দশে দশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৮ অক্টোবর ২০২১ | ১৩৭৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
একবার টিকা নেওয়ার এক মাস পর দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিতে হবে। প্রথম ডোজ টিকা নেওয়ার ১০ দিন পর মাত্র ৫২ ভাগ ইমিউনিটি অর্জিত হয় বলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন

আব্দুল কাইয়ুম

আজ ১০ ফেব্রুয়ারি সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে করোনার টিকা নিতে গিয়ে আমি তো হতবাক! এমন চমৎকার ব্যবস্থা কল্পনাও করিনি। আমার সাংবাদিক পরিচয় না দিয়ে ভাবলাম, দেখি তো কী হয়? একটি টেবিলে তিন-চারজন কর্মী কাজ করছেন। আমার অনলাইনে করা রেজিস্ট্রেশন কার্ড দিলাম। চট করে কর্মীরা তাঁদের ফাইলে রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখে পাঠিয়ে দিলেন ৬ নম্বর বুথে। পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ডাক এল। একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নার্স আমাকে বললেন, কিছু না, টেরই পাবেন না। এই তো হয়ে গেল। তারপরই বললেন, হয়ে গেছে। বাইরে আধঘণ্টা বসে তারপর যেতে পারেন।

আমি তো অবাক। ত্বকে কখন সুই ফোটানো হলো টেরই পাইনি। এত সরু সুই আমি আগে কখনো দেখিনি। আজ পর্যন্ত বিভিন্ন সময় অন্তত কয়েক শ বার ইনজেকশন দিয়েছি। প্রতিবারই একটু চোখ বন্ধ করে, দম আটকিয়ে ব্যথা সহ্য করতে হয়েছে। কিন্তু এবারই প্রথম, ইনজেকশন কখন নিলাম, টেরই পেলাম না।

ভাবছিলাম কতই না অব্যবস্থাপনা দেখব। লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। কিন্তু কিছু না। প্রশস্ত হলঘর। আট-দশটি বুথ। প্রতিটি বুথের সামনে বসার আসন। আসুন, বসুন, ইনজেকশন নিন, ব্যস, এবার নিশ্চিন্তে চলে যান। এ তো ভাবাই যায় না। টিকা নিতে আসছেন মানুষ। আবার যত জনের ব্যবস্থা, প্রায় সমানসংখ্যক মানুষ আসছেন। কোনো চেয়ার ফাঁকা নেই, আবার উপচে পড়া ভিড়ও নেই। দুই মিনিটে ইনজেকশন শেষ, ২০-৩০ মিনিট বসে বিশ্রাম। মানুষ আসছেন আর যাচ্ছেন।

এত চমৎকার ব্যবস্থাপনার জন্য সরকারের দক্ষতা সত্যি এক রেকর্ড। এর আগে আমরা দেখেছি করোনার সোয়াব টেস্টের জন্য কিছু ভুয়া ক্লিনিক গজিয়ে উঠেছে। হাজার হাজার টাকা নিয়ে মানুষকে মিথ্যা রিপোর্ট দিয়েছে। সরকার তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে একটা বার্তা দিয়েছে যে এ ধরনের অপকর্মের শাস্তি ভোগ করতে হবে। সরকার এবার টিকার ব্যাপারে বেসরকারি ভুয়া ক্লিনিকের কারসাজি বন্ধে দৃঢ় ব্যবস্থা নিয়েছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় টিকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। হয়তো কিছুদিন পর বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিককে সুযোগ দিতে পারে। সেটা সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়। কিন্তু জালিয়াত চক্র যেন কোনোভাবেই ঢুকে না পড়ে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

মানুষ যেন প্রতারিত না হয়। হাজার হাজার টাকা লাগবে, আবার পরে হয়তো দেখা যাবে করোনার নকল ইনজেকশনের ব্যবসা শুরু হয়ে গেছে! এ ব্যাপারে যেকোনো সিদ্ধান্তের আগে নিরাপত্তা শতভাগ নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের বিশ্বাস, সরকার এসব বিষয়ে সচেতন।

প্রথম দিকে মানুষ কিছুটা দ্বিধায় ছিল। টিকা নিলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা ভাবছিল। কিন্তু এখন তো মন্ত্রী, জনপ্রতিনিধি, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি সবাই টিকা নিচ্ছেন এবং সুস্থই আছেন। তাঁরা সবাইকে টিকা নিতে বলছেন। তাই মানুষের দ্বিধা-দ্বন্দ্ব কেটে যাচ্ছে। করোনাভাইরাস নির্মূল করতে টিকার বিকল্প নেই। মানুষ তো মরবেই, অর্থনীতিও ভেঙে পড়বে। তাই সরকার যে প্রথম থেকেই টিকা কেনার ব্যবস্থা নিয়েছে, সেটা ছিল সময়োচিত উদ্যোগ। এ না হলে দেশে সারা বছর করোনার বিপর্যয় ঘুরেফিরে চলত।

টিকা ছাড়া শুধু সাধারণ চিকিৎসায় এই ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচা কঠিন। আমরা তো দেখলাম আমাদের সহকর্মী, যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান খান, সংবাদের সম্পাদক মুনীরুজ্জামানসহ কত সিনিয়র সাংবাদিক, চিকিৎসক, অধ্যাপকসহ অগণিত সাধারণ মানুষ কত অসহায়ভাবে মৃত্যুবরণ করলেন। এভাবে চললে অন্তত দুই বছরে অগণিত মানুষের রোগ-শোক-মৃত্যুর পর হয়তো করোনাভাইরাসে হার্ড-ইমিউনিটি অর্জন করা সম্ভব হতো। কিন্তু সেটা হতো সবচেয়ে অমানবিক একটা ব্যাপার। সরকার যে সেটা বুঝে সময়োচিত উদ্যোগ নিয়েছে, তা এক সাংঘাতিক সুবিবেচনার পরিচয়।

এখন আমাদের দেখতে হবে যেন দেশের অন্তত ৮০-৮৫ ভাগ মানুষ টিকা নিয়ে করোনামুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারেন। এ জন্য সরকারের উদ্যোগই হবে মূল। দেশের অন্তত ১৩-১৪ কোটি মানুষের টিকার ব্যবস্থা করা দরকার। এ জন্য টাকা লাগবে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিল গেটসসহ অনেক ব্যক্তি টিকার ব্যবস্থা করার জন্য হাজার হাজার কোটি ডলার দান করেছেন। অনুন্নত দেশে বিনা পয়সার ব্যবস্থা করার আন্তর্জাতিক উদ্যোগ রয়েছে। আমাদের দেশের শিল্পপতিরাও নিজ দেশের সাধারণ মানুষের জন্য বিনা পয়সায় টিকার ব্যবস্থা করার জন্য সীমিত পর্যায়ে হলেও উদ্যোগ নিতে পারেন।

একবার টিকা নেওয়ার এক মাস পর দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিতে হবে। প্রথম ডোজ টিকা নেওয়ার ১০ দিন পর মাত্র ৫২ ভাগ ইমিউনিটি অর্জিত হয় বলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন। তিন-চার সপ্তাহের মধ্য প্রায় ৯৫ ভাগ ইমিউনিটি নিশ্চিত। দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার দিন দশেকের মাথায় মোটামুটি করোনাপ্রতিরোধী হওয়া সম্ভব। তাই প্রথম টিকা নেওয়ার পর আগের মতোই সবাইকে মাস্ক পরে চলাফেরা করতে হবে। এটা যতটা না নিজের নিরাপত্তার জন্য, তার চেয়ে বেশি অন্যদের সংক্রমণমুক্ত রাখার জন্য। কারণ, করোনার টিকায় নিজে রোগপ্রতিরোধী হলেও শ্বাস-প্রশ্বাস, হাঁচি-কাশির মাধ্যমে অন্যদের করোনায় সংক্রমিত করতে পারে। তাই অন্তত আরও বেশ কয়েক মাস, অন্তত এই বছরটা মাস্ক পরা অব্যাহত রাখা জরুরি।

কেউ যেন ভাববেন না, আমাদের এলাকায় করোনা নেই, টিকার দরকার কী? না, এটা ভুল। আজ হয়তো নেই, কিন্তু কাল করোনা এসে যাবে। গ্রামের পর গ্রাম ছারখার হয়ে যেতে পারে। তাই করোনার টিকা উপেক্ষা করা যাবে না। অন্তত ১০ বছরের বেশি বয়সের সবাইকে করোনার টিকা নিতে হবে। পর্যায়ক্রমে সে ব্যবস্থা সরকার করবে, এটাই আমরা চাই।

সূত্র: প্রথম আলো


আরও খবর

এই দুঃখ কোথায় রাখি?

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১




এ মাসেই স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স দেবে বিআরটিএ

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ অক্টোবর ২০২১ | ৯৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আটকে থাকা ১২ লাখ ৪৫ হাজার স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রত্যাশীদের হতাশা কাটতে যাচ্ছে। অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স দেয়া শুরু করবে সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বিআরটিএ ও সেনাবাহিনীর অধীন মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (বিএমটিএফ) প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানায়, রাজধানীর পল্লবীতে স্থাপিত এনরোলমেন্ট স্টেশনে আবেদনকারীদের আঙ্গুলের ছাপ নেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আটকে থাকা সব ড্রাইভিং লাইসেন্স আগামী ৬ মাসের মধ্যে সরবরাহ শেষ করা হবে।

বিআরটিএর পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শীতাংশু শেখর বিশ্বাস বলেন, অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে ধাপে ধাপে সব ড্রাইভিং লাইসেন্স সরবরাহের জন্য সব ধরনের প্রস্ততি নেওয়া হয়েছে।

বিআরটিএর এই কর্মকর্তা আরও বলেন, গত ২৯ আগস্ট বিএমটিএফের সঙ্গে বিআরটিএর এ সংক্রান্ত চুক্তি সই হয়েছে। চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি হচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রায় দুই বছর ধরে লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও ড্রাইভিং লাইসেন্স পাচ্ছেন না ১২ লাখ ৪৫ হাজার গাড়িচালক।

বিআরটিএর সড়ক নিরাপত্তা বিভাগের পরিচালক মাহবুব-ই-রব্বানী বলেন, দ্রুত স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্ড ছাপার কাজ শুরু হচ্ছে। বিএমটিএফ এই উদ্যোগ নিয়েছে।



আরও খবর



এবার মাদরাসার ৬ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দিলেন শিক্ষক

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ অক্টোবর ২০২১ | ৮৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

এবার লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ছয় মাদরাসা ছাত্রের চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মঞ্জুরুল কবির মঞ্জু নামের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

গত বুধবার মাদরাসার বারান্দায় ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গেছে। এ ঘটনার এক মিনিট ১০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও আজ শুক্রবার সকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায়। এতে দেখা যায়, শিক্ষক মঞ্জুরুল কবির মঞ্জু দাখিল শিক্ষার্থীদের ইচ্ছের বিরুদ্ধে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে কাঁচি দিয়ে চুল কেটে দিচ্ছেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানায়, বুধবার শ্রেণিকক্ষে পাঠ কার্যক্রমে অংশ নেয় তারা। একপর্যায়ে শিক্ষক মঞ্জুরুল কবির ছয়জনকে দাঁড় করিয়ে কক্ষের সামনের বারান্দা আসতে বলেন। এসময় তিনি উত্তেজিত হয়ে একটি কাঁচি এনে একে-একে মাথার টুপি সরিয়ে সামনের অংশের এলোমেলোভাবে চুল কেটে দেন। পরে তারা লজ্জায় ক্লাস না করেই বেড়িয়ে যায়।

অভিযুক্ত শিক্ষক মঞ্জুরুল কবিরের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেও পাওয়া যায়নি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তার এক ঘনিষ্ঠজন জানান, ছাত্রদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে থাকা ও নৈতিক শিক্ষা দেওয়ার জন্যই ঘটনাটি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বামনী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন বলেন, মঞ্জুরুল কবির ইউনিয়ন জামায়াতের আমির। তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে সবসময় দলীয় প্রভাব বিস্তার করেন।

হামছাদী কাজীরদীঘিরপাড় আলিম মাদরাসার সুপার মাওলানা বালাকাত উল্যা বলেন, চুল কাটার ঘটনাটি শুনেছি। তবে, কোনো ছাত্র লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক (ডিসি) আনোয়ার হোছাইন আকন্দ বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে আমি অবগত নই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর সিরাজগঞ্জ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪ শিক্ষার্থীর মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় দেশব্যাপী তোলপাড় হয়। অপমান সটতে না পেরে শিক্ষার্থী নাজমুল হোসেন তুহিন ছাত্রাবাসে গিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটির রিপোর্টের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।


আরও খবর



পূজা উপলক্ষ্যে স্থলবন্দরে ৪ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ অক্টোবর ২০২১ | ৯৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ-ভারতের সব স্থলবন্দর দিয়ে ১২ অক্টোবর থেকে ৪ দিন বন্ধ থাকবে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। বেনাপোল কাস্টমস চেকপোস্ট হাউজ সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। তবে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও বন্দরের পণ্য খালাস এবং দুই দেশের মধ্যে যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।

পুজার ছুটি শেষে ১৬ অক্টোবর থেকে আবারও পণ্য বাণিজ্য শুরু হবে স্থলবন্দরগুলো দিয়ে। এদিকে টানা চার দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধের ঘোষণায় দেশের বাজারে পেঁয়াজ সরবরাহে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই পণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আমদানিকারকরা। 


আরও খবর

বেগমগঞ্জে আ’লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

বৃহস্পতিবার ২৮ অক্টোবর ২০২১




চুক্তির ৭ মাস পর দেশে পৌঁছালো সেরামের ১০ লাখ টিকা

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ অক্টোবর ২০২১ | ৭৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দীর্ঘ সাত মাসের অপেক্ষার পর দেশে পৌঁছালো ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের ১০ লাখ ডোজ কোভিশিল্ড টিকা। শনিবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে টিকার এই চালান ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছায়।

এর আগে বাংলাদেশকে ১০ লাখ ডোজ করোনার টিকা পাঠাতে গত বৃহস্পতিবার সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়াকে অনুমতি দিয়েছে ভারত সরকার। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র এই তথ্য জানিয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়াও নেপাল এবং মিয়ানমারকেও একই পরিমাণ টিকা দেওয়া হবে।

গত বছরের ডিসেম্বরে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তিন কোটি ডোজ টিকা কেনার জন্য সেরামের সঙ্গে চুক্তি সই করে বাংলাদেশ সরকার। চুক্তি অনুযায়ী, তাদের কাছ থেকে প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ টিকা পাওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের। সে ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি ও ২৩ ফেব্রুয়ারি আসে টিকার দুই চালান। এই দুই চালানে সরকার পায় মোট ৭০ লাখ ডোজ টিকা। তবে মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে ভারতে করোনা তীব্র আকার ধারণ করলে টিকা সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছিল সেরাম।

অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকা সরবরাহের চুক্তির কথা উল্লেখ করে সেরামের পরিচালক (সরকার ও নিয়ন্ত্রক বিষয়ক) প্রকাশ কুমার সিং গত আগস্টে ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্দাভিয়ার কাছে টিকা রপ্তানির অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মান্দাভিয়া গত ২০ সেপ্টেম্বর এক ঘোষণায় জানিয়েছিলেন যে ভারত ভ্যাকসিন মৈত্রী কর্মসূচির আওতায় অক্টোবরে উদ্বৃত্ত টিকা রপ্তানি পুনরায় শুরু করবে।


আরও খবর



দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়লেন সেনাপ্রধান

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৮ অক্টোবর ২০২১ | ১০০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য এরোস্পেস অ্যান্ড ডিফেন্স এক্সিবিশন-২০২১ এ অংশ নিতে সরকারি সফরে দক্ষিণ কোরিয়া গেলেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। গতকাল রোববার (১৭ অক্টোবর) দিনগত রাতে দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়ে যান তিনি। কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের চিফ অব স্টাফ জেনারেল ন্যাম ইয়ং শিন (Nam Yeong Shin) এর আমন্ত্রণে সিউলে অনুষ্ঠিতব্য ইন্টারন্যাশনাল এরোস্পেস এন্ড ডিফেন্স এক্সিবিশন-২০২১ এ অংশগ্রহণ করবেন সেনাবাহিনী প্রধান।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) সহকারী পরিচালক রাশেদুল আলম খান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার (১৮ অক্টোবর) সকালে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিবেন সেনাপ্রধান জেনারেল শফিউদ্দিন আহমেদ। সফরকালে দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী, জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ, সেনা ও বিমান বাহিনী প্রধান এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করবেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান। সাক্ষাৎকালে তিনি দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করবেন।

সফর শেষে আগামী ২৩ অক্টোবর সেনাবাহিনী প্রধানের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।


আরও খবর