Logo
শিরোনাম

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন, প্রচণ্ড ভিড়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ এপ্রিল 2০২1 | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৭৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির মধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়েছে এ বছরের মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেওয়া হলেও কেন্দ্রে প্রবেশ ও পরীক্ষা শেষে বের হওয়ার সময় প্রচণ্ড ভিড় সৃষ্টি হয়। আজ শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত সারা দেশে একযোগে পরীক্ষা নেওয়া হয়।

এদিকে, পরীক্ষার প্রস্তুতি ছাড়াও গণপরিবহণ সীমিত থাকায় আগেভাগে কেন্দ্রে আসার চিন্তা ও করোনা পরিস্থিতি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছিল বাড়তি চাপ। কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দিলেও শিক্ষার্থী আর অভিভাবকদের ভিড়ে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা ছিল প্রায় অসম্ভব। হাত স্যানিটাইজ ও তাপমাত্রা পরীক্ষা করে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হয়েছে পরীক্ষার্থীদের। তবে করোনা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়া নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে অভিভাবকদের মধ্যে।

এ বছর ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজে চার হাজার ৩৫০টি আসনের জন্য নিবন্ধন করেছেন প্রায় সোয়া লাখ পরীক্ষার্থী। আর ঢাকা মহানগরের ১৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ৪৭ হাজার পরীক্ষার্থী।

দেশের ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজে আসন সংখ্যা চার হাজার ৩৫০টি। আর ৭০টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে আরও ছয় হাজার ৩৪০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবেন।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষা গত বছর নেওয়া যায়নি। এ অবস্থায় সংক্রমণ কিছুটা কমলে গত ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি কার্যক্রমের সময়সূচি জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

মহামারির মধ্যে এ পরীক্ষা নেওয়ার আগে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। পরীক্ষার্থীদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি কেন্দ্রে ঢোকার সময় সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অথবা স্যানিটাইজ করার ব্যবস্থা রাখা হয়।

এদিকে, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নকলমুক্ত রাখতে পরীক্ষাকেন্দ্রে সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস আনা নিষিদ্ধ করা হয়। এ ছাড়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে পানির বোতল নিয়ে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্যের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।



আরও খবর



লকডাউনে খোলা থাকবে শিল্প কলকারখানা: ফরহাদ হোসেন

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | ৬৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, এক সপ্তাহের লকডাউনে খোলা থাকবে শিল্প কলকারখানা, চলবে শিফটিং ডিউটি। শনিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে এক সপ্তাহের জন্য সারাদেশে লকডাউনে যাচ্ছে সরকার। তবে শিল্প কলকারখানা খোলা থাকবে এবং সেগুলোতে শিফটিং ডিউটি চলবে।

এদিকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামী সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে এক সপ্তাহের জন্য সারাদেশে সরকার লকডাউন ঘোষণা করছে। সকালে ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।


আরও খবর



হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর ভিড়

স্বাস্থ্যসেবার নাজুক অবস্থায় সাধারণ মানুষের ক্ষোভ

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৫৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কোভিড ১৯ সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিতে দিন কিংবা রাতে সবসময় হাসপাতালে লেগেই আছে নতুন রোগীর ভিড়। মধ্যরাতেও সন্দেহভাজন কিংবা কোভিড আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিয়ে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ছুটতে হচ্ছে স্বজন আর পরিবারের সদস্যদের। এ অবস্থায় স্বাস্থ্যসেবার নাজুক অবস্থা তুলে ধরে ক্ষোভ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।

গভীর রাতের নীরবতা ভেঙে একের পর এক অ্যাম্বুলেন্স আসছে রাজধানীর কোভিড নির্ধারিত কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে। ভর্তির অপেক্ষায় নানা বয়সী মানুষ। যদিও রোগী চাপে ২৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে এখন ঠাঁই ৪৩২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী।

পেশায় চিকিৎসক তৌহিদুল ইসলাম কয়েক হাসপাতালে গিয়েও পাননি ভর্তির সুযোগ। অবশেষে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে মিলল সেই সুযোগ। কোভিড সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিতে এমন তিক্ত অভিজ্ঞতা পেতে হচ্ছে অনেককেই।

করোনার লক্ষণ বয়ে বেড়ানো ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে বিড়ম্বনাটা আরো বেশি। মোহাম্মদপুর থেকে আসা পঞ্চাশোর্ধ্ব শেফালি বেগম ভুগছেন শ্বাসকষ্টসহ কোভিডের নানা উপসর্গে। কয়েক হাসপাতাল ঘুরে এসেছেন কুর্মিটোলা জেনারেলে কিন্তু সুযোগ মেলেনি এখানেও ভর্তির।

দিন কিংবা রাতের সময়ই রোগী আসার ভিড় থাকলেও কিছুদিন আগেও চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। সপ্তাহ দুয়েক আগেও হাসপাতালটিতে ভর্তি ছিলেন বর্তমানের তুলনায় অর্ধেক রোগী।

হাসপাতালের গেটে পাহারায় থাকা আনসার সদস্যরা এমন তথ্য জানান। হাসপাতালের ওপর চাপ কমাতে হলে লাগাম টানতে হবে সংক্রমণের উৎসে এমনটাই মত দেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ বিভাগের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বে-নজীর আহমেদ বলেন, আমাদের এখন দরকার সমস্ত প্রকার চলাচল বন্ধ করা। যেমন হতে পারে অফিস আদালত বন্ধ করে দেওয়া, অফিস আদালত বন্ধ করে দিলেই অনেক চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। ক্ষেত্রবিশেষে যে এলাকা বেশি ঝঁকিপূর্ণ সেখানে কলকারখানা বন্ধ করে দেওয়া। 

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রিদওয়ানুর রহমান বলেন, যখন ভ্যাকসিন এসে গেছে তখন একটা হইহই-রইরই পড়ে গেছে, আমরা ভ্যাকসিন পেয়ে গেছি, আমাদের এখান থেকে করোনা শেষ, করোনা চলে গেছে- শারীরিক ভাষা এটা ছিল (বডি ল্যাংগুয়েজ)। এ বডি ল্যাংগুয়েজের কারণে মানুষ সবকিছু ছেড়ে দিয়েছে। খুব কঠিন অবস্থা যাচ্ছে। এখন হচ্ছে অ্যাডমিস্ট্রিটিভ অ্যাকশন দরকার।


আরও খবর



একুশে পদকপ্রাপ্ত শব্দ সৈনিক ইন্দ্রমোহন রাজবংশী আর নেই

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৫৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
ইন্দ্রমোহন রাজবংশী বাংলাদেশি লোকগানের শিল্পী ও মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালী, জারি, সারি, মুর্শিদি ইত্যাদি গান নিজের কণ্ঠে ধারণ করেছেন। দীর্ঘদিন সংগীত কলেজে লোকসঙ্গীত বিভাগের প্রধান হিসেবে কাজ করেছেন

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দ সৈনিক ইন্দ্রমোহন রাজবংশী মারা গেছেন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর মালিবাগের প্রশান্তি হাসপাতালে আইসিইউতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন একুশে পদকপ্রাপ্ত এই সংগীতশিল্পী।

গত বৃহস্পতিবার বুকে ব্যথা অনুভব হলে তাকে মহাখালী মেট্রোপলিটন হাসপাতালে করোনা পরীক্ষা করানো হয় এবং তার রিপোর্ট করোনা পজিটিভ আসে। এছাড়া তার ফুসফুসে ইনফেকশন ধরা পড়ে।

ইন্দ্রমোহন রাজবংশী বাংলাদেশি লোকগানের শিল্পী ও মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালী, জারি, সারি, মুর্শিদি ইত্যাদি গান নিজের কণ্ঠে ধারণ করেছেন। দীর্ঘদিন সংগীত কলেজে লোকসঙ্গীত বিভাগের প্রধান হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি বাংলাদেশ লোকসংগীত পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা।

ইন্দ্রমোহন রাজবংশী গান গাওয়ার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লোকগান সংগ্রহ করতেন। তিনি এক হাজারেরও বেশি কবির লেখা কয়েক লাখ গান সংগ্রহ করেছেন। সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৮ সালে একুশে পদক লাভ করেন ইন্দ্রমোহন রাজবংশী।


আরও খবর



এবার বড় পর্দার নায়িকা হচ্ছেন মিথিলা

প্রকাশিত:রবিবার ২১ মার্চ 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার বেশ কিছু পরিচয় আছে। এবার সেই পরিচয়ের তালিকায় যুক্ত হতে যাচ্ছে চিত্রনায়িকা তকমা। রাজধানী ঢাকার একটি রেস্তোরাঁয় আলোচিত পরিচালক অনন্য মামুনের অমানুষ সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন এই অভিনেত্রী।

আজ রবিবার সকালে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন পরিচালক অনন্য মামুন। জানা গেছে, থ্রিলার গল্পের সিনেমাটিতে মিথিলার বিপরীতে অভিনয় করবেন চিত্রনায়ক নিরব হোসেন।

সিনেমাটি প্রসঙ্গে অনন্য মামুন বলেন চার মাস আগে সিনেমাটি নির্মাণের পরিকল্পনা করেছি। আশা করছি, আগামী ২৫ মার্চ ঢাকায় সিনেমাটির শুটিং শুরু করতে পারব। এপ্রিলে বান্দরবানের যাবে শুটিং ইউনিট।

জানা গেছে, অমানুষ-এর মূল গল্প অনন্য মামুনের আর এর সংলাপ লিখেছেন জুয়েল কবির ও পাপ্পু রাজ। সিনেমাটিতে আরো অভিনয় করবেন রাশেদ মামুন অপু, নওশাবাসহ অনেকেই।


আরও খবর



শবে বরাত নিয়ে হাদিসে যা বলা আছে

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৭৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
অনেক হাদিসের ইমামগণ তাদের নিজ নিজ কিতাবে হাদিসটি উল্লেখ করেছেন। হাদিসটির সনদ সহীহ। এজন্যই ইমাম ইবনে হিব্বান একে ‘কিতাবুস সহীহ’ এ বর্ণনা করেছেন

শবে বরাতের নিয়ে সমাজে কিছুটা মতভেদ রয়েছে আলেমদের মাঝে। কেউ কেউ বলে থাকে সহীহ হাদিস দ্বারা শবে বরাত প্রমাণিত না। তারা অন্য রাতের মতই মনে করেন। তবে হাদিসে এ রাতের মহিমা ও ফজিলত বিশেষভাবে উল্লেখ রয়েছে। এ হাদিসগুলো সহীহ।

সম্মিলিত কোন রূপ না দিয়ে এবং এই রাত উদযাপনের বিশেষ কোনও পন্থা উদ্ভাবন না করে বেশি ইবাদত করা নির্ভরযোগ্য বর্ণনা দ্বারা প্রমাণিত। এই রাতকে অন্য সাধারণ রাতের মতো মনে করা এবং এ রাতের ফজিলতের ব্যাপারে যত হাদিস এসেছে তার সবগুলোকে মওযূ বা যয়ীফ মনে করা ভুল। তবে এ রাতকে শবে কদরের মতো বা তার চেয়েও বেশি ফজিলতপূর্ণ মনে করাও একটি ভিত্তিহীন ধারণা। এখানে শবে বরাত তথা পনের শাবানের রাত সম্পর্কে একটি হাদিস সনদের নির্ভরযোগ্যতার বিবরণসহ উল্লেখ করা হলো।

হযরত মুআয ইবনে জাবাল (রাঃ) বলেন, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ তাআলা অর্ধ-শাবানের রাতে (শাবানের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাতে) সৃষ্টির দিকে (রহমতের) দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যতীত সবাইকে ক্ষমা করে দেন।

এই হাদিস দ্বারা প্রমাণ হয় যে, এই রাতে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে রহমত ও মাগফেরাতের দ্বার ব্যাপকভাবে উন্মুক্ত হয়। কিন্তু শিরকী কাজকর্মে লিপ্ত ব্যক্তি এবং অন্যের ব্যাপারে হিংসা-বিদ্বেষ পোষণকারী মানুষ এই ব্যাপক রহমত ও সাধারণ ক্ষমা থেকেও বঞ্চিত থাকেন।

এখন আসুন, উল্লেখিত হাদিসটির সনদ নিয়ে আলোচনা করি। উপরোক্ত হাদিসটি অনেক নির্ভরযোগ্য সনদের মাধ্যমে বর্ণিত হয়েছে। ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে হিব্বান তার কিতাবুস সহীহ এ (যা সহীহ ইবনে হিব্বান নামেই প্রসিদ্ধ, ১৩/৪৮২এ) এই হাদিসটি উদ্ধৃত করেছেন। এটি এই কিতাবের ৫৬৬৪ নম্বর হাদিস। এ ছাড়া ইমাম বায়হাকী (রহঃ) শুআবুল ঈমান এ(৩/৩৮২, হাদিস ৩৮৩৩) ইমাম তাবরানী আলমুজামুল কাবীর ও আলমুজামুল আওসাতে এ বর্ণনা করেছেন।

এছাড়াও আরও অনেক হাদিসের ইমামগণ তাদের নিজ নিজ কিতাবে হাদিসটি উল্লেখ করেছেন। হাদিসটির সনদ সহীহ। এজন্যই ইমাম ইবনে হিব্বান একে কিতাবুস সহীহ এ বর্ণনা করেছেন। এমনকি শায়খ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহঃ) সিলসিলাতুল আহাদীসিস সাহীহা ৩/১৩৫-১৩৯ এ এই হাদিসের সমর্থনে আরও আটটি হাদিস উল্লেখ করার পর লেখেন, এসব বর্ণনার মাধ্যমে সমষ্টিগতভাবে এই হাদিসটি নিঃসন্দেহ সহী প্রমাণিত হয়

এরপর শায়খ আলবানী (রহঃ) ওই সব লোকের বক্তব্য খণ্ডন করেন, যারা কোনও ধরনের খোঁজখবর ছাড়াই বলে দেন যে, শবে বরাতের ব্যাপারে কোনও সহীহ হাদিস নেই।

শবে বরাতের পরদিন রোজা রাখা সম্পর্কে একটি হাদিস রয়েছে- হযরত আলী ইবনে আবু তালেব (রাঃ) থেকে বর্ণিত নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, পনের শাবানের রাত যখন আসে, তখন তোমরা এ রাতটি ইবাদত বন্দেগীতে কাটাবে এবং দিনের বেলা রোজা রাখ। কেননা এ রাতে সূর্যাস্তের পর আল্লাহ তাআলা প্রথম আসমানে আসেন এবং বলেন, কোনও ক্ষমা প্রার্থনাকারী আছে কি? আমি তাকে ক্ষমা করব। আছে কি? কোন রিজিক প্রার্থী? আমি তাকে রিজিক দেব। এভাবে সুবহে সাদিক পর্যন্ত আল্লাহ তাআলা মানুষের প্রয়োজনের কথা বলে তাদের ডাকতে থাকেন।(ইবনে মাজা, হাদিস নম্বর-১৩৮৪)।

নিউজ ট্যাগ: পবিত্র শবে বরাত

আরও খবর