Logo
শিরোনাম

মেসিকে পেতে ৩ ফুটবলারকে ছেড়ে দেবে বার্সা

প্রকাশিত:সোমবার ১০ এপ্রিল ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ নভেম্বর ২০২৩ | ৯২০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চলতি বছরই ফরাসি ক্লাব পিএসজির সঙ্গে চুক্তি শেষ হচ্ছে লিওনেল মেসির। ফরাসি ক্লাবটির সঙ্গে নতুন করে চুক্তি না করায় গুঞ্জন রয়েছে পুনরায় বার্সেলোনায় যোগ দিতে পারেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী এই ফুটবলার। এদিকে, আর্জেন্টিনার তারকা এই ফুটবলারকে পেতে মরিয়া বার্সাও। বিশ্বের অন্যতম সেরা এই ফুটবলারকে পেতে বর্তমান দলের তিন ফুটবলারকে ছেড়ে দিতেও রাজি স্প্যানিশ ক্লাবটি।

মেসিকে বার্সায় ফেরাতে রাফিনহা, ফেরান তোরেস ও আনসু ফাতিকে বিক্রি করার পরিকল্পনা রয়েছে স্প্যানিশ ক্লাবটির। একই সঙ্গে জোয়াও কানসালোকে ধারে অন্য ক্লাবে পাঠানোর কথাও ভাবছে বার্সেলোনা। পাশাপাশি তারা নতুন কিছু খেলোয়াড়কেও দলভুক্ত করবে, যেখানে প্রথম অগ্রাধিকার হিসেবে রয়েছেন মেসি। স্প্যানিশ ক্লাবটি অতি দ্রুতই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব দিবে মেসিকে।

শোনা যাচ্ছে, বার্সার তরুণ তুর্কি আনসু ফাতিকে দলে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইউরোপের একাধিক ক্লাব। এই তালিকায় সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের নাম। লিগে ধুঁকতে থাকা দলটি আগামী মৌসুমে বার্সেলোনার এই ফুটবলারকে দলে পেতে আগ্রহী।

আরেক ইংলিশ ক্লাব চেলসি রাফিনহাকে দলে নিতে আগ্রহী। গেল মৌসুমেই বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ার আগেও ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ডকে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল ব্লুজরা। তবে সেবার লিডস ইউনাইটেড থেকে চেলসির পরিবর্তে বার্সেলোনায় যোগ দিয়েছিলেন রাফিনহা।

এদিকে বার্সেলোনার আরেক ফুটবলার ফেরান তোরেসকে দলে নিতে আগ্রহী অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ। তবে সে যাই হোক না কেন, বিশ্বকাপচ্যাম্পিয়ন মেসিকে পুনরায় পেতেই এমন পরিকল্পনা বার্সেলোনার। এমনটাই মনে করছেন আপামর ফুটবলপ্রেমীরা।


আরও খবর



নির্বাচন নিয়ে আবারও অবস্থান পরিষ্কার করল জাতিসংঘ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | ৮৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আবারও বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে কথা বলেছে জাতিসংঘ। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জানুয়ারি) জাতিসংঘের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ফের উঠে আসে নির্বাচন ইস্যু।

জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানান, বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের অবস্থান আগের মতোই রয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচনের পর জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যা বলেছেন সেটিও অপরিবর্তিত রয়েছে।

মূলত টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সোমবারের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, মহাসচিবের এমন চিঠি নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের পূর্বের অবস্থান এবং নির্বাচন নিয়ে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যে বিবৃতি দিয়েছেন তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, এটি সাংঘর্ষিক না। জাতিসংঘ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেমনটা বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানরা পুনর্নির্বাচিত হলে মহাসচিব পাঠিয়ে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, তারা আগে যা বলেছেন এবং মানবাধিকার হাইকমিশনার আগে যা বলেছেন, তা অপরিবর্তিত রয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। ডুজারিক বলেছেন, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে জোর করে বা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়।

এছাড়া এদিনের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নকারী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন নিয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, আপনি জানেন- বাংলাদেশ ২০১৭ সাল থেকে প্রায় সাত বছর ধরে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।

অন্যদিকে, মানবিক তহবিল, আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সম্পর্কিত মনোযোগ, সবকিছু সঙ্কুচিত হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘ মহাসচিবের পরিকল্পনা কী?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র এই মুখপাত্র বলেন, প্রথমত, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। এটি এমন পদ্ধতিতে স্বেচ্ছায় হওয়া দরকার যেখানে তাদের মর্যাদা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে।

তিনি বলেন, এটা পরিষ্কার যে, মিয়ানমারের পরিস্থিতি বর্তমানে প্রত্যাবাসনের জন্য দরকারি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করছে না। যেসব সম্প্রদায় উদারভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আতিথেয়তা দিয়েছে, তাদের জন্য বিশ্বব্যাপী সংহতি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। যেমন কক্সবাজারের সম্প্রদায়, মহাসচিব এটি পরিদর্শন করেছেন।

স্টিফেন ডুজারিক বলেন, শরণার্থীদের সবার সংহতি প্রয়োজন এবং আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোরও জাতিসংঘের ও সারা বিশ্বের সংহতি প্রয়োজন। এবং এসব কিছুর জন্যই আমাদের তহবিল আরও বৃদ্ধি করা দরকার।


আরও খবর

দেশে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি

মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩