Logo
শিরোনাম

মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন মমতা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৮১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিধানসভা নির্বাচনে পুরো রাজ্যে বিশাল জয় পাওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মমতা ব্যানার্জী। সোমবার (৩ মে) সন্ধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। বুধবার তৃতীয় দফায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে আনুষ্ঠানিক ভাবে মমতা এই পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন।

এদিকে আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে মমতার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন জগদীপ ধনখড়। এসময় আগামী দিনের জন্য তৃণমূলের এই শীর্ষ নেত্রীকে শুভেচ্ছাও জানান তিনি। বুধবার সকালে কলকাতার রাজভবনে তৃতীয় দফায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন মমতা।

সোমবার সন্ধ্যায় রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মমতা ব্যানার্জী। এসময় সেখানে তিনি প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থান করেন। নতুন মেয়াদে শপথ নেওয়ার আগে নিয়ম অনুযায়ী পদত্যাগ করেন মমতা। এসময় পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে মমতাকেই দায়িত্বভার সামলানোর অনুরোধ করেন ধনখড়।

বুধবার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে তৃতীয় দফায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করবেন মমতা ব্যানার্জী। করোনা পরিস্থিতির কারণে শপথ অনুষ্ঠানে অতিথির সংখ্যাও থাকবে নিয়ন্ত্রিত। তারপর ৬ ও ৭ মে শপথ নেবেন বিধানসভা নির্বাচনের নবনির্বাচিত বিধায়করা।


আরও খবর



পাবনায় কলাবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ৩, আহত ৭

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ৭৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার শাহাপুর ইউনিয়নে কলাবোঝাই ট্রাক উল্টে ঘটনাস্থলে ৩ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার দায়িত্বরত কর্মকর্তা ( ডিআইও ওয়ান) মো. আশরাফুজ্জামান।

তিনি জানান, রবিবার রাত ১১টার দিকে জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার শাহপুর ইউনিয়নের হুদিপাড়া এলাকা থেকে ট্রাকে কলা নিয়ে নঁওগা জেলার জয়পুর হাটে নিয়ে যাচ্ছিলেন কলার ব্যাপারী ও শ্রমিকরা। চরগড়গড়ি এলাকায় আসার পর বাঁধের খারাপ রাস্তায় ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পথের মাঝেই উল্টে যায়। এসময় ট্রাকের উপরে থাকা শ্রমিকরা ট্রাকের কলার নিচে চাঁপা পড়েন। এতে ঘটনাস্থলে ৩ জনের মৃত্যু হয়। আর ৭ জন গুরুতর আহত হন।

নিহতরা হলেন, জব্বার প্রামাণিক (৬৫), শুকুর আলী (৪৫) ও মতিয়ার রহমান (৫৫)। দূর্ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে ঈশ্বরদী ও পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার পরে ট্রাকচালক পালিয়েছে বলে জানান মো. আশরাফুজ্জামান। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে রূপপুর ফাঁড়ির দায়িত্বরত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এই সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানান তিনি। আহতদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে।


আরও খবর



আরও বাড়তে পারে লকডাউন

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৯৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
বর্তমানে লকডাউনে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থলবন্দর এবং এ-সংক্রান্ত অফিসগুলো এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক থাকায় চলমান সর্বাত্মক লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করছে সরকার। লকডাউন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে এ বিষয়ে আগামী সোমবার সভা ডাকা হয়েছে। সেখানেই লকডাউনের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, করোনার সংক্রমণ এখনো বেশি। তাই লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়তে পারে। তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে ১৯ এপ্রিলের সভায়।’

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের তথ্য জানায় সরকার। করোনায় প্রথম মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ। এরপর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছিল। কয়েক দফায় বাড়িয়ে টানা ৬৬ দিন সাধারণ ছুটি ছিল। একপর্যায়ে করোনার সংক্রমণ কমেও গিয়েছিল। কিন্তু গত মার্চ মাস থেকে করোনার সংক্রমণ আবারও বাড়ছে। পরপর দুদিন করোনায় সংক্রমিত হয়ে ১০১ জন করে মারা গেছেন।

এমন পরিস্থিতিতে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার প্রথমে ৫ এপ্রিল থেকে সাত দিনের জন্য গণপরিবহন চলাচলসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ জারি করেছিল। পরে তা আরও দুদিন বাড়ানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত আরও কঠোর বিধিনিষেধ দিয়ে সর্বাত্মক লকডাউন’ শুরু হয়। বর্তমানে লকডাউনে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থলবন্দর এবং এ-সংক্রান্ত অফিসগুলো এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে। প্রথম ব্যাংক বন্ধের ঘোষণা দিলেও পরে তা আবার খোলার সিদ্ধান্ত হয়। আর শিল্পকারখানাগুলো নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু আছে।

এই লকডাউন আরও বাড়বে কি না, সেটি নিয়ে মানুষের মধ্যে আলাপ-আলোচনা চলছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিকল্পনা হলো, চলমান লকডাউন আরও সাত দিন বাড়িয়ে এরপর আবার শর্তসাপেক্ষে বিভিন্ন বিধিনিষেধ দিয়ে চলা। এভাবে পবিত্র ঈদুল ফিতর পর্যন্ত চলা। পরে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া। লকডাউন সাত দিন যদি বাড়ে, তাহলে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত হয়। পরের দিন ২৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার।

এর পরের দুদিন সাপ্তাহিক ছুটি। এসব বিষয় মাথায় রেখেই লকডাউনের পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। করোনা নিয়ন্ত্রণে সরকার গঠিত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটিও সিটি করপোরেশন ও পৌর এলাকায় টানা দুই সপ্তাহের লকডাউন দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, লকডাউন বাড়ানোর পরামর্শ আছে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৯ এপ্রিলের সভার পর ওই দিন বা ২০ এপ্রিল কী হবে, তা জানিয়ে দেওয়া হবে।’


আরও খবর

ঈদ মোবারক

শুক্রবার ১৪ মে ২০২১




২০ মে থেকে ২৩ জুলাই সব ধরনের সামুদ্রিক মাছ ধরা নিষিদ্ধ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৯ মে ২০২১ | ৫৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আগামী ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই ২০২১ পর্যন্ত মোট ৬৫ (পঁয়ষট্টি) দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় সব ধরণের মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার।

দেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, উপাদন, সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য সামুদ্রিক মৎস্য আইন, ২০২০ এর ধারা ৩ এর উপধারা ২ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নিষেধাজ্ঞার প্রজ্ঞাপন জারী করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। গত ১৩ এপ্রিল এ প্রজ্ঞাপন জারী করা হয়।

প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ ৬৫ দিন দেশের সামুদ্রিক জলসীমায় সকল প্রকার মৎস্য নৌযান দিয়ে যে কোন প্রজাতির মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।


আরও খবর

ঈদ মোবারক

শুক্রবার ১৪ মে ২০২১




ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেই ঈদ উদযাপিত হচ্ছে ফিলিস্তিনে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৪৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে। করোনার আবহে গতবারের মতো এবারও ঈদ ভিন্ন আমেজে উদযাপিত হচ্ছে বিভিন্ন দেশে। তবে ফিলিস্তিনিদের জন্য সেই ভিন্নতার সঙ্গে যোগ হয়েছে ধ্বংসযজ্ঞ, স্বজন হারানোর বেদনা, ঘর হারা হওয়ার আশঙ্কা। খবর আল জাজিরার।

গত কয়েকদিন ধরে বোমা হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। বৃহস্পতিবার সকালে যখন ফিলিস্তিনিরা ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে বিভোর তখনও তাদের মনে অজানা এক আতঙ্ক, আশঙ্কা করছে। কেননা ইসরায়েলি হামলা থেমে নেই। বুধবার গভীর রাতেও গাজায় ভারী বোমাবর্ষণ করে ইসরায়েলি বাহিনী।

আল জাজিরার সাফওয়াত আল-কাহলৌত বলেন, প্রায় পুরো গাজা জেগে আছে। বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত চলে বোমাবর্ষণ। কিছুক্ষণ পর পর বিস্ফোরণের বিশাল শব্দ শুনতে পাওয়া যায়। এসময় ভবনগুলো কেঁপে ওঠে।

এদিকে গাজায় শতাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। হামলার ব্যাপকতা এতটাই ছিল যে, মাত্র এক মিনিটে ৩০টি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এমতাবস্থায় যেকোনো সময় পূর্ণ মাত্রার যুদ্ধ শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। মঙ্গলবার ও বুধবার শতাধিক বিমান হামলা চালানো হয়। এসব হামলায় ৫ নারী ও ১৬ শিশুসহ নিহত হয়েছে ৬৫ জন ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছে ৩৬৫ জন।


নিউজ ট্যাগ: ফিলিস্তিন

আরও খবর



পশ্চিমবঙ্গে শেষ দফার ভোট চলছে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ৯৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই আসনগুলোর মধ্যে তৃণমূল এবং বাম-কংগ্রেস জোট ১৭টি করে আসনে জিতেছিল। এর মধ্যে বামেরা ৩, কংগ্রেস ১৩ এবং জোট সমর্থিত নির্দলীয় প্রার্থী ১টি আসনে জেতে

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আজ (২৯ এপ্রিল) অষ্টম ও শেষ দফার ভোট। উত্তর কলকাতাসহ সেখানকার মোট ৪ জেলার ৩৫টি কেন্দ্রে চলছে ভোটগ্রহণ। দেশটির বিধানসভা নির্বাচনে মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূমের বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থীর ভাগ্য পরীক্ষা আজ।

ভারতের গণমাধ্যমগুলো বলছে, ভোটের নিরাপত্তায় মোতায়েন করা হয়েছে মোট ৭৫৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা। প্রতিটি বুথে স্যানিটাইজার ব্যবহার থেকে সবার জন্য মাস্ক ও গ্লাভস বাধ্যতামূলক থেকেছে আগের দফাগুলোতেও। কিন্তু এ দফায় বাড়তি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে ভোটের লাইনে শারীরিক দূরত্ব বজায়ের ক্ষেত্রে।

২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই আসনগুলোর মধ্যে তৃণমূল এবং বাম-কংগ্রেস জোট ১৭টি করে আসনে জিতেছিল। এর মধ্যে বামেরা ৩, কংগ্রেস ১৩ এবং জোট সমর্থিত নির্দলীয় প্রার্থী ১টি আসনে জেতে। সেই বিধানসভা ভোটে মালদহের ১টি কেন্দ্রে জিতেছিলেন বিজেপি প্রার্থী।

কিন্তু ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে। ৪ জেলার এই ৩৫টি আসনের মধ্যে ১৯টিতে এগিয়ে ছিল তৃণমূল। আর ১১টি আসনে এগিয়ে থেকে তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে উঠে আসে বিজেপি। কংগ্রেস এগিয়ে ৫টি বিধানসভা এলাকায়।


আরও খবর