Logo
শিরোনাম

মাস্ক না পরলে হতে পারে লাখ টাকা জরিমানাসহ ৬ মাস কারাদণ্ড

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৭১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে কঠোর বিধিনিষেধ ঘোষণা করেছে সরকার। এই বিধিনিষেধকালে বাড়ির বাইরে বের হলেই সবাইকে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। একইসঙ্গে মেনে চলতে হবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ১৮ দফা ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ১১ দফা নির্দেশনাসহ সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি।

কোনো ব্যক্তি এই সরকারি আইন অমান্য করলে তাকে ২০১৮ সালের সংক্রামক রোগ আইন ও ১৮৮০ সালের দণ্ডবিধি আইন-এর মুখোমুখি হতে হবে। সংক্রামক রোগ আইনে ছয় মাসের কারাদণ্ড বা এক লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয়দণ্ডের বিধান রয়েছে। আর ১৮৮০ সালের দণ্ডবিধি আইনে জেল ও জরিমানার বিধান রয়েছে।

এরইমধ্যে সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সরকারি আদেশ অমান্যকারীদের শাস্তি দেয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্ত্বরে অভিযান পরিচালনা করেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এসময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ১৮ দফা ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ১১ দফা নির্দেশনা এবং স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ২৫ জনকে ১২ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

এছাড়া বিনা কারণে রাস্তায় চলাফেরা করায় রাজধানী বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আরও ২৫ জনকে প্রায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া সারাদেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে অনেককেই জরিমানা গুণতে হয়েছে।

২০১৮ সালে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইনের ২৪ ধারায় বলা হয়েছে-

২৪(১) : যদি কোনো ব্যক্তি সংক্রামক জীবাণুর বিস্তার ঘটান বা বিস্তার ঘটাতে সহায়তা করেন বা জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও অপর কোনো ব্যক্তি সংক্রমিত ব্যক্তি বা স্থাপনার সংস্পর্শে আসিবার সময় সংক্রমণের ঝুঁকির বিষয়টি তাহার নিকট গোপন করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ৬ (ছয়) মাস কারাদণ্ডে বা অনূর্ধ্ব ১ (এক) লাখ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

দায়িত্ব পালনে বাধা প্রদান ও নির্দেশ পালনে অসম্মতি জ্ঞাপনের অপরাধ ও দণ্ড

আইনের ২৫ ধারায় বলা হয়েছে

২৫(১) যদি কোনো ব্যক্তি

(ক) মহাপরিচালক, সিভিল সার্জন বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তাহার ওপর অর্পিত কোনো দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বাধা প্রদান বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন এবং

(খ) সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূলের উদ্দেশ্যে মহাপরিচালক, সিভিল সার্জন বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কোনো নির্দেশ পালনে অসম্মতি জ্ঞাপন করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) মাস কারাদণ্ডে বা অনূর্ধ্ব ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

মিথ্যা বা ভুল তথ্য প্রদানের অপরাধ ও দণ্ড

২৬ ধারায় বলা হয়েছে

২৬(১) যদি কোনো ব্যক্তি সংক্রামক রোগ সম্পর্কে সঠিক তথ্য জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা বা ভুল তথ্য প্রদান করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ২ (দুই) মাস কারাদণ্ডে বা অনূর্ধ্ব ২৫ (পঁচিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

১৮৬০ সালের দণ্ডবিধি আইনে শাস্তি

সরকারি কর্মচারী কর্তৃক আইনসঙ্গতভাবে জারিকৃত কোনো আদেশ অমান্য করার দণ্ড

১৮৮০ সালের দণ্ডবিধি আইনের ১৮৮ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি কোনো আদেশ জারি করতে বিধিসঙ্গতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো সরকারি কর্মচারী কর্তৃক জারিকৃত আদেশে তাকে কোনো বিশেষ কাজ হতে বিরত থাকার অথবা তার দখলাধীন বা পরিচালনাধীন কোনো সম্পত্তি সম্পর্কে কোনো বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে জানা সত্ত্বেও অনুরূপ নির্দেশ অমান্য করে, যদি অনুরূপ অবাধ্যতার ফলে আইনসম্মতভাবে নিযুক্ত কোনো ব্যক্তির বিঘ্ন হয়, বিরক্তি উৎপাদিত হয় বা ক্ষতি সাধিত হয় অথবা বিঘ্ন, বিরক্তি বা ক্ষতির অনুষ্ঠিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয় তবে সেই ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা দুইশত টাকা পর্যন্ত যেকোনো পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

যদি অনুরূপ অবাধ্যতার ফলে মানবদেহ, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ অনুষ্ঠিত হয় কিংবা অনুরূপ বিপদ অনুষ্ঠিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয় অথবা কোনো দাঙ্গা বা কলহ অনুষ্ঠিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোনো পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

কোনো কার্য দ্বারা জীবনের পক্ষে বিপজ্জনক কোনো রোগের সংক্রমণ ছড়াইতে পারে জানিয়াও অবহেলাবশত উহা করে তার দণ্ড

১৮৮০ সালের দণ্ডবিধি আইনের ২৬৯ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি বেআইনিভাবে বা অবহেলামূলকভাবে এমন কোনো কার্য করে যা জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক কোনো রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে, তা জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সেই ব্যক্তি ছয়মাস পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

নিউজ ট্যাগ: করোনা সংক্রমণ

আরও খবর



রোহিঙ্গাদের দায়িত্ব শুধু বাংলাদেশের নয়

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৫৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বলেছেন, রোহিঙ্গাদের দায়িত্ব শুধু বাংলাদেশের নয়, এই দায়িত্ব জাতিসংঘেরও। সবারই এই ইস্যুতে ভূমিকা নিতে হবে।

শুক্রবার (৯ এপ্রিল) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেন জন কেরি। বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের উত্তরে জন কেরি জানান, বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের প্রতি খুব সদয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের সরকার রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে। এজন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ।

শুক্রবার সকালে দিল্লি থেকে বিশেষ প্লেনে জন কেরি ঢাকায় আসেন। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

এসময় ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার উপস্থিত ছিলেন। দুপুরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেন। বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তিনি বৈঠক করবেন।

জো বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরি আগামী ২২-২৩ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রে ক্লাইমেট ইস্যুতে একটি সম্মেলনের দাওয়াত দিতে ঢাকায় এসেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তিনি জো বাইডেনের পক্ষ থেকে এই সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানাবেন।

যুক্তরাষ্ট্রে ৪০টি দেশের রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধানের অংশগ্রহণে ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে এই জলবায়ু সম্মেলন আয়োজন করা হবে। এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সশরীরে আমন্ত্রণপত্র নিয়ে এসেছেন জন কেরি। শুক্রবার বিকেলে তিনি ঢাকা ত্যাগ করবেন।


আরও খবর



বিয়ে নয়, টাকার বিনিময়ে ঝর্ণার সঙ্গে মেলামেশা করতেন মামুনুল হক

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৮৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গত ৩ এপ্রিল এক নারীকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়্যাল রিসোর্টে অবকাশ যাপনের সময় হাতেনাতে ধরা পড়েন হেফাজতে ইসলাম নেতা মামুনুল হক। তিনি দাবি করেন, ওই নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। তবে ঘটনার পর প্রায় এক ডজন অডিও-ভিডিও ফাঁস হওয়ার কারণে প্রকাশ্যে এসেছে হেফাজত নেতা মাওলানা মামুনুল হকের অনৈতিক কর্ম। তার মানবিক বিয়ে গল্পের অসারতাও প্রমাণিত হয়েছে।

মাওলানা মামুনুল হকের সঙ্গে থাকা ওই নারীর নাম জান্নাত আরা ঝর্ণা (২৭)। আট ভাই-বোনের মধ্যে ঝর্ণা দ্বিতীয়। মামুনুল হক ওই সময় নারীর নাম আমেনা তৈয়্যেবা বললেও তার নাম জান্নাত আরা ঝর্ণা।

জান্নাত আরা ঝর্ণার আগে বিয়ে হয়েছে, সেই ঘরে আব্দুর রহমান ও তামীম নামে দুজন পুত্র সন্তান আছে। এবার হেফাজত নেতা মামুনুল হকের কথিত স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণার লেখা ২০০ পৃষ্ঠার ৩টি ডায়েরি খুঁজে পাওয়া গেছে। যাতে রয়েছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডায়েরিগুলো তার মায়ের বলে নিশ্চিত করেছেন ঝর্ণার পুত্র আব্দুর রহমান।

ঝর্ণার ডায়েরিতে লেখা, আমাকে বিয়ে না করেই গ্রীনরোডের একটি বাসায় রাখেন মামুনুল হক। আমাকে খরচের টাকাও দিতেন। কিন্তু বিয়ে করে স্ত্রী বানাননি।

ঝর্ণার ডায়েরিতে লেখা, বিয়ের আশ্বাসের বিনিময়ে অবৈধ মেলামেশা করতেন মামুনুল যা মেনে নিতে পারেননি ঝর্ণা। বিয়ে না করে দীর্ঘদিন ধরে তার সাথে মেলামেশা করেছেন মামুনুল হক। বিবাহবহির্ভুত মেলামেশার অনুশোচনার কথাও উঠে এসেছে ঝর্ণার ডায়েরিতে। ডায়েরির পাতায় পাতায় রয়েছে মামুনুলের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের আর্তনাদ।

ডায়েরিতে ঝর্ণা লেখেন, আমি তাকে ভালোবাসি না ঘৃণা করি বুঝতে পারছি না। কিন্তু সে আমার জীবনকে নরক বানিয়ে ফেলছে।

ডায়েরিগুলো তার মায়ের বলে নিশ্চিত করে ঝর্ণার বড় ছেলে আব্দুর রহমান বলেন, 'একজন মহিলার সন্তানের জন্ম সাল। তার বিয়ে বিচ্ছেদ ও তার মনের দুঃখের কথা কি অন্য কেউ লেখে। এটা তার বাসা থেকে পাওয়া। আর এটা আমার মায়ের ডায়েরি।'

ঝর্ণা পুত্র আরো বলেন, আমাকে সে (ঝর্ণা) বলেছিলো আমার কিছু ব্যক্তিগত ডায়েরি আছে। আমি ডায়েরির বিষয়ে শিওর কারণ এটা আমার মায়েরই হাতের লেখা।

ডায়েরিতে ঝর্ণা বিয়ে প্রসঙ্গে লিখেছেন, মামুনুল হক বিয়ের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন তিনি পূরণ করেননি।

বিষয়ে ঝর্ণা পুত্র ডায়েরির রেফারেন্স দিয়ে বলেন, তাদের মধ্যে একটি এ্যাগ্রিমেন্ট হয়েছিলো। কিন্তু বিয়ে হয়নি।

ঝর্ণা পুত্র আবারও বললেন, কাউকে বিশ্বাস করার আগে ভালো করে যাচাই বাছাই করার জন্য। কারণ মুখোশধারী মানুষকে দাড়ি টুপিতে চেনা যায় না।

মামুনুল হকের বিচার দাবি করেন ঝর্ণার বড় ছেলে আব্দুর রহমান।

কয়েকদিন ধরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার পর বৃহস্পতিবার ফেসবুক লাইভে এসে বিষয়টির জন্য ক্ষমা চান মামুনুল হক। সেখানে তিনি স্বীকার করেন গত কয়েক দিনে ফাঁস হওয়া ফোনালাপ তারই ছিল। আত্মপক্ষ সমর্থন করে মামুনুল বলেন, স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করতে, স্ত্রীকে খুশি করতে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে কোনো সত্যকে গোপন করা যায়।

প্রসঙ্গত, ৩ এপ্রিল বিকেলে রাজধানীর অদূরে সোনারগাঁয়ের একটি রিসোর্টে হেফাজত নেতা মামুনুল হক একজন নারীসহ অবস্থান করছেন এমন খবর পেয়ে স্থানীয় কিছু লোকজন, ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতা-কর্মীরা তার কক্ষটি ঘেরাও করেন। যদিও মামুনুল হক সঙ্গে থাকা নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেন। পরে সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে হেফাজতের একদল নেতাকর্মী, মাদ্রাসাছাত্র মিছিল নিয়ে এসে রয়েল রিসোর্ট নামের ওই অবকাশযাপন কেন্দ্রটিতে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়ে মামুনুলকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।



আরও খবর



করোনার দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিলেন দিনাজপুরের এসপি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৭৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
আমি করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছিলাম ৮ ফেব্রুয়ারি। আজ দ্বিতীয় ডোজ নিলাম দুপুর ১২টা ৩২ মিনিটে। টিকা নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত বেশ ভালো আছি। কোনো ধরনের শারীরিক জটিলতা অনুভব

করোনাভাইরাসের বিস্তাররোধে প্রথম ডোজের টিকার পর এবার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু করেছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার থেকে দেশব্যাপী এই টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। দ্বিতীয় ডোজের এই টিকা নিয়েছেন দিনাজপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনও।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই টিকা নেন আনোয়ার হোসেন। টিকা নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছিলাম ৮ ফেব্রুয়ারি। আজ দ্বিতীয় ডোজ নিলাম দুপুর ১২টা ৩২ মিনিটে। টিকা নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত বেশ ভালো আছি। কোনো ধরনের শারীরিক জটিলতা অনুভব করিনি। প্রথম ডোজ নেওয়ার পর হালকা জ্বর এসেছিল। তবে কোনো ঝামেলা ছাড়াই জ্বর কমে যায়। এবারও যদি জ্বর আসে, তাহলে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সেরে যাবে বলে আমি আশা করছি। মানসিকভাবে বেশ ফুরফুরা মনে হচ্ছে নিজেকে। এখন থেকে অন্তত সুরক্ষিত থাকা যাবে ভেবে ভালো লাগছে।


আরও খবর

পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দিনাজপুরে নিহত ৩

বুধবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১




দিনমজুর বাবার যমজ ছেলে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৯০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
২০১৮ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে উপজেলার মান্দারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পায় আরিফ ও শরিফ। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হয় কুমিল্লা সরকারি সিটি কলেজে

দিনমজুর বাবার যমজ দুই ছেলে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাদের বাড়ি কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলার মানরা গ্রামে। তাদের দিনমজুর বাবার নাম বিল্লাল হোসেন। পেশায় তিনি অটোরিকশা চালক। তার যমজ দুই ছেলে আরিফুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলাম এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়।

২০১৮ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে উপজেলার মান্দারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পায় আরিফ ও শরিফ। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হয় কুমিল্লা সরকারি সিটি কলেজে। সেখান থেকেও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পায় এই যমজ দুই ভাই। দিনমজুর বাজার আয়ে চার সন্তানের লেখাপড়া খরচ ছাড়াও সংসার চলে।

আরিফ সারা বাংলাদেশে ৮২২তম হয়ে ময়মনসিংহ মেডিক্যালে, শরিফ ১১৮৬তম হয়ে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। তারা চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করতে চান।

বাবা বিল্লাল হোসেন জানান, নিজে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেছি। সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালাই। অর্থাভাবে লেখাপড়া হয়নি। সেজন্য নিজে কষ্ট করেও তাদের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তবে ছেলেদের পড়ার খরচ নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন।


আরও খবর



পুঁজিবাজারের উন্নতির স্বার্থে সব দিতে প্রস্তুত সরকার : অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের আলোকে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের অর্জন ও সম্ভাবনা শীর্ষক সেমিনারে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল বলেন, সরকার পুঁজিবাজার উন্নয়নে সব রকম সহায়তা করে যাচ্ছে। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতামতের ভিত্তিতে এবার বাজেটেও নীতি সহায়তা দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী চান দেশের উন্নয়নের সাথে পুজিবাজার সমানতালে এগিয়ে যাক।

সেমিনারে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বিএসইসির চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার পরপরই মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও দেশের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য একের পর এক উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠান গড়েছেন। তিনি বেঁচে থাকলে দেশের উন্নয়ন আরো বেগবান হতো।

তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পুঁজিবাজার সঠিকপথে আছে। বিশ্বব্যাংক পুজিবাজারের আইটি অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থায়ন করবে। এটা কয়েকমাসের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে বলে আশা করেন তিনি। এতে বাজার আরো গতিশীল হবে, স্বচ্ছ হবে বলে আশা করেন বিএসইসি চেয়ারম্যান। তখন সাধারণ বিনিয়োগকারীদের গুজব ছড়িয়ে আতঙ্কিত করে কারসাজি কমবে বলে মনে করেন তিনি।

বাজারে বিনিয়োগের জন্য নতুন নতুন উদ্ভাবনী পণ্য আসছে এবং আরো আসবে বলে জানান তিনি।

শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম বলেন, ওটিসি মার্কেটে গতিশীল করছি। চারটি প্রতিষ্ঠানকে মূল মার্কেটে এসেছে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এক্সিট পলিসি অনুযায়ী এক্সিট চায়, কেউ কেউ এসএমই মার্কেটেও আসতে চেয়েছে।

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান ইউনুসুর রহমান বলেন, বর্তমানে ব্যাংক আমানতের সুদহার অনেকটা কমায় পুঁজিবাজারের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে ডিএসই আয়োজিত সেমিনারে ডিএসই পরিচালক রকিবুর রহমান বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্যি ডিএসইর প্রধান কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর ছবি স্থাপন করতে লেগে গেছে ৪৮ বছর।

অনুষ্ঠানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আসাদুল ইসলাম বলেন, পুজিবাজার নিয়ে আরো গবেষণা জরুরি। দেশের উন্নয়নের সাথে এ বাজার কিভাবে এগিয়ে যেতে পারে তার জন্য করণীয় ঠিক করতে হবে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধে ডিএসইর সিওও সাইফুল ইসলাম মজুমদার, মাথাপিছু আয়, জিডিপি প্রবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, গড় আয়ু, শিশু মৃত্যুহারসহ বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশ পাকিস্তানের চেয়ে অনেক এগিয়ে। বঙ্গবন্ধু সময়মত বুঝতে পেরেছিলেন রাজনৈতিক স্বাধীনতা না হলে, অর্থনৈতিক মুক্তির পথ উন্মুক্ত হবেনা। এখন তার সেই দর্শন পুরোপুরি প্রমাণিত।

তিনি বলেন,করোনার মধ্যেও এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের মধ্যে ভালো প্রবৃদ্ধি হয়েছে ডিএসইট লেনদেন ও সূচকে। বাজারে এখন তিনটি প্রোডাক্ট আছে, আরো অনেকগুলো বিনিয়োগযোগ্য পণ্য নিয়ে আসা সম্ভব বলে জানান তিনি। তার মতে কার্যকর উদ্যোগ নিলে দেশের পুজিবাজারকে এমার্জিং পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।


আরও খবর