Logo
শিরোনাম

করোনায় বিশ্বে আক্রান্ত-মৃত্যু আবারও বেড়েছে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১০ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৭৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মহামারি করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে এখনও দিশেহারা বিশ্ববাসী। দিন যতই যাচ্ছে তত ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে মহামারি এ ভাইরাস। প্রতিদিন বেড়েই চলছে মৃতের সংখ্যা, আক্রান্তও হচ্ছে লাখ লাখ মানুষ। মহামারি এ ভাইরাসের নতুন ভারতীয় ধরন মানুষের মনে আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। করোনার টিকা আবিষ্কার হলেও এখনো কাটেনি শঙ্কা। এরই মধ্যে বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩৭ লাখ ৭৬ হাজার এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ কোটি ৫১ লাখেরও বেশি মানুষ।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১০ জুন) সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে মারা গেছেন আরও ১০ হাজার ২৩১ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৬২ হাজার ৫১৩ জন। আর গতকাল বুধবার (৯ জুন) বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১০ হাজার ১৬৪ জন এবং আক্রান্ত ছিল ৩ লাখ ৫৯ হাজার ১২৭ জন। ফলে আক্রান্ত ও মৃত্যু আবারও বেড়ে গেছে।

বিশ্বে এখন পর্যন্ত মোট করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩৭ লাখ ৭৬ হাজার ২৬১ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৭৫০ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৫ কোটি ৮৬ লাখ ৬৮ হাজার ৯৩৮ জন।

করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ৪২ লাখ ৬৪ হাজার ৭২৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ১৩ হাজার ৪৯৪ জনের।

আক্রান্তে দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত মোট সংক্রমিত হয়েছেন ২ কোটি ৯১ লাখ ৮২ হাজার ৭২ জন এবং এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৫ জনের।

আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় এক কোটি ৭১ লাখ ২৫ হাজার ৩৫৭ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৭৯১ জনের।

আক্রান্তের দিক থেকে চতুর্থ স্থানে রয়েছে ফ্রান্স। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৭ লাখ ২৫ হাজার ৪৯২ জন। ভাইরাসটিতে মারা গেছেন এক লাখ ১০ হাজার ২০২ জন।

এ তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে তুরস্ক। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৫৩ লাখ ৬ হাজার ৬৯০ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৪৮ হাজার ৪২৮ জন।

এদিকে আক্রান্তের তালিকায় রাশিয়া ষষ্ঠ, যুক্তরাজ্য সপ্তম, ইতালি অষ্টম, আর্জেন্টিনা নবম এবং জার্মানি দশম স্থানে রয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশের অবস্থান ৩২তম।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।



আরও খবর



দেশে অনুমোদন পেলো ফাইজারের টিকা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৯৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ফাইজারের টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। করোনা প্রতিরোধে এখন পর্যন্ত দেশে জরুরি ব্যবহারে চারটি টিকা অনুমোদন পেলো।

বৃহস্পতিবার (২৭ মে) ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ফাইজারের এই টিকা অনুমোদন প্রদানের জন্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর গত ২৪ মে আবেদন করে জনস্বাস্থ্য-২ অধিশাখা। ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর ভ্যাকসিনটির ডোসিয়ার (ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পার্ট, সিএমসি পার্ট এবং রেগুলেটরি স্ট্যাটাস) মূল্যায়ণপূর্বক কোভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য পাবলিক হেলথ ইমারজেন্সির ক্ষেত্রে ওষুধ, ইনভেস্টিগেশনাল ড্রাগ, ভ্যাক্সিন এবং মেডিকেল ডিভাইস মূল্যায়নের নিমিত্তে গঠিত কমিটির মতামতের জন্য ২৫ মে উপস্থাপন করে। উক্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর বৃহস্পতিবার (২৭ মে) এই টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন প্রদান করেছে।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশে টিকাটির লোকাল লিগ্যাল অর্গানাইজেশন হচ্ছে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। ভ্যাকসিনটি ইউএসএফডিএ (USFDA) কর্তৃক গত বছরের ১১ ডিসেম্বর, ইউকেএমএইচআরএ (UKMHRA) কর্তৃক গত বছরের ২ ডিসেম্বর এবং ইএমএ (EMA) কর্তৃক গত বছরের ২১ ডিসেম্বর জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদনপ্রাপ্ত হয়। এছাড়াও টিকাটি গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরি ব্যবহার তালিকায় স্থান পেয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ফাইজারের টিকাটি ১২ বছর এবং তার বেশি বয়সী ব্যক্তির ব্যবহারের জন্য । দেশে এটি সরকারের ডিপ্লয়মেন্ট প্ল্যান অনুযায়ী নির্ধারিত বয়সের ব্যক্তিদের মধ্যে প্রদান করা হবে। টিকাটি দুই ডোজের। প্রথম ডোজের ৩ থেকে ৪ সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে। এর সংরক্ষণ তাপমাত্রা মাইনাস ৯০ ডিগ্রি থেকে মাইনাস ৬০ ডিগ্রি। তবে টিকাটি ৫ দিন ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এবং ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ২ ঘণ্টা স্ট্যাবল থাকবে।


আরও খবর



রোহিঙ্গা: ভাসানচরে হঠাৎ কেন তাদের বিক্ষোভ?

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০১ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৭ জুন ২০২১ | ৫১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কক্সবাজার থেকে ভাসানচরে স্থানান্তরিত রোহিঙ্গাদের একটি অংশ সোমবার সেখানে বিক্ষোভ ও ভাঙচুর করেছে। প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের দুই কর্মকর্তাসহ একটি প্রতিনিধিদল সোমবার নোয়াখালী জেলার ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ণ প্রকল্পটি পরিদর্শনের জন্য গিয়েছিল। খবর বিবিসির।

তারা সেখানে পৌঁছানোর পর পরই রোহিঙ্গারা বিক্ষোভ করে। পরে একপর্যায়ে কিছু ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। সোমবার বেলা ১১টার দিকে জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তাসহ প্রতিনিধিদলটি ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলতে সেখানে গিয়েছিল।

দলটিতে জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের কর্মকর্তারা ছিলেন। এই প্রথমবার ইউএনএইচসিআরের কোনো প্রতিনিধিদল ভাসানচরে গেছে। দলটিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি নামার পর সেখানে রোহিঙ্গাদের একটি দল মিছিল করে হেলিকপ্টারটির দিকে এগোতে শুরু করে।

সে সময় পুলিশ তাদের বাধা দেয় এবং তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। তখন রোহিঙ্গাদের একটি অংশ ভাসানচরে ওয়্যার হাউস নামে একটি ভবনের বাইরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন। একপর্যায়ে ইটপাটকেল দিয়ে ভবনটির কিছু জানালার কাঁচ ভাঙচুর করা হয়। সে সময় পুলিশ তাদের নিয়ন্ত্রণ করে বলে জানিয়েছেন এক পুলিশ কর্মকর্তা। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে ১৯ হাজারের মতো রোহিঙ্গাকে ভাসানচরের একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পে স্থানান্তর করা হয়েছে।

ভাসানচরে বাস করছেন এ রকম কয়েকজন রোহিঙ্গা তাদের নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থাকে জানিয়েছেন, জাতিসংঘের যে প্রতিনিধিদলটি ভাসানচরে গিয়েছিল, তাদের সঙ্গে রোহিঙ্গারা কথা বলতে চেয়েছিলেন।

কিন্তু ভাসানচরে অবস্থানরত প্রায় ১৯ হাজারের মতো রোহিঙ্গার মধ্যে থেকে কয়েকজন রোহিঙ্গাকে 'ফোকাল পয়েন্ট' হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। শুধু তাদেরই কথা বলতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল।

রোহিঙ্গাদের অভিযোগ, ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের অনেকেই যে আর থাকতে চান না, সেখানে তাদের নানাবিধ অসুবিধার পুরো চিত্র ফোকাল পয়েন্টের সদস্যরা তুলে ধরেন না; কারণ তারা নিয়োগপ্রাপ্ত।

এ কারণে জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের কাছে তাদের আসল অবস্থা কী, সেই বার্তা পৌঁছবে না এমন আশঙ্কা থেকে তারা চেয়েছিলেন শুধু ফোকাল পয়েন্ট নয়, অন্যদেরও কথা বলতে দেওয়া হোক। কথা বলার সুযোগ না পেয়ে রোহিঙ্গাদের একটি অংশ উত্তেজিত হয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন।

একটি অংশ ভাঙচুর করার পর ওখানে অবস্থানরত বাকি রোহিঙ্গারা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

তবে পুলিশ জানিয়েছে, এখন ভাসানচরের পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। গত ডিসেম্বর মাস থেকে কয়েক দফায় কক্সবাজারের বিভিন্ন শিবির থেকে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরের এই আশ্রয়ণ প্রকল্পটিতে স্থানান্তর করা হয়। তারা নিজেদের ইচ্ছাতেই সেখানে স্থানান্তরিত হয়েছে বলে সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছে।

তবে রোহিঙ্গারা অভিযোগ করছেন, সেখানে নিয়ে যাওয়ার আগে যেসব প্রতিশ্রুতি তাদের দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো সব পূরণ করা হয়নি। তাদের মাসিক ভাতা, প্রতিটি পরিবারকে গরু দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ছিল, যা সবাইকে দেওয়া হয়নি বলে রোহিঙ্গারা দাবি করছেন।

সেখানে শিশুদের পড়াশোনার জন্য কোনো স্কুল তৈরি করা হয়নি। তাদের প্রতি মাসের খাওয়ার যে রসদ দেওয়া হয়, তা ন্যূনতম কিছু সামগ্রী বলে অভিযোগ করেছেন রোহিঙ্গারা।

তাদের কক্সবাজারে আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে দেওয়া হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল বলে রোহিঙ্গারা দাবি করেছেন। কিন্তু শুধু চরেই তাদের অবস্থান করতে হয়।

এ ছাড়া খারাপ আবহাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে অনেকের মধ্যেই। ইতোমধ্যে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। খুব নিচু চরটিতে প্রায়শই পানি প্রবেশ করে, যা ঠেকানোর জন্য যে বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। তার একটি ভেঙে গেছে বলেও জানা গেছে। এখন রোহিঙ্গারা আশঙ্কা করছেন যে, সামনে বৃষ্টির মৌসুম শুরু হলে, কোনো সাইক্লোন শুরু হলে কি পরিস্থিতি দাঁড়াবে।

এসব আশঙ্কা ও সুযোগ-সুবিধার অভাবে রোহিঙ্গারা কক্সবাজারে ফিরে যেতে চান। ইতোমধ্যে ভাসানচর থেকে কিছু রোহিঙ্গার পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।


নিউজ ট্যাগ: ভাসানচর

আরও খবর



প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা হচ্ছে না

প্রকাশিত:রবিবার ২০ জুন ২০21 | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ২৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের কারণে চলতি বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা হচ্ছে না। এ পরীক্ষা বাতিলের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রবিবার (২০ জুন) সকালে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক এ এম মনছুরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মহা-পরিচালক জানান, প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার্থীদের বাড়ির কাজের মাধ্যমে মূল্যায়ন চলবে। তবে তাদের অটোপাস দেওয়া হবে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের ক্লাসে আনা সম্ভব হলেও তাদের বার্ষিক পাঠপরিকল্পনার আলোকে পড়ানো হবে। এ প্রক্রিয়ায় মূল্যায়নের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

জানা গেছে, পরীক্ষা না নিয়ে এর পরিবর্তে বাড়ির কাজ দিয়ে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের মাধ্যমে নতুন শ্রেণিতে তোলা হবে। অটোপাস দেওয়া হবে না এবার। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সম্মতি পেলে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এ সংক্রান্ত সারসংক্ষেপ পাঠানো হবে।

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, চলতি বছরের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা নাও হতে পারে। করোনার কারণে এ চার পরীক্ষা গত বছরও নেওয়া হয়নি।


আরও খবর



১২ জেলায় নতুন ডিসি

প্রকাশিত:সোমবার ৩১ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ১৩১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

১২ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। জেলাগুলো হলো- খুলনা, ফেনী, শেরপুর, পাবনা, ঠাকুরগাঁও, পটুয়াখালী, মানিকগঞ্জ, পঞ্চগড়, নরসিংদী, সাতক্ষীরা, মুন্সিগঞ্জ ও নাটোর।

সোমবার (৩১ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এদেরমধ্যে মুন্সিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদারকে খুলনার জেলা প্রশাসক করা হয়েছে। ফেনীর জেলা প্রশাসক হয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) আবু সেলিম মাহমুদ-উল হাসান।

অন্যদিকে, ঢাকার জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার (উপসচিব) মো. মোমিনুর রশিদকে শেরপুর, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) বিশ্বাস রাসেল হোসেনকে পাবনা, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব মো. মাহবুবুর রহমানকে ঠাকুরগাঁও, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. কামাল হোসেনকে পটুয়াখালী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত উপসচিব মো. আব্দুল লতিফকে মানিকগঞ্জ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক (উপসচিব) মো. জহুরুল ইসলামকে পঞ্চগড় জেলার জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও নরসিংদীতে পরিকল্পনা মন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) মো. হুমায়ুন কবির, মুন্সিগঞ্জে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব কাজী নাহিদ রসুল ও নাটোরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শামীম আহমেদ জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পেয়েছেন।



আরও খবর



দেশের বাজারে কমছে স্বর্ণের দাম

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৪৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। বিশ্ববাজারের দামের সঙ্গে সমন্বয় করেই মূলত তারা দাম নির্ধারণ করে থাকে।

বিশ্ববাজারে বড় দরপতন হওয়ায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সোমবার (২১ জুন) দাম কমানোর ঘোষণা আসতে পারে বলে জানা গেছে।

এর আগে বিশ্ববাজারে দাম বাড়ায় দেশের বাজারেও দুদফা দাম বৃদ্ধি করা হয়। দেশে স্বর্ণের দাম বাড়া বা কমা নির্ভর করে বিশ্ববাজারের ওপর। বিশ্ববাজারে বাড়লে দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ঠিক তেমনি বিশ্ববাজারে দাম কমলে দেশের বাজারেও তা কমে যায়। বাংলাদেশে সর্বশেষ স্বর্ণের দাম সমন্বয় করার পর বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১০০ ডলারের ওপরে কমে গেছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হবে।

জানা গেছে, এই দফায় ভরি প্রতি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত কমানোর ঘোষণা আসতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে সোমবার। এই সিদ্ধান্ত নেবে বাজুসের কার্যনির্বাহী কমিটি।

বর্তমানে দেশে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ ৭৩ হাজার ৪৮৩ টাকা, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ৭০ হাজার ৩৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ৬১ হাজার ৫৮৪ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ৫১ হাজার ৬২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।



আরও খবর