Logo
শিরোনাম

মঙ্গলে পোঁছাল নাসার রোবট যান

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৮৬জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
জাজেরো নামে গভীর গর্তে (ক্র্যাটার) অবতরণ করে রোবট যান পারসেভারেন্স। সেখানে আগামী দুই বছর অবস্থান করে মঙ্গলে পাথর খননসহ অতীতে

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার মহাকাশযান পারসেভারেন্স দীর্ঘভ্রমণ শেষে অবশেষে মঙ্গলের বুকে অবতরণ করলো।

বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত ২টা ৫৫ মিনিটে পারসেভারেন্স মঙ্গলে অবতরণ করার সঙ্গে সঙ্গে লস অ্যাঞ্জেলসের জেট প্রপালসন ল্যাবরেটরিতে উল্লাসে মেতে ওঠেন বিজ্ঞানীরা।

বিবিসি জানিয়েছে, ৬ চাকার এই স্বয়ংক্রিয় রোবট যানটি পৃথিবী থেকে তার ৪৭০ মিলিয়ন কিলোমিটার বা ৪৭ কোটি মাইল পথের যাত্রা শুরু করেছিল ৭ মাস আগে। অবশেষে আজ তার যাত্রার অবসান হলো। জাজেরো নামে গভীর গর্তে (ক্র্যাটার) অবতরণ করে রোবট যান পারসেভারেন্স। সেখানে আগামী দুই বছর অবস্থান করে মঙ্গলে পাথর খননসহ অতীতে কোনো প্রাণের অস্তিত্ব ছিল কিনা তা খুঁজবে।

এর আগে, মঙ্গলগ্রহে নভোযান অবতরণের ১৪টি প্রচেষ্টা নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে সফল হয়েছে ৮টি আর এর সবগুলোই ছিল যুক্তরাষ্ট্রের মিশন। তবে ১৯৯৯ সালে একবার নাসার মঙ্গল মিশন ব্যর্থ হয়েছিল। এবছর মঙ্গলে আরেকটি সফলতার পালক যুক্ত করলো নাসা।

Share

আরও খবর



‘নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলতে হবে’

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ মার্চ ২০২১ | ৫১জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার কেরাণীগঞ্জে ঢাকাস্থ খুলনার সাবেক ছাত্রলীগ ফাউন্ডেশনের বনভোজন ও মিলনমেলা ২০২১-এ অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

এসময় মন্ত্রী বলেন, "সন্তানদের শেখাতে হবে  মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কাকে বলে। কোমলমতি বাচ্চাদের শেখাতে হবে অসাম্প্রদায়িকতা কাকে বলে। তাদেরকে শেখাতে হবে বঙ্গবন্ধু একটা প্রতিষ্ঠান ছিল। তাঁর জীবনালেখ্য পড়াতে হবে। বঙ্গবন্ধু কন্যা মৃত্যুঞ্জয়ী শেখ হাসিনা ঊনিশ বার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েও কীভাবে অদম্য গতিতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, সেটাও এ প্রজন্মকে শেখাতে হবে।"

তিনি আরো বলেন, '৭১ এ পাকিস্তানিদের নৃশংসতার কথা নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে। একদিন বাংলাদেশে আমরা ক্ষমতায় নাও থাকতে পারি, কিন্তু আমাদের সন্তানরা যেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বেড়ে উঠে।"

ঐতিহাসিক ৭ মার্চকে স্মরণ করে শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, "৭ মার্চ প্রকৃতপক্ষে বাঙালির স্বাধীনতা ঘোষণার দিন। বঙ্গবন্ধু '৭১ এর ২৬ শে মার্চ প্রথম প্রহরে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। এদিন তিনি যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকতে বলেছিলেন। তার মানে ৭ মার্চে স্বাধীনতার ঘোষণা হয়ে গিয়েছিল। এটাই বাস্তবতা।"

Share

আরও খবর



জয়ার থ্রিডি সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে ১৯ মার্চ

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ১৯৩জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জয়া আহসান ছক ভাঙতেই বেশি ভালোবাসেন। এবার নতুন অধ্যায়ে সামিল হলেন তিনি। এই প্রথম বাংলা থ্রি ডি ছবির নায়িকা জয়া। ছবির নাম অলাতচক্র। আগামী ১৯ মার্চ মুক্তি পাচ্ছে সিনেমাটি।

বিখ্যাত লেখক আহমদ ছফার জীবন নিয়ে তৈরি এই ছবি। স্বভাবে প্রথাবিরোধী এবং দুঃসাহসিক বলে পরিচিত এই সাহিত্যিক ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য পা রেখেছিলেন কলকাতায়। তার ভালবাসার মানুষ তায়বাও সেই সময় একই কারণে এসে পৌঁছেছিলেন কলকাতায়।

মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সেই গল্পের উপর ভিত্তি করেই ছবির গল্প বুনেছে পরিচালক হাবিবুর রহমান।

আহমদ ছফার চরিত্রে অভিনয় করেছেন আহমেদ রুবেল। সাহিত্যিকের প্রেমিকার ভূমিকায় দেখা যাবে জয়াকে। সেই সময়কার কলকাতার নানা অংশকে তুলে ধরা হবে এই জীবনীমূলক ছবিতে। জয়া তাই আশাবাদী অলাতচক্র এপার বাংলার দর্শকরা দেখলে, তাঁদের কাছেও সমাদৃত হবে এই ছবি।

জয়া আনন্দবাজারকে জানান, চলতি বছরে পালিত হবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী। একই সঙ্গে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানেরও জন্ম শতবার্ষিকী। এই দুই সূত্রকে একসঙ্গে উদযাপন করব এই ছবির মাধ্যমে। নতুন ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার এই ছবিকে অন্য মাত্রা দেবে।

নিউজ ট্যাগ: জয়া আহসান
Share

আরও খবর



করোনার টিকা ব্যবস্থাপনা: দশে দশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১ | ৫৫১জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
একবার টিকা নেওয়ার এক মাস পর দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিতে হবে। প্রথম ডোজ টিকা নেওয়ার ১০ দিন পর মাত্র ৫২ ভাগ ইমিউনিটি অর্জিত হয় বলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন

আব্দুল কাইয়ুম

আজ ১০ ফেব্রুয়ারি সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে করোনার টিকা নিতে গিয়ে আমি তো হতবাক! এমন চমৎকার ব্যবস্থা কল্পনাও করিনি। আমার সাংবাদিক পরিচয় না দিয়ে ভাবলাম, দেখি তো কী হয়? একটি টেবিলে তিন-চারজন কর্মী কাজ করছেন। আমার অনলাইনে করা রেজিস্ট্রেশন কার্ড দিলাম। চট করে কর্মীরা তাঁদের ফাইলে রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখে পাঠিয়ে দিলেন ৬ নম্বর বুথে। পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ডাক এল। একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নার্স আমাকে বললেন, কিছু না, টেরই পাবেন না। এই তো হয়ে গেল। তারপরই বললেন, হয়ে গেছে। বাইরে আধঘণ্টা বসে তারপর যেতে পারেন।

আমি তো অবাক। ত্বকে কখন সুই ফোটানো হলো টেরই পাইনি। এত সরু সুই আমি আগে কখনো দেখিনি। আজ পর্যন্ত বিভিন্ন সময় অন্তত কয়েক শ বার ইনজেকশন দিয়েছি। প্রতিবারই একটু চোখ বন্ধ করে, দম আটকিয়ে ব্যথা সহ্য করতে হয়েছে। কিন্তু এবারই প্রথম, ইনজেকশন কখন নিলাম, টেরই পেলাম না।

ভাবছিলাম কতই না অব্যবস্থাপনা দেখব। লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। কিন্তু কিছু না। প্রশস্ত হলঘর। আট-দশটি বুথ। প্রতিটি বুথের সামনে বসার আসন। আসুন, বসুন, ইনজেকশন নিন, ব্যস, এবার নিশ্চিন্তে চলে যান। এ তো ভাবাই যায় না। টিকা নিতে আসছেন মানুষ। আবার যত জনের ব্যবস্থা, প্রায় সমানসংখ্যক মানুষ আসছেন। কোনো চেয়ার ফাঁকা নেই, আবার উপচে পড়া ভিড়ও নেই। দুই মিনিটে ইনজেকশন শেষ, ২০-৩০ মিনিট বসে বিশ্রাম। মানুষ আসছেন আর যাচ্ছেন।

এত চমৎকার ব্যবস্থাপনার জন্য সরকারের দক্ষতা সত্যি এক রেকর্ড। এর আগে আমরা দেখেছি করোনার সোয়াব টেস্টের জন্য কিছু ভুয়া ক্লিনিক গজিয়ে উঠেছে। হাজার হাজার টাকা নিয়ে মানুষকে মিথ্যা রিপোর্ট দিয়েছে। সরকার তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে একটা বার্তা দিয়েছে যে এ ধরনের অপকর্মের শাস্তি ভোগ করতে হবে। সরকার এবার টিকার ব্যাপারে বেসরকারি ভুয়া ক্লিনিকের কারসাজি বন্ধে দৃঢ় ব্যবস্থা নিয়েছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় টিকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। হয়তো কিছুদিন পর বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিককে সুযোগ দিতে পারে। সেটা সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়। কিন্তু জালিয়াত চক্র যেন কোনোভাবেই ঢুকে না পড়ে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

মানুষ যেন প্রতারিত না হয়। হাজার হাজার টাকা লাগবে, আবার পরে হয়তো দেখা যাবে করোনার নকল ইনজেকশনের ব্যবসা শুরু হয়ে গেছে! এ ব্যাপারে যেকোনো সিদ্ধান্তের আগে নিরাপত্তা শতভাগ নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের বিশ্বাস, সরকার এসব বিষয়ে সচেতন।

প্রথম দিকে মানুষ কিছুটা দ্বিধায় ছিল। টিকা নিলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা ভাবছিল। কিন্তু এখন তো মন্ত্রী, জনপ্রতিনিধি, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি সবাই টিকা নিচ্ছেন এবং সুস্থই আছেন। তাঁরা সবাইকে টিকা নিতে বলছেন। তাই মানুষের দ্বিধা-দ্বন্দ্ব কেটে যাচ্ছে। করোনাভাইরাস নির্মূল করতে টিকার বিকল্প নেই। মানুষ তো মরবেই, অর্থনীতিও ভেঙে পড়বে। তাই সরকার যে প্রথম থেকেই টিকা কেনার ব্যবস্থা নিয়েছে, সেটা ছিল সময়োচিত উদ্যোগ। এ না হলে দেশে সারা বছর করোনার বিপর্যয় ঘুরেফিরে চলত।

টিকা ছাড়া শুধু সাধারণ চিকিৎসায় এই ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচা কঠিন। আমরা তো দেখলাম আমাদের সহকর্মী, যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান খান, সংবাদের সম্পাদক মুনীরুজ্জামানসহ কত সিনিয়র সাংবাদিক, চিকিৎসক, অধ্যাপকসহ অগণিত সাধারণ মানুষ কত অসহায়ভাবে মৃত্যুবরণ করলেন। এভাবে চললে অন্তত দুই বছরে অগণিত মানুষের রোগ-শোক-মৃত্যুর পর হয়তো করোনাভাইরাসে হার্ড-ইমিউনিটি অর্জন করা সম্ভব হতো। কিন্তু সেটা হতো সবচেয়ে অমানবিক একটা ব্যাপার। সরকার যে সেটা বুঝে সময়োচিত উদ্যোগ নিয়েছে, তা এক সাংঘাতিক সুবিবেচনার পরিচয়।

এখন আমাদের দেখতে হবে যেন দেশের অন্তত ৮০-৮৫ ভাগ মানুষ টিকা নিয়ে করোনামুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারেন। এ জন্য সরকারের উদ্যোগই হবে মূল। দেশের অন্তত ১৩-১৪ কোটি মানুষের টিকার ব্যবস্থা করা দরকার। এ জন্য টাকা লাগবে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিল গেটসসহ অনেক ব্যক্তি টিকার ব্যবস্থা করার জন্য হাজার হাজার কোটি ডলার দান করেছেন। অনুন্নত দেশে বিনা পয়সার ব্যবস্থা করার আন্তর্জাতিক উদ্যোগ রয়েছে। আমাদের দেশের শিল্পপতিরাও নিজ দেশের সাধারণ মানুষের জন্য বিনা পয়সায় টিকার ব্যবস্থা করার জন্য সীমিত পর্যায়ে হলেও উদ্যোগ নিতে পারেন।

একবার টিকা নেওয়ার এক মাস পর দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিতে হবে। প্রথম ডোজ টিকা নেওয়ার ১০ দিন পর মাত্র ৫২ ভাগ ইমিউনিটি অর্জিত হয় বলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন। তিন-চার সপ্তাহের মধ্য প্রায় ৯৫ ভাগ ইমিউনিটি নিশ্চিত। দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার দিন দশেকের মাথায় মোটামুটি করোনাপ্রতিরোধী হওয়া সম্ভব। তাই প্রথম টিকা নেওয়ার পর আগের মতোই সবাইকে মাস্ক পরে চলাফেরা করতে হবে। এটা যতটা না নিজের নিরাপত্তার জন্য, তার চেয়ে বেশি অন্যদের সংক্রমণমুক্ত রাখার জন্য। কারণ, করোনার টিকায় নিজে রোগপ্রতিরোধী হলেও শ্বাস-প্রশ্বাস, হাঁচি-কাশির মাধ্যমে অন্যদের করোনায় সংক্রমিত করতে পারে। তাই অন্তত আরও বেশ কয়েক মাস, অন্তত এই বছরটা মাস্ক পরা অব্যাহত রাখা জরুরি।

কেউ যেন ভাববেন না, আমাদের এলাকায় করোনা নেই, টিকার দরকার কী? না, এটা ভুল। আজ হয়তো নেই, কিন্তু কাল করোনা এসে যাবে। গ্রামের পর গ্রাম ছারখার হয়ে যেতে পারে। তাই করোনার টিকা উপেক্ষা করা যাবে না। অন্তত ১০ বছরের বেশি বয়সের সবাইকে করোনার টিকা নিতে হবে। পর্যায়ক্রমে সে ব্যবস্থা সরকার করবে, এটাই আমরা চাই।

সূত্র: প্রথম আলো

Share

আরও খবর



পিলখানা হত্যাকাণ্ডের এক যুগ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৮৩জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের এক যুগ পূর্ণ হয়েছে। ২০০৯ সালের এদিনে তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস বা বিডিআর (যা এখন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা সংক্ষেপে বিজিবি) সদর দফতর পিলখানায় বিপথগামী সৈনিকরা নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায়। ওই বছরের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিপথগামী কিছু বিডিআর সদস্য ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা ছাড়াও নারী ও শিশুসহ আরও ১৭ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করে। তাদের স্মরণে বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) শাহাদতবার্ষিকী পালন করবে বিজিবি ও সেনাবাহিনী।

দিনটি পালনের উদ্দেশ্যে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও সেনা সদর নানা কর্মসূচি পালন করছে। বিজিবি ও আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাদের কর্মসূচির কথা জানানো হয়।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) জানায়, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে সেনাবাহিনীর শহীদ সদস্যদের শাহাদতবার্ষিকী পালন করা হবে। এ উপলক্ষে বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদ সেনা সদস্যদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে সকাল ৯টায়। সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় বনানী সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তিন বাহিনীর প্রধানরা (সম্মিলিতভাবে), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব এবং বিজিবি মহাপরিচালক (একত্রে) শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।

অন্যদিকে, বিজিবির সদর দফতর পিলখানা থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদদের স্মরণে কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। দিনের কর্মসূচি অনুযায়ী শহীদদের রুহের মাগফিরাতের উদ্দেশ্যে পিলখানায় বিজিবির সদর দফতরসহ সব রিজিয়ন, সেক্টর, প্রতিষ্ঠান ও ইউনিটের ব্যবস্থাপনায় কোরআনখানি হবে। বিজিবির সব মসজিদে এবং বিওপি পর্যায়ে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। দিনটি পালন উপলক্ষে বিজিবির যেসব স্থানে রেজিমেন্টাল পতাকা উত্তোলন হয়, সেসব স্থানে বিজিবি পতাকা অর্ধনমিত থাকবে এবং বিজিবির সব সদস্য কালো ব্যাজ পরিধান করবে।

পরদিন ২৬ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) বাদ জুমা পিলখানায় বিজিবির কেন্দ্রীয় মসজিদ, ঢাকা সেক্টর মসজিদ এবং বর্ডার গার্ড হাসপাতাল মসজিদে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। ওই দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, বিজিবি মহাপরিচালক, শহীদদের নিকটাত্মীয়, পিলখানায় কর্মরত সব অফিসার, জুনিয়র কর্মকর্তা, অন্যান্য পদবির সৈনিক এবং বেসামরিক কর্মচারীরা অংশ নেবেন।

Share

আরও খবর



সড়ক দুর্ঘটনায় ঝিনাইদহে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৭৫জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঝিনাইদহে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে যশোর সদর হাসপাতালে আরও একজন মারা গেছেন। তার বাড়ি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামে। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১২ জনে।

হাসপাতালে এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন বেশ কয়েকজন। খুলনা থেকে ছেড়ে আসা জে কে ট্রাভেলস পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস ঝিনাইদহের বারোবাজার এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারায়।

এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা পণ্যবাহী একটি ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলেই মারা যান নারী ও শিশুসহ বাসের ৯ যাত্রী। হাসপাতালে মারা যান আরো ২ জন।

বারোবাজার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেসবাহ উদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে নিহত হন নয়জন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর দুজন মারা যান।

Share

আরও খবর

ঝিনাইদহে যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ৯

বুধবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২১