Logo
শিরোনাম

করোনায় ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৮৪

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১ | ৪২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস থেকে সেরে উঠেছেন আরও ৩১৮ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৩৮ হাজার ৮৫৫ জন

করোনাভাইরাসে ‍(কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে পুরুষ দুজন ও নারী একজন। তাদের মধ্যে দুজন সরকারি হাসপাতালে এবং একজন বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন। এ নিয়ে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৯৫৮ জনে।

একই সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও ২৮৪ জন। এ নিয়ে দেশে শনাক্তকৃত মোট করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৫ লাখ ৭৪ হাজার ৬৩৬ জনে।

মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা পরিস্থিতি সংক্রান্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের সরকারি-বেসরকারি ল্যাবরেটরিতে ১৯ হাজার ৭৮১টি নমুনা সংগ্রহ এবং ১৯ হাজার ৫৬৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

এ নিয়ে দেশে করোনা শনাক্তে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো এক কোটি সাত লাখ ৬১ হাজার ৯৭৯টি। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

এদিকে, ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস থেকে সেরে উঠেছেন আরও ৩১৮ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৩৮ হাজার ৮৫৫ জন। বিভাগওয়ারি হিসাবে মৃত তিনজনের মধ্যে ঢাকায় একজন এবং চট্টগ্রামে দুজন মারা গেছেন। দেশের অন্য বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি। মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা গেছে, তাদের মধ্যে ৮১-৯০ বছরের মধ্যে একজন, ৭১-৮০ বছরের একজন এবং ৬১-৭০ বছরের মধ্যে রয়েছেন একজন।

দেশে করোনা সংক্রমণ প্রথম ধরা পড়ে ২০২০ সালের ৮ মার্চ। গত ৩১ আগস্ট তা ১৫ লাখ পেরিয়ে যায়। এর আগে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ব্যাপক বিস্তারের মধ্যে ২৮ জুলাই দেশে রেকর্ড ১৬ হাজার ২৩০ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়।

প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। চলতি বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর তা ২৭ হাজার ছাড়িয়ে যায়।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর



অন্যের সন্তান জন্ম দিয়ে মামলা!

প্রকাশিত:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৮০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জীবনের গল্প থেকেই তো সিনেমা হয়। তাই বলিউড তারকা কারিনা কাপুর আর অক্ষয় কুমারের ২০১৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা গুডনিউজের কাহিনীই অনেকটা বাস্তবে প্রতিফলিত হয়েছে এই দুই মায়ের জীবনে।

আজকাল আইভিএফ বা ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন অনেক নিঃসন্তান দম্পতির জীবনে আশার আলো দেখাচ্ছে। বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে মা-বাবা হচ্ছেন অনেক দম্পতি।  তবে সহজ এই পদ্ধতিই কাল হয়েছে এই দুই দম্পতির ক্ষেত্রে।

মঙ্গলবার সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইভিএফ পদ্ধতি সন্তান জন্ম দিতে লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি ফার্টিলিটি ক্লিনিকের দারস্থ হয়েছিলেন দুই দম্পতি। কিন্তু ক্লিনিকের ভুলে তাদের ভ্রুণ অদলবদল হয়। এ জন্য পরস্পরের সন্তান জন্ম দেন ওই দুই দম্পতি। তিন মাস পরস্পরের  নবজাতককে বড়ও করেন তারা। এরপর তারা ভ্রুণ বদলের বিষয়টি বুঝতে পারেন।

বিষয়টি বুঝতে পারার পর ওই ফার্টিলিটি ক্লিনিকের নামে রীতিমতো মামলা ঠুকে দিয়েছেন সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার এক দম্পতি।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির বাসিন্দা ড্যাফনা এবং আলেকজান্ডার কার্ডিনাল ২০১৯ সালে ক্যালিফোর্নিয়া সেন্টার ফর রিপ্রোডাক্টিভ হেলথে যান। সেখানে ড. এলিরান মোরের তত্ত্বাবধানে ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশানের মাধ্যমে সন্তানসম্ভবা হন ড্যাফনা।

নির্দিষ্ট সময় পর একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন ড্যাফনা। কিন্তু সন্তান জন্মের কিছুদিন পর ড্যাফনা এবং আলেকজান্ডারের সন্দেহ হয় শিশুটি তাদের নয়। কারণ শিশুটির গায়ের রং বেশ কালো।  শিশুটির চেহারার আদলের সঙ্গেও তাদের মিল ছিল না।

ড্যাফনা এবং আলেকজান্ডার দু'জনই খুব ফর্সা। তাদের চুল ব্লন্ড ও ব্রাউনের মাঝামাঝি। কিন্তু তাদের জন্ম দেওয়া সন্তানের চুল ছিল কুচকুচে কালো। গায়ের রঙ কিছুটা কম ফর্সা। এর থেকেই সন্দেহ হয় তাদের।

ওই দম্পতি ডিএনএ টেস্টের সিদ্ধান্ত নেন। আট সপ্তাহ পর ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট আসে। সেখানে দেখা যায় ড্যাফনার জন্ম দেওয়া শিশুটি তাদের নয়।

এরপরই তারা বুঝতে পারেন ক্লিনিকেই অন্য কোনো দম্পতির ভ্রুণ স্থাপন করা হয়েছিল ড্যাফনার গর্ভে। এদিকে, ড্যাফনা ও অ্যালেকজান্ডারের ভ্রুণ অন্য এক দম্পতিকে দিয়েছিল ওই ক্লিনিক।

মামলায় বলা হয়েছে, ডাফনা এবং আলেকজান্ডার তিন মাস পর্যন্ত তাদের কন্যার অস্তিত্ব সম্পর্কে জানতেনই না। পুরো ব্যাপারটা প্রকাশিত হওয়ার প্রায় এক মাস পর  আসল সন্তানকে বাড়ি আনেন ড্যাফনা ও অ্যালেকজান্ডার।

এদিকে তিন মাস ধরে তারা অন্যের সন্তানকে বড় করছিলেন। সেই নবজাতককে  তুলে দেন আসল বাবা-মায়ের হাতে। তবে খুব স্বাভাবিকভাবে দুই পরিবারেরই শিশু দুটির উপর মায়া পড়ে গিয়েছিল।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, এভাবে কোনো সন্তান কিছুদিন বড় করা, তাকে ভালবাসা, স্তন্যপান করোনোর পর অদলবদল করা যে চরম মানসিক আঘাত, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

২০১৯ সালে ৩১ ডিসেম্বর ওই দুই দম্পতি বাচ্চাদের নিয়ে একে অপরের সঙ্গে দেখা করেন। এর দুই সপ্তাহ পর শিশুদের অদলবদল করেন তারা।


আরও খবর



জেলহত্যার রায় কার্যকরে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর জেলহত্যার ঘটনার বিচারের রায় কার্যকর করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

বুধবার (৩ নভেম্বর) সকাল ১০টায় রাজধানীর নাজীম উদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তিনি এ কথা জানান।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, আজ ৩ নভেম্বর, জেলহত্যা দিবস। বাংলাদেশে দুটি ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। যার মধ্যে একটি ১৫ আগস্ট, অন্যটি ৩ নভেম্বর জেলহত্যার ঘটনাটি। এই ঘটনাগুলো কারা ঘটিয়েছে তা সবাই জানে। অনেক হত্যাকারীর বিচার হয়েছে, এদেরও হবে।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, জেলহত্যা দিবসে আমরা প্রথমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। এছাড়া জাতীয় চার নেতাকেও গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা জানি জেলখানা পৃথিবীর মধ্যে সবথেকে নিরাপদ স্থান। কিন্তু কিভাবে আইন ভঙ্গ করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে সবাই জানে। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে এবং রায় আংশিক কার্যকর হয়েছে। আর যারা পলাতক আসামি রয়েছেন তাদেরকে আমরা খুঁজে বেড়াচ্ছি। আমরা যখন আসামিদের নিজেদের আওতায় পাবো তখনই ফাঁসির রায় কার্যকর হবে। জেলহত্যার রায় কার্যকরের জন্য আমরা সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা নিচ্ছি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পর ফুল দিয়ে জাতীয় চার নেতাকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদের ছেলে তানজীম আহমেদ সোহেল তাজ, সিমিন হোসেন রিমি, শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর ছেলে রেজাউল করিম, ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিম, সাবেক সংসদ সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনিসুর রহমানসহ অনেকে।


আরও খবর



প্রথম যৌথ নৌ মহড়ায় ইসরায়েল-আমিরাত-বাহরাইন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৫৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

উপসাগরীয় কোনো দেশের নৌবাহিনী, আমেরিকান নৌবাহিনীর সমন্বয়ে পরিচালিত ইসরায়েলি রণতরীর সঙ্গে যৌথ নৌ মহড়া চালাচ্ছে এমন ঘটনা এই প্রথম। মাত্র তিন বছর আগেও বিষয়টা ছিল অচিন্তনীয়।

লোহিত সাগরে পাঁচ দিনের এই নৌ মহড়ায় অংশ নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, ইসরায়েল এবং আমেরিকার রণতরীগুলো।

এই মহড়া শুরু হয়েছে গত বুধবার এবং জাহাজের মুক্ত চলাচল নিশ্চিত করতে জাহাজে ওঠা, অনুসন্ধান চালানো এবং তা জব্দ করার কৌশল এই মহড়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মার্কিন নৌবাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড বলছে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বাড়াতে যৌথভাবে কাজ করতে অংশ গ্রহণকারী দেশগুলোর নৌবাহিনীর দক্ষতা বৃদ্ধি এই প্রশিক্ষণের লক্ষ্য।

সেপ্টেম্বর ২০২০ সালে আরব আমিরাত এবং বাহরাইন ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে অ্যাব্রাহাম চুক্তি নামে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করার পর এই যৌথ মহড়ায় দেশগুলো অংশ নিচ্ছে।

ওই চুক্তি স্বাক্ষরের পর ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় দেশ দুটির মধ্যে কূটনৈতিক, সামরিক এবং গোয়েন্দা যোগাযোগের ব্যাপারে ব্যাপকভিত্তিতে আলাপ আলোচনা হয়েছে, বিশেষ করে ইরান বিষয়ে এই দেশগুলোর একই ধরনের উদ্বেগের পটভূমিতে।

ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান নিজে বাহরাইনে গেছেন এবং অক্টোবর মাসে ইউএই-র বিমান বাহিনীর অধিনায়ক প্রথমবারের মতো এধরনের একটি সফরে ইসরায়েল গেছেন।

ইরান যেভাবে তার শক্তি বৃদ্ধি করেছে

ইরানও সম্প্রতি হরমুজ প্রণালীতে তাদের নিজস্ব নৌ মহড়া চালানোর ঘোষণা দিয়েছে। উপসাগরীয় এলাকায় আমেরিকান এবং অন্যান্য পশ্চিমা নৌবাহিনীর উপস্থিতির ঘোর বিরোধিতা করছে ইরান।

শাহ-এর শাসনামলে ওই এলাকায় নৌ সামরিক শক্তিতে সবচেয়ে ক্ষমতাধর দেশ ছিল ইরান। ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পর, ইরান, উপসাগরীয় আরব দেশগুলো থেকে মার্কিন সেনাবাহিনীকে বহিষ্কারের জন্য প্রায়শই আহ্বান জানিয়েছে।

ইরান আরব দেশগুলোকে বলার চেষ্টা করেছে উপসাগরীয় এলাকার নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণের জন্য স্বাভাবিকভাবে ইরানের সাথেই জোটে তাদের অংশীদার হওয়া উচিত।

কিন্তু ইরানের এই আহ্বানে তারা কর্ণপাত করেনি। ছয়টি আরব রাষ্ট্রের প্রত্যেকেই আমেরিকাকে তাদের দেশে সামরিক ঘাঁটি তৈরির কাজ চালিয়ে যেতে দিয়েছে।

সৌদি আরব, বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরান এবং তার ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) সম্পর্কে গভীরভাবে সন্দিহান।

ইরান আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সফলভাবেই অগ্রাহ্য করে যেভাবে মধ্যপ্রাচ্যে শক্তিশালী বিকল্প মিলিশিয়া বাহিনীর নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে, তার ওপরেও তারা উদ্বেগের সাথে নজর রেখেছে।

সৌদি নেতৃত্বে ইয়েমেনে হামলা

সৌদি নেতৃত্বে ইয়েমেনের ওপর ছয় বছরের বেশি সময় ধরে চালানো বিমান হামলা ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুথি বিদ্রোহীদের পরাজিত করতে পারেনি। লেবাননে হেযবোল্লাহ আগের চেয়ে আরও বেশি শক্তিশালী হয়েছে।

ইরাক এবং সিরিয়াতে মিলিশিয়াদের অর্থ ও অস্ত্রের যোগান দিয়ে এবং সিরিয়াতে তাদের নিজস্ব বাহিনী পাঠিয়ে ইরান প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ প্রশাসনের হাত শক্ত করে এই দুটি দেশে তাদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছে।

ইরান তার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সম্ভার আরও উন্নত করেছে এবং এসব ক্ষেপণাস্ত্র উপসাগরের যেকোনো জায়গায় আঘাত হানতে সক্ষম। রেভল্যুশনারি গার্ডের নৌবাহিনীও দ্রুত তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে তাদের নৌ অস্ত্র সম্ভারে যুক্ত করেছে দ্রুত আঘাত হানার এবং মাইন পাতার উপযোগী জাহাজ।

উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর উদ্বেগের সাথে সহমত ইসরায়েল। ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে তারা ক্রমশই আরও বেশি উদ্বিগ্ন উঠছে। বিশেষ করে ২০১৫ সালে তথাকথিত যৌথ সার্বিক কর্ম পরিকল্পনা (জেসিপিওএ) নামে যে পরমাণু চুক্তি হয়েছিল, প্রথমে যুক্তরাষ্ট্র এবং পরে ইরান সেই চুক্তির প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসার পর।

ইসরায়েল সন্দেহ করে ইরান পারমাণবিক যুদ্ধাস্ত্র তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে। যা ইরান অস্বীকার করে।

রহস্যজনক হামলা

ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে অঘোষিত একটা চাপা নৌ সংঘাতও চলেছে সাম্প্রতিক সময়ে। এমনকি লোহিত সাগর এবং ওমান উপসাগরেও জাহাজের ওপর রহস্যজনক হামলা হয়েছে। জুলাই মাসে ওমান উপকূলের অদূরে ইসরায়েলের সাথে সংশ্লিষ্ট একটি তেলবাহী জাহাজের ওপর একটি বিস্ফোরক ভর্তি ড্রোন হামলায় একজন ব্রিটিশ নিরাপত্তা রক্ষী ও একজন রোমানিয়ান নাবিকের মৃত্যুর জন্য ইরানকে দায়ী করা হয়েছে। ইরান এই ঘটনায় তাদের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের কার্যকলাপের নিন্দা জানানোর ব্যাপারে ঐতিহাসিকভাবে সবচেয়ে সোচ্চার দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে সৌদি আরব। বিশেষ করে যুবরাজ মোহাম্ম বিন সালমান আল সাউদ ২০১৫ সালে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর সৌদি ইরানের সমালোচনায় আরও মুখর হয়েছে।

তবে ১৪ই সেপ্টেম্বর ২০১৯ সালে ঘটা একটি ঘটনা রিয়াদে কৌশল পরিকল্পনাকারীদের সব হিসাব নিকাশ আমূল বদলে দেয়।

সেদিন ভোরের আলো ফোটার আগে অন্ধকারের মধ্যেই সৌদি আরবের আবকেইক ও খুরাইশে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিশোধন স্থপনার ওপর এসে আঘাত হানে সুনির্দিষ্ট নিশানয় ছোঁড়া এক ঝাঁক ড্রোন ও মিসাইল। ওই একটা মাত্র হামলায় সৌদি আরবের তেল উৎপাদন সাময়িকভাবে অর্ধেকে নেমে যায়।

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা হামলার দায় স্বীকার করে। কিন্তু ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছোঁড়া হয়েছিল উত্তর দিক থেকে এবং পরে তদন্তে জানা যায় সীমান্তের অপর পারে দক্ষিণ ইরাক থেকে ইরানের প্রক্সি মিলিশিয়ারা ওই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছুঁড়েছিল।

ইরানের পক্ষে বার্তাটা ছিল স্পষ্ট

ইরান চাইলে সৌদি আরব এবং তার মিত্র দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতিসাধনে সক্ষম, যার মধ্যে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ পানি লবণ-মুক্ত করার স্থাপনা এবং অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্রগুলো।

সৌদি আরব সেই হামলার জবাব দিতে মুখর হয়ে ওঠেনি, যেটা ছিল উল্লেখযোগ্য এবং সাম্প্রতিক কয়েক মাসে ইরানি এবং সৌদি কর্মকর্তারা উত্তেজনা প্রশমনের জন্য কথাবার্তা বলেছেন। তবে এর অর্থ এই নয় যে, তেহরান আর রিয়াদ তাদের মধ্যে সহসা একটা বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাইছে।

এর অর্থ হলো ভবিষ্যতে কোনো সংঘাতের পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে দুই দেশই যে ক্ষতিগ্রস্ত হবে তা স্বীকার করে নেওয়া। এছাড়াও তাদের মধ্যে বিভেদ সত্ত্বেও ওই অঞ্চলে একটা স্থিতিশীলতা বজায় রাখা যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা মেনে নিয়ে একটা সমঝোতার পথ বের করার গুরুত্ব অনুধাবন করা। 


আরও খবর



সিরাজগঞ্জ-৬ উপনির্বাচনে নৌকার প্রার্থী কবিতা জয়ী

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৫৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী প্রফেসর মেরিনা জাহান কবিতা বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) রাত ৯টায় রিটানিং অফিসার ও রাজশাহী বিভাগীয় নির্বাচন অফিসার মো. ফরিদুল ইসলাম ফলাফল ঘোষণা করেন।

মেরিনা জাহান কবিতা পেয়েছেন ১ লাখ ১০ হাজার ৫৮০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টি (লাঙল) মনোনীত মো. মোক্তার হোসেন পেয়েছেন ৫৩৫ ভোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির (মোটরযান) পেয়েছেন ৩৪৩ ভোট।

চলতি বছরের ২ সেপ্টেম্বর করোনা আক্রান্ত হয়ে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য হাসিবুর রহমান স্বপনের মৃত্যুতে সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসন শূন্য হয়। ১৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ২০ হাজার ৭৮০ জন। ১৬০টি ভোট কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ১ লাখ ১১ হাজার ৪৫৮ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। মোট ভোট গ্রহণের হার ২৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ। 


আরও খবর



বান্ধবীকে খুন করে পেট চিরে বাচ্চা চুরি!

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১ | ১৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বন্ধুত্বের সুযোগ নিয়ে গর্ভবতী মাকে হত্যা করে তার পেট চিরে বাচ্চা চুরি করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে আরেক নারীর বিরুদ্ধে। খুন হওয়ার সময় ৩৬ সপ্তাহের গর্ভবতী ছিলেন খুনের শিকার নারী। 

ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলীয় সান্তা ক্যাটারিনা প্রদেশের ক্যানেলিনহা শহরে লোমহর্ষক এই ঘটনাটি ঘটেছে। জানা যায়, ২৭ বছর বয়সী রোজালবার সঙ্গে ২৪ বছর বয়সী ফ্ল্যাভিয়া গোডিনহো মাফরার বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। একটি স্কুলে পড়াতেন নিহত মাফরা।

২০২০ সালের ২৭ আগস্ট তাকে শহরের এক প্রান্তে একটি পুরাকীর্তির স্থানে ঘুরতে যেতে প্রলুব্ধ করেন রোজালবা। সেখানে যাওয়ার পর একটি নির্জন স্থানে মাথায় একের পর এক ইটের আঘাতে মাফরাকে হত্যা করেন তিনি।

আঘাতের পর আঘাতে মাফরা নিস্তেজ হয়ে পড়লে একটি ধারালো ছুরি বের করেন রোজালবা। পরে সেই ছুরি দিয়ে তিনি মাফরার পেট চিরে ফেলেন এবং পেটের ভেতর থেকে ৩৬ সপ্তাহের নবজাতকটিকে বের করে আনেন। পরে মাফরার মরদেহটি একটি চুল্লির ভেতর লুকিয়ে বাচ্চাটি নিয়ে পালিয়ে যান তিনি।

নৃশংস এই ঘটনার পর রোজালবা তার প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে নবজাতকটির প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য একটি হাসপাতালে যান। এর কিছুদিন আগেই প্রেমিককে রোজালবা জানিয়েছিলেন, তিনি সন্তানসম্ভবা। তাই প্রেমিকও নবজাতকটিকে নিজের সন্তান ভেবেছিলেন।

হাসপাতালে গিয়ে কর্মীদের কাছে রোজালবা দাবি করেন, একটু আগেই তিনি বাচ্চাটির জন্ম দিয়েছেন। এখন এই বাচ্চার প্রাথমিক চিকিৎসা প্রয়োজন। কিন্তু রোজালবার আচরণ ও শারীরিক সামর্থ্য দেখে সন্দেহ হয় হাসপাতালকর্মীদের। তাই তারা ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে পুলিশকে খবর দেন।

সম্প্রতি হত্যাকাণ্ড ও বাচ্চা চুরির ঘটনায় রোজালবা মারিয়া গ্রিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ওই নারীকে ৫৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ব্রাজিলের একটি আদালত। অন্যদিকে, এই ঘটনার সঙ্গে কোনো যোগসূত্র না থাকায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার হওয়া রোজালবার প্রেমিককে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত।

১৫ ঘণ্টার শুনানিতে আদালতকে রোজালবা জানান, মাফরাকে হত্যা পরিকল্পনাই শুধু নয়, হত্যার পর বাচ্চাটিকে কীভাবে পেট থেকে বের করে আনবেন তা নিয়েও বিস্তর পড়াশোনা করেছিলেন তিনি। অপেক্ষা করছিলেন, মায়ের গর্ভে বাচ্চাটি পরিণত হওয়ার জন্য।


আরও খবর