
ঘরের মাঠে খেলা। ইতিহাস পক্ষেই ছিল কাতারের। ফুটবল বিশ্বকাপে যে এর আগে স্বাগতিক কোনো দেশই প্রথম ম্যাচে হারেনি। কাতার হারলো, সেটাও বলতে গেলে প্রথমার্ধেই। ইকুয়েডরের বিপক্ষে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর আর লড়াইয়ে ফিরতে পারেনি আয়োজক দেশটি। বরং গ্যালারি খালি করে ঘরে ফিরে গেছেন তাদের সমর্থকরা।
আল বায়াত স্টেডিয়ামে
দর্শক ধারণক্ষমতা ৫৭ হাজারের। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই ফাঁকা হতে থাকে গ্যালারি।
৮০ মিনিটের মাথায় প্রায় সব দর্শকই উঠে গেছেন।
নিজেদের দেশের
বাজে পারফরম্যান্স মেনে নিতে পারেননি সমর্থকরা। তাই পুরো খেলা শেষ করার ধৈর্যও হারিয়ে
ফেলেছিলেন তারা। কাতার কোচ ফেলিক্স সানচেজ তবু সমর্থকদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ।
তিনি বলেন, আমরা
সমর্থন এবং ভালোবাসা পেয়েছি। আশা করছি আগামী ম্যাচেও পাব। আশা করি সমর্থকরা গর্ব অনুভব
করবে এবং টুর্নামেন্টের শেষ পর্যন্ত আমাদের সমর্থন দিয়ে যাবে। পরিবেশটা দুর্দান্ত ছিল।
সমর্থকরা এই ম্যাচটি আগ্রহ ভরে দেখেছেন।
যদিও দল খারাপ
করেছে, সেটি মানতে আপত্তি নেই সানচেজের। তিনি বলেন, কোনো অজুহাত দেব না, আমরা বরং
প্রতিপক্ষকে অভিনন্দন জানাতে চাই। তাদের এই জয় প্রাপ্য।

