Logo
শিরোনাম

মসজিদে নামাজ আদায়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৭৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মহামারি আকার ধারণ করা করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবজনিত কারণে সারা দেশে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে এক সপ্তাহের লকডাউন শুরু হয়েছে।

স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক মসজিদসমূহে সর্বসাধারণের জামায়াতে নামাজ আদায় করার জন্য সোমবার (৫ এপ্রিল) ধর্ম মন্ত্রণালয় একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিম্নবর্ণিত শর্তসাপেক্ষে মসজিদসমূহে জামায়াত নামাযের জন্য আবশ্যিকভাবে নিম্নবর্ণিত শর্তসমূহ পালনের জন্য অনুরোধ করা হলো:

মসজিদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার/হাত ধোঁয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান-পানি রাখতে হবে এবং আগত মুসল্লিকে অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে।

প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে ওজু করে, সুন্নাত নামাজ ঘরে আদায় করে মসজিদে আসতে হবে এবং ওজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।

মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পূর্বে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দ্বারা পরিষ্কার করতে হবে, মুসল্লিগণ প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসতে হবে।

কাতারে নামাজে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

শিশু, বয়বৃদ্ধ, যে কোনো অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি জামায়াতে অংশগ্রহণ করা হতে বিরত থাকবে।

সংক্রমণ রোধ নিশ্চিতকল্পে মসজিদের ওজুখানায় সাবান/হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।

সর্বসাধারণের সুরক্ষা নিশ্চিত কল্পে, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনীর নির্দেশনা অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।

মসজিদে ইফতার ও সেহরির আয়োজন করা যাবে না।

করোনা ভাইরাস মহামারি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নামাজ শেষে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে খতিব ও ইমামগণ দোয়া করবেন এবং খতিব, ইমাম এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটি বিষয়গুলো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।  


আরও খবর



গুরুতর অসুস্থ হয়ে আইসিইউতে অভিনেতা ফারুক

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৯৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আবারও গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অভিনেতা ও সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান। তাকে জরুরি ভিত্তিতে আইসিইউতে নেয়া হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেন ফারুকের ভাতিজি অভিনয়শিল্পী এবং উপস্থাপিকা আসমা পাঠান রুম্পা।

তিনি জানান, গত সপ্তাহ থেকেই সিঙ্গাপুরে রয়েছেন ফারুক। নিয়মিতই চেকআপের জন্যই সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন তিনি। সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু আজ শনিবার (১৩ মার্চ) সকালে ঘুম থেকে উঠছিলেন না।

ডাকাডাকি করে দেখা যায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে। পরে দ্রুত তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়। সেখানে এ মুহূর্তে তিনি চিকিৎসকের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

তার সঙ্গে কাউকে দেখা করতে দেয়া হচ্ছে না। এমনকি ফোনেও তার কথা বলা নিষেধ। চাচার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন আসমা পাঠান রুম্পা।

এর আগে বেশ কয়েক দফায় অসুস্থ হয়েছেন ফারুক। সিঙ্গাপুরে নিয়েছেন উন্নত চিকিৎসা। করোনায়ও আক্রান্ত হয়েছিলেন এই বর্ষীয়ান চলচ্চিত্র অভিনেতা ও প্রযোজক।


আরও খবর



করোনা: আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ১৩ কোটি ছাড়াল

প্রকাশিত:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৪১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে ৫ লাখ ৭৫ হাজার ৫৯৩ জন এখন পর্যন্ত মারা গেছেন। বিশ্বে সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যাও এই দেশটিতে

বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির সংখ্যা কোনোভাবেই কমছে না। সবশেষ করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ৬০ লাখ এক হাজার ১১২ জন। আর এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ লাখ ৩৯ হাজার ৪০ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছে ১০ কোটি ৯৩ লাখ ৬২ হাজার ১০৬ জন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটার থেকে এই তথ্য জানা যায়।

ওয়ার্ল্ডওমিটারের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে ৫ লাখ ৭৫ হাজার ৫৯৩ জন এখন পর্যন্ত মারা গেছেন। বিশ্বে সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যাও এই দেশটিতে। এই পর্যন্ত ৩ কোটি ১৮ ৮লাখ ৬৯ হাজার ৯৮০ জন এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পর মৃত্যু বিবেচনায় করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হচ্ছে ব্রাজিল। লাতিন আমেরিকার দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ১ কোটি ৩৪ লাখ ৪৫ হাজার ০৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৫১ হাজার ৪৬৯ জনের। তবে মৃত্যু বিবেচনায় মেক্সিকোর অবস্থান তৃতীয়।

আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা ভারত মৃত্যু বিবেচনায় আছে চতুর্থ অবস্থানে। এ পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৩৩ লাখ ৫৫ হাজার ৪৬৫ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৩০৫ জনের।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত বছরের ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর

মিয়ানমারে সেনা অভিযানে নিহত ৮২

রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১




মিয়ানমারে সেনা অভিযানে নিহত ৮২

প্রকাশিত:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৩৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
মিয়ানমারের সেনাবাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে এক বছরের জন্য দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করে। তখন থেকে প্রায় প্রত্যেকদিন মিয়ানমারের গণতন্ত্রকামী বিক্ষোভকারীরা

মিয়ানমারের বাগো শহরে বিক্ষোভকারীদের ওপর সেনাবাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানে অন্তত ৮২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ কথা জানিয়েছে।

গত শুক্রবার বাগো শহরে বিক্ষোভকারীদের ওপর ব্যাপক দমনপীড়ন চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। বিক্ষোভকারীদের হত্যার পর তাদের মরদেহ লুকিয়ে রাখে সেনাবাহিনী। এ কারণে মৃত্যুর তথ্য জানতে দেরি হয়।

বাগো শহরের নিহত বিক্ষোভকারীদের লাশ সেখানকার জেয়র মুনি প্যাগোডা প্রাঙ্গণে স্তূপ করে রাখে সেনাবাহিনী। পুরো এলাকা ঘিরে রাখা হয়। স্বেচ্ছাসেবী পর্যবেক্ষক সংস্থা অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনারস (এএপিপি) এমনটি জানায়।

এএপিপি জানায়, শনিবার সকাল নাগাদ মৃতের সংখ্যা জানা সম্ভব হয়নি। পরে এসব তথ্য উদ্ধার হয়। তবে নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে। বাগো শহরে বিক্ষোভকারীদের ওপর ভারী অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

বাগো শহরের বিক্ষোভের অন্যতম সংগঠক ইয়ে তুত দেশটির সংবাদমাধ্যম মিয়ানমার নাউকে বলেন, এটা গণহত্যা ছাড়া কিছু নয়। প্রতিটি জায়গায় গুলি করে মানুষকে হত্যা করা হয়।

গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের সেনাবাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে এক বছরের জন্য দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করে। তখন থেকে প্রায় প্রত্যেকদিন মিয়ানমারের গণতন্ত্রকামী বিক্ষোভকারীরা অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছেন।

গত বছরের নভেম্বরের নির্বাচনে দেশটির নেত্রী অং সান সু চি নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসি (এনএলডি) বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে আবারও ক্ষমতায় আসে। সামরিক বাহিনী এই নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুললেও নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়ে দেয়। পরে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় বসে সেনাবাহিনী। মিয়ানমারের জান্তা সরকার এ পর্যন্ত ৬০০ জনের বেশি মানুষ হত্যা করেছে বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে গত শুক্রবার রাজধানী নাইপিদোয় সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল জ মিন তুন দাবি করেন, বিক্ষোভে এ পর্যন্ত ২৪৮ জন বেসামরিক লোক এবং ১৬ জন পুলিশ সদস্য মারা গেছেন।


আরও খবর



তাপদাহ অব্যাহত থাকবে

প্রকাশিত:সোমবার ২২ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ এপ্রিল ২০২১ | ৭৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া, পটুয়াখালী, সীতাকুণ্ড ও রাঙামাটি অঞ্চলের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে

মৌসুমের প্রথম তাপপ্রবাহ গতকাল রবিবার থেকে শুরু হয়েছে। দ্বিতীয় দিন সোমবারেও আজ দেশের ১২টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে তাপদাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

সোমবার (২২ মার্চ) সকালে আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া, পটুয়াখালী, সীতাকুণ্ড ও রাঙামাটি অঞ্চলের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে যশোরে ৩৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সোমবার সকাল ৯টা পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

তার পরের ৩ দিনে আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।


আরও খবর



হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর ভিড়

স্বাস্থ্যসেবার নাজুক অবস্থায় সাধারণ মানুষের ক্ষোভ

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৫৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কোভিড ১৯ সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিতে দিন কিংবা রাতে সবসময় হাসপাতালে লেগেই আছে নতুন রোগীর ভিড়। মধ্যরাতেও সন্দেহভাজন কিংবা কোভিড আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিয়ে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ছুটতে হচ্ছে স্বজন আর পরিবারের সদস্যদের। এ অবস্থায় স্বাস্থ্যসেবার নাজুক অবস্থা তুলে ধরে ক্ষোভ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।

গভীর রাতের নীরবতা ভেঙে একের পর এক অ্যাম্বুলেন্স আসছে রাজধানীর কোভিড নির্ধারিত কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে। ভর্তির অপেক্ষায় নানা বয়সী মানুষ। যদিও রোগী চাপে ২৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে এখন ঠাঁই ৪৩২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী।

পেশায় চিকিৎসক তৌহিদুল ইসলাম কয়েক হাসপাতালে গিয়েও পাননি ভর্তির সুযোগ। অবশেষে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে মিলল সেই সুযোগ। কোভিড সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিতে এমন তিক্ত অভিজ্ঞতা পেতে হচ্ছে অনেককেই।

করোনার লক্ষণ বয়ে বেড়ানো ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে বিড়ম্বনাটা আরো বেশি। মোহাম্মদপুর থেকে আসা পঞ্চাশোর্ধ্ব শেফালি বেগম ভুগছেন শ্বাসকষ্টসহ কোভিডের নানা উপসর্গে। কয়েক হাসপাতাল ঘুরে এসেছেন কুর্মিটোলা জেনারেলে কিন্তু সুযোগ মেলেনি এখানেও ভর্তির।

দিন কিংবা রাতের সময়ই রোগী আসার ভিড় থাকলেও কিছুদিন আগেও চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। সপ্তাহ দুয়েক আগেও হাসপাতালটিতে ভর্তি ছিলেন বর্তমানের তুলনায় অর্ধেক রোগী।

হাসপাতালের গেটে পাহারায় থাকা আনসার সদস্যরা এমন তথ্য জানান। হাসপাতালের ওপর চাপ কমাতে হলে লাগাম টানতে হবে সংক্রমণের উৎসে এমনটাই মত দেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ বিভাগের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বে-নজীর আহমেদ বলেন, আমাদের এখন দরকার সমস্ত প্রকার চলাচল বন্ধ করা। যেমন হতে পারে অফিস আদালত বন্ধ করে দেওয়া, অফিস আদালত বন্ধ করে দিলেই অনেক চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। ক্ষেত্রবিশেষে যে এলাকা বেশি ঝঁকিপূর্ণ সেখানে কলকারখানা বন্ধ করে দেওয়া। 

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রিদওয়ানুর রহমান বলেন, যখন ভ্যাকসিন এসে গেছে তখন একটা হইহই-রইরই পড়ে গেছে, আমরা ভ্যাকসিন পেয়ে গেছি, আমাদের এখান থেকে করোনা শেষ, করোনা চলে গেছে- শারীরিক ভাষা এটা ছিল (বডি ল্যাংগুয়েজ)। এ বডি ল্যাংগুয়েজের কারণে মানুষ সবকিছু ছেড়ে দিয়েছে। খুব কঠিন অবস্থা যাচ্ছে। এখন হচ্ছে অ্যাডমিস্ট্রিটিভ অ্যাকশন দরকার।


আরও খবর