Logo
শিরোনাম

মাতারবাড়ী দ্বিতীয় বিদ্যুৎ প্রকল্পে অর্থায়ন করবে না জাপান

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৪৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কক্সবাজারের মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় পর্যায়ের ১২শ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে অর্থায়ন করবে না জাপান সরকার। সেখানে সরকার অন্য প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে। এদিকে শুধু বাংলাদেশই নয়, ইন্দোনেশিয়ার একটি কয়লাভিত্তিক প্রকল্পেও অর্থায়ন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপান। কার্বন নিঃসরণ কমাতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে বিশ্বের অনেক দেশ আর বিনিয়োগ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জানা যায়, বাংলাদেশের মাতারবাড়ী আল্ট্রা-সুপার ক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় পর্যায়ের ১২শ মেগাওয়াট প্রকল্পে জাপানের অর্থায়ন করার কথা ছিল। সেখানে প্রথম পর্বের ১২শ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। দ্বিতীয় প্রকল্পে অর্থায়ন বাতিল করায় এখন সেখানে আর কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প হচ্ছে না।

এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের কাছে জানতে চাইলে গতকাল বুধবার তিনি বলেন, জাপান এ প্রকল্পে অর্থায়ন করবে না সেটা আগেই আমাদের বলেছে। আমরা সেখানে এলএনজিভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং সোলার প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি মানতে গিয়ে ইতোমধ্যে সরকার প্রায় ১০টি কয়লাভিত্তিক প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন নির্মাণাধীন বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর সঙ্গে গ্রিন এনার্জি বা সোলার বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে জোর দেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, জাপান কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আর কোনো অর্থায়ন করবে না এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতে মাতারবাড়ী দ্বিতীয় পর্যায়ের ১২শ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের যে অর্থায়ন করার কথা ছিল সেটা করছে না। আমরা সেখানে এখন অন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন করব।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার দূরে মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী এলাকায় কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করে সরকার। দুর্গম এই উপকূলে প্রায় এক হাজার ৬০০ একর জমিতে দেশের সর্ববৃহৎ কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্যোগ নেওয়া হয়। যেখানে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে সেই সব জমি ছিল এক সময় লবন চাষের। সেখানে ইতোমধ্যে সরকার ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদন করেছে, যা ২০২৪ সালের মধ্যে উৎপাদনে আসার কথা রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। এর মধ্যে জাপান সরকারের উন্নয়ন সংস্থা জাইকা দেবে ২৮ হাজার ৯৩৯ কোটি টাকা। বাকি টাকা বাংলাদেশ সরকারের। প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড। এদিকে একই এলাকায় আরেকটি ১২শ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাস্তবায়নে কাজ চলছিল। সেই প্রকল্পে জাপান অর্থায়নের সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে।

উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাপী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে সরে আসার তোরজোড় চলছে। জলবায়ু সম্মেলনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাস্তবায়ন থেকে সরে আসতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হচ্ছেন বিশ্ব নেতারা। জাপানও সেই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসাবেই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে অর্থায়ন থেকে সরে আসছে।

সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার পরিবেশবিষয়ক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান মার্কেট ফোর্সেস নামে একটি সংস্থা একটি গবেষণা রিপোর্ট প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়েছে, মাতারবাড়ী দুটি কয়লাবিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হলে বায়ুদূষণের কারণে আশপাশের এলাকার প্রায় পৌনে ছয় হাজার মানুষের অকাল মৃত্যু হবে। বায়ু দূষণের কারণে নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে এসব মানুষ মারা যাবে বলে তাদের গবেষণায় বলা হয়। এছাড়া মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্রে অর্থায়ন বন্ধের জন্য জাপানকে ১৮ দেশের ৪৪টি নাগরিক ও জলবায়ু সংগঠন ২০২০ সালে চিঠি দিয়েছিল।

এদিকে শুধু মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক প্রকল্পই নয় ইন্দোনেশিয়ার ইন্দ্রমায়ু কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রেও অর্থায়ন না করার ঘোষণা দিয়েছে জাপান। জানা যায় বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই প্রকল্পটিতে অর্থায়ন না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে মাতারবাড়ী অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে বলেও জানানো হয়।


আরও খবর



পদ্মা সেতু বুঝে নিলো সেতু কর্তৃপক্ষ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৪৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পদ্মা সেতুর শতভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কাজ সম্পন্ন করে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষকে পদ্মা সেতু বুঝিয়ে দিয়েছে চীনা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি।

আজ বুধবার পদ্মা সেতু বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন প্রকল্প ব্যবস্থাপক দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের।

প্রকল্প ব্যবস্থাপক বলেন, পদ্মা সেতুর শতভাগ কাজ সম্পন্ন করে আজ ঠিকাদার কোম্পানি সেতুটি বুঝিয়ে দিয়েছে। তবে এরপরও এক বছর তারা ডিফেক্ট লায়াবিলিটি পিরিয়ড-এর কাজ করবে।

এদিকে পদ্মা সেতুর প্রকল্প পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, মূল সেতুর কাজ সম্পন্ন হয়েছে শতভাগ। তবে প্রকল্পের কাজ কিছু বাকি আছে। প্রকল্পের কাজের মধ্যে নদী শাসনের কাজ হয়েছে ৯৩ শতাংশ। বাকি সাত শতাংশ কাজ আগামী বছরের জুন মাসে শেষ হবে।

প্রসঙ্গত, ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দ্বিতল পদ্মা সেতু আগামী ২৫ জুন সকাল ১০টায় উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হয়েছে পদ্মা সেতু। সেতুর ওপরের অংশে যানবাহন ও নিচ দিয়ে চলবে ট্রেন। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড (এমবিইসি) ও নদী শাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।

 


আরও খবর



বানভাসি মানুষের পাশে ববি ও ‘ময়ূরাক্ষী’ টিম

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ৫২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সিলেট ও সুনামগঞ্জে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতিতে অসংখ্য মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। বানভাসি মানুষের পাশে থাকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন অভিনেত্রী ইয়ামিন হক ববি। এ সময় তার নির্মাণাধীন সিনেমা ময়ূরাক্ষী টিমও তার সঙ্গে থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে এক ভিডিওবার্তায় ববি বলেন, আমি আসলে একটা মন খারাপের কথা বলতে এসেছি। খুব বেশি খারাপ লাগছে বানভাসিদের জন্য। তাই আমি এবং আমার ময়ূরাক্ষী সিনেমার টিমের পক্ষ থেকে অনেক দোয়া ও ভালোবাসা। সেই সঙ্গে যতটুকু সম্ভব তা নিয়ে আমরা তাদের সাপোর্ট করছি। দেশবাসীর কাছে অনুরোধ থাকবে যার যা আছে তাই নিয়ে বন্যার্ত সিলেটবাসীর পাশে থাকবেন।

ববি অভিনীত ময়ূরাক্ষীর শুটিং ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী আগস্টে সিনেমাটি মুক্তি দেবেন বলেও জানান এর নির্মাতা।  ইয়ামিন হক ববি ২০১০ সালে খোঁজ-দ্য সার্চ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা রাখেন। অভিনয়ের পাশপাশি রয়েছে তার নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা।

নিউজ ট্যাগ: ইয়ামিন হক ববি

আরও খবর

২৭ বছরের সম্পর্কে ইতি টানলেন মীর!

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২

বড় পর্দায় বাম-কংগ্রেস সন্ত্রাস

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




স্ত্রীর গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৪৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় স্ত্রীর গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়েছেন এক ব্যক্তি। শনিবার বিকালে উপজেলার খেরুয়াজানী ইউনিয়নের পলশা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত রোজিনাকে (৩০) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।

স্থানীয় লোকজন ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পলশা গ্রামের হারেজ মাস্টারের ছেলে আবু সাঈদ তিন বছর আগে একই গ্রামের মকবুল হোসেনের মেয়ে পোশাককর্মী রোজিনাকে ফুসলিয়ে বিয়ে করেন। কিন্তু তাকে স্ত্রীর মর্যাদা না দিয়ে নানা টালবাহানা শুরু করেন।

শনিবার রোজিনা ঢাকা থেকে সাঈদের বাড়িতে আসেন। এ সময় সাঈদ ও তার প্রথম স্ত্রী হ্যাপি রোজিনার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন।

এতে রোজিনার দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। দ্রুত পুকুরের পানিতে ঝাঁপ দিয়ে নিজেকে রক্ষা করেন রোজিনা। পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে সাঈদ ও তার প্রথম স্ত্রী হ্যাপির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তাদের বাড়িতে গিয়ে পাওয়া যায়নি। দুজনের মোবাইল বন্ধ রয়েছে। মুক্তাগাছা থানার ওসি মাহমুদুল হাসান জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি।


আরও খবর



ড্রেন নির্মাণে ধীরগতি, ভোগান্তিতে মানিকগঞ্জবাসী

প্রকাশিত:বুধবার ২২ জুন 20২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মানিকগঞ্জের সিংগাইর পৌরসভায় পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণ প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে ৪০ ভাগ কাজও শেষ হয়নি। ধীরগতিতে ড্রেন নির্মানের ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন পৌরবাসী।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিঙ্গাইর পৌরসভায় পানি নিষ্কাশনের জন্য ৪ ফুট দৈর্ঘ্য  ও সাড়ে ৬ কিলোমিটারের ড্রেন নির্মাণের দরপত্র আহ্বান করা হয়। ৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ড্রেন নির্মাণের কাজ পায় মেসার্স জে.বি এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। ২০২০ সালের মে মাসের ২০ তারিখে কার্যাদেশ পায় প্রতিষ্ঠানটি।

চুক্তি অনুযায়ী প্রকল্পের কাজ ১৮ মাসে শেষ করার কথা থাকলেও দুই বছরে শেষ হয়েছে মাত্র ৩০ শতাংশ। এতে জলাবদ্ধতা ও যানজটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পৌরবাসী। ড্রেন নির্মাণের প্রকল্পটির তদারকি করছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।

পৌর বাজারের ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সিঙ্গাইর পৌরসভার ড্রেনগুলো ময়লা আর্বজনায় বন্ধ হয়ে গেছে। একটু বৃষ্টি হলেই সড়কে পানি জমে। ফলে চলাচলে অসুবিধা হয়। ড্রেনগুলো পুনরায় নির্মাণ করায় পৌরবাসী খুশি হয়েছিলেন। কিন্তু কাজের ধীরগতির কারণে পৌরবাসীর ভোগান্তি আরো বেড়েছে।

হাবিবুর রহমান নামে অপর একজন বলেন, ড্রেনগুলো খুড়ে এর ময়লা এবং ড্রেনের নির্মাণ সমগ্রী সড়কের অংশে রাখায় রাস্তাগুলো আগের চেয়ে ছোট হয়ে গেছে। এতে প্রতিদিনই রাস্তায় যানযট লেগেই থাকে। এছাড়া সিঙ্গাইর পৌরসভায় সপ্তাহে দুই দিন হাট বসে। হাটের দুই দিন সড়কে পা ফেলার জায়গা থাকে না।

সিঙ্গাইর পৌরসভার মেয়র আবু নাঈম মো. বাশার বলেন, পৌরসভার ড্রেন নির্মাণের কাজের ধীরগতির কারণে পৌরবাসী চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বিষয়টি আমি জেলা ও উপজেলা মাসিক সভায় তুলে ধরে এর প্রতিকার চেয়েছি। কিন্তু কোনো ফল হচ্ছে না। বর্তমান প্রকল্পটির প্রায় ৩০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। টিকাদার প্রতিষ্ঠানটিকে বারবার তদারকি করেও কাজের গতি আসছে না।

ঠিকাদার কাজী শওকত হোসেন বলেন, ড্রেনের পাশে প্রচুর গাছপালা ও দেওয়াল থাকায় এগুলো অপসারণের কারণে কাজ করতে সময় লাগছে। এছাড়া পূর্বের মেয়র সাহেবের অসহযোগীতার কারণে কাজটি করতে সময় লাগেছে।

সিঙ্গাইর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. রিফাতুল ইসলাম বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জে.বি এন্টারপ্রাইজকে কাজের গতি বাড়াতে তাগাদা দেওয়া হচ্ছে। আশা করছি খুব দ্রুত প্রকল্পটির কাজ শেষ হবে।


আরও খবর



এসপি হলেন ৩৩ পুলিশ কর্মকর্তা

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ জুন ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ৩৩ জন কর্মকর্তাকে পুলিশ সুপার (এসপি) পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

রোববার (০৫ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ পদোন্নতি দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত কর্মকর্তাদেরকে জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব বরাবর অথবা ই-মেইলযোগে পদোন্নতিপ্রাপ্ত পদে যোগদানপত্র পাঠাতে বলা হয়েছে।

জনস্বার্থে এ আদেশ যোগদানের তারিখ থেকে কার্যকর হবে বলেও জানানো হয়।


আরও খবর