Logo
শিরোনাম

মৃগী রোগ কেন হয়? জানুন এর প্রাথমিক লক্ষণগুলো

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৩২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মৃগী রোগ একটি অসংক্রামক দীর্ঘস্থায়ী মস্তিষ্কের রোগ। যা সব বয়সের মানুষকে প্রভাবিত করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ৫০ মিলিয়ন মানুষ মৃগীরোগে ভুগছেন। স্নায়বিক রোগগুলির মধ্যে মৃগী রোগে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। মৃগীরোগে আক্রান্তদের হঠাৎ খিঁচুনি হয়। খিঁচুনি হলো মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক ও অত্যধিক বৈদ্যুতিক ক্রিয়াকলাপের আকস্মিক বৃদ্ধি, যা একজন ব্যক্তির উপস্থিতি বা আচরণকে প্রভাবিত করতে পারে।

ভারতের গুরুগ্রামের মেদান্ত হাসপাতালের এপিলেপসি প্রোগ্রাম ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স এর সহযোগী পরিচালক ডা. আত্মারাম বনসাল জানান, মৃগীরোগে আক্রান্ত ব্যক্তির একাধিক ধরণের খিঁচুনি হতে পারে। যেমন- অনুপস্থিতির খিঁচুনি, যার ফলে পুরো শরীরে ঝিমঝিম অনুভূতি হতে পারে, টনিক খিঁচুনির কারণে পেশি শক্ত হয়ে যায়, জটিল ফোকাল খিঁচুনিতে ব্যক্তি প্রতিক্রিয়া জানাতে পারেন না। ফোকাল খিঁচুনির কারণে মোচড়ানো বা অনুভূতিতে পরিবর্তন হতে পারে, যেমন অস্বাভাবিক স্বাদ বা গন্ধ।

মৃগীরোগ বিভিন্ন কারণে হতে পারে বলে জানান এই বিশেষজ্ঞ। মৃগী রোগের প্রধান কারণগুলো হলো: বিশ্বব্যাপী মৃগী রোগের প্রধান কারণ হলো সংক্রমণ। মস্তিষ্কের সংক্রমণের কারণে খিঁচুনি হতে পারে। জেনেটিক বা বংশগত কারণেও মৃগী রোগ হতে পারে। জন্মের সময় অক্সিজেনের কম মাত্রার কারণেও এই রোগ হতে পারে। ইমিউন সিস্টেম মস্তিষ্কের কোষগুলোকে আক্রমণ করার কারণেও হতে পারে মৃগী রোগ। জন্মগত ত্রুটি মস্তিষ্ককে প্রভাবিত করে মৃগীরোগের একটি সাধারণ কারণ। কিছু জন্মগত ত্রুটি যা মৃগীরোগের সঙ্গে যুক্ত আছে। তার মধ্যে আছে- ফোকাল কর্টিকাল ডিসপ্লাসিয়া, পলিমাইক্রোজিরিয়া ও টিউবারাস স্ক্লেরোসিস। মস্তিষ্কের অন্যান্য অস্বাভাবিকতা আছে যেগুলো মৃগীরোগের সঙ্গে যুক্ত। মাথায় আঘাতের পরে মস্তিষ্কের দাগ, স্ট্রোকের পরে মস্তিষ্কের ক্ষতি ও টিউমারও মৃগীরোগের কারণ হতে পারে।

মৃগী রোগের প্রাথমিক লক্ষণ কী কী:  খিঁচুনি ধরনের উপর নির্ভর করে একজন ব্যক্তির উপসর্গ পরিবর্তিত হতে পারে। বারবার খিঁচুনি মৃগী রোগের অন্যতম প্রাথমিক লক্ষণ। খিঁচুনি হওয়ার আরও লক্ষণগুলো হলো- চেতনা হারানো, পেশির অনিয়ন্ত্রিত গতিবিধি, যোগাযোগ ও বোঝার সমস্যা, ভয় ও উদ্বেগ, শ্বাসকষ্ট, হঠাৎ হাত কাঁপা, হাত থেকে জিনিস পড়ে যাওয়া, একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা ইত্যাদি।

মৃগী রোগে আক্রান্তদের কীভাবে সাহায্য করবেন:  যদি কেউ খিঁচুনিতে ভোগেন তাহলে কিছু পদক্ষেপ নিলে যে কোনো ধরনের হতাহতের ঘটনা এড়ানো যায়। আক্রান্ত ব্যক্তি যেন স্বাধীনভাবে শ্বাস নিতে পারে তা নিশ্চিত করুন। মুখ উপরের দিকে উঠিয়ে রাখলে তা নামিয়ে দিন, তাহলে শ্বাস নিতে সুবিধা হবে। আক্রান্তের মুখে পানি, ওষুধ বা কোনো খাবার দেবেন না, প্রতিক্রিয়াহীন এ সময় খাবার গলায় আটকে তার দম বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ব্যক্তির ঝাঁকুনিপূর্ণ গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ বা বন্ধ করার চেষ্টা করবেন না। এতে তারা পেতে পারেন। তাই খিঁচুনি শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের ধরে রাখার চেষ্টা করবেন না। একটি নরম তোয়ালে বা একটি কুশন তাদের মাথার নিচে রাখতে হবে যাতে তারা দ্রুত অনৈচ্ছিক নড়াচড়ার সময় নিজেদের ক্ষতি না করে। যদি কেউ একজন ব্যক্তির খিঁচুনি হতে দেখেন, তবে তিনি একয়টি সহজ পদক্ষেপ অনুসরণ করে একটি জীবন বাঁচাতে পারেন। গুরুতর সমস্যা দেখলে দ্রুত রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করুন।

নিউজ ট্যাগ: মৃগী রোগ

আরও খবর



ছিনতাই হওয়া ২৫ লাখ টাকার গামের্ন্টস পণ্যসহ আটক ৩

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২২ নভেম্বর 20২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ | ৫২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কুমিল্লা প্রতিনিধি:

কুমিল্লার দেবীদ্বারে কার্ভাডভ্যানসহ ছিনতাই হওয়া ২৫ লক্ষ টাকার গামের্ন্টস পণ্য উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুরছাপ থেকে মালামালসহ কার্ভাড ভ্যানটি উদ্ধার করে। এসময় তিন ছিনতাইকারী আটক করে পুলিশ।

আটককৃতরা হলো, বাগেরহাট জেলার মুড়ালগঞ্জ উপজেলার মহিষচরনি গ্রামের আবদুল মজিদ মিয়ার ছেলে কাভার্ডভ্যানের চালক মোঃ মহিদুল ইসলাম (৪৮), দেবীদ্বার উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের সুরপুর গ্রামের ইব্রাহীম খলিল মিয়ার ছেলের মো. আল আমিন (২৬), বুড়িচং উপজেলার দক্ষিণ ভারেল্লা ইউনিয়নের বাহিরী পাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে রহুল আমিন(২৬)। আটকদের মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লা আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, ঢাকা আশুলিয়ার পলমল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এর আয়েশা ক্লোথিং লিমিটেড নামক ফ্যাক্টরির (ঢাকা মেট্রো-ইউ-১৪-০৩৬৯) কার্ভাডভ্যানটি গত রবিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে রপ্তানিযোগ্য গার্মেন্টস সামগ্রী নিয়ে চট্টগ্রামস্থ কেডিএস কন্টেইনার ডিপো এর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। পরে গাড়িটি নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দেবীদ্বার থানার নুরমানিকচর এলাকায় পৌছলে কাভার্ডভ্যানের চালক মোঃ মহিদুল ইসলাম হেলপার বেলাল হাওলাদার কাভার্ডভ্যানটি নিয়ে সামনে যাওয়ার জন্য বলে গাড়ি থেকে নেমে যান, পরে বেলাল হাওলাদার গাড়িটি নিয়ে নুর মানিক চর এলাকায় গিয়ে রাস্তার ওপর থামিয়ে রাখার কিছুক্ষণ পর চালক মহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ৪/৫জন ছিনতাইকারী গাড়ির ভিতরে ডুকে হেলপার বেলাল হাওলাদারকে মারধর করে দেশীয় অস্ত্রের মুখে কার্ভাডভ্যান থেকে নিচে ফেলে মালামাল বোঝাই গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে হেলপার বেলাল দেবীদ্বার এলাকায় টহলরত পুলিশ সদস্যদের বিষয়টি জানালে এসআই চন্দন চন্দ্র দাস ও এএসআই জাহিদ হাসান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ছিনতাই হওয়া (ঢাকা মেট্রো-ইউ-১৪-০৩৬৯) কাভার্ড ভ্যানটি উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের কুরছাপ থেকে উদ্ধার। এসময় পুলিশ টের পেয়ে দুইজন আসামী পালিয়ে যায়।

পলমল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এর এজিএম ফজলুর রহমান চৌধুরী দেবীদ্বার থানা পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, গাড়িতে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকার মালামাল ছিল। গাড়ির চালক মহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন ছিনতাই কারী হেলপার বেলালকে মারধর ও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গাড়ি ও মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে দেবীদ্বার থানা পুলিশ মালামালসহ গাড়ি উদ্ধার করে। আমরা দেবীদ্বার থানা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞ ।

দেবীদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি কমল কৃষ্ণ ধর বলেন, ছিনতাই চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই সংক্রান্ত দেবীদ্বার থানায় আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) (সংশোধনী/২০১৯) ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।


আরও খবর



ইউএনওকে হত্যা চেষ্টা: রবিউলের ১০ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৪৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখকে হত্যা চেষ্টা মামলার একমাত্র আসামি রবিউল ইসলামকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে বিচারক তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩ আদালতের বিচারক সাদিয়া সুলতানা এই রায় ঘোষণা করেন।

রবিউল বিরল উপজেলার বিজোড়া ইউনিয়নের বিজোড়া গ্রামের খতিব উদ্দীনের ছেলে ও ঘোড়াঘাটের ইউএনও বাসভবনের সাবেক কর্মচারী।

দিনাজপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর রবিউল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ২ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে ইউএনও ওয়াহিদা খানমের সরকারি বাসভবনে প্রবেশ করে তার মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করা হয়। এ সময় তার বাবাও আহত হন। স্থানীয়রা ইউএনওকে উদ্ধার করে প্রথমে ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করে। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে তাকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় নেওয়া হয়।

ওই ঘটনায় ৯ সেপ্টেম্বর রবিউল ইসলামকে প্রযুক্তির মাধ্যমে নিজ বাড়ি বিরল উপজেলার বিজোড়া গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।  প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রবিউল নিজের দোষ স্বীকার করেন।  এরপর একই বছরের ২১ সেপ্টেম্বর রবিউল ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।  তখন থেকে তিনি দিনাজপুর জেলা কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

২১ নভেম্বর দুপুরে মামলার চার্জশিট আদালতে জমা দেয় পুলিশ। এই মামলায় ইউএনওর বাসার মালি রবিউল ইসলামকে অভিযুক্ত করা হয়।


আরও খবর



সরকারি কর্মচারীদের গ্রেপ্তারে পূর্বানুমতির বিষয়ে আপিলের অনুমতি

প্রকাশিত:রবিবার ০৬ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৬৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ফৌজদারি মামলায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গ্রেপ্তারে সরকারের পূর্বানুমতি নেওয়ার বিধান বাতিল করা হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষকে আপিলের অনুমতি দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। একইসঙ্গে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পূর্বানুমতি ছাড়া আপাতত গ্রেপ্তার করা যাবে না। রোববার (৬ নভেম্বর) প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।

গত ১ সেপ্টেম্বর সরকারি কর্মচারীদের গ্রেপ্তারে সরকারের পূর্বানুমতি নেওয়ার বিধান বাতিল করে হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে এই সময়ের মধ্যে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষকে লিভ টু আপিল করতে বলা হয়।

এর আগে ২০১৮ সালের সরকারি চাকরি আইনের ৪১ (১) ধারায় বলা হয়, কোনও সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব পালনের সঙ্গে সম্পর্কিত অভিযোগে দায়েরকৃত ফৌজদারি মামলায় আদালত কর্তৃক অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ার আগে তাকে গ্রেপ্তার করতে হলে সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি নিতে হইবে।

পরে আইনের ওই ধারা চ্যালেঞ্জ করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের  আইনজীবী সরোয়ার আহাদ চৌধুরী, একলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া ও মাহবুবুল ইসলাম রিট দায়ের করেন।

সে রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৮ সালের ৪১ (১) ধারা কেন বেআইনি ও বাতিল ঘোষণা করা হবে না এবং ধারাটি কেন সংবিধানের ২৬ (১) (২), ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদের পরিপন্থি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের তৎকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। সেই রুল যথাযথ ঘোষণা করে রায় দেন হাইকোর্ট।

গত ২৫ আগস্ট ফৌজদারি মামলায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে গ্রেপ্তারে সরকারের পূর্বানুমতি নেওয়ার বিধান বাতিল করেন হাইকোর্ট। আদালত বলেন, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪১(১) ধারা অনুসারে সরকারি কর্মচারীদের গ্রেপ্তারে পূর্বানুমতির বিধান বেআইনি, সংবিধান পরিপন্থি ও মৌলিক অধিকার পরিপন্থি। বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

পরে ওই রায় স্থগিত চেয়ে গত ৩১ আগস্ট আপিল আবেদন জানানো হয়। সে আবেদনের শুনানি নিয়ে ফৌজদারি মামলায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে গ্রেপ্তারে সরকারের পূর্বানুমতি নেওয়ার বিধান বাতিল করা হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত রায়টি স্থগিত থাকবে বলে গত ২৩ অক্টোবর আদেশ দেন আপিল বিভাগ।


আরও খবর



জার্মানির বিশ্বকাপ দলে চমক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১০ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ | ৩৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কাতার বিশ্বকাপের জন্য ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে জার্মানি। হ্যান্সি ফ্লিকের দলে চমক হিসেবে আছেন ১৭ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড ইউসুফা মৌকোকো। এখনো জার্মানি জাতীয় দলে অভিষেক হয়নি তাঁর। তবে অনূর্ধ্ব-২১ দলে খেলছেন ৫টি ম্যাচ, করেছেন ৬ গোল।

এছাড়া চূড়ান্ত দলে আছেন ২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করা মারিও গোটজে। তবে দলে জায়গা হয়নি অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ম্যাট হামেলসের।

জার্মানি দল:

গোলকিপার: ম্যানুয়েল নয়্যার, আন্দ্রে টের স্টেগান ও কেভিন ট্রাপ।

রক্ষণভাগ: আরমেল বেলা-কোটচাপ, ম্যাথিয়াস জিন্টার, ক্রিস্টিয়ান গানটার, থিলো কেহরের, লুকাস ক্লোসটেরমান, ডেভিড রাউম, আন্তনোনিও রুডিগার, নিকো শ্লোটারবেক ও নিকলাস সুলে।

মধ্যমাঠ: জুলিয়ান ব্রান্ডট, নিকলাস ফুলক্রুগ, লিওন গোরেজকা, মারিও গোটজে, ইলকাই গুনদোগান, জোনাস হোফমান, জশুয়া কিমিচ ও জামাল মুসিয়ালা।

আক্রমণভাগ: কারিম আদেয়েমি, সার্জ জিনাব্রি, কাই হাভার্টজ, ইউসুফা মৌকোকো, থমাস মুলার ও লিরয় সানে।


আরও খবর

রোনালদোকে টপকে গেলেন মেসি

রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২




তুরস্কের বিতর্কিত ধর্মগুরু আদনান ওকতারের ৮ হাজার ৬৫৮ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নারীদের ওপর যৌন নির্যাতনসহ একাধিক অভিযোগে তুরস্কের বিতর্কিত টিভি ধর্মপ্রচারক আদনান ওকতারকে ৮ হাজার ৬৫৮ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত।

গতকাল বুধবার যৌন নির্যাতন ও নারীদের স্বাধীনতা হরণের এক মামলার পুনর্বিচারে ইস্তাম্বুলের আদালত তাকে এই দণ্ডা দিয়েছেন। খবর আনাদুলু এজেন্সি ও মিডল ইস্ট আইয়ের। ৬৬ বছর বয়সি আদনান ওকতারের নেতৃত্বে টেলিভিশন অনুষ্ঠানে ভারী মেকআপ নেওয়া ও ছোট পোশাক পরা অনেক নারীকে দেখা যেতো।

এর আগে, গত বছর এই বৃদ্ধকে যৌন নিপীড়ন, কিশোরীদের যৌন নির্যাতন, জালিয়াতি এবং রাজনৈতিক ও সামরিক গুপ্তচরবৃত্তিসহ বিভিন্ন অপরাধের দায়ে এক হাজার ৭৫ বছরের সাজা দেওয়া হয়েছিল। পরে দেশটির উচ্চ আদালত আদনান ওকতারের এই সাজা বাতিল করে মামলার কার্যক্রম পুনরায় শুরুর নির্দেশ দেন।

বুধবার ইস্তাম্বুলের উচ্চ ফৌজদারি আদালত ওকতারকে নারীদের যৌন নির্যাতন, স্বাধীনতা হরণসহ কয়েকটি অভিযোগে ৮ হাজার ৬৫৮ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন বলে দেশটির সংবাদ সংস্থা আনাদুলু এজেন্সি জানিয়েছে।

আনাদুলু বলেছে, আদালত আরও ১০ জন সন্দেহভাজনকে ৮ হাজার ৬৫৮ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। অনলাইন টেলিভিশন চ্যানেল এ৯ এ বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ওকতার সৃজনশীলতা ও রক্ষণশীল মূল্যবোধ প্রচার করতেন। বেশিরভাগ অনুষ্ঠানে নারীরা ছোট পোশাকে টিভি স্টুডিওতে তার চারপাশে নৃত্য করতেন। তুরস্কের ধর্মীয় নেতারা ওকতারের এমন কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করতেন।


আরও খবর