Logo
শিরোনাম

মোদিকে নিয়ে অসম্মান করায় অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ মার্চ ২০২১ | ৭০জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজ্য সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অসম্মান করার অভিযোগে অভিনেত্রী ওভিয়া হেলেনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।

তামিলনাড়ু বিজেপি সভাপতি ডি অ্যালেক্সিস সুধাকর মামলাটি করেন। দক্ষিণী অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৬৯-এর এ, ১২৪-এর এ, ১৫৩-র এ এবং ২৯৪ ধারায় দায়ের করা হয় অভিযোগ। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর শোরগোল শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বেশ কয়েকটি উন্নয়নমূলক প্রকল্প চালু করতে চেন্নাই গিয়েছিলেন বলে ওভিয়া #গোব্যাকমোদী হ্যাশট্যাগ দিয়ে টুইট করেছেন। গেরুয়া শিবির অভিনেত্রীকে তার এই টুইটের জন্য ক্ষমা চাইতে বলেছেন।

তামিলনাড়ু বিজেপির রাজ্য সম্পাদক ডি আলেকিস সুধাকর চেন্নাইয়ের পুলিশ সুপার সিবি-সিআইডির কাছে একটি পিটিশন জমা দিয়েছেন যেখানে বলা হয়েছে, এই টুইটটি জনসাধারণের বিশৃঙ্খলা উস্কে দেয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল। আইটি আইনের ধারার অধীনে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

তামিল, মালায়লম, কন্নড়সহ দক্ষিণের বেশ কয়েকটি ভাষার ছবিতে অভিনয় করেছেন ওভিয়া। বিগ বস তামিলেও অংশ নিতে দেখা যায় এই অভিনেত্রীকে। বিগ বসে হাজির হয়ে ২০১৭ সালে সবচেয়ে চর্চিত প্রতিযোগী হিসেবে নাম উঠে আসে ওভিয়ার।

Share

আরও খবর



ওয়াসা থেকে পাওয়া পাম্প স্টেশনগুলো অচল : তাপস

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৮৫জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঢাকা ওয়াসা থেকে পাওয়া পানির পাম্প স্টেশনগুলো অচল বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। আজ বুধবার সকালে নগরীর মান্ডা খালে চলমান বর্জ্য অপসারণ ও উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদেরকে মেয়র এ তথ্য জানান।

এ সময় ডিএসসিসি মেয়র বলেন, আমরা ওয়াসার কাছ থেকে যে পাম্প স্টেশনগুলো পেয়েছি সেই পাম্প স্টেশনগুলো অচল। এটা এখন আমাদের একটি বড় প্রতিকূলতা হয়ে দেখা দিয়েছে। আমরা এখনো এগুলো চালু করতে পারিনি। যদি আমরা পাম্প স্টেশনগুলো চালু করতে না পারি, তাহলে পানি নিষ্কাশন আমাদের জন্য দুরূহ অবস্থা হয়ে দাঁড়াবে। তবে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আশা করছি আগামী এপ্রিলের মধ্যে আমরা এগুলো চালু করতে পারব।

মেয়র আরো বলেন, আমরা জানুয়ারি মাসের প্রথম থেকে খাল দখলমুক্ত এবং বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু করেছি। যতই প্রভাবশালী হোক না কেন কেউ আমাদের এই কাজকে ব্যাহত করতে পারবে না। শ্যামপুর খাল ১০০ ফুট ছিল, তা দখল হয়ে খালের মাত্র ৮ ফুট জায়গা আমরা পেয়েছিলাম। সেটি আমরা দখলমুক্ত করেছি, আরও কাজ চলছে। একই রকম অবস্থা প্রায় সব খালেরই। সব খালেই আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আজ আমরা মান্ডা খালে এসেছি, এখানেও দেখতে পাচ্ছি নতুন করে কিছু দখল হয়েছে। আমরা আজ থেকে এখানেও ব্যবস্থা নেব।

এসময় ৪৫ দিনে প্রায় এক লাখ মেট্রিক টন বর্জ্য-মাটি খাল থেকে অপসারণ করা হয়েছে উল্লেখ করে শেখ তাপস বলেন, আগামী মার্চের মাঝামাঝি গিয়ে আমাদের কাজের কৌশল এবং পরিকল্পনা কিছুটা ঢেলে সাজাব। সে সঙ্গে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত আমাদের কার্যক্রম প্রসারিত করব। যদিও এই কার্যক্রম অত্যন্ত দুরূহ কাজ তবুও আমাদের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এই গতিতে যদি আমাদের কাজ চলমান রাখতে পারি তাহলে ইনশাআল্লাহ্‌ জলাবদ্ধতা অনেকাংশেই নিরসন হবে এবং ঢাকাবাসীকে জলবদ্ধতা থেকে মুক্তির সুফল কিছুটা হলেও দিতে পারব।

এর আগে তিনি বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম সংলগ্ন আউটার স্টেডিয়ামে 'আন্তঃওয়ার্ড ক্রীড়া প্রতিযোগিতা - ২০২১' এর প্রথম ক্রিকেট ম্যাচ অবলোকন করেন মেয়র। পরে তিনি নগরীর ৬২ নম্বর ওয়ার্ডের কাজলার পাড় খাল পরিদর্শন করেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. বদরুল আমিন, সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হক, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজী মো. বোরহান উদ্দিন, মো. খায়রুল বাকেরসহ কর্পোরেশনের  ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Share

আরও খবর



বঙ্গবন্ধু টানেলের কাজ চলছে দ্রুতগতিতে

প্রকাশিত:সোমবার ০১ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৫২জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেলের প্রকল্প পরিচালক হারুনুর রশিদ চৌধুরী জানান, চীনের সুদক্ষ প্রকৌশলীদের তত্ত্ববধানে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে কর্ণফুলী টানেলের নির্মাণ কাজ। গত বছরের নভেম্বর মাসেই টানেলের পতেঙ্গা

আলোচিত মেগা উন্নয়ন প্রকল্প এবং দেশের প্রথম কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণের কাজ ৬৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে।

চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা প্রান্ত থেকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ হয়ে নদীর ওপারে আনোয়ারা পর্যন্ত একটি টিউব পরিপূর্ণভাবে স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় টিউব স্থাপনের কাজও চলতে দ্রুত গতিতে।

অপরদিকে, স্থাপন সম্পন্ন হওয়া টিউবের ভিতর দিয়ে এখন চলছে পিচঢালা সড়ক নির্মাণের কাজ। এই টানেলের দুটি টিউবে নির্মিত হবে ৪ লেনের সড়ক। ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই বঙ্গবন্ধু টানেলের ভিতর দিয়ে সব ধরনের যানবাহন চলাচল শুরু হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেলের প্রকল্প পরিচালক হারুনুর রশিদ চৌধুরী জানান, চীনের সুদক্ষ প্রকৌশলীদের তত্ত্ববধানে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে কর্ণফুলী টানেলের নির্মাণ কাজ। গত বছরের নভেম্বর মাসেই টানেলের পতেঙ্গা থেকে আনোয়ারা পর্যন্ত প্রথম টিউব স্থাপন কাজ সম্পন্ন হয়। একই বছরের ডিসেম্বর মাস থেকেই আনোয়ারা প্রান্ত থেকে পতেঙ্গামুখী দ্বিতীয় টিউব স্থাপনের জন্য নদীর তলদেশে টিবিএম মেশিনের মাধ্যমে বোরিং কার্যক্রম চলছে।

অপরদিকে, স্থাপিত হওয়া প্রথম টিউবের ভিতর দিয়ে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে পিচঢালা সড়ক নির্মাণের কাজও শুরু হয়েছে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত প্রকল্পের প্রায় ৬৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক জানান, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে কাজের গতি কিছুটা শ্লথ থাকলেও বর্তমানে কাজে বাড়তি জনবল এবং অত্যাধুনিক নানা যন্ত্রপাতি, মেশিনারিজ সংযুক্ত করা হয়েছে। ফলে কাজের গতি বেড়েছে। আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে কর্ণফুলী টানেলের ভিতর দিয়ে গাড়ি চলাচলের লক্ষ্য নিয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, টানেলকে ঘিরে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি এই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন সূচিত হবে।

৩ দশমিক ৪০ কিলোমিটার দৈর্ঘের মূল টানেলের সঙ্গে পতেঙ্গা এবং আনোয়ারা প্রান্তে ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মিত হচ্ছে। সংযোগ সড়ক এবং টানেলের ভিতরের সড়ক হবে সর্বমোট ৪ লেনের। এর মধ্যে ওয়ানওয়ে একটি টানেলে সড়ক থাকবে দুই লেনের।

একটি টিউবের সড়ক দিয়ে আনোয়ারা থেকে পতেঙ্গা অভিমুখী এবং অপর টিউব দিয়ে পতেঙ্গা থেকে আনোয়ারা অভিমুখী যানবাহন চলাচল করবে। কর্ণফুলী নদীর তলদেশে প্রতিটি টিউব চওড়া ১০ দশমিক ৮ মিটার বা ৩৫ ফুট এবং উচ্চতা ৪ দশমিক ৮ মিটার বা প্রায় ১৬ ফুট। একটি টিউব থেকে অপর টিউবের পাশাপাশি দুরত্ব প্রায় ১২ মিটার। টানেলের প্রস্ত ৭০০ মিটার। এবং দৈর্ঘ্য ৩ হাজার ৪০০ মিটার।

বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দিচ্ছে ৪ হাজার ৪৬১ কোটি টাকা। বাকি ৫ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা দিচ্ছে চীন সরকার। চীনের কমিউনিকেশন এবং কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড (সিসিসিসি) টানেল নির্মাণের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টানেল নির্মাণের কাজটি বাস্তবায়ন করছে।

Share

আরও খবর



মিয়ানমারে বিক্ষোভে ফের গুলি, নিহত ৩৮

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৫২জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মিয়ানমারে ক্ষমতা দখলকারী সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভে আবারও নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালিয়েছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, গতকাল বুধবার দেশটির বিভিন্ন নগর ও শহরে ৩৮ জন নিহত হয়েছে। পুলিশ ও সেনাদের গুলিতে নিহতদের মধ্যে রয়েছে চারটি শিশু । গত মাসে সেনা অভ্যুত্থানের পর শুরু হওয়া বিক্ষোভে গতকাল বুধবার একদিনে এত বেশি মানুষের মৃত্যু হলো।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিয়ানমারে বুধবারের দেশব্যাপী বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনী অনেক ক্ষেত্রে সতর্ক না করেই নির্বিচারে গুলি চালায়। এর  আগে গত রোববার দেশটিতে জান্তাবিরোধী বিক্ষোভে গুলি ও সহিংসতায় অন্তত ১৮ জন নিহত হন।

মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে অ্যাক্টিভিস্ট থিনজার শুনলেন গতকালের ঘটনা বীভৎস ঘটনা। এটা রীতিমতো হত্যাকাণ্ড। পরিস্থিতি বা অনুভূতি বর্ণনা করার ভাষা নেই আমার।

নিউইয়র্কে অবস্থানরত মিয়ানমারে নিযুক্ত জাতিসংঘের বিশেষ দূত ক্রিস্টিন শ্রেনার বার্গেনার বলেন, গত ১ ফেব্রুয়ারি সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে আজ ছিল রক্তাক্ততম দিন। আজকেবল আজএকদিনে ৩৮ জন মানুষ নিহত হয়েছে। ক্যু শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত অর্ধশতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে, আর আহত হয়েছে অনেক।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্রের কাছে দেশটির বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানোর বিষয়ে জানতে ফোন করা হলে তিনি কিছু বলতে রাজি হননি।

মিয়ানমারে বুধবার সবচেয়ে বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে মোনায়া শহরে। নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে কমপক্ষে পাঁচজন নিহত হন সেখানে। পাঁচজনের মধ্যে চারজন পুরুষ, অন্যজন নারী।

গত ১ ফেব্রুয়ারির সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারজুড়ে অস্থিরতা বিরাজ করছে। এতে ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সামরিক শাসনের অধীনে থাকা দেশটির গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা রুদ্ধ হয়ে গেছে।

অভ্যুত্থানের পর থেকেই সামরিক শাসনবিরোধী গণতন্ত্রপন্থিরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করছেন। আর, বিক্ষোভ দমনে সামরিক জান্তাও কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

Share

আরও খবর



মিয়ানমারে ফের সহিংস হচ্ছে বিক্ষোভ

প্রকাশিত:রবিবার ২১ ফেব্রুয়ারী 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৫৭জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মিয়ানমারে সামরিক সরকার ক্ষমতায় আসার পর গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবিত করার বিক্ষোভে প্রথম এক তরুণীর মৃত্যুর পর এবার আরও দুই জন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছেন ২০ জন। দেশটিতে বিক্ষোভ যেন আরও সহিংস হচ্ছে। দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মান্দালায় সামরিক সরকার বিরোধী বিক্ষোভে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার জন্য তাদের ওপর পুলিশ গুলি চালালে এ ঘটনা ঘটে।

শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছ। জানানো হয়েছে, পুলিশের গুলিতে দুই জন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন। এর আগে দেশটিতে অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভ শুরুর পর শুক্রবার প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

মিয়ানমারে সামরিক সরকারের অভ্যুত্থানের দাবিতে বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করছেন। ইয়াঙ্গুন শহরে সবথেকে বড় বিক্ষোভ হয়েছে। বিক্ষোভে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ছাড়াও পরিবহনশ্রমিক ও অন্যান্য শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে অং সান সূচির সরকারকে আটক করে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করে নেয়। আর তারপর থেকে দেশটিতে গণতন্ত্র রক্ষায় আন্দোলন ও বিক্ষোভ হচ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: মিয়ানমার
Share

আরও খবর



বিয়ে করতে ভয় পাওয়া এক ধরনের মানসিক রোগ : গবেষণা

প্রকাশিত:শনিবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০21 | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৭১জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিয়ে নামক শব্দটার সঙ্গে ছোট থেকেই আমাদের পরিচিতি রয়েছে বেশ। ছোট থেকে বড় হতে হতে আমরা পরিবারের বন্ধন দেখতে পাই বিয়ের মাধ্যমেই। কিন্তু বড় হতে হতে অনেকেরই পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির কারণে বিয়ে নামক বস্তুটায় আপত্তি চলে আসে।

আমাদের সমাজের এরকম অনেক মানুষ আছে যাদের বিয়ের নামেই অ্যালার্জি রয়েছে। তারা মনে করেন বিয়ে মানেই একটি সম্পর্কে আবদ্ধ হয়ে যাওয়া, আর সেখান থেকে বের না হতে পারার একটি ভয়ও কাজ করে। তবে এই বিয়ে ভীতি বা অনীহা এক ধরনের মানসিক রোগ- যাকে আমরা গ্যামোফোবিয়া নামে চিনে থাকি।

গ্যামোফোবিয়া হলো, বিয়ে কিংবা কোনও ধরনের স্থায়ী সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার ভয়। যারা মানসিকভাবে এই ফোবিয়ায় আক্রান্ত তারা আসলে নতুন সম্পর্ক নিয়ে আতঙ্কে থাকেন, বিবাহিত জীবন নিয়ে একটা ভয় কাজ করে, নিজের ব্যক্তি স্বাধীনতার জায়গাটুকু খর্ব হতে পারে কিংবা মানিয়ে চলা যাবে কি না এধরনের একটা চিন্তায় থাকেন এই ফোবিয়ায় আক্রান্ত মানুষরা।

অনেকেই সম্পর্ক জড়ান ঠিকই তবে বিয়ের বিষয় আসলেই তারা ভড়কে যান। তাদের এরকম ফোবিয়া থাকলে বুঝতে হবে তিনি গ্যামোফোবিয়ায় ভুগছেন।

গ্যামোফোবিয়া বিভিন্ন কারণে হতে পারে। বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ, পরিবারের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ বা সত্যিকারের প্রেম ভেঙ্গে যাওয়ার পর অনেকেই মানসিকভাবে এতোটাই ভেঙ্গে পড়েন যে, কাউকে আর তার আপন মনে হয় না। এরকম যাদের পরিবারে রয়েছে তারাই বেশিরভাগ এই রোগে ভোগেন।

এই রোগ থেকে উত্তরণের জন্য অবশ্যই সাইকোলজিস্টদের কাউন্সেলিং এর প্রয়োজন। এরকম লক্ষণ যাদের মাঝে থাকবে তাদের সঙ্গে অবশ্যই ধীরস্থিরভাবে চলতে হবে। কোন কিছু নিয়ে প্রেশার না দিয়ে সম্পর্কের মহত্ব ও গভীরতাকে সামনে নিয়ে আসতে হবে। তাহলেই এক সময় সে মানুষটাও বিয়ের মত সুন্দর সম্পর্কের বিষয়টা বুঝতে পারবে।

 

Share

আরও খবর

কেমন যাবে আপনার দিন ?

রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১