Logo
শিরোনাম

নিজেকে শুধরানোর ইঙ্গিত শরিফুল রাজের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৭ আগস্ট ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ নভেম্বর ২০২৩ | ১৯০০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চিত্রনায়িকা পরীমনি-রাজ দম্পতির একমাত্র ছেলে রাজ্যর প্রথম জন্মবার্ষিকী ছিল ১০ আগস্ট। বিশেষ দিনটি একটি ফাইভ স্টার রেস্টুরেন্টে জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপন করেন পরীমনি। সেখানে অনেক তারকা অংশ নেন। কিন্তু শরিফুল রাজের দেখা মেলেনি।

এদিকে ছেলের জন্মদিনের দুদিন আগে কলকাতা থেকে দেশে ফিরেন অভিনেতা রাজ। তবে অনুষ্ঠানের আগের রাতে ছেলেকে দেখার জন্য পরীর বাসায় গিয়েছিলেন। কলকাতা থেকে আনা উপহার ছেলের হাতে তুলে দেন। সেখানে ছেলের সঙ্গে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে চলে আসেন। অথচ ছেলের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি।

সম্প্রতি এ নিয়ে গণমাধ্যমে সঙ্গে কথা বলেন রাজ। তিনি জানিয়েছেন, ছেলের অনুষ্ঠানে কেন যাইনি, তা কেবল আমিই জানি। বিষয়টি অন্য কেউ বুঝবে না। এ নিয়ে কথা বলে কোনো লাভও হবে না। আর বললেও মানুষ হয়তো আমার কথা বিশ্বাস করবে না। আমাকে নিয়ে সবার অভিযোগ থাকতে পারে। তবে কলকাতা থেকে ফেরার পর বাবা হিসেবে অনুষ্ঠানের আগের রাতে ছেলেকে দেখতে গিয়েছিলাম। ছেলের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি।

এদিকে পরীমনি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, বর্তমানে তার (পরীমনি) রাজের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। সম্পর্ক তার ছেলের সঙ্গে। এ বিষয়ে অভিনেতা রাজ বলেন, পরীকে আমি বিয়ে করেছি, বউয়ের সঙ্গে সম্পর্কটাই আগে। আসলে পরী সব ছেড়ে সন্তানকে নিয়ে সবসময় সেলিব্রেশন করে, করছেআমার কাছে এটি ভালো লাগে। পরীকে তার জীবনের সুন্দর ও আনন্দের একটি উপহার সন্তান রাজ্যকে দিতে পেরেছি। আমার জন্য যা আনন্দের ও গর্বের।

তিনি আরও বলেন, ছেলের জন্য হলেও জীবনটা ঠিক করতে হবে আমার। সে এখন বড় হচ্ছে। পাঁচ-ছয় বছর পর সে ভালোভাবে চলাফেরা করবে, কথা বলবে। ওকে একটা সুন্দর জীবন উপহার দিতে চাই।

উল্লেখ্য, গত ২০ মে স্ত্রী পরীমনিকে রেখে নিজের জিনিসপত্র নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যান রাজ। এর পর ২৯ মে রাতে অভিনেতার ফেসবুক আইডি থেকে তিন অভিনেত্রীর সঙ্গে ব্যক্তিগত কিছু ছবি ও ভিডিও ফাঁস হয়, যা নিয়ে রাজ-পরীর দাম্পত্য জীবনে কলহের শুরু হয়।

মাত্র সাত দিনের পরিচয়ে গোপনে বিয়ে করেন শরিফুল রাজ ও পরীমনি। এর পর ২০২২ সালের জানুয়ারিতে পারিবারিকভাবে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন তারা। এখন আলাদা থাকছেন দুজনে।


আরও খবর



নির্বাচন নিয়ে আবারও অবস্থান পরিষ্কার করল জাতিসংঘ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | ৮৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আবারও বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে কথা বলেছে জাতিসংঘ। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জানুয়ারি) জাতিসংঘের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ফের উঠে আসে নির্বাচন ইস্যু।

জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানান, বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের অবস্থান আগের মতোই রয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচনের পর জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যা বলেছেন সেটিও অপরিবর্তিত রয়েছে।

মূলত টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সোমবারের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, মহাসচিবের এমন চিঠি নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের পূর্বের অবস্থান এবং নির্বাচন নিয়ে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যে বিবৃতি দিয়েছেন তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, এটি সাংঘর্ষিক না। জাতিসংঘ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেমনটা বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানরা পুনর্নির্বাচিত হলে মহাসচিব পাঠিয়ে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, তারা আগে যা বলেছেন এবং মানবাধিকার হাইকমিশনার আগে যা বলেছেন, তা অপরিবর্তিত রয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। ডুজারিক বলেছেন, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে জোর করে বা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়।

এছাড়া এদিনের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নকারী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন নিয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, আপনি জানেন- বাংলাদেশ ২০১৭ সাল থেকে প্রায় সাত বছর ধরে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।

অন্যদিকে, মানবিক তহবিল, আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সম্পর্কিত মনোযোগ, সবকিছু সঙ্কুচিত হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘ মহাসচিবের পরিকল্পনা কী?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র এই মুখপাত্র বলেন, প্রথমত, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। এটি এমন পদ্ধতিতে স্বেচ্ছায় হওয়া দরকার যেখানে তাদের মর্যাদা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে।

তিনি বলেন, এটা পরিষ্কার যে, মিয়ানমারের পরিস্থিতি বর্তমানে প্রত্যাবাসনের জন্য দরকারি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করছে না। যেসব সম্প্রদায় উদারভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আতিথেয়তা দিয়েছে, তাদের জন্য বিশ্বব্যাপী সংহতি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। যেমন কক্সবাজারের সম্প্রদায়, মহাসচিব এটি পরিদর্শন করেছেন।

স্টিফেন ডুজারিক বলেন, শরণার্থীদের সবার সংহতি প্রয়োজন এবং আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোরও জাতিসংঘের ও সারা বিশ্বের সংহতি প্রয়োজন। এবং এসব কিছুর জন্যই আমাদের তহবিল আরও বৃদ্ধি করা দরকার।


আরও খবর

দেশে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি

মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩