Logo
শিরোনাম

মুহররম: আশুরার রোজার ফজিলত ও সওয়াব

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ নভেম্বর ২০২৩ | ২৭০৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মুহররম মাস চলছে। এই মাস অনেক ফজিলতপূর্ণ। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে চার মাসের গুরুত্ব সম্পর্কে তাগিদ দিয়েছেন। আর মুহররম সেই চার মাসের অন্যতম ও গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসেও অনেক আলোচনা এসেছে।

ফজিলত বিবেচনায় এই মাসের রোজা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এ মাসে রোজা রাখার প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে মুহররমের রোজার মধ্যে আশুরার রোজার ফজিলত আরও বেশি। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, আমি আল্লাহর রাসুল (সা.)-কে রমজান ও আশুরায় যেরূপ গুরুত্বের সঙ্গে রোজা রাখতে দেখেছি অন্য সময় তা দেখিনি।’ (সহিহ বুখারি : ১/২১৮)

আশুরার রোজায় তাওবা কবুল ও গুনাহ মাফ:

আলী (রা.)-কে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করেছিল, রমজানের পর আর কোনো মাস আছে, যাতে আপনি আমাকে রোজা রাখার আদেশ করেন? তিনি বললেন, এই প্রশ্ন আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর নিকট জনৈক সাহাবি করেছিলেন, তখন আমি তার খেদমতে উপস্থিত ছিলাম। উত্তরে রাসুল (সা.) বললেন, রমজানের পর যদি তুমি রোজা রাখতে চাও, তবে মুহররম মাসে রাখ। কারণ, এটি আল্লাহর মাস। এ মাসে এমন একটি দিন আছে, যে দিনে আল্লাহ তাআলা একটি জাতির তওবা কবুল করেছেন এবং ভবিষ্যতেও অন্যান্য জাতির তওবা কবুল করবেন।’ (জামে তিরমিজি, হাদিস : ১/১৫৭)

যে কারণে আশুরায় দুই রোজা:

আশুরার রোজা সম্পর্কে এক হাদিসে আছে, তোমরা আশুরার রোজা রাখ এবং ইহুদিদের সাদৃশ্য পরিত্যাগ করে— আশুরার আগে বা পরে আরও একদিন রোজা রাখ।’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ১/২৪১)

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, আমি যদি আগামী বছর বেঁচে থাকি, তাহলে ৯ তারিখেও অবশ্যই রোজা রাখব।’ (সহিহ মুসলিম : ১/৩৫৯)

নিউজ ট্যাগ: মুহররম

আরও খবর

আজ ঈদ

বৃহস্পতিবার ১১ এপ্রিল ২০২৪