Logo
শিরোনাম

মঙ্গলবারের মধ্যে ইজতেমার মাঠ খালি করার নির্দেশ

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব রোববার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। আগামী শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) থেকে শুরু হবে দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা।

আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় ইজতেমা মাঠ স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কাছে বুঝিয়ে দিবেন। রোববার আখেরি মোনাজাতের আগে পুলিশ কন্ট্রোলরুমে ব্রিফিংকালে কমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলাম এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, প্রথম পর্বের মতো শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে দ্বিতীয় পর্বেও একই নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ থাকবে।

তিনি আরও বলেন, ইতোপূর্বে ইজতেমা সংক্রান্ত প্রস্তুতিমুলক সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী ও যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীসহ বিশ্ব ইজতেমার উভয় পক্ষের মুরুব্বীদের মধ্যে এ সিন্ধান্ত হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মঙ্গলবার সকাল ১১টার মধ্যে প্রথম পর্বের ইজতেমায় আয়োজকরা আমাদের কাছে মাঠ বুঝিয়ে দিয়ে মুসুল্লিসহ সবাই চলে যাবেন। পরে আমরা দ্বিতীয় পর্বের আয়োজকদের কাছে মাঠ বুঝিয়ে দেব। আগামী ২০ জানুয়ারি শুক্রবার থেকে শুরু হবে দ্বিতীয় পর্বের বিশ্ব ইজতেমা। আগামী রোববার ২২ জানুয়ারি আখেরিমোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ২০২৩ সালের বিশ্ব ইজতেমা।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমান কিরণ জানান, ইজতেমায় জরুরি পরিচ্ছন্নতা সেবা প্রদানের জন্য গাজিপুর সিটি করপোরেশনের সার্বক্ষণিক গার্বেজ ট্রাকসহ প্রায় ৬০০ পরিচ্ছন্নকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। ইজতেমা ময়দানের দক্ষিণ পাশে তুরাগ নদীর তীরে বর্জ্য ফেলার জন্য অস্থায়ীভাবে ড্যাম্পিং পয়েন্ট তৈরি করা হয়েছে।

সাদ পন্থী তাবলীগ সুরা সদস্য মাওলানা ওয়াসিফ জানান, আমাদের প্রস্তুতি সম্পন্ন। আগামীকাল মঙ্গলবার আমাদের কাছে ইজতেমা মাঠ বুঝিয়ে দেওয়ার কথা। বুধবার থেকে আমাদের তাবলীগ সাথীরা মাঠে জমায়েত হতে থাকবেন। এর আগেই পুরো মাঠ গুছিয়ে নেওয়া হবে ইনশাল্লাহ। 

নিউজ ট্যাগ: বিশ্ব ইজতেমা

আরও খবর

আজ সরস্বতী পূজা

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩

শবে মেরাজ ১৯ ফেব্রুয়ারি

সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩




যে হাত খুন করবে সেই হাতকে উপযুক্ত শিক্ষা দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিএনপি-জামায়াত ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত অগ্নিসন্ত্রাসের মাধ্যমে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া ও তার কুলাঙ্গার পুত্র মিলে ২১ আগস্ট থেকে শুরু করে অনেক মানুষ হত্যা করেছে, অত্যাচার-নির্যাতন করেছে। আগামীতে যদি আর একজন মানুষেরও ক্ষতি করে, তাহলে যে হাতে আগুন দেবে সেই হাত পুড়িয়ে দেওয়া হবে। যে হাতে মানুষ খুন করবে, সেই হাতকে উপযুক্ত শিক্ষা দেওয়া হবে। এই কথাটা যেন সকলের মনে থাকে।

আজ শনিবার দুপুরে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত জাতীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের যৌথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

জিয়াউর রহমান হত্যা, খুন ও গুম শুরু করেছিলেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতকে ঘৃণা জানাতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা আন্দোলন করতে চায়, আমরা বাধা দেব না। কিন্তু আন্দোলনের নামে যদি আবারও কোনো রকমের নাশকতা করে দেশের ক্ষতি করতে চায়, তাহলে উপযুক্ত জবাব দেবে জনগণ।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি মাত্র ২৯টি সিট পেয়েছিল। পরে উপনির্বাচনে একটা সিট পেয়েছিল। এটা বোধ হয় আপনাদের মনে থাকে না। এটাই ছিল তাদের শক্তি। সে জন্য তারা কোনো নির্বাচন চায় না, ভিন্ন পথে ক্ষমতায় আসতে চায়।

যেকোনো সংকটেই আওয়ামী লীগ মানুষের পাশে আছে ও থাকবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নতি কেউ যাতে গতিরোধ করতে না পারে, সেজন্য আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকাতে হবে। কেউ আর্থসামাজিক ক্ষতিসাধন করতে চাইলে তাদের উপযুক্ত জবাব বাংলাদেশের জনগণ দেবে।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, তারা (বিএনপি) বলে আওয়ামী লীগ নাকি দেশের সর্বনাশই করেছে। তাহলে মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন করা মানে কি সর্বনাশ করা? তাদের জিজ্ঞেস করতে হবে, ক্ষতিটা দেখল কোথায়? একই দিন ১০০ সেতু ও ব্রিজ এবং ১০০টি সড়ক উন্নত ও উদ্বোধন করা কি সর্বনাশ? এগুলো জনগণের কাছে তুলে ধরা উচিত। আমরা আছি জনগণের পাশে, আর তারা আছে ধ্বংস করতে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই দেশটাকে নিয়ে আর কেউ ছিনিমিনি খেলতে পারবে না। আমরা কাউকে দেশ নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেব না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে দেশ চলবে। এই মাটিতে (টুঙ্গিপাড়া) বসে এই প্রতিজ্ঞা নিচ্ছি যে, বাংলাদেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নতি কেউ যাতে গতিরোধ করতে না পারে, তার জন্য আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যন্ত প্রতিটি নেতাকর্মী সজাগ থাকবে, দৃঢ় থাকবে। যেকোনো অপকর্মের প্রতিরোধ করবে। এই প্রতিজ্ঞা নিয়ে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলব।

২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশকে স্মার্ট হিসেবে গড়ে তোলা হবে। বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীও স্মার্ট হবে। আমরা দেশের মানুষের কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। বাংলার মানুষের উন্নয়নের জন্য যা যা করা দরকার আওয়ামী লীগ করবে। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

এর আগে আওয়ামী লীগের নব নির্বাচিত সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নতুন কমিটির সদস্যরা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সমাধিসৌধের বেদীর পাশে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন প্রধানমন্ত্রী। পরে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনায় ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

পরে টুঙ্গিপাড়ায় উপস্থিত থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গোপালগঞ্জের ২৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং একটি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় অংশ নেন।

গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টায় দুইদিনের সফরে গোপালগঞ্জে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সকাল ৮টায় সড়কপথে তিনি ঢাকা থেকে টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে রওনা দেন। ২২তম সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর এটি তার প্রথমবারের মতো টুঙ্গিপাড়া সফর। আজ শনিবার বিকেলে তিনি টুঙ্গিপাড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। 


আরও খবর



নতুন বছরে যে অভ্যাসগুলো বাদ দেবেন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কিছু ভুল অভ্যাস গড়ে উঠেছে বলেই যে সেগুলো মেনে চলতে হবে তা কিন্তু নয়। সবার জীবনেই কিছু না কিছু ভুল অভ্যাস গড়ে ওঠে। ভুলগুলো মেনে নিয়ে বদ অভ্যাস থেকে দূরে সরে আসতে পারলেই জীবনে সফল হওয়া সম্ভব। আপনার যাপিত জীবনের দিকে তাকালেই বুঝতে পারবেন, কত সহজে আমরা বদ অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে উঠি। এ ধরনের অভ্যাসগুলো ত্যাগ করা আসলেই কঠিন।

দাঁত দিয়ে নখ কাটা, বারবার চুলে হাত বোলানো আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ মনে হলেও একটা সময় এগুলো বাদ দেওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এগুলো বাদেও কিছু বদ অভ্যাস আছে যা সরাসরি ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে যেমন ধূমপান বা মদ্যপান। এই দুই অভ্যাস ক্যান্সার ও লিভারের অসুখের কারণ হতে পারে। এসব ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতে হলে সবার আগে বদ অভ্যাসগুলো বাদ দিতে হবে এবং স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করতে হবে।

দেরি করা: কিছু মানুষ প্রায় সব জায়গাতেই দেরি করে যায়। এই অভ্যাস আমাদের জীবনে ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলতে পারে। এরকমটা চলতে থাকলে অন্যরা আপনাকে বিশ্বাস করতে পারবে না। তারা সব সময়ই আপনার বিষয়ে হতাশ থাকবে। এর ফলে আপনি কখনোই একজন নির্ভরযোগ্য মানুষ হয়ে উঠতে পারবেন না। সময়মতো উপস্থিত না থাকার অভ্যাস আপনার জীবনকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে। এই বদ অভ্যাস বাদ দেওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো সময়ের গুরুত্ব অনুধাবন করা।

নিজের প্রতি কঠোর হওয়া: কখনো কখনো এমন সময় আসে যখন সময়মতো কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয় না। নিজস্ব, পারিবারিক কিংবা অন্য যেকোনো ধরনের কাজ হতে পারে। যদি একান্ত চেষ্টার পরেও সেটি না করতে পারেন তবে হতাশ হবেন না। নিজের ওপর বাড়তি বোঝা চাপিয়ে দেবেন না। কারণ এমনটা হতেই পারে। তাই ধীরে-সুস্থে পুনরায় কাজের প্রতি মনোযোগ দিন। নিজের প্রতি অভিযোগ রাখবেন না।

যারা আপনার ভালো দিকগুলোর মূল্যায়ন করে না, তাদের সঙ্গে থাকা: প্রত্যেকেই চায় যেন তার আশেপাশের মানুষ তার ভালো দিকগুলোর মূল্যায়ন করুক, প্রশংসা করুক। কিন্তু আপনার চারপাশে যদি এমন মানুষ থাকে যারা আপনার প্রশংসা করতে চায় না বা করে না, তবে তাদের এড়িয়ে চলুন। তাদের নেতিবাচক কথাবার্তা আপনার জন্য আরও ক্ষতিকর হতে পারে। তাদের সঙ্গ ত্যাগ করাই হলো এই বদ অভ্যাস থেকে হয়ে আসার একমাত্র উপায়। এমন মানুষের সঙ্গ বেছে নিন যারা আপনার ভালো দিকগুলোর মূল্যায়ন করতে পারে। তাদের আন্তরিক প্রশংসা আপনাকে ভালো একজন মানুষ হতে সাহায্য করবে।

শেষ মুহূর্তে হাল ছেড়ে দেওয়া: দেরি হওয়ার চেয়েও এটি খারাপ অভ্যাস। কারণ অনেকরকম প্রচেষ্টা ও পরিশ্রমের ফল পেতে চাইলে কিছুটা ধৈর্য থাকা লাগে। যখন আপনার মনে হবে- আর পারছেন না, তখন নিজেকে আরেকটু শক্তি জোগান। মনকে বলুন যে আমি পারবোই। একটা সময় দেখবেন কাজটি সত্যিই শেষ হয়েছে। আর আপনি পাবেন সফলতার স্বাদ। তাই প্রতিটি কাজের আগে পরিকল্পনা করে নিন। এতে কাজটি অনেকটা সহজ হবে।

নেতিবাচক বিষয়ের ওপর জোর দেয়া: যাদের শুধুমাত্র নেতিবাচক দিকে মনোনিবেশ করার অভ্যাস আছে তারা জীবনে শুধুমাত্র নেতিবাচক পরিস্থিতিরই সম্মুখীন হয়। এটি বদ অভ্যাসের একটি অন্তহীন বৃত্ত। আপনি যতই এই বদ অভ্যাস শেষ করার চেষ্টা করবেন, ততই আপনি এতে জড়িয়ে যাবেন। এটি বাদ দিতে না পারলে জীবনে ঘটে যাওয়া নেতিবাচক জিনিসগুলোর বদলে ইতিবাচক দিকগুলোর কথা ভাবুন। ধীরে ধীরে আপনার স্বভাবও ইতিবাচক হয়ে উঠবে।

মাল্টিটাস্কিং: অনেকেই আছেন যারা মাল্টিটাস্কিংকে অনেক বড় গুণ বলে মনে করেন। এটি সহজ কিছু নয়। মাল্টিটাস্কিং করতে পারলে অনেক সময় বাঁচানোও সম্ভব হয়। কিন্তু এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে আপনার মস্তিষ্কে। তাই একসঙ্গে একাধিক কাজ করা বন্ধ করুন। প্রতিটি কাজের জন্য আলাদা আলাদা সময় বরাদ্দ রাখুন। সাবধানে এবং দ্রুততার সঙ্গে কাজ করার অভ্যাস করুন। ভুলে যাওয়ার ভয় থাকলে প্রতিদিনের কর্ম পরিকল্পনা নোট করে রাখুন।

দোষারোপ করা: নিজের দুর্ভাগ্য কিংবা ব্যর্থতার জন্য অন্যদের দোষ দেওয়ার অভ্যাস থাকলে তা বাদ দিন। সফল মানুষের দিকে তাকান, দেখবেন তাদের প্রচেষ্টাই তাদের সফল করেছে। তাই নিজের প্রতি মনোযোগ দিন। অন্যকে দোষ দিয়ে আত্মতৃপ্তি হয়তো পাবেন কিন্তু দিন শেষে আপনার নাম থাকবে ব্যর্থ মানুষের তালিকায়। আবার কিছু জিনিস থাকে যা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তাই যা পাননি তার জন্য মনে আফসোস রাখবেন না।

নিউজ ট্যাগ: ভুল অভ্যাস

আরও খবর

আজকের রাশিফল: জেনে নিন কেমন কাটবে দিন ?

শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩

অ্যাকনে যখন মাথার ত্বকে

বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩




নাইজেরিয়ায় বিস্ফোরণে নিহত অন্তত ৫৪

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ায় সন্দেহভাজন বোমা বিস্ফোরণে অর্ধশতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। নাইজেরিয়ার উত্তর-মধ্যাঞ্চলে গত মঙ্গলবার এই বিস্ফোরণ ও হতাহতের ঘটনা ঘটে।

নাইজেরীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাইজেরিয়ার উত্তর মধ্যাঞ্চলীয় এলাকায় সন্দেহভাজন বোমা বিস্ফোরণে কয়েক ডজন গবাদি পশুপালক ও পথচারী নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। বুধবার দেশটির প্রাদেশিক সরকারের এক কর্মকর্তা এবং দেশটির জাতীয় গবাদি পশু পালনকারীদের মুখপাত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত মঙ্গলবার রাতে উত্তর মধ্য নাইজেরিয়ার নাসারাওয়া এবং বেনু প্রদেশের মধ্যে এই বিস্ফোরণ ও হতাহতের ঘটনাটি ঘটে।

নাইজেরিয়ার মিয়াত্তি আল্লাহ ক্যাটল ব্রিডার্স অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র তাসিউ সুলেমান বলেছেন, ঘটনার দিন ফুলানি পশুপালকদের একটি দল বেনু থেকে তাদের গবাদি পশু নিয়ে নাসারাওয়ার দিকে যাচ্ছিল। তবে চারণ বিরোধী আইন লঙ্ঘনের দায়ে সেখানে কর্তৃপক্ষ পশুগুলোকে বাজেয়াপ্ত করে। পরে সেখানে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

সুলেমান বলেন, বিস্ফোরণের পর কমপক্ষে ৫৪ জন তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এছাড়া বিস্ফোরণে আরও অগণিত মানুষ আহত হয়েছেন।’

এদিকে নাসারাওয়ার গভর্নর আবদুল্লাহি সুলে ওই বিস্ফোরণে ঠিক কতজন নিহত হয়েছেন তা উল্লেখ করেনি। তবে তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, বোমা বিস্ফোরণের ফলে কিছু মৃত্যু হয়েছে।

এই বিস্ফোরণের পেছনে ঠিক কারা দায়ী সে সম্পর্কে কোনও কিছু উল্লেখ করেননি আবদুল্লাহি সুলে। তবে তিনি বলেছেন, উত্তেজনা প্রশমিত করতে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি।

রয়টার্স বলছে, নাইজেরিয়ায় উত্তর-মধ্য অংশ মিডল বেল্ট’ নামে পরিচিত। এই অঞ্চলটি প্রায়সময়ই অস্থিতিশীল হয়ে থাকে। ফুলানি গোষ্ঠীর সঙ্গে সেখানের স্থানীয় কৃষকদের জমির দখল ও ধর্মীয় কারণ নিয়ে সংঘর্ষই মূলত এই অস্থিতিশীলতার কারণ।

অন্যদিকে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই অঞ্চলে কৃষিজমির আকার বৃদ্ধি পেলেও পশুপালকদের গবাদি পশু চরানোর জায়গা কমে গেছে।

প্রাদেশিক গভর্নরের মুখপাত্র আবুবকর লাদান রয়টার্সকে বলেছেন, বিস্ফোরণে নিহতদের বুধবার গণ দাফন করা হয়েছে।


আরও খবর



২০০ থেকে ১৫০০ টাকায় পাওয়া যাবে বিপিএলের টিকিট

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শুক্রবার শুরু হচ্ছে বিপিএলের নবম মৌসুম। আর আজ টুর্নামেন্টের টিকিটের দাম ঘোষণা করা হয়েছে। টিকিটের সর্বনিম্ন দাম ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১৫০০ টাকা।

মূলত ঢাকা পর্বের প্রথম রাউন্ডের টিকিটের দাম বলা হয়েছে। যেখানে গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডের টিকিটের দাম ১৫০০ টাকা। দামের দিক থেকে গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডের পরেই রয়েছে ভিআইপি স্ট্যান্ড। ভিআইপি স্ট্যান্ডের টিকিট পাওয়া যাবে ১০০০ টাকায়। ক্লাব হাউজের টিকিট মিলবে ৫০০ টাকায়। সাউথ স্ট্যান্ড ও ইস্টার্ন স্ট্যান্ডের টিকিটের দাম ৩০০ টাকা। ইস্টার্ন স্ট্যান্ডের টিকিট পাওয়া যাবে ২০০ টাকায়।

মিরপুরের শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়াম এবং শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ১ নম্বর গেটে রয়েছে টিকিট কাউন্টার। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত টিকিট কাউন্টার, বুথ খোলা থাকবে। ম্যাচের দিন এবং ম্যাচের আগের দিন পাওয়া যাবে টিকিট।

বিপিএলের এবারের মৌসুমের উদ্বোধনী ম্যাচে মাঠে মুখোমুখি হবে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স-সিলেট স্ট্রাইকার্স। শুক্রবার বেলা আড়াইটায় মাঠে গড়াবে ম্যাচটি। দিনের অপর ম্যাচে সন্ধ্যা ৭টা ১৫ তে খেলবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও রংপুর রাইডার্স।

 


আরও খবর



জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দেশ পরিচালনা করছে আ. লীগ: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৬ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৫৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ২০০৯ সাল থেকে টানা ১৪ বছর দেশ পরিচালনা করছেন বলে জানিয়েছেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।  বর্তমান সরকারের চার বছর পূর্তি উপলক্ষে এ ভাষণ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ সাল থেকে একটানা ১৪ বছর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। এই ১৪ বছরে আমরা দেশ এবং দেশের জনগণকে কী দিতে পেরেছি- তার বিচার-বিশ্লেষণ আপনারা করবেন। বর্ষপূর্তিতে আমি শুধু কয়েকটি বিষয়ে আলোকপাত করে আপনাদের স্মৃতিকে নাড়া দিতে চাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে আমরা যখন সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করি, তখনও বিশ্বব্যাপী মন্দাবস্থা চলছিল। চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম ছিল আকাশচুম্বী। অন্যদিকে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ছিল নিম্নমুখী। বিদ্যুতের অভাবে দিনের পর দিন লোডশেডিং চলত। গ্যাসের অভাবে শিল্পকারখানার মালিকেরা যেমন হাহাকার করত, তেমনি চুলা জ্বলত না মানুষের বাড়িতে। সারসহ কৃষি উপকরণের উচ্চমূল্য এবং জ্বালানি তেলের অভাবে কৃষকের নাভিশ্বাস উঠেছিল।

শেখ হাসিনা বলেন, এমনি এক অর্থনৈতিক দূরবস্থার মধ্যে আমরা সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নেই। নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে আমরা রূপকল্প-২০২১ প্রণয়ন করি এবং জনগণের সামনে তুলে ধরি। জনগণের বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে সরকার গঠনের পর সেই ইশতেহারের আলোকে আমরা আশু করণীয়, স্বল্প, মধ্য এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন করে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করি।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, স্থবির অর্থনীতিকে সচল করতে শুরুতেই কৃষি, জ্বালানি, বিদ্যুৎসহ কয়েকটি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে আমরা কাজ শুরু করি। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে বেশ কয়েকটি ছোট-বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করি।

শেখ হাসিনা বলেন, খাদ্যশস্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য আমরা মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই রাসায়নিক সারের দাম কমিয়ে দেই। এরপর আরও দু-দফায় সারের দাম হ্রাস করে কৃষকের ক্রয় ক্ষমতার আওতায় আনা হয়। এমনিভাবে প্রতিটি খাতে আমরা পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেই।

তিনি বলেন, রূপকল্প ২০২১-এর পর আমরা রূপকল্প ২০৪১ এবং বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করেছি। রূপকল্প ২০২১-এ আমরা অন্যান্য লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পাশাপাশি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছিলাম। আজকে সন্তুষ্টচিত্তে বলতে পারি, আমরা সে প্রতিশ্রুতি পূরণে সক্ষম হয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, রূপকল্প-২০৪১ লক্ষ্য হচ্ছে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে প্রতিষ্ঠিত করা। বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০-এর লক্ষ্য হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা করে বাংলাদেশকে একটি টেকসই উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে হিসেবে টিকিয়ে রাখা।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার সুফল জনগণ আজ পেতে শুরু করেছে। আজ দেশের শতভাগ মানুষ বিদ্যুতের আওতায়। নিজস্ব গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি বর্ধিত চাহিদা মেটানোর জন্য আমরা এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন করে এলএনজি আমদানির ব্যবস্থা নিয়েছি। প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত আজ মধ্যবিত্ত-নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে গ্যাসের চূলায় রান্না হয়।

তিনি বলেন, আমরা নানা প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ সম্পন্ন করেছি। এই সেতু দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলাকে সড়ক পথে ঢাকা এবং অন্যান্য জেলার সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত করেছে। গত ২৮ ডিসেম্বর মেট্রোরেল উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে আমরা যোগাযোগের ক্ষেত্রে আরেকটি মাইলফলক স্পর্শ করেছি। কিছুদিনের মধ্যেই শুধু বাংলাদেশেই নয়, চট্টগ্রামে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম পাতাল সড়কপথ- বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধনের মাধ্যমে আরেকটি মাইলফলক স্থাপিত হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। আমরা ২০১৮ সালের মে মাসে মহাকাশে নিজস্ব স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপন করেছি।


আরও খবর