Logo
শিরোনাম

ক্যারিয়ারে দারুণ মাইলফলকের সামনে মাহমুদউল্লাহ

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৫৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে দারুণ একটি মাইলফলকের সামনে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। নিজের ওয়ানডে ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ২০০তম ম্যাচ খেলার অপেক্ষায় আছেন এ তারকা অলরাউন্ডার।

এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেটের পঞ্চপান্ডবের চারজনই ২০০র মাইলফলক পেরিয়েছেন। মাহমুদউল্লাহ বাকি ছিলেন। সেটিই পূরণ হতে চলেছে।

মঙ্গলবার দেড়টায় জিম্বাবুয়ের হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ খেলায় স্বাগতিকদের হোয়াইটওয়াশের লক্ষ্যে মাঠে নামবে টাইগাররা।

এদিন মাঠে নামার মধ্য দিয়ে দেশের পঞ্চম ক্রিকেটার হিসেবে ওয়ানডেতে ২০০তম ম্যাচ পূর্ণ হবে মাহমুদউল্লাহর।


আরও খবর



কোভিড-১৯ : শিশুর জগত ও তাদের ভাবনা

প্রকাশিত:সোমবার ১২ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ১৯৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শিশুরা বাধাহীন। চলাফেরা, চিন্তা-চেতনায় অপ্রতিরোধ্য। পরিপূর্ণ উচ্ছলতায়। সীমানা নির্ধারণ বলাই বাহুল্য। এরা চঞ্চল, এরা পাখির মতো ডানা মেলে স্বপ্নের জগতে উড়বেই।

থমকে দিলো করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। বিশ্ব্য ব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বিপর্যস্ত মানবজীবন। এর থেকে বাঁচার জন্য মানবকলে উৎকণ্ঠা। আর এই মানবকল বা মানব জাতির বড় একটা অংশ হলো শিশুরা। এ মুহূর্তে শিশুরা ভুগছে মানসিক চাপে। স্কুল নেই, বন্ধুদের সাথে দেখা নেই, খেলা নেই, ঘরের চার দেয়াল ছাড়া কোথাও যাওয়ার উপায় নেই।

মার্চ ০৮, ২০২০ ইং তারিখে বাংলাদেশে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়।  জনসমাগম এড়াতে ১৮ মার্চ থেকে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়। এর পর থেকে ছুটির মেয়াদ বাড়তে থাকে। দুর্ভাগ্য, করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ আসে আরও শক্তিশালী হয়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য নেয়া হয় বিভিন্ন পদক্ষেপ। বর্তমান এ পরিস্থিতিতে চলছে কঠোর লকডাউন। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটিও জুলাই ২০২১ সাল পর্যন্ত চলমান। এ পরিস্থিতিতে শিশুরা গৃহবন্দী। চিন্তার বিষয় দীর্ঘ সময় শিশুরা এ অবস্থায় থেকে তাদের মানসিক অবস্থা কী দাঁড়ায়? ভাবতেই গা শিউরে ওঠে। ছোট একটি শিশু প্রায় দেড় বছর ধরে ঘরের বাইরে যাচ্ছে না। নেই কোন সামাজিক যোগাযোগ (ফেসবুক কিংবা অন্যান্য সামাজিক মাধ্যম নয়), সংস্কৃতি চর্চা। এর ফলে শিশুদের মনোজগতে পড়ছে বিরূপ প্রভাব। গভীর উদ্বেগের বিষয়।

দীর্ঘদিনের আবদ্ধ অবস্থা শিশুর সকল ধরনের বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে। একটি শিশুর ছবি আঁকা, নাচ, গান, আবৃত্তি চর্চা এসব মানসিক বিকাশের অংশ। এ পরিস্থিতিতে শিশুর সকল ধরনের বিকাশ, বুদ্ধির বিকাশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া শিশুর সময় কাটানোর জন্য দরকার আরেকটা শিশুর।

শিক্ষাব্যবস্থা সচল রাখার জন্য দেশের প্রায় অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থা চালু হয়েছে। বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জুম অ্যাপস, গুগল ক্লাসরুম, গুগল মিট, ওয়েবএক্স, ফেসবুক লাইভ, ইউটিউবের মতো বিভিন্ন সাইট ব্যবহার করে তাদের শিক্ষকদের সঙ্গে ক্লাস করছে। কিন্তু শিশুরা দীর্ঘ সময় ধরে ডিভাইসের সামনে বসে ক্লাস করায় তাদের মধ্যে দেখা দিচ্ছে শারীরিক ও মানসিক নানা সমস্যা। এ সকল সমস্যা দূর করার জন্য শিশুদেরকে বেশি বেশি সময় দিতে অভিভাবকদের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে বেশি সময় অনলাইনে ক্লাস করার কারণে অনেক শিশুর পিঠ, কোমর, চোখ ও ঘাড়ে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এতে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা। আর অধিকাংশ সময় জুমে ক্লাস করা নিয়েও বিরক্ত হচ্ছে শিশুরা। মাঝে মধ্যে শোনা যায়, এ করোনাভাইরাস লাইফটা শেষ করে দিলো। আর ভালো লাগে না এসব। কবে, কখন স্কুলে যাবএ প্রশ্নই তাদের মনে। অভিভাবকরাও কিছু বলবেন তার উপায় কোথায়? কারণ প্রতিউত্তর তোমরা বাইরে যাও, চাকরি করো, কলিগদের সাথে দেখা হয়, গল্প করো...কিন্তু আমরা কোথায় যাবো??? একজন অভিভাবক হিসেবে আমারও জানার আগ্রহ সত্যিই ওরা কোথায় যাবে, কী করবে? এই সরল প্রশ্নের উত্তর কী হতে পারে, একজন অভিভাবক হিসেবে কী করা উচিত? কোমলমতি এসব শিশুদের রক্ষা করার উপায় কী? আমার জানা নেই। নৈতিক শিক্ষা, শিক্ষাগুরুর সন্নিকটে শিক্ষা গ্রহণ, বুদ্ধিবৃত্তির বিকাশ এসব থেকে বঞ্চিত তারা। কিন্তু আমাদের শিশুদের রয়েছে অপার সম্ভাবনা। তারা স্বপ্ন দেখে ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রতিশ্রতিবদ্ধ। মোটেও কল্পনার জগতে বাস করে না তারা। আমাদের শিশুরা বিভিন্ন ধরনের গল্পের বই পড়ে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বই পড়ার তালিকায় রয়েছে জনপ্রিয় বিজ্ঞান কল্পকাহিনী লেখক, কলাম লেখক, পদার্থবিদ, শিক্ষাবিদ মুহম্মদ জাফর ইকবালের বই। শিশুরা তাঁর লেখা পড়ে অনুপ্রাণিত হয়ে হতে চায় বিজ্ঞানী। তারা নাসার বিজ্ঞানী হতে চায়, হতে চায় জুনিয়র আইনস্টাইন। আজকালকার শিশুদের আলোচনার বিষয় সৌরজগত, ফুটবল (কোপা আমেরিকা, ইউরো কাপ) ও ক্রিকেট খেলা ইত্যাদি। অভিভাবকদের জন্য এটি স্বস্তির।

এতোকিছুর পরেও সন্তানদের ওপর ভীষণ রাগ করি। দীর্ঘ সময় ডিভাইস নিয়ে থাকার কুফল নিয়ে ব্যাখ্যা করতে গেলেই বেধে যায় লঙ্কাকান্ড (একটু আগেই লিখেছি ধারাবাহিকভাবে ডিভাইস ব্যবহারে কী কী ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে শিশুরা)। দীর্ঘক্ষণ ল্যাপটপ, মোবাইল নিয়ে থাকার ফলে খিটখিটে মেজাজ, ধৈর্যের ঘাটতিসহ আচরণগত কিছু পরিবর্তন দেখা দিচ্ছে। এছাড়া, প্রাত্যহিক জীবনেও এসেছে ভয়াবহ পরিবর্তন। নিয়মানুবর্তিতা ও শৃঙ্খলার বিষয়টি তাদের মাথায়ই নেই। রাত জাগা ও দিনের অধিকাংশ সময় ঘুমিয়ে থাকা (ক্লাসের একটু আগে ওঠা) একটি শিশুর জন্য কতোটা ক্ষতিকর তা কেবল ভুক্তভোগীরাই বোঝে। সকাল ১০টা থেকে বেলা ১:০০টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে (১০ মিনিটের বিরতি কথা থাকলেও) ক্লাস চলে। জুমে ক্লাস করা, গাদাগাদা অ্যাসাইনমেন্ট এসবের চক্রাকারে পড়ে তারা আজ বিপর্যস্ত। এর সঙ্গে এটাই বাস্তব যে, জুমে ক্লাস অন করে শিশুরা শুয়ে-বসে সময় কাটায়। ক্লান্তি আর বিরক্ত। যা একটি পরিবারের জন্য বেদনাদায়ক ও কষ্টদায়ক। সন্তানের এ অবস্থা থেকে মুক্তির উপায় কী? সংশ্লিষ্ট মহল এ বিষয়টি আরোও গুরুত্বসহকারে বিশ্লেষণ ও নজরদারিতে আনবেন একজন অভিভাবক হিসেবে এ আকুতি।

করোনা সংক্রমণের এই পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবিকে অবান্তর বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। এর পক্ষে যুক্তি দিয়ে তিনি বলেছেন, করোনা পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৫ শতাংশের কম না হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা বিজ্ঞানসম্মত নয়। করোনা মহামারীর মধ্যে শিক্ষাসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় পরামর্শক কমিটির পরামর্শ নেয়া হয়ে থাকে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সহমত পোষণ করে সবিনয়ে বলতে চাই : পড়াশুনা দরকার কিন্তু তার আগে প্রয়োজন সুস্থ-স্বাভাবিক শিশুকে রক্ষা করা। এ সমস্ত প্রতিযোগিতায় দুরন্ত শিশুদের ধ্বংস করা হচ্ছে, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সুন্দর ভবিষ্যৎ। বিকলাঙ্গ ভবিষ্যৎ কারো কাম্য নয়। সুস্থ থাকুক শিশুরা, সুন্দর হোক আগামী।

নিউজ ট্যাগ: শিশুর জগত

আরও খবর



পাড়া-মহল্লায় বিশেষ অভিযান চালাবে র‌্যাব

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ১০২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনা সংক্রমণ রোধে কঠোর লকডাউনে সরকার নির্দেশিত বিধি-নিষেধ মানাতে পাড়া-মহল্লায়ও কঠোর অভিযান পরিচালনার কথা জানিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

শনিবার (০৩ জুলাই) দুপুর ১২টায় রাজধানীর রাসেল স্কয়ারে লকডাউনে র‌্যাবের কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমন কথা জানান র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কামান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, কঠোর বিধি-নিষেধের মধ্যেও যারা বাইরে বের হচ্ছেন তাদের অনেকেই সঠিকভাবে মাস্ক পরিধান করছেন না। সচেতনতার পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে আমরা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছি।

বিধি-নিষেধ মানাতে র‌্যাব এখন পর্যন্ত সারাদেশব্যাপী ৪ শতাধিক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে, আর জরিমানা করেছে চার লক্ষাধিক টাকা। দেশজুড়ে নিয়মিত টহল ও চেকপোস্টের বাইরে চার শতাধিক অতিরিক্ত চেকপোস্ট পরিচালনা করে যারা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

পাড়া-মহল্লায় টহল পরিচালনা করার সময় দেখেছি, অনেকেই স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। বিভিন্ন স্টলে-দোকানে গণজমায়েত দেখা গেছে। তাই সবার প্রতি অনুরোধ পরিবারের কথা বিবেচনা করে হলেও এই কটা দিন করোনার ঝুঁকিপূর্ণ সময়টাতে ঘরে থাকুন। অন্যথায় আমরা মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেবো।

এক প্রশ্নের জবাবে র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, আমি এখানে আসার আগে ১০টি চেকপোস্ট পর্যালোচনা করেছি, পাড়া-মহল্লায় গিয়েছি। আপনারা যথার্থই বলেছেন, পাড়া-মহল্লায় অনেকেই স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। আজ থেকে পাড়া-মহল্লায় স্পেশাল অভিযান পরিচালনা করা হবে। সম্মানিত নাগরিকদের অনুরোধ করবো পাড়া-মহল্লায় আপনারা জমায়েত হবেন না।

গত দুই দিনের লকডাউনে র‌্যাবের পরিচালিত অভিযান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রথমদিন বৃহস্পতিবার (০১ জুলাই) সারাদেশে ১৮২ জনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আর জরিমানা করা হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। গতকাল শুক্রবার (০২ জুলাই) সারাদেশে ২২০ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি জরিমানা করা হয়েছে আড়াই লক্ষাধিক টাকা। গত দুই দিনের প্রেক্ষাপটে গতকাল চেকপোস্ট বেশি ছিল। যারা নির্দেশনা মানছেন না, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছেনা।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, এখন বিশেষ পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে লকডাউন দেওয়া হয়েছে। যারা জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হচ্ছেন, তাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ করছি। অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সবাইকে ঘরে থাকার অনুরোধ করছি।



আরও খবর



গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনার ৪ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আরও ১১ মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৩০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

খুলনার ৪টি করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ রবিবার (২৫ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় তাদের মৃত্যু হয়।

মারা যাওয়া ১১ জনের মধ্যে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে পাঁচজন, জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে একজন, বেসরকারি গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৩জনও শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে ৪ জন রয়েছেন।

করোনা হাসপাতালের ফোকালপার্সন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে এক রোগী মারা গেছেন।

বেসরকারি গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মালিক ডা. গাজী মিজানুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন ৩ রোগী মারা গেছেন। শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের ফোকালপার্সন ডা. প্রকাশ দেবনাথ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চারজনের মৃত্যু হয়েছে।



আরও খবর



লকডাউনে বিকেলের নাস্তায় কিমা স্যান্ডউইচ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৭৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

লকডাউনে সবাই যখন বাড়িতে বিকেলের নাস্তা নিয়ে চিন্তা? এমন কিছু তৈরি করতে হবে, যা হবে পরিবারের সবার জন্য পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু। এমনই একটি চটজলদি রেসিপি চিকেন কিমা স্যান্ডউইচ।

উপকরণ:

মুরগির মাংসের কিমা ২০০ গ্রাম

ছোট সাইজের পেঁয়াজ ২টি(কুচি)

আদা বাটা ১ চা চামচ

মরিচ বাটা ১ চা চামচ

শুকনা মরিচ গুঁড়া ১/২ চা চামচ

হলুদ -সামান্য

সয়াবিন তেল আড়াই চামচ

ধনেপাতা কুচি-১ চা চামচ

মাখন ৮ চা চামচ

পাউরুটি ৮ পিস

লবণ পরিমাণমতো।

প্রণালী

প্রথমে মাখন, পাউরুটি, ধনেপাতা বাদে বাকি সব উপকরণ একটু পানি দিয়ে তেলে ভালো করে কষিয়ে নিতে হবে।

কিমা সেদ্ধ হলে পানিটা কড়াইতেই শুকিয়ে নেবেন।

পানি শুকিয়ে এলে ধনে পাতা মিশিয়ে দিন। এবার এটা ঠাণ্ডা করুন। পাউরুটির ওপরে মাখন লাগান।

একটার ওপরে পুর দিয়ে আরেকটি পাউরুটির স্লাইস চাপা দিন।

পুর দেওয়া হলে ছুরি দিয়ে তিনকোনা করে কেটে নিন। পাউরুটির চারপাশের শক্ত অংশ ফেলে দিতে হবে। চাইলে সঙ্গে শসা কুচি দিতে পারেন। এবার স্যান্ডউইচ মেকারে, কিছুক্ষণের জন্য বেক করে পরিবেশন করুন।

নিউজ ট্যাগ: কিমা স্যান্ডউইচ

আরও খবর

গাজরের মালাই পাটিসাপ্টা

রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১

মেজবানি মাংস রান্না করবেন যেভাবে

বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১




খুলনার চার হাসপাতালে সর্বোচ্চ ২২ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ জুলাই 20২১ | ৫৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

খুলনার চার হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে নয়জন, গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আটজন, জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে দুইজন ও আবু নাসের হাসপাতালে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালের ফোকাল পার্সন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৯৩ জন। যার মধ্যে রেড জোনে ১২৯ জন, ইয়ালো জোনে ২৫ জন, আইসিইউতে ১৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৩২ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫১ জন।

শহীদ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনা ইউনিটে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- খুলনার ডুমুরিয়ার আবুল বাশার মোল্লা (৪৬), বটিয়াঘাটার রিজিয়া বেগম (৬৫) ও ঝিনাইদহ কালিগঞ্জের সিরাজুল ইসলাম (৬৫)। এছাড়া হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৪৫ শয্যার বিপরীতে ভর্তি রয়েছেন ৪৩ জন। তার মধ্যে আইসিইউতে রয়েছে ১০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন চারজন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন একজন।

জেনারেল হাসপাতালের ৮০ শয্যার করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- খুলনার রূপসার বাগমারার আনসার শেখ (৬০) ও দিঘলিয়ার উত্তর চন্দনীমহলের আমেনা বেগম (৮০)। এছাড়া চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬৮ জন, তার মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ ও ৩৫ জন নারী। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ১৮ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৩ জন।

গাজী মেডিকেল হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী ডা. গাজী মিজানুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আটজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- নগরীর টুটপাড়ার আব্দুল কাদের (৬১), খুলনার রূপসার শামিমা আক্তার (৫০), বাগেরহাটের ফকিরহাটের সুভাস দত্ত (৬১), যশোর সদরের সুজনপুরের নূর জাহান (৭৫), নড়াইলের কালিয়ার বাকা এলাকার নাসিমা বেগম (৫৬), চুয়াডাঙ্গার দর্শনা বাজারের আব্দুর রশিদ (৪৫), পিরোজপুর নাজিরপুরের সাকিনা বেগম (৬৫) ও যশোর সদরের বেজপাড়ার দুলাল চন্দ্র ঘোষ (৬৫)।

বেসরকারি এ হাসপাতালের চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ১২৪ জন। এরমধ্যে আইসিইউতে রয়েছেন ৯ জন ও এইচডিইউতে আছেন ১১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ২১ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২০ জন। পিসিআর ল্যাবে ৬২টি নমুনা পরীক্ষায় ৪৪ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে।



আরও খবর