Logo
শিরোনাম

মুক্তির আগেই কী করে ‘কেজিএফ ২’-কে টেক্কা দিল পাঠান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

২৫ জানুয়ারি মু্ক্তি পেতে চলেছে শাহরুখের পাঠান। যদিও এই ছবি প্রথম গান মুক্তির পর থেকে ভারত জুড়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। কিন্তু তাতে বক্স অফিসে তেমন কোনও প্রভাব যে পড়বে না, তা অগ্রিম বুকিংয়ের বহর দেখেই ধারণা করা যায়। চার বছর পর বড় পর্দায় প্রত্যাবর্তন এসআরকে-এর। স্বাভাবিক ভাবেই এই ছবিকে ঘিরে প্রত্যাশার পারদ চড়ছে অনুরাগীদের মধ্যে। শুরু হয়েছে অগ্রিম বুকিং আর তাতেই যশের ছবি কেজিএফ ২-কে হারাল পাঠান। তা-ও আবার বিদেশের মাটিতে।

পরিসংখ্যান বলে বিদেশের মাটিতে সবচেয়ে বেশি অনুরাগীর সংখ্যা যদি কারও থেকে থাকে, তিনি শাহরুখ খান। এত লম্বা বিরতির পর এসআরকে-এর জাদু দেখতে উৎসাহী তাঁর ভক্তকুল। মুক্তির আগেই ইতিমধ্যেই জার্মানিতে ১ কোটি ৩২ লক্ষ টাকার ব্যবসা সাড়া হয়ে গিয়েছে পাঠান-এর। যেখানে কেজিএফ ২ ব্যবসা করে ১.২ কোটির কাছাকাছি। অন্য দিকে, মণিরত্নমের পোন্নিয়ান সেলভান আয় করেছিল প্রায় ১ কোটি ৩৬ লক্ষ টাকা। যদিও পরের দুটি ছবির এই বক্স অফিসের অঙ্ক মু্ক্তির পর। কিন্তু আয়ের নিরিখে মুক্তির আগেই এগিয়ে রয়েছে পাঠান

উল্লেখ্য, সোমবার দিল্লি হাইকোর্ট এই ছবির বেশ কিছু অদল বদলের নির্দেশিকা দিয়েছে। সেই অনুযায়ী, ছবিতে সাবটাইটেল যোগ করতে বলা হয়েছে। দৃষ্টিশক্তিহীন দর্শকের জন্য হিন্দিতে অডিয়ো বিবৃতি রাখাও জরুরি বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সেই সব বদল করে ফের সেন্সর বোর্ডে জমা দিতে হবে পাঠান। প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে বাকি আরও ৮ দিন। পাঠান কি পারবে বলিউডের মন্দা কাটিয়ে সুদিন ফেরাতে? সে দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন প্রযোজক, নির্মাতার।

নিউজ ট্যাগ: কেজিএফ ২ পাঠান

আরও খবর

আপাতত দেশে আসছে না 'পাঠান'

বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩




শীতে গর্ভবতীদের জন্য উপকারী ৫ খাবার

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মা হওয়ার খবর পাওয়া হলো পৃথিবীর অন্যতম সুন্দর খবর। আর যারা মা হতে যাচ্ছেন তারা সবসময় চান এই সময়ে স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে। গর্ভাবস্থায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো খাবারের ব্যাপারে সচেতন থাকা। কারণ এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে শিশুর স্বাস্থ্যের বিষয়টিও। এই সময়ে পর্যাপ্ত পুষ্টি, প্রোটিন এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট খাবারের তালিকায় রাখা মা ও অনাগত শিশু উভয়ের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। অন্যদিকে শীতকালে পাওয়া যায় পুষ্টিতে ভরপুর সবুজ শাক-সবজি এবং তাজা ফলমূল। যা গর্ভবতী মায়ের জন্য ভীষণ উপকারী। চলুন জেনে নেওয়া যাক, শীতকালে গর্ভবতীদের কোন ৫টি খাবার খাওয়া উচিত-

চর্বিযুক্ত মাছ: ডাঃ রোহিনী প্যাটেলের মতে, মাছ খাবারের তালিকায় একটি চমৎকার সংযোজন। ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সামুদ্রিক খাবারে এই পুষ্টি উপাদান প্রচুর রয়েছে। যা শিশুর ব্রেইন এবং চোখের সঠিক বিকাশে সাহায্য করে। এছাড়াও এগুলো অকাল গর্ভপাত রোধ করতে সাহায্য করে।

লেগুম: মসুর ডাল, মটর, মটরশুটি, ছোলা, সয়াবিন এবং চিনাবাদাম হলো লেগুম জাতীয় খাবার। এগুলো দিয়ে বিভিন্ন ধরণের সুস্বাদু খাবারও তৈরি করা যায়। লেগুম উদ্ভিদজ্জ ফাইবার, প্রোটিন, আয়রন, ফোলেট এবং ক্যালসিয়াম সরবরাহ করে। ভিটামিন-বি এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ফলিক অ্যাসিড (B9)। গর্ভাবস্থায় শরীরে এই পুষ্টি উপাদানগুলোর বেশি প্রয়োজন। বিশেষ করে প্রথম তিন মাসে এটি আপনার এবং আপনার অনাগত সন্তান উভয়ের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। গর্ভাবস্থায় প্রতিদিন কমপক্ষে ৬০০ মাইক্রোগ্রাম ফোলেট শরীরের জন্য প্রয়োজন। যা এই খাবারগুলো খাওয়ার মাধ্যমেই পাওয়া সম্ভব।

মিষ্টি আলু: শীতের খাবারের কথা বলতে গেলেই চলে আসে মিষ্টি আলুর নাম। গর্ভাবস্থায় মিষ্টি আলু খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। কারণ এতে রয়েছে পর্যাপ্ত কার্বোহাইড্রেট। এটি শরীরে শক্তি বাড়াতে কাজ করে। সেইসঙ্গে এটি রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখে। মিষ্টি আলুতে রয়েছে ভিটামিন এ যা ভ্রুণের বিকাশেও সাহায্য করে। ডাঃ রোহিনী প্যাটেলের মতে এটি ত্বক, চোখ এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার জন্য ভালো।

সবুজ মটরশুঁটি: সবুজ মটরশুঁটি কাঁচা এবং রান্না দুইভাবেই খাবারের তালিকায় রাখা ভালো। এতে রয়েছে প্রচুর ফলিক এসিড যা গর্ভাবস্থায় খুব গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও এগুলো জন্মগতভাবে ব্রেইন এবং মেরুদণ্ডের সমস্যা প্রতিরোধ করে। মটরশুঁটি খেলে সন্তান জন্মদানের পর পর্যাপ্ত দুধ উৎপাদন করতেও সাহায্য করে।

আখরোট: বাদাম সাধারণত ফাইবারের উৎস। আখরোট ভিটামিন ই প্রদান করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি শীতকালে ঠান্ডা, সর্দি-কাশি থেকেও বাঁচায়। আখরোট ওমেগা-৩ এরও উৎস যা শিশুর ব্রেইনের বিকাশে সাহায্য করে। তাই গর্ভাবস্থায় শীতে আখরোট খাওয়া ভালো।


আরও খবর

৮ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩




হাই প্রেশার আছে কি না বুঝে নিন চোখ দেখেই

প্রকাশিত:রবিবার ২২ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

হাই প্রেশার বা উচ্চ রক্তচাপের রোগী এখন প্রায় ঘরে ঘরেই। রক্তচাপ বেড়ে গেলে স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি দ্বিগুণ বেড়ে যায়। তাই বিশেষ কিছু লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হতে হবে। উচ্চ রক্তচাপের উপসর্গ দেখা দিতে পারে চোখেও। তার আগে জেনে নিন হাই প্রেশার বা উচ্চ রক্তচাপ আসলে কী?

মানুষের স্বাভাবিক রক্তচাপ হলো ১২০/৮০ মিলিমিটার পারদ চাপ। সাধারণত রক্তচাপ যদি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে, তাহলে তাকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন বলা হয়। অর্থাৎ রক্তচাপ যখন ১৪০/৯০ মিলিমিটার পারদ চাপের বেশি হয়; তখন ওই অবস্থাকে উচ্চ রক্তচাপ বলা হয়। উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশনকে অনেকেই প্রেশার হিসেবে অভিহিত করেন।

উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ কী কী?  দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়া, বুকে ব্যথা বা বুকে চাপ অনুভব করা, শ্বাসকষ্ট বা নিশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, নাক দিয়ে রক্ত পড়া, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, অনিদ্রা ও ক্লান্তি, প্রস্রাবে রক্ত যাওয়া, শরীরের অঙ্গ বিশেষের দুর্বলতা বা অবশ হয়ে যাওয়া, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের ক্ষেত্রে খিঁচুনি হতে পারে।

উচ্চ রক্তচাপের সঙ্গে চোখের সম্পর্ক কী? বিশেষজ্ঞদের মতে, হাই প্রেশারের কারণে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি তো আছেই, আবার উচ্চ রক্তচাপে প্রভাবিত হয় চোখও। এক্ষেত্রে চোখের রেটিনায় যে রক্তনালিগুলো থাকে, সেগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি

২০১৩ সালের এক গবেষণায় ধরা পড়ে, এই সমস্যার সঙ্গে যোগ আছে স্ট্রোকের। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথিতে আক্রান্তদের স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি। তবে আয়নায় নিজের চোখ দেখে সাধারণভাবে এ সমস্যা ধরা যায় না। চিকিৎসকরা চোখ পরীক্ষার সময় বিষয়টি ধরতে পারেন। শুধু চোখের সমস্যার জন্যই নয়, সার্বিক ভাবেই নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। আসলে শরীরের বিভিন্ন সমস্যার প্রভাব পড়ে চোখে। তাই কেবল রক্তচাপই নয়, একাধিক সমস্যার ইঙ্গিত মিলতে পারে চোখে।

চোখের আশপাশের চামড়ায় কোনো সাদাটে উঁচু জায়গা তৈরি হলে তা উচ্চ কোলেস্টেরলের লক্ষণ হতে পারে। কোলেস্টেরলের সঙ্গেও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যার যোগ গভীর। তাই এই লক্ষণ দেখা দিলে আগে থেকে হতে হবে সতর্ক।

বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ হিসেবে চোখে লালচে দাগও দেখা দিতে পারে। যদিও অনেকেই বিষয়টি অবহেলা করেন। আসলে এটি সাধারণ নয়, বরং উচ্চ রক্তচাপের গুরুতর লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত। চোখের লাল দাগ উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ হতে পারে। এর পেছনের কারণ হলো রক্তনালিগুলো ছিঁড়ে যাওয়া। উচ্চ রক্তচাপের কারণেও দৃষ্টিশক্তির জটিলতা দেখা দিতে পারে। ক্রুটি হতে পারে হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথির লক্ষণ। ফলে চোখের রক্তনালির দেওয়াল ঘন হয়ে যায় ও রক্ত প্রবাহ সীমাবদ্ধ করে। এমনকি রেটিনা ফুলে যেতে পারে ও রক্তনালিগুলো ফুটো হয়ে যায়।

নিউজ ট্যাগ: হাই প্রেশার

আরও খবর

৮ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩




কাশিমপুরে ফাঁসির আসামির আত্মহত্যা, কারারক্ষী বরখাস্ত

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ১৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক কয়েদি আত্মহত্যা করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করেন তিনি। এ ঘটনায় এক কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

ওই কয়েদির নাম নজরুল ইসলাম (৩০)। তিনি কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার পাবদা গ্রামের সোহরাব উদ্দিনের ছেলে। তিনি স্ত্রী ও সন্তান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি হিসেবে কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগারে বন্দী ছিলেন। তাঁকে ২০২১ সালের ২০ মার্চ কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়।

আজ কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

জেল সুপার আরও জানান, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া থানার স্ত্রী ও সন্তান হত্যা মামলায় আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। তাঁকে ২০২১ সালের ২০ মার্চ কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়। তার পর থেকে তিনি কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগারে বন্দী ছিলেন। আজ সকালে তাঁকে কারাগারের ভেতরে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলতে দেখে কারারক্ষীরা তাঁকে নামান। এরপর তাৎক্ষণিকভাবে কারা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

সুব্রত কুমার আরও জানান, কারাগারে তাঁর আচরণে মানসিক সমস্যা লক্ষ করা যাচ্ছিল। এ জন্য তাঁর চিকিৎসা চলছিল।

জেল সুপার দাবি করে বলেন, সকালে বিষয়টি কারারক্ষীরা আমাদের কাছে গোপন করে। পরে বিষয়টি জানতে পেরে দায়িত্বে অবহেলার কারণে সর্বপ্রধান কারারক্ষী হামিদ গাজী, সহকারী প্রধান কারারক্ষী ফাইজ উদ্দিন ও কারারক্ষী রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রফিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

জেল সুপার আরও বলেন, এ ঘটনা তদন্তের জন্য জেলার লুৎফর রহমানকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নজরুল ইসলামের মরদেহ তাঁর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর



রাতে গুলশান-বনানীর যেসব সড়ক বন্ধ থাকবে

প্রকাশিত:শনিবার ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

থার্টিফার্স্ট নাইটে ঢাকা মহানগর এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে যানবাহন চলাচলে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক-গুলশান বিভাগ।

শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ৮টা থেকে রোববার (১ জানুয়ারি) ভোর ৫টা পর্যন্ত গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় যানবাহনযোগে প্রবেশের জন্য কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ (কাকলী ক্রসিং) ও মহাখালী আমতলী ক্রসিং ব্যবহার করা যাবে বলে গুলশান ট্রাফিক বিভাগ নির্দেশনা দিয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, রাত ৮টা থেকে গুলশান বনানী ও বারিধারা এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে মহাখালী এলাকা-ফিনিক্স রোড ক্রসিং, বনানী ১১ নম্বর রোড, চেয়ারম্যান বাড়ি মোড়, ঢাকা গেট, শ্যুটিং ক্লাব, বাড্ডা লিংক রোড, ডিওএইচএস বারিধারা-ইউনাইটেড হাসপাতাল ক্রসিং ও নতুন বাজার ক্রসিং ব্যবহার করা যাবে না। তবে ওইসব এলাকা থেকে বের হওয়ার জন্য এসব ক্রসিং ব্যবহার করা যাবে।

এছাড়া ২১টি পয়েন্টে ডাইভারশন চলবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়। সেগুলো হলো ফিনিক্স ক্রসিং, শান্তা ক্রসিং, বটতলা ক্রসিং, জিএমজি মোড়, পুরাতন আড়ং ক্রসিং, নিকেতন ক্রসিং, পুলিশ প্লাজা ক্রসিং, মসজিদ গ্যাপ, মায়াগঞ্জ ক্রসিং, বনানী চেয়ারম্যান বাড়ি মোড়, বনানী ১১ নম্বর রোড, শ্যুটিং ক্লাব ক্রসিং, ইউনাইটেড হাসপাতাল গ্যাপ, বনানী ২৩ নম্বর রোড, ঢাকা গেইট, মানারাত ক্রসিং, নতুন বাজার ক্রসিং, জাতিসংঘ গোল চত্বর, গুদারাঘাট গ্যাপ, বাড্ডা লিংক রোড ও কালাচাঁদপুর গ্যাপ।

সড়ক ব্যবহার সংক্রান্ত যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে ফোন করুন: ডিসি (ট্রাফিক গুলশান): ০১৩২০-০৪৪৩৬০, এডিসি (ট্রাফিক গুলশান): ০১৩২০-০৪৪৩৬১, এসি (গুলশান ট্রাফিক জোন): ০১৩২০-০৪৪৩৭২, এসি (মহাখালী ট্রাফিক জোন): ০১৩২০-০৪৪৩৭৫ ও এসি (বাড্ডা ট্রাফিক জোন): ০১৩২০-০৪৪৩৭৮।

আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে যানবাহন চলাচলের উপযুক্ত ব্যবস্থা বাস্তবায়নকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছে।


আরও খবর

শুক্রবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩

রাজধানীতে ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩




শোয়েব মালিকের ব্যাটে রংপুরের বড় সংগ্রহ

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) শোয়েব মালিক ও আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ পেয়েছে রংপুর। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭৯ রান করে নুরুল হাসান সোহানের দল। এর মধ্যে শোয়েব ও আজমতউল্লাহ’র ব্যাট থেকেই আসে ১১৭ রান। জেতার জন্য চট্টগ্রামের প্রয়োজন ১৮০ রান।

সোমবার মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামে রংপুর। প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে শেখ মেহেদিকে হারিয়ে শুরু হয় রংপুরের ইনিংস। বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি পারভেজ হোসেন ইমনও। ৬ রান করে তার ফেরার পর নাঈম শেখকে সঙ্গ দেন শোয়েব মালিক। নবম ওভারে বাজে শট খেলে বিদায় নেন ৩৪ রান করা নাঈম। 

নাঈমের বিদায়ের পর ব্যাট করতে নামা ওমরজাইকে নিয়ে এগোতে থাকেন শোয়েব মালিক। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২৯ বলে স্পর্শ করেন অর্ধশতক। অপরপ্রান্তে থাকা ওমরজাই ব্যাট চালাতে থাকেন দ্রুতগতিতে। মালিকের সঙ্গে গড়েন ৫৩ বলে ১০৫ রানের জুটি। এরপর অষ্টদশ ওভারে এসে মেহেদি হাসান রানার শিকার হন তিনি। ২৪ বলে ৪ ছক্কা ও এক চারে ৪২ রান করে বিদায় নেন আফগান এই অলরাউন্ডার।

ওমরজাই বিদায় নিলে শেষটা সামলে নেন মালিক। দলকে এনে দেন বড় সংগ্রহ। ৫ ছক্কা ও ৫ চারে ৪৫ বলে ৭৫ রান করে অপরাজিত থাকেন পাকিস্তানি অলরাউন্ডার। এর আগে মোহাম্মদ নওয়াজ ৯ ও শামিম হোসাইন ৭ রান করে উইকেট হারান। 

চট্টগ্রামের হয়ে মেহেদী হাসান রানা নেন ৩ উইকেট। ২ উইকেট নেন শুভাগত হোম এবং ১ উইকেট নেন বিজয়কান্ত।


আরও খবর