Logo
শিরোনাম

মা-বাবা ও দুই বোনের লাশ সঙ্গে নিয়ে দাদার লাশ দেখতে যাচ্ছে মিম

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৮৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মাদারীপুর থেকে দেলোয়ার হোসাইন

খুলনায় দাদার মৃত্যুর খবরে বাবা-মা ও দুই বোনের সঙ্গে ঢাকা থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছিল শিশু মিম। তবে দাদার লাশ দেখার আগেই পরিবারের সব সদস্যকে হারাতে হলো তাকে। সে বাদে তার সঙ্গে থাকা সবাই দুর্ঘটনায় মারা গেছে। এবার তাই বাবা-মা ও দুই বোনকে নিয়ে বরং তাদের লাশ সঙ্গে নিয়ে দাদার লাশ দেখতে যেতে হচ্ছে তাকে।

সোমবার (৩ মে) মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় পদ্মা নদীতে একটি বাল্কহেডের সঙ্গে স্পিডবোটের সংঘর্ষ হয়। এতে স্পিডবোটটি ডুবে যায়। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত ২৬ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। যাদের মধ্যে আছে মিমের বাবা-মা ও দুই বোনের লাশও।

শিবচরের পাঁচ্চর রয়েল হাসপাতালে ভর্তি শিশু মিমকে জিজ্ঞাসা করলে বাবা মা ও দুই বোনের বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পরে সে। শিবচর ইউএনও অফিসের এক কর্মচারী ও বাংলাবাজার স্পিডবোট ঘাটের নৈশ প্রহরী দেলোয়ার ফকিরের তত্বাবধানে শিশুটি হাসপাতালের একটি কক্ষে দুপুরের খাবার খাচ্ছিল তখন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শিশু মিমের বাবা মনির হোসেন, মা হেনা বেগম, ছোট দুই বোন সুমি (৫) ও রুমি (৩) স্পিডবোট দুর্ঘটনায় মারা গেছে। তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ রাখা হয়েছে স্থানীয় একটি স্কুল মাঠে। খুলনার তেরখাদায় এ পরিবারের বাড়ি। সেখানেই যাচ্ছিলেন তারা।

মিমকে উদ্ধারকারী নৌ পুলিশের কনস্টেবল মেহেদী বলেন, 'শিশুটিকে নদীতে ব্যাগ ধরে ভাসতে দেখি। হাত ও চোখের কাছে আঘাতের চিহ্ন ছিল সামান্য। দ্রুত তাকে পাঁচ্চর রয়েল হাসপাতালে পাঠানো হয়। শিশুটির পরিবারের সকল সদস্যরাই মারা গেছে।

শিশু মিম শুধু জানে তার মা, বাবা, বোনেরা কেউ বেঁচে নেই। মাঝে মাঝেই মা মা বলে কেঁদে উঠছে সে। কান্নারত অবস্থায় মিম বলে, আমরা দাদু বাড়ি যাচ্ছিলাম। দাদা মারা গেছে। তাকে দেখতে। আমার আর কেউ নাই।


আরও খবর



২৩ মে খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৭৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
দেশের পরিস্থিতির উন্নতি হলে আগামী ২৩ মে স্কুল-কলেজ খুলে দেয়া হবে। আমাদের আগের ঘোষণা অনুযায়ী যে সিদ্ধান্ত ছিলো তা এখনো বহাল রয়েছে। এটি বাস্তবায়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে

করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আগামী ২৩ মে থেকে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। পূর্বের সিদ্ধান্তই বহাল রেখেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সে মোতাবেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের (মাউশি) সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) এক ভার্চুয়াল সংলাপে শিক্ষা সচিব বলেন, করোনার মধ্যে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আমরা টেলিভিশন, অনলাইন ও রেডিওতে ক্লাস সম্প্রচার শুরু করেছি। তার পাশাপাশি মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের বাসায় অ্যাসাইনমেন্ট কাজ দেয়া হচ্ছে। চলমান লকডাউনের কারণে বর্তমানে তা বন্ধ রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আগামী বছরের জাতীয় বাজেটে শিক্ষার বরাদ্দ বাড়ানো হবে। বাজেটে শিক্ষাকে অধিক গুরুত্ব দেয়া হবে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে বাজেটের আকার বড় করলেও সমস্যা সমাধান হয় না, এটি ব্যবহারে পরিকল্পনা, সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয়।

সচিব বলেন, দেশের পরিস্থিতির উন্নতি হলে আগামী ২৩ মে স্কুল-কলেজ খুলে দেয়া হবে। আমাদের আগের ঘোষণা অনুযায়ী যে সিদ্ধান্ত ছিলো তা এখনো বহাল রয়েছে। এটি বাস্তবায়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এদিকে গত ২৫ মার্চ প্রাথমিক, করোনাভাইরাস সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির বৈঠক শেষে ২৩ মে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণা দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে ও কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির পরামর্শক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগামী ঈদুল ফিতরের পর ২৩ মে ক্লাস শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তবে এসময়ে অনলাইন শিক্ষাকার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়। একইসঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তের পর ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এরপর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি ধাপে ধাপে বাড়িয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছিল।


আরও খবর



তৃতীয়বারের মতো মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নিতে যাচ্ছেন মমতা

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ মে ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

টানা তৃতীয়বারের মতো ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার স্থানীয় সময় সকাল পৌনে ১১টার দিকে রাজভবনে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের কাছে শপথ নেবেন তিনি।

করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে আগেই এই অনুষ্ঠান অনাড়ম্বর রাখার কথা ঘোষণা করেছেন তৃণমূল নেত্রী। সীমিত আয়োজনের এই অনুষ্ঠানেও বিরোধী নেতাদেরও অতিথি করা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের প্রভাবশালী গণমাধ্যম আনন্দবাজার জানায়, রাজনৈতিক সৌজন্য মেনেই ওই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সিপিএম নেতা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, বিদায়ী বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজেপি বিধায়ক মনোজ টিগ্গা, গত বিধানসভার বিরোধী নেতা আবদুল মান্নান, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী, কংগ্রেস সংসদ সদস্য প্রদীপ ভট্টাচার্য প্রমুখকে।

বিরোধী নেতা-নেত্রী ছাড়াও নিজের দলের বেশ কয়েকজনকেও আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে রয়েছেন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর, ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, পৌর প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম, দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, বিদায়ী মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, রাজ্যসভার সাংসদ সুব্রত বক্সীসহ একাধিক নেতা-নেত্রী।

রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছাড়াও এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকায় রয়েছেন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট তথা ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলিও।

এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সাম্প্রদায়িক অপরাজনীতির বিরুদ্ধে জেতা মমতা আজ এমন পরিস্থিতিতে শপথ নিতে যাচ্ছেন যেখানে জয়ের পরে নানা সহিংসতায় অন্তত ১৪ জনের প্রাণহানি হয়েছে।

এর মধ্যে তৃণমূল-বিজেপি দুই দলের নেতাকর্মী-সমর্থক আছেন।

মমতা রাজ্যজুড়ে ভোটপরবর্তী রাজনৈতিক সংঘর্ষের দায়ও বিজেপির ওপর চাপিয়েছেন। বলেছেন, ভোটে ধর্মীয় মেরুকরণের চেষ্টা আগে থেকে করে আসছে বিজেপি। এর দায় মোদি-অমিত শাহর।

সোমবারই রাজ্যপাল ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করে পদত্যাগপত্র জমা দেন মমতা ব্যানার্জী। রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের আগের প্রথা মেনেই এই পদত্যাগ করেন তিনি। পরে টুইট করে রাজ্যপাল জানান, মুখ্যমন্ত্রী তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তা গৃহীতও হয়েছে। তবে পরবর্তী সরকার গঠন হওয়ার আগ পর্যন্ত তাকেই দায়িত্ব নিতে অনুরোধ করা হয়েছে। ওই টুইটের সঙ্গে রাজভবনে মমতা এবং ধনখড়ের একটি ভিডিও শেয়ার করেন রাজ্যপাল।

এর কিছুক্ষণ পরেই টুইট করে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতার শপথ নেওয়ার দিনক্ষণ ঘোষণা করেন রাজ্যপাল।


আরও খবর



এবার ১০ গানে ঈদ মাতাবেন ড. মাহফুজুর রহমান

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ মে ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ মে ২০২১ | ৪৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

এবারের ঈদেও গান শোনাবেন বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেল এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান। তাঁর একক সংগীতানুষ্ঠানের নাম সুখে থাকো তুমি। থাকছে মোট ১০টি গান। প্রচার হবে ঈদের দ্বিতীয় দিন রাত সাড়ে ১০টায়।

জানা গেছে, এবারের অ্যালবামের গানগুলোতে সুরারোপ করেছেন মান্নান মোহাম্মদ ও রাজেশ ঘোষ। গানের কথা লিখেছেন নাজমা মোহাম্মদ, রাজেশ ঘোষ ও ড. মাহফুজুর রহমান। এটিএন বাংলার স্টুডিও এবং দেশের বিভিন্ন মনোরম লোকেশনে গানগুলো চিত্রায়ণ করা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের কারণে ঘরবন্দি দর্শকের একঘেয়েমি কাটাতে মাহফুজুর রহমানের অনুষ্ঠানটি ভিন্ন মাত্রার আনন্দ যোগ করবে বলে এটিএন বাংলা কর্তৃপক্ষ প্রত্যাশা করছে।

২০১৬ সালের পবিত্র ঈদুল আজহায় নিজের টেলিভিশন চ্যানেলে একক সংগীতানুষ্ঠানে গান পরিবেশন করে আলোচনায় আসেন ড. মাহফুজুর রহমান। এর পর থেকে প্রত্যেক ঈদে তিনি নিয়মিত গাইছেন। প্রতিবার ঈদ আয়োজনের জনপ্রিয় অনুষ্ঠানের তালিকায় থাকে তাঁর একক সংগীতানুষ্ঠান।


আরও খবর



১৩ বছরের মধ্যে চালের মজুদ সর্বনিম্ন

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ৭৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
২১ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারিভাবে চাল আমদানি হয়েছে মাত্র ২ লাখ ৫৯ হাজার টন। আর বেসরকারিভাবে হয়েছে সাড়ে ৬ লাখ টন। এর মধ্যে তলানিতে ঠেকেছে সরকারি মজুদ, রয়েছে মাত্র ৩ লাখ টন যা চাহিদার ২০ শতাংশ

আমদানির পরও চাহিদার মাত্র ২০ শতাংশ চালের মজুদ রয়েছে সরকারি গুদামগুলোতে। যা গত ১৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গুদামে যেখানে চালের মজুদ থাকার কথা কমপক্ষে ১৫ লাখ মেট্রিক টন, সেখানে রয়েছে মাত্র ৩ লাখ টন। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, মজুদের ব্যাপারে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অদূরদর্শিতাই সঙ্কটের প্রধান কারণ। তবে খাদ্যমন্ত্রীর দাবি, আমদানি ব্যবস্থাপনায় দেরি হওয়ায় মজুদ কমেছে।

করোনায় দেশে চালের ঘাটতির আশঙ্কায় গেল বছরের আগস্টেই ২০ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে সরকারিভাবে ১০ লাখ টন চাল আমদানির কার্যক্রম শুরু করতে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সময় লেগে যায় চার মাস। আর সাড়ে ৩৭ শতাংশ শুল্ক কমিয়ে বেসরকারি খাতকে আমদানির অনুমতি দেয়ার বিষয়টি গড়ায় ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারিভাবে চাল আমদানি হয়েছে মাত্র ২ লাখ ৫৯ হাজার টন। আর বেসরকারিভাবে হয়েছে সাড়ে ৬ লাখ টন। এর মধ্যে তলানিতে ঠেকেছে সরকারি মজুদ, রয়েছে মাত্র ৩ লাখ টন যা চাহিদার ২০ শতাংশ।

আমদানিকারক নিরব বরণ সাহা বলছেন, প্রথমত কারণ ছিল বর্ডার থেকে সময়মতো পণ্য না আসা। একসঙ্গে যদি একদিনে বিভিন্ন বর্ডার থেকে এক লাখ মেট্রিক টন (কম-বেশি) পণ্য প্রবেশ করতো তাহলে স্বাভাবিকভাবে এখানে ধারাটা ঠিক থাকতো।

চালের মজুদ সঙ্কটে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের গাফিলতিকে দায়ী করছেন কৃষিবিদ ও বাজার বিশ্লেষকরা। এদিকে খুচরা বাজারে সব ধরনের চাল বিক্রি হচ্ছে আগের বাড়তি দামে। কেজি প্রতি মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকায়, আর চিকন চাল ৬০ থেকে ৭০ টাকায়।

কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. এম আসাদুজ্জামান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পরও যে ৮ মাস খাদ্য মন্ত্রণালয় বসে থাকলো তার জবাবদিহিতা তো শেষ পর্যন্ত করতে হবে তাদের। বাজার বিশ্লেষক এস এম নাজের হোসেন বলেন, সফল না হওয়ার পেছনে মনে করি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের গাফিলতি এবং অদক্ষতা ছিল। তারা যদি বিষয়টিতে সঠিকভাবে মনোযোগ দিতেন তাহলে আজকের এই সঙ্কট হতো না।

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, গাড়ি ভাড়া করে সরবরাহ করা হচ্ছে। চাল আসতেছে। স্থানীয় প্রক্রিয়া হচ্ছে এবং আমদানিকৃত চাল আগামী ১৬ তারিখের মধ্যে চলে আসবে। আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে আমদানি করব।


আরও খবর

ঈদ মোবারক

শুক্রবার ১৪ মে ২০২১




সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে মতিন খসরুর জানাজা সম্পন্ন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ মে ২০২১ | ৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
দ্বিতীয় জানাজায় অন্যদের মধ্যে অংশ নেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাবেক আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরুর দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়।

দ্বিতীয় জানাজায় অন্যদের মধ্যে অংশ নেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, ঢাকা দক্ষিণের মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলসহ আরও অনেকে।

গতকাল বুধবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) কুমিল্লা-৫ (ব্রাহ্মণপাড়া-বুড়িচং) আসনের এই সংসদ সদস্য শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। তাঁর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।


আরও খবর

ঈদ মোবারক

শুক্রবার ১৪ মে ২০২১