Logo
শিরোনাম

মালয়েশিয়ায় বিশেষ অভিযানে বাংলাদেশিসহ আটক ৯৫

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের টানা তিন ঘণ্টার অভিযানে বাংলাদেশিসহ ৯৫ জন অবৈধ অভিবাসী আটক হয়েছেন। আটকদের মধ্যে ৫২ জন পুরুষ ও ৪৩ জন নারী রয়েছেন।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) দিবাগত গভীর রাতে দেশটির জালান দেওয়ান সুলতান সুলাইমান-১ এর পাঁচতলা দোকানঘরে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

অভিযানে প্রাথমিকভাবে ১৫০ জন অভিবাসীকে আটক করা হলেও বৈধ কাগজপত্র থাকায় ৫৫ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

কুয়ালালামপুর ফেডারেল টেরিটরি ইমিগ্রেশন ডিরেক্টর স্যামসুল বদরিন মহসিন জানিয়েছেন, আটকরা ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, নেপাল ও পাকিস্তানের নাগরিক। তবে আটকদের মধ্যে কতজন বাংলাদেশি রয়েছেন, সেটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা আরও জানান, দেশটির এফোর্সমেন্টের কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অভিবাসীদের কার্যকলাপ ও গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছিল। আটকরা বেশিরভাগই নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিল। তাদের অনেকের পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে এবং কারো কারো কাছে কোনো বৈধ ভ্রমণ নথি ছিল না, যারা অবৈধভাবেই দেশটিতে বসবাস করছিল।


আরও খবর



রেজা-নূরের ওপর হামলাকে ‘দুঃখজনক ও নিন্দনীয়’ বলছেন কাদের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৬৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
ওবায়দুল কাদের বলেন, গণতন্ত্রের নামে যারা নির্বাচন বিমুখ, যারা জনগণের ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী নয়, যারা ক্ষমতায় থাকাকালে ভোটারবিহীন নির্বাচন করে এবং সোয়া এক কোটি ভুয়া ভোটার সৃষ্টি করে

টাঙ্গাইলে গতকাল মওলানা ভাসানীর সমাধিস্থলে নবগঠিত দল বাংলাদেশ গণঅধিকার পরিষদের নেতাদের ওপর হামলার ঘটনাকে দুঃখজনক ও নিন্দনীয়’ উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা হয়েছে।’

হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এ হামলার ব্যাপারে তদন্ত চলছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) তার সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা জানান।

তিনি জানান, আগামীকাল আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সভায় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়রের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে। পাশাপাশি চলমান ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের বিষয়েও আলোচনা হবে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যারা বিদ্রোহ করছেন এবং বিদ্রোহীদের মদত দিচ্ছেন তাদের ব্যাপারে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

‘বিএনপি নেতাদের মন্তব্য—সরকার নাকি গণতন্ত্রকে বিলীন করে ফেলছে’ এ বিষয়ে আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপি নেতাদের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, গণতন্ত্রের বিকাশ ও গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দল হিসেবে আপনারা কী ধরনের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছেন?

গণতন্ত্রের সম্মুখ যাত্রায় পদে পদে যারা বাধা তৈরি করে, তারাই আবার মায়াকান্না কাঁদছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, গণতন্ত্রের নামে যারা নির্বাচন বিমুখ, যারা জনগণের ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী নয়, যারা ক্ষমতায় থাকাকালে ভোটারবিহীন নির্বাচন করে এবং সোয়া এক কোটি ভুয়া ভোটার সৃষ্টি করে, তারাই আবার গণতন্ত্রের কথা বলে।

বিএনপি মহাসচিবের কাছে জানতে চেয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে কেন আপনি সংসদে গেলেন না? জনমতকে অসম্মান কে দেখালো- সরকার না আপনারা?

বিএনপি নিশ্চিত জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসতে পারবে না, সেজন্য তারা দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করে ঘোলাপানিতে মাছ শিকার করতে চায় দাবি করে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, বিএনপি উসকানি দিয়ে নানা ঘটনা ঘটিয়ে সরকারের ওপর দায় চাপাতে চায়। সাম্প্রতিক কালে প্রতিটি অঘটনের সঙ্গে বিএনপি ও তার সাম্প্রদায়িক দোসররা জড়িত।

বিএনপিই শীর্ষ পর্যায় থেকে হত্যা-সন্ত্রাসের মদত দেয়, আ’লীগ নয়—দাবি ওবায়দুল কাদেরের।

বিএনপির রাজনীতি অস্থিরতাপূর্ণ উল্লেখ করে আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ অস্থিরতা ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার অস্থিরতা, এ অস্থিরতার কারণে বিএনপি ধীরে ধীরে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ছে।

নিউজ ট্যাগ: ওবায়দুল কাদের

আরও খবর

হেফাজত মহাসচিব লাইফ সাপোর্টে

রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১




খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা আইনগত ব্যাপার: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৪২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
আমার বাবা,মা, ভাই এমনকি ছোট্ট রাসেলকে পর্যন্ত হত্যা করেছে। তারপরেও আমরা অমানুষ নই। অনানুষ নই দেখেই তাকে বাসায় থাকার ব্যবস্থা করেছি অন্তত সেই এক্সিকিউটিভ ক্ষমতা বলে, আমার হাতে যতটুকু রয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে দেয়া হবে কি না, তা আইনগতভাবেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার জন্য আমি আমার নির্বাহী ক্ষমতা বলে যা করতে পারি তাই করেছি, আইন পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করবে।’

’৭৫ এর বিয়োগান্তক অধ্যায় টেনে এনে জাতির পিতার খুনীদের পুরস্কৃত করার পরও তাঁর সরকার খালেদা জিয়াকে মানবতা দেখিয়েছে অভিমত ব্যক্ত করে সরকার প্রধান বলেন, আমার বাবা,মা, ভাই এমনকি ছোট্ট রাসেলকে পর্যন্ত হত্যা করেছে। তারপরও তাকে বাসায় থাকার ব্যবস্থা করেছি।কারণ আমরা অমানুষ নই ।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিকেলে তাঁর সাম্প্রতিক স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৬ এ অংশগ্রহণ এবং লন্ডন ও ফ্রান্সে দু-সপ্তাহের সফর বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে খালেদা জিয়ার বিদেশ গিয়ে চিকিৎসা সংক্রান্ত বিএনপি’র দাবির প্রেক্ষিতে একথা বলেন।

তিনি গণভবনে থাকা সিনিয়র সাংবাদিকদের সঙ্গে সরাসরি এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে থাকা সাংবাদিকদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি এই প্রশ্নোত্তরপর্বে অংশগ্রহণ করেন।

দুর্ণীতির মামলায় দন্ড নিয়ে তিন বছর আগে কারাগারে যাওয়ার পর গত বছর মার্চে করোনাভাইরাসের কারণে সরকার দন্ডের কার্যকারিতা স্থগিত করে খালেদা জিয়াকে কিছু শর্তে সাময়িক মুক্তি দেয়। শর্তানুযায়ী তিনি বিদেশ যেতে পারবেন না। তবে, তার বাসায় থেকে চিকিৎসা নেয়ার কথা থাকলেও তিনদফায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। সর্বশেষ ১৩ নভেম্বর একই হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার কাছে চান কিভাবে, খালেদা জিয়াকে যে বাসায় থাকতে এবং চিকিৎসা করার সুযোগ দিয়েছি সেটাই কি বেশি নয়।’

প্রধানমন্ত্রী বারবার তাঁকে হত্যা প্রচেষ্টায় খালেদা জিয়া এবং তার পুত্র তারেক রহমানের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উত্থাপন করে উল্টো প্রশ্নকারী সাংবাদিককে প্রশ্ন করেন, আপনাকে কেউ হত্যার চেষ্টা করলে আপনি কি তাকে ফুলের মালা দিয়ে নিয়ে আসতেন? বা আপনার পরিবারকে কেউ হত্যার পর বিচার না করে সেই খুনীদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরী দিয়ে পুরস্কৃত করতো তাহলে কি করতেন?

‘৯৬ এর ১৫ ফেব্রুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে জাতির পিতার খুনী রশিদকে সংসদ সদস্য করে বিরোধী দলের নেতার আসনে বসানো, জাতির পিতার অপর খুনী খায়রুজ্জামানকে তার বিচারের রায় হবার সময় নতুন করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চাকরী দেয়া এবং রাষ্ট্রদূত করা, মারা যাওয়া অপর খুনী পাশাকে মারা যাওয়ার পর প্রমোশন দিয়ে সবধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রদান সহ খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উত্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।

‘২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে তাঁকে হত্যা প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর সেই গ্রেনেড তিনিই ভ্যানিটি ব্যাগে করে এনে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন, খালেদা জিয়ার এই বক্তব্য এবং একইসঙ্গে  কোটালিপাড়ায় বোমা পূঁতে রেখে তাঁকে হত্যা প্রচেষ্টার ঠিক আগে খালেদা জিয়ার বক্তব্য শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী তো দূরের কথা কোনদিন বিরোধীদলের নেতাও হতে পারবে না, স্মরণ করিয়ে দিয়ে খালেদা জিয়ার সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত দেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, গ্রেনেড হামলায় দলের ২২ জন নেতা-কর্মী মারা যাওয়া এবং বিপুল সংখ্যক আহত হওয়ার পরও একদিন সংসদে আলোচনা পর্যন্ত করতে না দেয়ার সঙ্গে দুর্ণীতির মাধ্যমে দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাওয়ার রুপকার খালেদা জিয়াকে এতকিছুর পরও তাঁর সরকার মানবতা দেখিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে প্রচলিত প্রবাদ রাখে আল্লাহ মারে কে, উল্লেখ করে এর উল্টোটাও উচ্চারণ করেন, মারে আল্লাহ রাখে কে?

‘কাজেই খালেদা জিয়ার জন্য যারা তাঁকে দয়া দেখাতে বলেন তাদের লজ্জা পাওয়া উচিত, উল্লেখ করে তিনি ৭৫ এর সেই বিয়োগান্তক অধ্যায়ও টেনে আনেন।

তিনি বলেন, আমার বাবা,মা, ভাই এমনকি ছোট্ট রাসেলকে পর্যন্ত হত্যা করেছে। তারপরেও আমরা অমানুষ নই। অনানুষ নই দেখেই তাকে বাসায় থাকার ব্যবস্থা করেছি অন্তত সেই এক্সিকিউটিভ ক্ষমতা বলে, আমার হাতে যতটুকু রয়েছে। বাকীটা আইনগত ব্যাপার।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.একে আব্দুল মোমেন, শিক্ষামন্ত্রী ডা.দিপু মনি এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন অন্যান্যের মধ্যে গণভবনে উপস্থিত ছিলেন।

প্রেস সচিব ইহসানুল করিম গণভবন থেকে সংবাদ সম্মেলনটি সঞ্চালনা করেন।


আরও খবর



মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে যোগদান করেছেন ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ১১৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে যোগদান করেছেন ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী। আজ মঙ্গলবার (০৯ নভেম্বর) তিনি এ মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন।

এ উপলক্ষ্যে সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

মতবিনিময় সভায় নতুন যোগদানকৃত সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরীকে স্বাগত জানান মন্ত্রী। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, সুবোল বোস মনি, মো. তৌফিকুল আরিফ ও এস এম ফেরদৌস আলম, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর-সংস্থা প্রধানগণসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ নিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের কার্যক্রমকে আধুনিক ও গতিশীল করার জন্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আধুনিক গবেষণাগার ও পরীক্ষাগার স্থাপনসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অঞ্চলভিত্তিক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। পরিকল্পনামাফিক কার্যক্রমের কারণে দেশে মাছ, মাংস, ডিম, দুধ উৎপাদনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। করোনা সংকটে মৎস্য ও প্রাণিসমম্পদ খাতের ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের প্রথমবারের মতো নগদ প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। সমুদ্র অর্থনীতির বিকাশে প্রচলিত মৎস্য সম্পদের পাশাপাশি অপ্রচলিত সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ, শৈবাল আহরণে মন্ত্রণালয় কাজ করছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আধুনিক, উন্নত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার অভিযাত্রায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সামনের সারিতে থাকবে

উল্লেখ্য, গত ২৮ অক্টোবর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরীকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এর আগে ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন ক্যাডারের ৯ম ব্যাচের সদস্য।


আরও খবর



মুস্তাফিজ ভক্ত রাসেলের ৭ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

প্রকাশিত:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের ক্রিকেটকে আজকের এই উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে আসতে যে কয়জন ক্রিকেটার সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তাঁর মধ্যে মুস্তাফিজ অন্যতম। এই পর্যন্ত অনেক রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন এই তারকা ক্রিকেটার।

নতুন খবর হচ্ছে, জৈব সুরক্ষা বলয় ভেঙে মিরপুরে খেলার মাঠে ঢুকে পড়া মুস্তাফিজ ভক্ত রাসেলকে সাত দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ।

রোববার (২১ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোর্শেদ আল মামুন ভুইয়ার আদালত মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক সঞ্জীব কুমার সরকার তার রিমান্ডের আবেদন করে আদালতে হাজির করেন। আজই রিমান্ডের আবেদন বিষয়ে শুনানি হবে।

আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে রোববার সকালে রাসলকে ৫৪ ধারায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার দেখানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, রাসেলকে রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আমরা সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার দেখিয়েছি। আজ রাসেলকে ৫৪ ধারায় আদালতে হাজির করা হবে। আমরা তাকে আরও দীর্ঘতর জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আদালতের কাছে রিমান্ড আবেদন করব। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনো মামলা হয়নি।

এর আগে শনিবার রাতে রাসেলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, ঘটনার পরপরই রাসেলকে আমরা আটক করে থানায় নিয়ে এসেছি। সে ঠিক কী কারণে জৈব বেষ্টনি ভেদ করে মাঠে প্রবেশ করেছে তা আমরা সঠিকভাবে জানার চেষ্টা করছি। তবে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, সে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় মুস্তাফিজের ভক্ত। তবে মাঠে প্রবেশ করার তার ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না সেসব বিষয়ও আমরা জানার চেষ্টা করছি।


আরও খবর



হত্যার দায়ে ছেলের ফাঁসির আদেশ, মাসহ ২ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৭৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নড়াইলে নারী হত্যার দায়ে ছেলের ফাঁসি ও মাসহ দুই জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩ নভেম্বর) সকালে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন—নড়াইল পৌরসভার ভওয়াখালী এলাকার সলেমান সরদারের ছেলে সেলিম সরদার। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—সলেমান সরদারের স্ত্রী মোমেনা বেগম ও কবির খানের ছেলে সাজ্জাদ খান। এ ছাড়া দুই জনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে, আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রায় ঘোষণাকালে মোমেনা বেগম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। সেলিম সর্দার ও সাজ্জাদ খান পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৪ সালে সেলিম সর্দার এক ব্যক্তির টাকা ছিনতাইকালে হালিমা বেগম দেখে ফেলেন। এরপর ওই বছরের ১৭ মে সন্ধ্যা ৭টায় দিকে হালিমা বেগমকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে আসেন মোমেনা বেগম। এ সময় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সেলিম সর্দার কোদাল দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন। স্থানীয়রা হালিমাকে উদ্ধার করে প্রথমে নড়াইল আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে খুলনা মেডিক্যা কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে রাত সোয়া ১০টার দিকে হালিমা মারা যান।

এ ঘটনায় সেলিম সর্দার, মোমেনা বেগম ও সাজ্জাদ খানকে আসামি করে নড়াইল সদর থানায় হত্যা মামলা করা হয়। পুলিশ তাদেরকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

মামলার শুনানি ও সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সেলিম সর্দারকে মৃত্যুদণ্ড এবং মোমেনা বেগম ও সাজ্জাদ খানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর