Logo
শিরোনাম

মিষ্টি চৌধুরী তৃতীয় লিঙ্গের এক সংগ্রামী মানুষ

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৯৭জন দেখেছেন
Image

সাভার থেকে সাব্বির হোসেন:

মিষ্টি চৌধুরী তৃতীয় লিঙ্গের পরিচয়ে বেড়ে ওঠা মিষ্টির পথচলাও আর বাকি আট-দশজনের মতোই ছিল। হিজড়া বলে তিরস্কার শুনতে হতো অনেক। কিন্তু মিষ্টি আজ একজন রাজনৈতিক নেতা। অন্য দশজন মানুষের মতো সম্মান নিয়ে বেঁচে আছেন। 

জানা গেছে, দীর্ঘদিনের লালিত বাসনাকে বাস্তবে রূপ দিতে একদিন দ্বারস্থ হন সাভার আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা দৌলার। রাজনীতির হাতেখড়ি তার হাতেই। ধীরে ধীরে ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, সাভার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম রাজীবের সংস্পর্শে আসেন। এই তিনজনের সাহচার্যে রাজনৈতিক মাঠে পদচারণা শুরু করেন মিষ্টি চৌধুরী। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সাভার শাখায় সহ-দপ্তর সম্পাদক পদ লাভ করেন তিনি। রাজনীতিতে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ মিষ্টি চৌধুরী। বিষয়টি নিজের জন্য নিজ কমিউনিটির জন্য অত্যন্ত আনন্দের, গর্বের হিসেবেই দেখছেন মিষ্টি। তবে তার এই উত্তরণের পথ এত সহজ ছিল না। তিনি ছোটবেলা থেকেই রাজনীতি করার প্রবল ইচ্ছে পুষে রাখতেন মনের ভেতর। হৃদয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আর মস্তিষ্কে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্ব তাঁকে পুলকিত করতো। কিন্তু তার পায়ে পায়ে যে বাধা পদে পদে উপহাস, বঞ্চনা, নির্যাতনই যেন নিয়তি ছিল তাঁর।  অনেক চড়াই-উৎরাইয়ের পর হিজড়া বা তৃতীয় লিঙ্গের একজন মানুষ হয়ে উঠেন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। লিঙ্গের বৈষম্য দূর করে তিনি এখন অন্য সাধারণ দশজনের একজন। সম্মানের সাথে রাজপথে এবং নিজ কর্মে তিনি বলিয়ান হয়ে উঠেন।

তবে স্বীকৃতি পেলেও সাধারণ জনগণের চোখে এখনো তারা আমাদের সমাজের থেকে আসা ভিন্ন এক জাতি । সবস্থানে যেন মস্ত বড় এক বাধা । তবুও জীবন যুদ্ধে বেঁচে থাকার সংগ্রাম।  শেকল ভেঙে ছুঁতে চায় আলো মিষ্টি চৌধুরী। শত বাধা পেরিয়ে তিনি পাড়ি দিতে চান তার নীল আকাশের স্বপ্নে।

আর দশটা সাধারণ ছেলেদের মত তার ছেলেবেলা কেটেছে ধামরাই ও টাঙ্গাইলে। তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করেন।

মিষ্টি চৌধুরী এ প্রতিবেদককে বলেন তাঁর বেড়ে উঠার গল্প। বয়সের সাথে সাথে নিজের শারীরিক পরিবর্তন তিনি বুঝতে পারেন। পারিবারিক লাঞ্ছনা ও সমাজকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে বেঁচে থাকার তাগিদে যুক্ত হোন তার কমিউনিটির (হিজড়া) মানুষের সাথে। তিনি ছেলেবেলাতে যে স্বপ্ন দেখে বড় হয়েছেন তা ধীরে ধীরে বাস্তবায়নের রূপ ধারণ করে একদিন।

এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাভার উপজেলা শাখার উপ-দপ্তর সম্পাদক পদ লাভ করেন তিনি। তিনি রাজনীতিতে নিজেকে আওয়ামী লীগের একজন একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে দেখতে চেয়েছেন বলে জানান। ধর্মীয়ভাবে তিনি ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী।  ব্যক্তি জীবনে তার আইডল হিসেবে মনে করেন ঋতুপর্ণ ঘোষকে। যিনি ওপার বাংলার জনপ্রিয় পরিচালক। তার সারাদিনের দুঃখ-কষ্ট ভুলে থাকেন তার গর্ভধারিণী মায়ের মুখ দেখে। তিনি আরো বলেন, দিন শেষে যখন বাসায় ফিরি মায়ের মুখের হাসি দেখে এক ঝলকে চলে যায়। ব্যক্তি জীবনে শারীরিক প্রতিবন্ধী ও সাধারণ জনগণকে নিয়ে অদূর ভবিষ্যতে কাজের পরিকল্পনা করছেন। সামাজিক যে ভেদাভেদ আমরা অনেকেই মনে করি, এক অর্থে বলতে গেলে আমরা সবাই মানুষ। কেউ নিজে নিজে শারীরিক সমস্যা নিয়ে জন্ম হয় না। উপরওয়ালা ও প্রাকৃতিক ভাবে আমার আপনার আমাদের সবারই জন্ম। আমরা মানুষ আমাদের বেঁচে থাকার অধিকার আছে এই সমাজে ।

মিষ্টি চৌধুরী জানান. ছাত্ররাজনীতি থেকেই তার রাজনীতিতে আসা। ছেলেবেলা থেকে বঙ্গবন্ধুর নীতি-আদর্শ বুকে ধারণ করেই বড় হয়েছি।  আমি প্রমাণ করে দিয়েছি তৃতীয় লিঙ্গের মানুষেরাও অন্য দশ জনের মত মানসম্মান নিয়ে বেঁচে থাকার যোগ্যতা রাখেন।


আরও খবর



ব্যাংকে লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৩৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঈদের আগে দুই দিন ব্যাংক লেনদেন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চললেও রবিবার (২৫ জুলাই) লেনদেন হবে সীমিত পরিসরে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত লেনদেন হবে। আর গ্রাহক চাহিদামত ব্যাংকের শাখা খোলা থাকবে।

লেনদেন পরবর্তী ব্যাংকের আনুষঙ্গিক কার্যক্রম চলবে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। ১৩ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ পরিস্থিতি বিবেচনায় সর্বাত্মক বিধিনিষেধ চলাকালীন ২৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত (সাপ্তাহিক ছুটির দিন বাদে) সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা থাকবে। এ সময়ে লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত আর লেনদেন পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম চলবে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত সংখ্যক লোকবলের মাধ্যমে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের অত্যাবশ্যকীয় বিভাগ সমূহসহ ব্যাংক স্বীয় বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক শাখা খোলা রাখতে পারবে।

বিধিনিষেধে যেসব ব্যাংকিং সেবা চালু

গ্রাহকদের হিসাবে নগদ, চেকের মাধ্যমে অর্থ জমা ও উত্তোলন, ডিমান্ড ড্রাফট, পে-অর্ডার ইস্যু ও জমা গ্রহণ, বৈদেশিক রেমিট্যান্সের অর্থ পরিশোধ, সরকারের বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের আওতায় প্রদত্ত ভাতা, অনুদান বিতরণ, একই ব্যাংকের খোলা রাখা বিভিন্ন শাখা ও একই শাখার বিভিন্ন হিসাবের মধ্যে অর্থ স্থানান্তর, ট্রেজারি চালান গ্রহণ, অনলাইন সুবিধা সম্বলিত ব্যাংকের সকল গ্রাহকের এবং উক্ত সুবিধা বহির্ভূত ব্যাংকের খোলা রাখা শাখার গ্রাহকদের বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক চালু রাখা বিভিন্ন পেমেন্ট সিস্টেমস ও ক্লিয়ারিং ব্যবস্থার আওতাধীন অন্যান্য লেনদেন সুবিধা প্রদান এবং জরুরি বৈদেশিক লেনদেন সংক্রান্ত কার্যাবলী চলবে।

কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে। এটিএম বুথগুলোতে পর্যাপ্ত নোট সরবরাহসহ সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে। সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকায় (পোর্ট ও কাস্টমস এলাকা) অবস্থিত ব্যাংকের শাখা, উপ-শাখা ও বুথ সার্বক্ষণিক খোলা থাকবে।

বিধিনিষেধ চলাকালে যেসব শাখা বন্ধ থাকবে সেসব শাখার গ্রাহকসেবা কার্যক্রম খোলা রাখা শাখার মাধ্যমে সম্পাদনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বন্ধকৃত শাখার গ্রাহকগণের গ্রাহকসেবা প্রাপ্তি বিষয়ে অবহিত করতে শাখার দৃশ্যমান স্থানে তা বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রদর্শন নিশ্চিত করতে হবে।

এবং বিধিনিষেধ চলাকালে ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্ব স্ব অফিসে যাতায়াতের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চলাচলের সময় স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত পরিচয়পত্র বহন করতে হবে।



আরও খবর



দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় গবেষণা অপরিহার্য : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ২৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৬১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় গবেষণা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। শনিবার (২৬ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন পোল্ট্রি গবেষণা ও উন্নয়ন জোরদারকরণ প্রকল্পের ইনসেপশন, অগ্রগতি ও পর্যালোচনা কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে প্রাণিসম্পদ খাতের ব্যাপক ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। এ খাতের বর্তমান অবস্থাকে ছাড়িয়ে আরো সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। পোল্ট্রি খাতের উন্নয়ন জোরদার করার জন্য গবেষণাকে সম্প্রসারিত করতে হবে, আরো গভীরে যেতে হবে। বিজ্ঞানী ও গবেষকদের মেধাকে আরো বিকশিত করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিটি খাতে গবেষণায়ে জোর দেওয়ার কথা বলেন। গতানুগতিকতার বাইরে যখনই গবেষণায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তখনই সারাদেশে পোল্ট্রি খাত বিকশিত হয়েছে। এতে পুষ্টি চাহিদা পূরণের মাধ্যমে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়েছে, গড় আয়ু বেড়েছে, মাতৃমৃত্যু কমেছে, শিশু মৃত্যু কমেছে। এমনকি করোনায় সৃষ্ট বেকাররা পোল্ট্রি খাতে নিজেদের সম্পৃক্ত করে তাদের বেকারত্ব দূর করছে, উদ্যোক্তা হচ্ছে। এতে গ্রামীণ অর্থনীতি সচল হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতার স্বপ্ন ও সাধনাকে বাস্তবায়নে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন উল্লেখ করে এসময় মন্ত্রী বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসাধারণ দূরদৃষ্টি ছিল। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনে বঙ্গবন্ধু প্রাণিসম্পদ খাতকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তাঁর দৃষ্টি অত্যন্ত পরিকল্পিত ও বিজ্ঞানসম্মত ছিল। তাঁর সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি মাংস, দুধ, ডিম সংক্রান্ত খাতকে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে পোল্ট্রি গবেষণা ও উন্নয়ন জোরদারকরণ প্রকল্পসহ এ খাতের সকল প্রকল্পকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিলের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ তৌফিকুল আরিফ এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ শেখ আজিজুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য ও প্রকল্পের কার্যক্রম উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ সাজেদুল করিম সরকার। মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, বিএলআরআই ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাক্তন ও বর্তমান কর্মকর্তা ও বিজ্ঞানীগণ এবং পোল্ট্রি খাতের বিশেষজ্ঞ ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট পোল্ট্রি গবেষণা ও উন্নয়ন জোরদারকরণ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। জুলাই ২০১৯ থেকে জুন ২০২৪ মেয়াদে ১২৭ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পটি রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ি, বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি, যশোর জেলার সদর উপজেলা, ফরিদপুর জেলার ভাংগা এবং নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে পোল্ট্রি প্রজাতি সংগ্রহ, সংরক্ষণ, জাত উন্নয়ন এবং অধিক মাংস ও ডিম উৎপাদনশীল স্ট্রেইন উদ্ভাবন, অপ্রচলিত ও বিদ্যমান পোল্ট্রি খাদ্য উপাদানসমূহের পুষ্টিমান নিরূপণ এবং গবেষণার মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে পোল্ট্রির মাংস ও ডিমের প্রক্রিয়াজাতকরণ ও মূল্য সংযোজন, গবেষণার মাধ্যমে নিরাপদ মাংস ও ডিমের উৎপাদন বৃদ্ধি, পোল্ট্রি খামারিদের প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রদান ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং বিএলআরআই-এর পোল্ট্রি বিষয়ক গবেষণা কার্যক্রমের গুণগতমান বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও ল্যাবের সাথে সমন্বিত গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি।


আরও খবর



প্রায় তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ তেলের দাম

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৯৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মহামারি করোনাভাইরাসের ধকল কাটিয়ে বেশ চাঙা হয়ে উঠেছে তেলের বাজার। দফায় দফায় দাম বেড়ে বিশ্ববাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ৭৫ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এতে প্রায় তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠে এসেছে তেলের দাম।

বিশ্বাবাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে গত বছরের নভেম্বর থেকেই। তবে জুন মাসে সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে তেলের দামে বড় উত্থান হয়েছে। এর মাধ্যমে ২০১৮ সালের অক্টোবরের বা ৩২ মাস পর অপরিশোধিত তেলের ব্যারেল ৭৫ ডলারে উঠে আসল।

অপরিশোধিত তেলের পাশাপাশি ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল ও হান্টিং অয়েলও প্রায় তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠেছে। ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল ২০১৮ সালের অক্টোবরের পর এবং হান্টিং অয়েল ২০১৮ সালের নভেম্বরের পর এখন সর্বোচ্চ দামে রয়েছে।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, অপরিশোধিত তেলের পাশাপাশি ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল ও হান্টিং অয়েলের দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। গত এক মাসে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে ৯ শতাংশের ওপরে। ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম বেড়েছে সাড়ে ৬ শতাংশের ওপরে। আর হান্টিং অয়েলের দাম বেড়েছে সাড়ে ৩ শতাংশের ওপরে।

গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম দশমিক শূন্য ৪ ডলার কমে ৭৫ দশমিক শূন্য ৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে ১ দশমিক ৪০ শতাংশ। আর মাসের ব্যবধানে বেড়েছে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ।

ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দশমিক ২৭ ডলার বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৭৬ দশমিক শূন্য ৩ ডলারে উঠে এসেছে। এরপরও গত এক সপ্তাহে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম কমেছে দশমিক ২০ শতাংশ। অবশ্য মাসের ব্যবধানে বেড়েছে ৬ দশমিক ৬২ শতাংশ।

অপরদিকে গত এক সপ্তাহে ১ দশমিক ২৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি গ্যালন হান্টিং অয়েলের দাম ২ দশমিক ১৮ ডলারে উঠে এসেছে। এর মাধ্যমে মাসের ব্যবধানে হান্টিং অয়েলের দাম ৩ দশমকি ৫৪ শতাংশ বেড়েছে।

বিশ্বজুড়ে ছড়িয়েপড়া মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপ ভয়াবহ রূপ নিলে গত বছরের ২০ এপ্রিল বিশ্ববাজারে ইতিহাসের সর্বোচ্চ দরপতনের মধ্যে পড়ে তেল। সেদিন প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ঋণাত্মক ৩৭ ডলারের নিচে নেমে যায়।

রেকর্ড এই দরপতনের পরেই অবশ্যই তেলের দাম বাড়তে থাকে। এতে রেকর্ড দরপতনের ধকল সামলে গত বছরের বেশিরভাগ সময় প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ৪০ ডলারে আশেপাশে ঘুরপাক খাচ্ছিল।

কিন্তু বিশ্বজুড়ে মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নতুন করে বৃদ্ধি পাওয়া এবং লিবিয়ার তেল উত্তোলন বৃদ্ধি পাওয়ায় মাঝে বিশ্ববাজারে তেলের বড় দরপতন হয়। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে অপরিশোধিত ও ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম প্রায় ১০ শতাংশ কমে যায়।

তবে এই পতনের ধকল কাটিয়ে গত বছরের নভেম্বর থেকে আবার তেলের দাম বাড়তে শুরু করে। অবশ্য প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ৫০ ডলারের নিচে থেকেই ২০২০ সাল শেষ হয়।

চলতি বছরের শুরুতেও তেলের দামের এই বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা যায়। কয়েক দফা দাম বেড়ে করোনার মধ্যে প্রথমবার ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ৬০ ডলারে উঠে আসে। এর মাধ্যমে মহামারি শুরু হওয়ার আগের দামে ফিরে যায় তেল। আর প্রায় তিন বছর পর গত সপ্তাহে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল আবারও ৭৫ ডলার স্পর্শ করল।


আরও খবর

ব্যাংকে লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১




রামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ১২ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ৩০ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ জুলাই 20২১ | ৮৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) গত ২৪ ঘন্টায় করোনা ও করোনার উপসর্গ নিয়ে ১২ জন মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২৯ জুন) সকাল ৮টা থেকে বুধবার (৩০ জুন) সকাল ৮টার মধ্যে হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে তাদের মৃত্যু হয়। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, যে ১২ জন মারা গেছেন তাদের মধ্যে পাঁচজন করোনায় এবং উপসর্গ নিয়ে সাতজন মারা গেছেন। রাজশাহীর ৮ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২, নওগাঁর ১ ও নাটোরের একজন রয়েছেন। করোনা সংক্রমণ ও উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছিলেন তারা। এ নিয়ে মোট ৩৫৭ জনের মৃত্যু হলো।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের দুই ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৩৯৩ জনের আর করোনা শনাক্ত হয়েছে ১২৬ জনের। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩২.০৬ শতাংশ।

হাসপাতাল সূত্রে আরও জানা যায়, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দফায় দফায় বাড়ানো হয়েছে ওয়ার্ড ও শয্যা সংখ্যা। আইসিইউসহ শয্যা সংখ্যা ৪০৫টির মধ্যে রোগী বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ভর্তি রয়েছে ৪৬০ জন। গত ২৪ ঘন্টায় ভর্তি হয়েছেন ৬৩ জন। আইসিইউতে ভর্তি রয়েছেন ২০ জন।

এদিকে জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী আজ ২০তম দিনের মতো চলছে রাজশাহী মহানগরীতে সর্বাত্মক লকডাউন। তৃতীয় দফায় ৩০ তারিখ মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ সর্বাত্মক লকডাউন দ্বিতীয় দফায় ২৪ তারিখ মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিলো। এর আগে প্রথম দফায় ১৭ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত লকডাউন ছিল।

সর্বাত্মক লকডাউন পরিস্থিতি সবসময় অবলোকন করছেন প্রশাসন। কিন্তু রাজশাহী নগরীর মানুষ লকডাউন মানলেও আর্থিক প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ ব্যাংক-বীমা, কাঁচাবাজার খোলা রাখা ও আম পরিবহন ও বিপণনের জন্য বেশ কিছু মানুষকে বিভিন্ন সময়ে বাইরে চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে।


আরও খবর



করোনায় টানা ৭ দিন শতাধিক মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ১৩৪ জন। এ নিয়ে টানা সপ্তম দিনের মতো দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু একশর ওপরে। শনিবার (৩ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে, গত ১ জুলাই দেশে করোনার ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৪৩ জনের মৃত্যু হয়। এর পর গতকাল ২ জুলাই ১৩২ জন, ২৭ জুন ১১৯ জন, ৩০ জুন ১১৫ জন, ২৯ জুন ১১২ জন আর ২৮ জুন ১০৪ জনের মৃত্যুর তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

শনিবার (৩ জুলাই) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের সর্বশেষ তথ্যানুসারে বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ কোটি ৩৯ লাখ ২৭ হাজার ৭৫ জন। আর এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৯ লাখ ৮১ হাজার ৬৫০ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৬ কোটি ৮৩ লাখ ৩৪ হাজার ৭৯৫ জন।


আরও খবর