Logo
শিরোনাম
শোক প্রকাশ করেছেন লিওনেল মেসি

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রোনালদিনহোর মায়ের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৬০জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ব্রাজিল কিংবদন্তি রোনালদিনহোর মায়ের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন লিওনেল মেসি। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রায় তিন মাস হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন বিশ্বকাপ জয়ী তারকার মা দোনা মিগুয়েলিনা। অবশেষে মারা যান তিনি।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে ব্রাজিলের পোর্তো অ্যালেগ্রে শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি।

প্রিয় বন্ধুর মায়ের মৃত্যুর খবর শুনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে স্টোরি শেয়ার করেছেন মেসি।

ছয়বারের ব্যালন ডি অর জয়ী লিখেছেন, রোনি, আমি নির্বাক। বিশ্বাসই হচ্ছে না। এই শোক সহ্য করার শক্তি হিসেবে পাশে আছি। সমবেদনা জানাই পরিবারের প্রতি। তোমার এই ক্ষতিতে খারাপ লাগছে। শান্তিতে চিরনিদ্রায় শায়িত হোন তিনি।

সম্প্রতি বেশ ঝড় ঝাপটা যাচ্ছে মেসির সাবেক বার্সা সতীর্থ রোনালদিনহোর উপর দিয়ে। জাল পাসপোর্ট দিয়ে প্যারাগুয়েতে প্রবেশ করায় করোনাকালীন প্রায় পুরোটা সময়ই তিনি দেশটির কারাগারে ছিলেন।

Share

আরও খবর



ঝিনাইদহে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১ | ৫০জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৩ আরোহী মারা গেছেন।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালের এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই সৌভিক বিশ্বাস (২৩) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী মারা যান। যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সোহেল রানা (২৮) ও আকরাম হোসেন (৩৭) নামে আরো দুই আরোহী।

নিহত সৌভিক ঝিনাইদহের কোটচাদপুর উপজেলার শিমুল বিশ্বাসের ছেলে। সোহেল ও আকরাম কালীগঞ্জ উপজেলার ভাটাডাঙ্গা গ্রামের জুয়েল রানা ও ছানারুদ্দিনের ছেলে।

ঝিনাইদহ সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার জানান, শুক্রবার বিকাল ৫ টার দিকে কালীগঞ্জ-কোটচাদপুর সড়কের পাতিবিলা নামক স্থানে মটরসাইকেল দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলে সৌভিক বিশ্বাস নিহত হয়। আরো ৪ আরোহী আহত হয়। তাদেরকে প্রথমে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। ৪ জনের মধ্যে দুজন সোহেল ও আকরাম সন্ধ্যা ৭ টার দিকে মারা যান, বাকি দুজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

Share

আরও খবর

সড়ক দুর্ঘটনায় ঝিনাইদহে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২

বৃহস্পতিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২১

ঝিনাইদহে যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ৯

বুধবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২১




জিয়া বাংলাদেশকে পেছনে নিয়ে যাওয়ার সকল ব্যবস্থা করেছিলেন: রেজাউল করিম

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৫৩জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছেন। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের উৎসাহিত করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর ১২জন খুনিকে ১২টি রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রক্ষার জন্য যে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ হয়েছিল

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে কোন অপচেষ্টাকারী অপপ্রচার দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে না পারে। ক্ষমতায় থাকলে সবসময় ভালো আছি এ কথা ভাবার কোন কারণ নেই। শত্রুর ষড়যন্ত্র ভেতরে থেকেও আসে। দেশে বঙ্গবন্ধু হত্যা ও যুদ্ধাপরাধের বিচার হয়েছে। এ জন্য আমরা আনন্দিত। এর পাশাপাশি মনে রাখতে হবে ৭৫র ১৫ আগস্টও আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল। দেশের ভেতর ও বাইরে তখনও ষড়যন্ত্র ছিলো, এখনো আছে। ইতিহাসের মীরজাফরদের তালিকায় খন্দকার মোশতাক, জিয়াউর রহমানসহ অনেকেই আছেন। তাদের স্বরূপ বুঝতে হবে। ইস্পাত কঠিন আদর্শিক দৃঢ়তা দিয়ে সকল ষড়যন্ত্রের ব্যুহ বেধ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোঃ রকিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য প্রদান করেন শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের মহাসচিব ও সংসদ সদস্য মাহমুদ উস্ সামাদ চৌধুরী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিপ্লব বড়ুয়া, সংসদ সদস্য মোঃ নজরুল ইসলাম বাবু ও সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আবেদীন খান।

তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদ একটি পরিশিলীত, পরিমার্জিত ও আদর্শিক সংগঠন হিসেবে নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোরদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্দীপ্ত করে তুলছে। মনোজাগতিক পরিবর্তনের মাধ্যমে সাংগঠনিকভাবে নতুন প্রজন্মকে প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে এ সংগঠনের ভূমিকা অসাধারণ। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বিস্তার ঘটাতে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ গড়তে ও আমাদের ভবিষ্যত নেতৃত্ব গড়ে তুলতে অনন্য ভূমিকা রাখছে এ সংগঠন। মনে রাখতে হবে আমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা আর ভরসাস্থল একজনই। তিনি বঙ্গবন্ধুর রক্ত ও আদর্শের উত্তরসূরি শেখ হাসিনা। তাঁর নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

১৯৭৫ পরবর্তী ইতিহাস তুলে ধরে শ ম রেজাউল করিম বলেন, জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছেন। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের উৎসাহিত করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর ১২জন খুনিকে ১২টি রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রক্ষার জন্য যে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ হয়েছিল জিয়াউর রহমানের স্বাক্ষরে তা আইনে পরিণত হয়েছে যার কারণে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচারের পথ রুদ্ধ হয়ে গিয়েছিল। এভাবে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে পেছনে নিয়ে যাওয়ার সকল ব্যবস্থা করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে ধ্বংস করেছিলেন। তিনি সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদকে কর্তন করে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক সংগঠন করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের রাজনীতিতে নিয়ে এসেছেন। এভাবে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে কার্যত পূর্ব পাকিস্তানে পরিণত করা হয়েছে।  মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ রাষ্ট্রগুলোকে শত্রু বানিয়ে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী রাষ্ট্রগুলোকে মিত্র বানানো হয়েছে।

বর্তমানে বাংলাদেশ দুইভাগে বিভক্ত। একটি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার একটি পক্ষ। অপরটি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী আওয়ামী লীগের বিরোধী পক্ষ। মন্তব্য করেন শ ম রেজাউল করিম।

এসময় বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর শেখ হাসিনার নেতৃত্বের জায়গায় থাকতে নতুন প্রজন্মকে অহ্বানও জানান মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

নিউজ ট্যাগ: শ ম রেজাউল করিম
Share

আরও খবর



চিকিৎসকের স্ত্রীর নির্যাতন: নিখোঁজ সেই গৃহকর্মী উদ্ধার

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৩১জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

হাসপাতাল থেকে নিখোঁজ হওয়ার ২৩ ঘণ্টা পর আত্মীয়ের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালের রেজিস্ট্রার ডা. সিএইচ রবিনের স্ত্রী রাখির নির্যাতনের শিকার শিশু গৃহকর্মী নিপা বাড়ৈকে (১১)।

শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টার দিকে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার আশোয়ার গ্রামের বিমলের বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে উজিরপুর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান জানান, শিশুটি হাসপাতাল থেকে নিখোঁজের খবর পাওয়ার পর থেকেই পুলিশ তার সন্ধানে নামে। এরপর ওই শিশুটির চাচা পরিচয়দানকারী তপন বাড়ৈর মামা শ্বশুর বিমলের বাড়ি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এদিকে শিশুটিকে চিকিৎসা না দিয়ে হাসপাতালে থেকে নিয়ে যাওয়ার কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিশুটির গ্রামের বাড়ির পাশেই তপন বাড়ৈ নামে ব্যক্তি রয়েছেন। যিনি শিশুটির সম্পর্কে চাচা হন, তিনিই শিশুটিকে হাসপাতাল থেকে নিয়ে যাওয়াসহ বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য শুরু থেকেই জড়িত ছিলেন। স্থানীয়দের ধারণা, আর্থিক প্রলোভনে নির্যাতনকারীদের পক্ষ হয়ে শিশুটির সঙ্গে অমানবিক আচরণে লিপ্ত হয়েছেন তপন বাড়ৈ।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বেলা ১১টায় বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. শামসুদ্দোহা তাওহিদ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত চাচা পরিচয়ে এক ব্যক্তি নির্যাতনের শিকার শিশু নিপাকে হাসপাতাল থেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য চেষ্টা চালান। তবে শিশুটি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত এবং বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় পুলিশকে না জানিয়ে তাকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ছাড়পত্র দিতে রাজি হননি।

পরে শুক্রবার ভোর ৫টা থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই শিশুটি এবং তার সঙ্গে থাকা বড় মা পরিচয়দানকারী নারীকে আর দেখা যায়নি।

শিশুটির পাশের বেডের রোগীরা জানিয়েছেন, সারা রাত ওই শিশুটির স্বজনদের মোবাইলে অনেক কল আসে এবং তারা সারা রাত সজাগই ছিলেন। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শিশুটি নিখোঁজের ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হয়ে তিনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নির্যাতনের শিকার শিশু নিপা বাড়ৈকে উজিরপুরের উত্তর জামবাড়ি এলাকার একটি দোকানের সামনে রেখে চলে যান এক ব্যক্তি। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

শিশুটি জানায়, ঢাকার অর্থপেডিক ও ট্রমা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সিএইচ রবিনের বাসায় ছয় মাস আগে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ শুরু করে। শুরু থেকে রবীনের স্ত্রী রাখি দাস শিশুটিকে নির্যাতন করে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে লোক মারফত নিপাকে গ্রামের বাড়ির এলাকায় রেখে পালিয়ে যায়।

নিউজ ট্যাগ: নারী নির্যাতন
Share

আরও খবর



সপ্তাহের ব্যবধানে দাম কমেছে আলু ও সবজির

প্রকাশিত:শনিবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০21 | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ১১৪জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ব্রয়লার, সোনালি মুরগি ও লেবুর। তবে দাম কমেছে আলুর ও সবজির। অপরদিকে অপরিবর্তিত রয়েছে পেঁয়াজ, গরু, খাসির মাংসসহ অন্য পণ্যের দাম।

সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা, শালগম বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকা, গাজর ২০ টাকা, শিম ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বেগুন ২০ থেকে ৩০ টাকা, করলা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পাকা টমেটো ২০ টাকা, কাঁচা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা, বরবটি ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। প্রতিটি লাউ আকারভেদে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকায়, ফুলকপি ২০ থেকে ৩০ টাকা, বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা। মিষ্টি কুমরার কেজি ৩০ টাকা, আলু বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা কেজি, সিসিংগা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পিঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি।

হালিতে ৫ টাকা কমে কলা বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকায়, জালি কুমড়া ৩০ টাকা। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে। ২০ টাকা দাম বেড়ে লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা।

এছাড়াও আদা প্রতিকেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, রসুনের কেজি ১১০ থেকে ১২০ টাকা। 

বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭০ টাকায়। প্রতি কেজি বিআর-২৮ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৫৪ টাকা, মিনিকেট ৬৫ টাকা, নাজির ৬৫-৬৮ টাকা, স্বর্ণা চাল ৪৮ টাকা, পোলাওয়ের চাল ১০০ টাকা। খোলা ভোজ্যতেলর লিটারের দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা।

গত সপ্তাহের দামে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়, হাঁসের ডিম ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকা, দেশি মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২১০ টাকা। 

প্রতি কেজিতে ৫০ টাকা দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে সোনালি মুরগি (কক) ২৮০ থেকে ২৯০ টাকা ও ব্রয়লার মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়।

বাজারে প্রতি কেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, বকরির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা, মহিষ ৫৫০ থেকে ৫৮০ টাকা।

বাজারে প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, মাগুর মাছ ৬০০ টাকা, প্রতি এক কেজি শিং মাছ (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, মৃগেল ১১০ থেকে ১৫০ টাকা, পাঙাস ১২০ থেকে ১৫০ টাকা, ইলিশ প্রতি কেজি (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ থেকে ১,০০০ টাকা, চিংড়ি প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, বোয়ালমাছ প্রতি কেজি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, কাতল ১৭০ থেকে ২৮০ টাকা, ফোলি মাছ ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, পোয়া মাছ ২০ আগের ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, পাবদা মাছ ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, টেংরা মাছ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, টাটকিনি মাছ ১০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০ টাকা, সিলভার কাপ ১০০ থেকে ১৪০ টাকা, কৈ দেশি মাছ ১৫০ থেকে ৭০০ টাকা, কাঁচকি ও মলা বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, আইর মাছ ৫০০, রিডা মাছ ২২০ টাকা ও কোরাল ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, গুড়া বাইলা ১২০ টাকা, রূপচাঁদা মাছ প্রতিকেজি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: বাজার দর
Share

আরও খবর

আবারো দাম বাড়ল পেঁয়াজের

রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১

স্বর্ণের দাম আরেক দফা কমলো

শনিবার ০৬ মার্চ ২০২১




দোষী সাব্যস্ত জঙ্গি কওসরের ২৯ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:বুধবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৬৮জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে ঘোষণা করা হলো খাগড়াগড় বিস্ফোরণ মামলার রায়। এই হামলার মাস্টারমাইন্ড জাহিদুল ইসলাম ওরফে শেখ কাওসার ওরফে বোমারু মিজানকে ২৯ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভারতের একটি আদালত।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, খাগড়াগড় বিস্ফোরণের ঘটনায় ইতোমধ্যে ৩১ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন আদালত। তাদের মধ্যে ৩০ জনের সাজা ঘোষণা হয়েছে আগেই, বাকি ছিলেন কাওসার।

বুধবার ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থার (এনআইএ) বিশেষ আদালত শেখ কাওসারকে দেশদ্রোহিতা, বিস্ফোরক আইন ও বিদেশি আইনের ধারায় মোট ২৯ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন, পাশাপাশি ২৯ হাজার রুপি জরিমানাও করা হয়েছে তাকে।

২০১৪ সালের ২ অক্টোবর ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে বর্ধমানের খাগড়াগড়। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে কাওসার ওরফে বোমারু মিজানকে ২০১৮ সালের আগস্ট মাসে গ্রেফতার করে এনআইএ। ২০১৫ সালে বুদ্ধ গয়া বিস্ফোরণ কাণ্ডেও হাত ছিল তার।

তদন্তে উঠে আসে, কাওসার বাংলাদেশের নাগরিক এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) অন্যতম শীর্ষ নেতা। তিনি বোমা ও আইইডি তৈরিতে ওস্তাদ। খাগড়াগড়ে বোমা তৈরির প্রশিক্ষণ কাওসারই দিয়েছিলেন। সেখানকার বোমা মুর্শিদাবাদ হয়ে বাংলাদেশে পাচারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তার।

খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণের পরপরই বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন কাওসার। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে মনে করে আবারো ভারতে চলে যান জেএমবির এ নেতা। এরপরই বেঙ্গালুরুতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ফাঁদে ধরা পড়েন তিনি। তার সন্ধানের জন্য সেসময় ১০ লাখ রুপি পুরস্কারও ঘোষণা করেছিল এনআইএ।

Share

আরও খবর