
রুশ সেনাদের হামলার মুখে পিছিয়ে নেই ইউক্রেন। কিয়েভ জুড়ে রাশিয়ান বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে অস্ত্র তুলে নিচ্ছে সাধারণ নাগরিকরা। পাশাপাশি বোমা তৈরিও শেখানো হচ্ছে তাদের। গত দুই দিনের ভারী হামলা এবং শত শত হতাহতের পরে রাজধানী শহর বন্ধ করে দিয়েছে রুশ বাহিনী। এর পরপরই সাধারণ নাগরিকদের হাতে অস্ত্র তুলে দিলো ইউক্রেন।
এ পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জনগণের উদ্দেশে রুশ আগ্রাসন রুখে দেওয়ার ডাক দিয়েছেন। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, এ পর্যন্ত স্বেচ্ছাসেবীদের ১৮ হাজার বন্দুক দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বোমা তৈরির কৌশল শেখানো হচ্ছে।
এদিকে একে-৪৭ রাইফেল হাতে নিয়ে কিয়েভ রক্ষায় রুশ সেনাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছেন ইউক্রেনের সাবেক প্রেসিডেন্ট পেট্রো পোরোশেঙ্কো। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে কিয়েভের একটি রাস্তায় সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় রাইফেলটি তিনি হাতে তুলে নেন।
তিনি সিএনএনকে বলেন, 'ভ্লাদিমির পুতিন পাগল, শয়তান। তিনি এখানে ইউক্রেনীয়দের হত্যা করতে এসেছেন।আমি শুধু ঘোষণা করতে চাই, পুতিন ইউরোপীয় ইউনিয়নে ইউক্রেনের যুক্ত হওয়া ঠেকাতে পারবেন না।
আবার ইউক্রেনের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হানা মালইয়া দাবি করেছে, সংঘাতের সময় রাশিয়ার বাহিনীর অন্তত দুই হাজার ৮০০ সেনা নিহত হয়েছে। এছাড়া দেশটি ৮০ টি ট্যাংক হারিয়েছে।

