Logo
শিরোনাম

ময়মনসিংহে ৭৩ উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১১ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ নভেম্বর ২০২৩ | ৭৯০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ময়মনসিংহ বিভাগে বাস্তবায়িত ৭৩টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর পাশাপাশি ৩০টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।

আজ শনিবার ময়মনসিংহের সার্কিট হাউস ময়দানে আওয়ামী লীগের বিভাগীয় জনসভা মঞ্চ থেকে তিনি এ সব প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে ময়মনসিংহে পৌঁছেন শেখ হাসিনা।

ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজার রহমান জানান, শনিবার দুপুর ১টায় প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে ময়মনসিংহের রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া স্টেডিয়ামে পৌঁছান। সেখান থেকে সার্কিট হাউসে গিয়ে বিশ্রাম নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী ৭৩টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন এবং ৩০টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে বিকেল ৩টায় সার্কিট হাউস মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিভাগীয় জনসভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

সার্কিট হাউস ময়দানে নৌকার আদলে তৈরি বিশালাকৃতির মঞ্চে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। তার পাশেই স্থাপন করা হয় উন্নয়ন প্রকল্পের ফলক। যেসব প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে সেগুলোর মধ্যে তিনটি ব্রিজ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনটি হল, আনন্দ মোহন কলেজে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট পাঁচ তলা ছাত্র হোস্টেল ভবন, সিটি করপোরেশনের সড়ক উন্নয়ন ও ড্রেনেজ নেটওয়ার্কসহ নাগরিক সেবা উন্নতকরণ উল্লেখযোগ্য। ৩০ প্রকল্পের মধ্যে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন ১৩টি, গণপূর্ত অধিদপ্তর পাঁচটি, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় তিনটি করে, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর দুইটি এবং জেলা পরিষদ, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ড একটি করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। ৩০টি প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৭৬২ কোটি ২৭ লাখ ১৪ হাজার টাকা।

এছাড়া এদিন ৭৩টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা। এর মধ্যে ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল, পাঁচটি ব্রিজ, সদর উপজেলার সিরতা গ্রামে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট ডা. মুশফিকুর রহমান শুভ মেমোরিয়াল ইসলামিক মিশন হাসপাতাল কমপ্লেক্স, ছয়তলা ময়মনসিংহ জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকার সড়ক, ড্রেন, সড়ক বাতি স্থাপন, ময়মনসিংহ সদর উপজেলা পরিষদ নতুন হাসপাতাল নির্মাণ, গোবরাকড়া কড়ইতলী স্থল বন্দর উন্নয়ন, শেখ কামাল ইনডোর স্টেডিয়াম উল্লেখযোগ্য।

৭৩টি প্রকল্পের মধ্যে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ৩১টি, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ২১টি, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন চারটি করে, গণপূর্ত অধিদপ্তর তিনটি, জেলা পরিষদ ও ময়মনসিংহ সদর উপজেলা দুইটি করে এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ও ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতি একটি করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে ব্যয় হয়েছে ৫৭০ কোটি ৩৪ লাখ ৭৩ হাজার ৪০০ টাকা।


আরও খবর



নির্বাচন নিয়ে আবারও অবস্থান পরিষ্কার করল জাতিসংঘ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | ৮৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আবারও বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে কথা বলেছে জাতিসংঘ। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জানুয়ারি) জাতিসংঘের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ফের উঠে আসে নির্বাচন ইস্যু।

জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানান, বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের অবস্থান আগের মতোই রয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচনের পর জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যা বলেছেন সেটিও অপরিবর্তিত রয়েছে।

মূলত টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সোমবারের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, মহাসচিবের এমন চিঠি নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের পূর্বের অবস্থান এবং নির্বাচন নিয়ে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যে বিবৃতি দিয়েছেন তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, এটি সাংঘর্ষিক না। জাতিসংঘ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেমনটা বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানরা পুনর্নির্বাচিত হলে মহাসচিব পাঠিয়ে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, তারা আগে যা বলেছেন এবং মানবাধিকার হাইকমিশনার আগে যা বলেছেন, তা অপরিবর্তিত রয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। ডুজারিক বলেছেন, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে জোর করে বা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়।

এছাড়া এদিনের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নকারী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন নিয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, আপনি জানেন- বাংলাদেশ ২০১৭ সাল থেকে প্রায় সাত বছর ধরে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।

অন্যদিকে, মানবিক তহবিল, আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সম্পর্কিত মনোযোগ, সবকিছু সঙ্কুচিত হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘ মহাসচিবের পরিকল্পনা কী?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র এই মুখপাত্র বলেন, প্রথমত, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। এটি এমন পদ্ধতিতে স্বেচ্ছায় হওয়া দরকার যেখানে তাদের মর্যাদা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে।

তিনি বলেন, এটা পরিষ্কার যে, মিয়ানমারের পরিস্থিতি বর্তমানে প্রত্যাবাসনের জন্য দরকারি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করছে না। যেসব সম্প্রদায় উদারভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আতিথেয়তা দিয়েছে, তাদের জন্য বিশ্বব্যাপী সংহতি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। যেমন কক্সবাজারের সম্প্রদায়, মহাসচিব এটি পরিদর্শন করেছেন।

স্টিফেন ডুজারিক বলেন, শরণার্থীদের সবার সংহতি প্রয়োজন এবং আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোরও জাতিসংঘের ও সারা বিশ্বের সংহতি প্রয়োজন। এবং এসব কিছুর জন্যই আমাদের তহবিল আরও বৃদ্ধি করা দরকার।


আরও খবর

দেশে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি

মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩