Logo
শিরোনাম

করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৫

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে ৩৫ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৭ জনে। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গতকাল করোনায় মৃত্যু হয়েছিল ৪১ জনের।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় নতুন শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৭৪ জন। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ লাখ ৩৪ হাজার ৪৪০ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয় ৩১ হাজার ৭২৪টি। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ। আর গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ৭৩৫ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হলেন ১৪ লাখ ৮৬ হাজার ৬৬৮ জন।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের।

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু।

বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়।  এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।



আরও খবর

ডেঙ্গুতে হাসপাতালে আরও ২৩২ রোগী

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

করোনায় আরও ৩৫ জনের মৃত্যু

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১




দেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও ২৬৫ জন হাসপাতালে

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৬৫ জন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ২৩২ জন এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৩ জন।

এনিয়ে দেশে ডেঙ্গু শনাক্তের সংখ্যা ১১ হাজার ৫০০ জন ছাড়িয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া অধিকাংশ রোগীই রাজধানীর বাসিন্দা। সবমিলিয়ে এই বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন ৫১ জন।

শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সারাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গু বিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন ২৬৫ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তি থাকা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২৭৩ জনে।

ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১ হাজার ১৩৭ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১৩৬ জন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ (৪ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত হাসপাতালে সর্বমোট রোগী ভর্তি হয়েছেন ১১ হাজার ৫০১ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১০ হাজার ১৭৪ জন রোগী।


আরও খবর

ডেঙ্গুতে হাসপাতালে আরও ২৩২ রোগী

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

করোনায় আরও ৩৫ জনের মৃত্যু

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১




পরিস্থিতি প্রতিদিন খারাপ হচ্ছে : আনারকলি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১০৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দীর্ঘ দুই দশক পর তালেবান বাহিনী আবারও আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর দেশটি থেকে পালিয়ে দুই সংসদ সদস্য ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন।

পলাতাক সেই দুই সদস্যের একজন হলেন নারী এমপি আনারকলি কৌর হোনিয়ার। দিল্লিতে নেমে সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। আফগানিস্তানের একমাত্র শিখ নারী এমপি আনারকলির দাবি, তালেবান যা বলে আর যা করে, তার মধ্য অনেক ফারাক রয়েছে। মানবাধিকার এবং নারীদের অধিকার সেখানে লঙ্ঘিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, পরবর্তী এক ঘণ্টায় আফগানিস্তানে কী হবে তা কেউ কল্পনাও করতে পারছে না, পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ। প্রতিদিন তিন থেকে চারজন মারা যাচ্ছে। মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। ভ্রমণের কাগজপত্র না থাকায় তারা দেশও ছাড়তে পারছে না। আমাকেও দেশ ছাড়ার জন্য রাত ১২টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত কড়া রোদে অপেক্ষা করতে হয়েছিল।

আনারকলি আরও বলেন, বহির্বিশ্বের হাতে এখনও কাবুল বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ থাকলেও আফগানিস্তানের বাকি অংশ তালেবান সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণে। সেখানে পরিস্থিতি প্রতিদিন খারাপ হচ্ছে। প্রতিহিংসা পরায়ণ তালেবান সদস্যদের হাতে খুন হওয়ার ভয়ে দিন কাটাচ্ছে অনেকে। আফগানিস্তানের পরিস্থিতি অকল্পনীয়।

এক জনপ্রতিনিধি হয়েও কেন আফগানিস্তান থেকে পালালেন- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সারা বিশ্ব জানে কী ঘটছে আফগানিস্তানে। সেখানকার পরিস্থিতি খুব দ্রুত বদলে গেছে। যা আশা করা যায়নি। সবাই অসহায়, ভয়ে আছে। দেশ আমাদের মা। তাকে ছেড়েই আসতে হয়েছে। অন্য কোনো উপায় ছিল না।


আরও খবর

আফগানিস্তানে আবারও বিস্ফোরণ, নিহত ৭

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১




কৃত্রিম প্রজননে সফল বিএফআরআই: ফিরছে বিলুপ্ত প্রায় কাকিলা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৬ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১১৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
দেশের বিলুপ্তপ্রায় ৬৪টি মাছের মধ্যে ৩০টি মাছের কৃত্রিম প্রজননে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট সফলতা লাভ করেছে। সফলতার ধারাবাহিকতায় ৩১তম মাছ হিসেবে কাকিলা মাছ যুক্ত হলো

প্রায় হারিয়ে যাওয়া স্বাদু পানির মাছ কাকিলার কৃত্রিম প্রজনন কলাকৌশল উদ্ভাবনে সফলতা পেয়েছেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) বিজ্ঞানীরা। মুক্ত জলাশয়ের এই মাছটিকে বদ্ধ পরিবেশে অভ্যস্তকরণেও সাফল্য পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ফলে এই মাছটির প্রাচুর্য আবারও ফিরবে বলে আশা করছেন তারা।

বিএফআরআইর স্বাদু পানি উপকেন্দ্র যশোরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রবিউল আউয়াল হোসেন, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শিশির কুমার দে এই গবেষণা পরিচালনা করেন।

গবেষক দলের সদস্য ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, 'তিন বছর নিবিড় গবেষণার পরে এখন সাফল্য এসেছে। ফলে কাকিলা বিলুপ্তির আশঙ্কার বদলে আবারও পানিতে ঢেউ তুলবে বলে আশা করা যায়। কাকিলা মাছের কৃত্রিম প্রজনন এটিই বাংলাদেশ প্রথম এবং বিশ্বের কোথাও এ মাছের কৃত্রিম প্রজননের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।'

বিএফআরআইয়ের বিজ্ঞানীরা বলছেন, স্বাদু পানির অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে বিশেষ করে নদী-নালা, হাওর-বাঁওড়, খাল-বিল ইত্যাদি জলাশয়ে যে মাছগুলো পাওয়া যায়, তাদের মধ্যে কাকিলা অন্যতম। খেতে সুস্বাদু এই মাছটি মানব দেহের জন্য উপকারী অনুপুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ এবং কাটা কম বিধায় অনেকের কাছে প্রিয়।

এক সময় অভ্যন্তরীণ জলাশয়ে মাছটি প্রচুর পরিমাণে পাওয়া গেলেও জলবায়ুর প্রভাব, প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও মানবসৃষ্ট নানাবিধ কারণে বাসস্থান ও প্রজনন ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এ মাছের প্রাচুর্যতা ব্যাপকহারে কমে যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই তারা এই মাছটির প্রাচুর্যতা ফিরিয়ে আনতে গবেষণা শুরু করেন।

এই বিজ্ঞানীরা জানান, কাকিলা বা 'কাখলে' একটি বিলুপ্তপ্রায় মাছ। এর দেহ সরু, ঠোঁট লম্বাটে ও ধারালো দাঁতযুক্ত। বাংলাদেশে যে জাতটি পাওয়া যায়, সেটি মিঠা পানির জাত। মাছটি বাংলাদেশের অধিকাংশ অঞ্চলে কাইকল্যা, কাইক্কা নামেই বেশি পরিচিত। বৈজ্ঞানিক নাম Xenentodon cancila. মাছটিকে ইংরেজিতে 'ফ্রেশওয়াটার গারফিশ' বলে। এটি Belonidae পরিবারের অন্তর্গত। বাংলাদেশ ছাড়াও শ্রীলঙ্কা, ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে এ মাছ পাওয়া যায়। তবে, রং ও আকারে কিছু পার্থক্য থাকে।

গবেষক দলের প্রধান ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রবিউল আউয়াল হোসেন জানান, কাকিলা মূলত ছোট মাছ খেয়ে থাকে। প্রাকৃতিকভাবে প্রবহমান জলাশয়ে বিশেষ করে নদীতে এবং বর্ষাকালে প্লাবিত অঞ্চলে প্রজনন করে থাকে। পরিণত মাছেরা ভাসমান জলজ উদ্ভিদ নেই এমন স্থানে বসবাস করলেও জলজ উদ্ভিদের পাতার নিচে ও ভাসমান শেকড়ে এদের স্ত্রীরা ডিম পাড়ে।

গবেষক দলের সদস্যরা জানান, তারা তাদের গবেষণায় রাজবাড়ি জেলা সংলগ্ন কুষ্টিয়ার পদ্মা নদী থেকে কাকিলা ব্রুড (মা-বাবা মাছ) মাছ সংগ্রহ করে বিশেষ পদ্ধতিতে অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করে যশোরের স্বাদু পানি উপকেন্দ্রের পুকুরে ছাড়েন। পরে হ্যাচারিতে উৎপাদিত কার্প জাতীয় মাছের জীবিত পোনা ও নানা জলাশয় থেকে সংগৃহীত জীবিত ছোট মাছ খাইয়ে পুকুরের আবদ্ধ পরিবেশে মাছকে অভ্যস্ত করা হয়।

পরে চলতি বছরের মে থেকে বৈজ্ঞানিক প্রটোকল অনুসরণ করে কৃত্রিম প্রজননের উদ্দেশ্যে উপকেন্দ্রের হ্যাচারিতে নির্দিষ্ট সংখ্যক মা-বাবা মাছকে বিভিন্ন ডোজে হরমোন ইনজেকশন প্রয়োগ করা হয়। এভাবে কয়েকবার বিভিন্ন ডোজের ট্রায়াল দেওয়া হলেও মাছের প্রজননে সফলতা আসেনি। অবশেষে ২৫ আগস্ট প্রজননকৃত মাছের ডিম থেকে পোনা বের হয় এবং কাকিলা মাছের কৃত্রিম প্রজননে সফলতা আসে।

ড. মো. রবিউল আউয়াল হোসেন জানান, কাকিলা মাছের প্রজননের জন্য পিজি (পিটুইটারি গ্ল্যান্ড) হরমোন ব্যবহার করা হয়। গত ১৮ আগস্ট পুকুর থেকে মাছ ধরে চার জোড়া মা-বাবা নির্বাচন করে হ্যাচারির চৌবাচ্চায় নির্দিষ্ট সময় ঝর্ণাধারা দিয়ে মা-বাবা মাছকে একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় হরমোন ইনজেকশন দেওয়া হয়। পরে মা-বাবা মাছকে একত্রে একটি চৌবাচ্চায় রেখে ঝর্ণাধারা দিয়ে সেখানে কচুরি পানা রাখা হয়। প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পরে মা মাছ ডিম ছাড়ে। ডিমের ভেতরে বাচ্চার বিভিন্ন দশা ও উন্নয়ন অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়। ডিম ছাড়ার প্রায় ৯০ থেকে ১০০ ঘণ্টার মধ্যে নিষিক্ত ডিম থেকে বাচ্চা বের হয়।

গবেষক দলের সদস্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শিশির কুমার দে বলেন, কাকিলা মাছের প্রজননের ট্রায়ালের সময় চৌবাচ্চার পানির গড় তাপমাত্রা ছিল ২৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ ছিল চার দশমিক পাঁচ মিলিগ্রাম/লিটার, পিএইচ ছিল সাত দশমিক ছয়।

এই বিজ্ঞানীরা জানান, প্রতি ১০০ গ্রাম খাবার উপযোগী কাকিলা মাছে ১৭ দশমিক এক শতাংশ প্রোটিন, লিপিড দুই দশমিক ২৩ শতাংশ, ফসফরাস দুই দশমিক ১৪ শতাংশ ও শূন্য দশমিক ৯৪ শতাংশ ক্যালসিয়াম রয়েছে, যা অন্যান্য ছোট মাছের তুলনায় অনেক বেশি।

বিএফআরআইয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদকে উদ্ধৃত করা বলা হয়েছে, দেশের বিলুপ্তপ্রায় ৬৪টি মাছের মধ্যে ৩০টি মাছের কৃত্রিম প্রজননে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট সফলতা লাভ করেছে। সফলতার ধারাবাহিকতায় ৩১তম মাছ হিসেবে কাকিলা মাছ যুক্ত হলো।

বিএফআরআই বলছে, দেশীয় মাছকে সংরক্ষণের জন্যে ময়মনসিংহে ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তরে লাইভ জিন ব্যাংক স্থাপন করা হয়েছে। দেশীয় মাছ সংরক্ষণ গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্যে ২০২০ সালে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট একুশে পদক অর্জন করেছে।


আরও খবর

ইভ্যালির এমডি রাসেল ও তার স্ত্রী গ্রেপ্তার

বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১




করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১১৭, শনাক্ত ৫৭১৭

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১১১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৫ হাজার ৩৯৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া দেশে নতুন করে আরও পাঁচ হাজার ৭১৭ জন আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট ১৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭১৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছে আট হাজার ৯৮২ জন। এ নিয়ে দেশে মোট ১৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৫৬ জন করোনা থেকে সুস্থ হলো।

আজ সোমবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ৭৩৩টি ল্যাবে ৩৭ হাজার ৩১৭টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। নমুনা পরীক্ষা করা হয় ৩৬ হাজার ৭৮৯টি। করোনা শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এই পর্যন্ত গড় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৯০ শতাংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় নতুন ১১৭ জন মৃত্যুবরণকারীর মধ্যে পুরুষ ৫৩ জন ও নারী ৬৪ জন। এ পর্যন্ত পুরুষ মৃত্যুবরণ করেছেন ১৬ হাজার ৫৯০ জন ও নারী আট হাজার ৮০৯ জন।

মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে একজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে নয়জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ছয়জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ২৬ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৪১ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ২১ জন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে নয়জন ও ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে তিনজন।

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৪০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৯ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, খুলনা বিভাগে ১১ জন, বরিশাল বিভাগে একজন, সিলেট বিভাগে ১৩ জন, রংপুর বিভাগে নয়জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে চারজন। এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালে ৯৭ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ১৭ জন ও বাসায় তিনজন মারা গেছে।

দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। ওই বছরের ১৮ জুন তিন হাজার ৮০৩ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে লাখ ছাড়িয়েছিল করোনার রোগী। সেদিন পর্যন্ত মোট শনাক্ত ছিল এক লাখ দুই হাজার ২৯২ জন। এ ছাড়া দেশে করোনাভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে গত বছরের ১৮ মার্চ।


আরও খবর

ডেঙ্গুতে হাসপাতালে আরও ২৩২ রোগী

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

করোনায় আরও ৩৫ জনের মৃত্যু

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১




‘২০৫০ সালের ভেতর বাস্তুচ্যুত হবে বাংলাদেশের ২ কোটি মানুষ’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রায় ১৭% এলাকা পানিতে তলিয়ে যাবে। এর ফলে দেশের ২ কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়বে। মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) মানবাধিকার বিষয়ক জাতিসংঘের হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট মানবাধিকার কাউন্সিলের ৪৮তম অধিবেশনে একটি প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে এই তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, মালদ্বীপের ৮০% এর বেশি স্থলভাগের অবস্থান সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র এক মিটারেরও কম, ইতোমধ্যেই মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে যা সমুদ্রের মাত্রা বাড়ার সাথে সাথে আরও খারাপ হবে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনাম সহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বেশিরভাগ অঞ্চলে  ২০৫০ সালের মধ্যে দৈনিক উচ্চ জোয়ারে ৪ কোটি ৮০ লাখের বেশি মানুষ বসবাস করে এমন এলাকায় বন্যা হতে পারে।

পরিবেশগত দুর্যোগের কারণে বাস্তুচ্যুত এশিয়ার একটি গুরুতর ঘটনা। প্রতিবেন অনুযায়ী ২০১৯ সালে চীন, বাংলাদেশ, ভারত এবং ফিলিপাইন অন্যান্য দেশের তুলনায় দুর্যোগের কারণে বাস্তুচ্যুতির ঘটনা বেশি ঘটেছে, যা বিশ্বের মোট ৭০%।



আরও খবর

আফগানিস্তানে আবারও বিস্ফোরণ, নিহত ৭

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১