Logo
শিরোনাম

করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৪ লাখ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ মার্চ ২০২১ | ৬৫জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির সংখ্যা কোনোভাবেই কমছে না। সবশেষ করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৮৪ জন। আর এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪ লাখ ৩৯ হাজার ৮৪৯ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছে ৮ কোটি ৫৩ লাখ ১৪ হাজার ৮৪৯ জন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটার থেকে এই তথ্য জানা যায়।

ওয়ার্ল্ডওমিটারের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে ৫ লাখ ২ হাজার ৫৪৪ জন এখন পর্যন্ত মারা গেছেন। বিশ্বে সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যাও এই দেশটিতে। এই পর্যন্ত ২ কোটি ৮৪ লাখ ৫৩ হাজার ৫২৬ জন এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পর মৃত্যু বিবেচনায় করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হচ্ছে ব্রাজিল। লাতিন আমেরিকার দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৯৯ লাখ ৭৯ হাজার ২৭৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার ১৭৮ জনের। তবে মৃত্যু বিবেচনায় মেক্সিকোর অবস্থান তৃতীয়।

আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা ভারত মৃত্যু বিবেচনায় আছে চতুর্থ অবস্থানে। এ পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৯ লাখ ৪৯ হাজার ৫৪৬ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৩৮ জনের।

দেশে করোনাভাইরাসের আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এখন পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৩১৪ জনে। এছাড়াও এখন পর্যন্ত দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা ৫ লাখ ৪১ হাজার ৮৭৭ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত বছরের ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

Share

আরও খবর



ছাত্রীকে যৌন হয়রানির দায়ে চাকরি হারালেন জাবির শিক্ষক

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ মার্চ ২০২১ | ৮৭জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি): নিজ বিভাগের এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির দায়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. সানওয়ার সিরাজকে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত সিন্ডিকেটে সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সানওয়ার সিরাজকে চাকুরিচ্যুত করা হয়। তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেলের তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট এ সিদ্ধান্ত নেয়।

রহিমা কানিজ আরও বলেন, অফিস বন্ধ থাকায় সানওয়ার সিরাজের কাছে অফিস আদেশ পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। পরবর্তী কার্যদিবসে অফিস আদেশের মাধ্যমে তাকে বিষয়টি জানানো হবে। এছাড়া তিনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আর কোনো ধরনের সুবিধা ভোগ করতে পারবেন না।

এর আগে ২০১৯ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সানওয়ার সিরাজের বিরুদ্ধে বিভাগের সভাপতি বরাবর যৌন হয়রানির লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী। বিভাগের সভাপতি অভিযোগটি তদন্তের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেলে পাঠান।

Share

আরও খবর



জুভেন্টাসের বিপক্ষে মাঠের লড়াইয়ে হারতে হলো রোনালদোকে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১ | ৫৪জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলর লড়াইয়ে জুভেন্টাসের বিপক্ষে ২-১ গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে পর্তো। বুধবার রাতে প্রথম লিগের ম্যাচটির বিশেষ দৃষ্টি ছিল পর্তোর অধিনায়ক পেপে ও জুভের সবচেয়ে বড় তারকা রোনালদোর দিকে। পর্তুগাল জাতীয় দল ও রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক সতীর্থ পেপের বিপক্ষে মাঠের লড়াইয়ে হারতে হলো ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে।

সিআর সেভেনের জন্মভূমির মাঠ স্তাডিও ডো ড্রাগাওতে স্বাগতিকদের হয়ে একটি করে গোল করেছেন মেহদি টারেমি ও মৌসা মারেগা। অন্যদিকে অতিথিদের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন ফেডরিকো চিয়েসা।

ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই এগিয়ে যায় পর্তো। জুভেন্টাসের মিডফিল্ডার রদ্রিগো বেনটাচুরের ভুলে পর্তুগীজ চ্যাম্পিয়নদের হয়ে গোল তুলে নেন ইরানিয়ান ফরোয়ার্ড টারেমি।

গোল শোধে মরিয়া হয়ে উঠলেও সফলতা মিলছিলনা ইতালিয়ান দল জুভেন্টাসের। ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় পেপে নেতৃত্বাধীন দলটি। দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমেই আবারও গোল পায় পর্তো। ৪৬ মিনিটে উইলন মানাফার বাড়ানো বল পেয়ে গোল আদায় করেন মালিয়ান ফরোয়ার্ড মারেগা।

একাধিক সুযোগ পেয়ে কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় দুই দল। তবে ৮৬ মিনিটে আদ্রিয়েন রাবিয়োতের পাসে ব্যবধান কমান চিয়েসা। ইতালিয়ান মিডফিল্ডারের এই গোলটি আগামী ১১ মার্চ দ্বিতীয় লেগে নিশ্চিত কাজে লাগবে জুভেন্টাসের। প্রতিপক্ষের মাঠে একটি গোল পাওয়ায় শেষ আট নিশ্চিত করতে বাড়তি সুবিধা পাবে আন্দ্রেয়া পিরলোর শিষ্যরা।

Share

আরও খবর



মুশতাকের স্বপ্নের কুমিরের খামারটি এখন পি কে হালদারের দখলে

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৩৬৩জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আটক অবস্থায় কারাগারে মারা যাওয়া মুশতাক আহমেদ ছিলেন দেশের প্রথম কুমির খামারের স্বপ্নদ্রষ্টা ও অন্যতম অংশীদার। সেই কুমির খামারের মালিক এখন আলোচিত প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার। আর কুমির খামারটি পি কে হালদারের হাতে তুলে দেন মুশতাক আহমেদের ব্যবসায়িক অংশীদার মেজবাহুল হক। তিনি বেসরকারি খাতের এবি ব্যাংকের সাবেক পরিচালক। ২০১৩ সালে রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) থাকার সময় পি কে হালদার কুমির খামারটির নিয়ন্ত্রণ নেন।

এখন ময়মনসিংহের রেপটাইলস ফার্মটি আবার ব্যাংকবহির্ভূত আলোচিত আর্থিক প্রতিষ্ঠান এফএএস ফাইন্যান্সের অন্যতম মালিক। এই এফএএস ফাইন্যান্স থেকেও নামে-বেনামে বিপুল অর্থ বের করে নিয়েছিলেন পি কে হালদার। মুশতাক আহমেদের খামারটি পি কের দখলে যাওয়ার পর সেটির মালিকানার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে পিঅ্যান্ডএল ইন্টারন্যাশনাল, কেএইচবি সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রাজীব সোম ও তাঁর স্ত্রী শিমু রায়। নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর রেপটাইলস ফার্মের নামে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণও বের করে নেন পি কে হালদার, যা আর শোধ হচ্ছে না।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে আর্থিক খাতের আলোচিত পি কে হালদার পালিয়েছেন বিদেশে। পি কের বিভিন্ন আর্থিক কেলেঙ্কারির অংশীদার রাজীব সোমও এখন পরিবার নিয়ে কানাডায় থাকেন। ফলে কুমিরের খামারটিও অরক্ষিত হয়ে পড়েছে। মুশতাক আহমেদের হাতছাড়া হওয়ার পর কুমির চাষের বদলে খামারটির নাম ও জমি ব্যবহার হয়েছে মূলত ঋণ নেওয়ার কাজে। গত বছর কানাডায় যাওয়ার আগে রাজীব সোমের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয় প্রথম আলোর এই প্রতিবেদকের। তিনি সে সময় বলেছিলেন, কুমির খামারটির মালিক মূলত পি কে হালদার। তাঁর হাতে আছে অল্প শেয়ার।

জানা যায়, মুশতাক আহমেদের উদ্যোগে ২০০৪ সালে রেপটাইলস ফার্মটি বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন পায়। ২০০৫ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচালিত সমমূলধন সহায়তা তহবিল বা ইইএফ থেকে ২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ পায় খামারটি। এ বিনিয়োগের বিপরীতে খামারটির ৪৯ শতাংশ মালিকানা পায় ইইএফ। আর বাকি ৫১ শতাংশ শেয়ারের মধ্যে ৩৬ শতাংশ শেয়ার ছিল মেজবাহুল হকের এবং ১৫ শতাংশ মুশতাক আহমেদের। প্রতিষ্ঠানটির মূলধন ছিল ৫ কোটি টাকা।

রেপটাইলস ফার্মের পর্ষদে মেজবাহুল হক এবং মুশতাক আহমেদ ছিলেন উদ্যোক্তা পরিচালক। তাঁদের মধ্যে মেজবাহুল হক ছিলেন খামারটির চেয়ারম্যান এবং মুশতাক আহমেদ ছিলেন এমডি। আর ইইএফের ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে সাউথইস্ট ব্যাংকের তৎকালীন কর্মকর্তা প্রীতীশ কুমার সরকার ছিলেন মনোনীত প্রতিনিধি। বর্তমানে প্রীতীশ কুমার সরকার এফএএস ফাইন্যান্সের এমডি। আবার এফএএস ফাইন্যান্সের মালিকানার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে খামারটি।

এদিকে গত মে মাসে জেলে যাওয়ার আগে মুশতাক আহমেদ জানিয়েছিলেন, মেজবাহুল হক সম্পর্কে তাঁর মামা। তহবিলস্বল্পতার কারণে ২০০৪ সালে তাঁকে খামারটির সঙ্গে যুক্ত করেছিলেন তিনি। ওই সময় মেজবাহুল হক মোর্শেদ খানের পক্ষে এবি ব্যাংকের পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন। আর ২০১৩ সালে পি কে হালদারের কাছে খামারটি তুলে দিয়ে মেজবাহুল হক দেশে ছেড়ে চলে যান। পরে একই বছর পি কে হালদারের ধানমন্ডি ১ নম্বর রোডের বাসায় মুশতাক আহমেদও তাঁর নামে থাকা খামারটির শেয়ার হস্তান্তরের দলিলে স্বাক্ষর করতে বাধ্য হন।

মুশতাক আহমেদ ২০২০ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তাঁর ফেসবুকে খামারটির মালিকানা বদল নিয়ে যে লেখাটি দিয়েছিলেন, তার শিরোনাম ছিল কুমিরের খামার এখন হায় হায় কোম্পানি। তিনি লিখেছিলেন, ২০১০ সালের ৩রা জুন ছিল বিশেষ দিন। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ থেকে কুমির রপ্তানি হবে। এর দুই মাস পর তিনি (কোম্পানি চেয়ারম্যান, মেজবাহুল হক) ঘোষণা দিলেন, কোম্পানি বিক্রি করে দেবেন, আমাকে একটা সাদা কাগজ দিয়ে বললেন সেখানে সাইন করতে। আমি বলে দিলাম সেটা সম্ভব না। শুরু হলো ঝামেলা, কোর্টকাচারি। এরপর প্রশান্ত (প্রশান্ত কুমার হালদার) এল সামনে। তিনি আমাকে যা বললেন, তাতে বুঝলাম, প্রশান্তের কথায় রাজি না হলে, আমার আমছালা দুইটাই যাবে। একপর্যায়ে আমি আমার শেয়ার বিক্রি করতে বাধ্য হলাম।

মুশতাক আহমেদ আরও লিখেছেন, চেয়ারম্যান (মেজবাহুল হক) তখন আবার এবি ব্যাংকের ডিরেক্টর ছিলেন, তাই ব্যাংকের কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই প্রশান্তকে সঙ্গে নিয়ে পূর্ণ উদ্যমে ফার্মের সমস্ত অবকাঠামো নির্মাণ শেষ করে ফেলেন। কোম্পানির সমস্ত কাগজপত্র নতুন করে তৈরি করা হয়। সমস্যা দেখা দেয়, যখন জন্মের সময় নয় ইঞ্চি কুমির ছানা দশ বছর পরে আট নয় ফুট লম্বা হয়ে যায়। ৩২০০ কুমির কিলবিল করতে থাকে। প্রশান্ত কুমিরের ফার্মের নামে ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে জমি কিনে, শেয়ার কিনে, কিন্তু কুমির বেচতে পারে না। শেষ পর্যন্ত ইঁদুরের মতো পালায় দেশ ছেড়ে। পান্থপথের ঝকঝকে অফিসে এখন পিয়ন ছাড়া কেউ যায় না। ভালুকার ফার্মে তালা দিয়ে কর্মকর্তারা পলাতক। কর্মচারীরা প্রায় কয়েক মাস যাবৎ বেতন না পেয়ে অসহায় দিন যাপন করছে। সিম্পলের মধ্যে গরজিয়াস একটা কুমিরের খামার এখন হায় হায় কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: পি কে হালদার
Share

আরও খবর



এফডিসিতে ইউটিউবারদের উৎপাত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১ | ৭১জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

হাল সময়ের এফডিসিতে গণমাধ্যম কর্মীদের চেয়ে ইউটিউবারদের আনাগোনাই বেশি। বেশির ভাগ ইউটিউবার কন্টেন্টের ভিউ বাড়ানোর জন্য মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে থাকে শিল্পী ও কলাকুশলীদের নামে। এই সব বহিরাগতদের কিছুতেই দমিয়ে রাখা যাচ্ছে না। বিভিন্ন ফাঁকফোঁকরে তারা হরহামেশাই এফডিসিতে ডুকে পড়ে। এ নিয়ে বহুবার সংবাদ প্রকাশ করা হলেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এমনই এক গুজব ছড়ানো ইউটিউবারকে হাতেনাতে ধরলেন প্রয়াত নায়ক মান্নার স্ত্রী শেলী মান্না। মান্নাকে নিয়ে ইউটিউবে অপপ্রচার চালানোর দায়ে এক ইউটিউবারের ওপর রীতিমতো ক্ষেপে গেলেন তিনি। গতকাল শনিবার বিকেলে বিএফডিসির অভ্যন্তরে এই ঘটনা ঘটে।

উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীরা জানান, প্রয়াত নায়ক মান্নার স্ত্রী কয়েকটি টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলেন। এসময়ে কয়েকজন ইউটিউবার সেখানে ঢুকে পড়েন। এর মধ্যে একজন ছিলেন যিনি মান্নার সম্পর্কে অসত্য তথ্য ইউটিউবে প্রচার করেছিলেন। তাকে চিনে ফেলে মান্নার স্ত্রী তাকে প্রশ্ন করতে শুরু করেন।

এ সময় শেলী বলেন, কেন আপনি মান্নাকে নিয়ে ওইসব বলেছেন, আপনি জানেন মান্নাকে এফডিসির গেটের দারোয়ান মেরেছিল? বলেন, আপনি জানেন? আপনারা এসব মিথ্যা ভিডিও বানিয়ে ভিউ তৈরি করছেন কেন? কেন মান্নার মতো একজনকে আপনারা এভাবে অসম্মান করেন, কেন? বলেন, এভাবে টিআরপির জন্য কেন এসব করেন?

এক পর্যায়ে গণমাধ্যম কর্মীদের তোপের মুখে ওই ইউটিউবার এফডিসি ত্যাগ করতে বাধ্য হন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসব ইউটিউবাররা নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে এফডিসিতে ঢুকে পড়েন। এদের কেউ কেউ আবার কিছু শিল্পী ও প্রযোজকদের আশ্রয়ে এই অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। গণমাধ্যম কর্মীরাও তাদের উৎপাতে সঠিকভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালনে বাধাগ্রস্থ হন বলে অভিযোগ করেছে

Share

আরও খবর



পি কে হালদার পালিয়েছেন বেনাপোল দিয়ে

প্রকাশিত:সোমবার ০১ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ মার্চ ২০২১ | ৩৭৫জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নয়, যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে সড়ক পথে দেশত্যাগ করেছেন এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদার।

সোমবার (১ মার্চ) ইমিগ্রেশন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়কে এ তথ্য জানিয়েছে। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামী ১৫ মার্চ এ বিষয়ে শুনানি হবে।

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। তিনি বলেন, পি কে হালদার ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর বিকেল ৩টা ৪৭মিনিটে দেশত্যাগ করেন। দেশত্যাগের সময় পিকে হালদার বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করেছেন।

নিউজ ট্যাগ: পি কে হালদার
Share

আরও খবর