
গত আগস্টে মহা
সমারোহে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু করেছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।
দীর্ঘ ১২ বছর পর ইউনাইটেডে ফিরে ক্লাব কর্তৃপক্ষ থেকে শুরু করে সমর্থক পর্যায় পর্যন্ত
উষ্ণতম অভ্যর্থনা পেয়েছিলেন পর্তুগিজ সুপারস্টার।
কিন্তু কয়েক মাস
না যেতেই বদলে যাচ্ছে সব। চলতি বছরের শুরু থেকে অফফর্ম আর টিম ম্যানেজম্যান্টের সঙ্গে
বনিবনা না হওয়ায় অনিশ্চয়তায় পড়ে গেছে রোনালদোর ভবিষ্যত। বিশেষ করে রোববারের ম্যানচেস্টার
ডার্বি মিস করায় জোরালো হয়েছে এই গুঞ্জন।
কোমরের নিচের
অংশের সমস্যার কথা জানিয়েছিলেন রোনালদো। যে কারণে তাকে শুক্রবারই জানিয়ে দেওয়া হয়,
রোববার ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে ম্যাচে শুরুর একাদশে থাকছেন না তিনি। তবে বেঞ্চে
থেকে বদলি হিসেবে নামানো হবে দলের প্রয়োজনে।
কিন্তু এই পরিকল্পনা
ভালো লাগেনি রোনালদোর। যে কারণে শনিবার ক্লাবের ডিনারেও যোগ দেননি এ তারকা ফুটবলার।
পরে ক্লাব ছেড়ে পর্তুগালে নিজের বাড়িতে চলে যান তিনি। সোমবার রাতেও রোনালদোর প্রতিনিধিরা
নিশ্চিত করতে পারেনি, মঙ্গলবার দলের অনুশীলনে থাকবেন কি না তিনি।
সোমবারের জন্য
ছুটি দেওয়া হয়েছিল রোনালদোকে। ধারণা করা হচ্ছিল মঙ্গলবার দলের সঙ্গে যোগ দেবেন তিনি।
ভারপ্রাপ্ত ম্যানেজার রাফ রাগনিক আগেই সবাইকে বলেছেন, যাদের চোট সমস্যা আছে তারা যেন
বিদেশ যাওয়ার বদলে ক্লাবে থেকেই পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করে।
ম্যানচেস্টার
ডার্বিতে ১-৪ গোলের বড় ব্যবধানে হারের পর শুধু রোনালদোর ভবিষ্যত অনিশ্চয়তা পড়েনি, তরুণ
ফরোয়ার্ড মার্কাস র্যাশফোর্ডও শুরুর একাদশ থেকে বাদ পড়ার বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি।
ক্লাবের শেষ ১১ ম্যাচের মধ্যে মাত্র দুইটিতে শুরুর একাদশে ছিলেন র্যাশফোর্ড।

