Logo
শিরোনাম

নিপাহ ভাইরাসে এবার শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজশাহীতে নিপাহ ভাইরাস শনাক্তের এক দিন পর সোয়াদ আলী (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার সানোয়ার আলীর ছেলে। সোমবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।

রামেক হাসপাতাল ও শিশু সোয়াদের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) সকালে খেজুরের কাঁচা রস পান করেছিল সোয়াদ। এর কিছুক্ষণ পর থেকে জ্বর ও খিচুনি উঠতে থাকে তার। এক পর্যায়ে সে অচেতন হয়ে যায়। বিকেলে তাকে রামেক হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় পরদিন শনিবার (২১ জানুয়ারি) সকালে তাকে হাসপাতালের আইসিইউতে নেওয়া হয়। এসময় নিপাহ ভাইরাস পরীক্ষার জন্য তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। রোববার তার ফলাফল পজিটিভ আসে। আজ সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ ইনচার্জ ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামাল ঢাকা পোস্টকে বলেন, খেজুরের কাঁচা রস পান করা প্রায় সবারই পছন্দের। বাবা-মা শখ করে সন্তানকে খেজুরের কাঁচা রস পান করান। অবশ্যই বাদুড়ের সংস্পর্শে আসা খেজুরের রস পান করবেন না। নিজের পরিচিতজন, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনদেরও দেবেন না।

প্রসঙ্গত, নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে রাজশাহীতে এক নারী মারা যান। রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত নারী গোদাগাড়ী উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নের বাসিন্দা ছিলেন।

নিউজ ট্যাগ: নিপাহ ভাইরাস

আরও খবর

৮ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩




চড়া দামে বিক্রি হলো নারী আইপিএলের মিডিয়া রাইটস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ১৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নারী ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) আগামী ২০২৩ থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত মিডিয়া রাইটস পেয়েছে ভায়াকম এইটিন। সোমবার (১৬ জানুয়ারি) এক টুইট বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই) সচিব জয় শাহ।

মুকেশ আম্বানির কোম্পানিকে এই স্বত্ব কেনার জন্য খরচ করতে হয়েছে ৯৫১ কোটি রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১২১০ কোটি ১৩ লাখ ৪৩ হাজার ৯৫২ টাকা। পাঁচ বছর চক্রে মেয়েদের আইপিএলের একটি ম্যাচের মূল্য দাঁড়াচ্ছে ৭.০৯ কোটি রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৯ কোটি ১২ লাখ ৬৯ হাজার ৬৫ টাকা।

এ নিয়ে টুইটারে জয় শাহ লিখেছেন, মেয়েদের আইপিএলের সম্প্রচার স্বত্ব পাওয়ায় ভায়াকম১৮-কে অভিনন্দন। বিসিসিআইয়ের ওপর আস্থা রাখার জন্য ধন্যবাদ। পাঁচ বছর চক্রের সম্প্রচার স্বত্বের জন্য ভায়াকম ৯৫১ কোটি রুপি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর অর্থ দাঁড়াচ্ছে প্রতি ম্যাচের মূল্য ৭.০৯ কোটি রুপি। মেয়েদের ক্রিকেটের জন্য এটা বিশাল পরিমাণ।

আগামী ৩ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত হতে পারে নারীদের আইপিএল। পুরুষদের আইপিএলের মতো এই আসরকেও বাণিজ্যিকভাবে সফল করতে চাইছেন দেশটির বোর্ড কর্তারা।

নিউজ ট্যাগ: নারী আইপিএল

আরও খবর



বাসা থেকে ডেকে নিয়ে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে তেঘরিয়া মোল্লা বাড়ি এলাকায় ফয়সাল (২১) নামে এক যুবককে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে। বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) ভোর রাত ৪টার দিকে তেঘরিয়া দক্ষিণপাড়া তিন রাস্তার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি শাহ জামান জানায়, নিহত ফয়সাল পেশায় রিকশাচালক। নিহত যুবককের বাড়ি বরিশাল জেলার মুলাদী থানার পূর্ব চরপদ্ম গ্রামে। সে আবু কালাম মিয়ার ছেলে। তিনি পরিবারসহ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার তেঘরিয়া মোল্লা বাড়ি এলাকায় মিজান মিয়ার বাড়িতে ভাড়ায় থাকেন।

নিহতের বাবা আবুল কালাম জানান, বুধবার ভোর রাত ৪টার দিকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বাসা থেকে ডেকে নেয়। সেখানে ৫/৬ জন যুবক ফয়সালকে চুরির অপবাদ দিয়ে ঘণ্টাব্যাপী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করা করে। ফয়সালের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে ফয়সালকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে সে বৃহস্পতিবার দুপুরে মারা যায়।

বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নিহতের বাবা আবুল কালাম বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।


আরও খবর



সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবার ক্ষতিপূরণ পাবে ৫ লাখ টাকা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩ | ৫১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বা আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করলে ভুক্তভোগীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে পাঁচ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। আর দুর্ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গহানি হলে ভুক্তভোগী তিন লাখ টাকা সহায়তা পাবেন। এসব বিধান রেখে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ বিধিমালা জারি করা হয়েছে। গত ২৭ ডিসেম্বর এ বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।  সড়ক পরিবহন আইনটি হয়েছিল ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। আর এ আইন হওয়ার চার বছরের বেশি সময় পর হলো বিধিমালা।

আইনটি আগে হলেও ক্ষতিপূরণসহ বেশ কিছু বিষয়ের কোনো কার্যকারিতা ছিল না এর বিধিমালার অভাবে। এই বিধিমালা এখন দ্রুতই কার্যকর হবে।

বিধিমালা অনুযায়ী, চিকিৎসার মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সম্ভাবনা না থাকলে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে ৩ লাখ টাকা। তবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সম্ভাবনা থাকলে আর্থিক সহায়তার পরিমাণ হবে এক লাখ টাকা।

ক্ষতিপূরণের দাবিগুলো ১২ সদস্যের একটি ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে।

আর্থিক সহায়তা পাওয়ার জন্য ফরম অনুযায়ী দুর্ঘটনা ঘটার সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করতে হবে।  আবেদন দাখিল করার তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে বোর্ডের চেয়ারম্যান অনুসন্ধান কমিটি গঠন করবেন। এই কমিটি ৩০ দিনের মধ্যে আবেদনকারীর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের জন্য অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন বোর্ডের কাছে দেবে।

প্রতিবেদন দাখিলের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাস্টি বোর্ড আবেদন মঞ্জুরপূর্বক আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। বিআরটিএর চেয়ারম্যান এই বোর্ডের চেয়ারম্যান হবেন। আর্থিক সহায়তার টাকা আবেদনকারীর ব্যাংক হিসাবে প্রাপকের হিসাবে প্রদেয়’ চেকের মাধ্যমে দিতে হবে।

এ ছাড়া বিধিমালায় বলা আছে, আর্থিক সহায়তার জন্য আর্থিক সহায়তা তহবিল থাকবে এবং এই তহবিলে মোটরযান মালিক প্রতিটি মোটরযানে বিপরীতে নির্দিষ্ট পরিমাণে বার্ষিক বা এককালীন চাঁদা দেবেন। এ তহবিল গঠনে মোটরসাইকেলের মালিককে এককালীন ১০০০ টাকা দিতে হবে।  বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও প্রাইম মুভারের জন্য বার্ষিক দেড় হাজার টাকা দিতে হবে। মিনিবাস, মিনি ট্রাক ও পিকআপের জন্য বার্ষিক ৭৫০ টাকা ধার্য হয়েছে। কার, জিপ ও মাইক্রোবাসের জন্য বার্ষিক ৫০০  টাকা দিতে হবে। আর থ্রি-হুইলার ও অন্যদের বার্ষিক ৩০০ টাকা দিতে হবে।

মোটরসাইকেল ছাড়া অন্যান্য যানের চাঁদা দেওয়ার নির্দিষ্ট মেয়াদ চলে গেলে প্রতি মাস বা মাসের অংশবিশেষের জন্য ৫০ টাকা হারে অতিরিক্ত জরিমানা দিতে হবে।

তবে সরকারের পূর্ব অনুমোদন নিয়ে ট্রাস্টি বোর্ড প্রয়োজনে সময়-সময় এই চাঁদার পরিমাণ কমাতে বা বাড়াতে পারবে। 

বিধিমালা অনুসারে প্রতিটি চালকের লাইসেন্সের জন্য ১২ দোষসূচক পয়েন্ট’ থাকবে। সড়ক পরিবহনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের কারণে এক বা দুটি পয়েন্ট কেটে নেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। যদি একজন চালক সব পয়েন্ট হারান তবে তাঁর লাইসেন্স বাতিল করা হবে।

২০ বছরের নিচে কেউ যানবাহনের কন্ডাক্টর বা সুপারভাইজারের লাইসেন্স পাবেন না। আর এই লাইসেন্স পেতে হলে কন্ডাক্টরকে অবশ্যই পঞ্চম শ্রেণি ও সুপারভাইজারকে অষ্টম শ্রেণি পাস হতে হবে।


আরও খবর



করোনা : বিশ্বে ১৪৭৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬৬ লাখ ৯১ হাজার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সারা বিশ্বে ১ হাজার ৪৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে পাঁচ শতাধিক। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৬৬ লাখ ৯১ হাজার ৩৫ জনে।

এদিকে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লাখ ৮৩ হাজার ৬৫৬ জন। আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৬০ হাজারের বেশি। মহামারির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৬ কোটি ৩২ লাখ ৫ হাজার ৭২২ জনে।

বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস এসব তথ্য জানিয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে জাপানে। দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ২১৯ জন। প্রাণহানি হয়েছে ৪১৫ জনের। মহামারির শুরু থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২ কোটি ৮৭ লাখ ৬৪ হাজার ২২৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ৫৬ হাজার ২২৮ জন মারা গেছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২২ হাজার ১৫৫ জন। মারা গেছেন ২১৮ জন। ভাইরাসে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এ দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১০ কোটি ২৩ লাখ ৬১ হাজার ৯৭৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া ১১ লাখ ১৬ হাজার ৯৬১ জন মারা গেছেন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে বৈশ্বিক মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি।


আরও খবর



আশিতে পা রাখলেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ

প্রকাশিত:রবিবার ০১ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ আশিতে পা রাখলেন। জন্মদিন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা। ১৯৪৪ সালের পহেলা জানুয়ারি কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার কামালপুর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং জন্মদিন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সুস্বাস্থ্য ও সাফল্য কামনা করেন।

প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেন, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ককে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে এবং উভয় দেশের  জনগণের কল্যাণে রাষ্ট্রপতি হামিদের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করতে চান তিনি।

কিশোরগঞ্জ জেলার হাওরবেষ্টিত মিঠামইন উপজেলার দুর্গম কামালপুর গ্রামে ১ জানুয়ারি বাবা হাজী মো. তায়েব উদ্দিন, মা তমিজা খাতুনের ঘরে জন্ম নেন মো. আবদুল হামিদ। হাওরের কাদা-মাটি-জলে গড়াগড়ি খেয়ে বেড়ে ওঠা আবদুল হামিদ নিকলী জিসি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিকুলেশন এবং ঐতিহ্যবাহী গুরুদয়াল কলেজ থেকে আইএ পাস করেন।

পরে একই কলেজে বিএ শেষে ঢাকা ল কলেজ থেকে অর্জন করেন এলএলবি ডিগ্রি।

অর্ধশতকের অধিককাল ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকা এ মানুষটি চরম দুর্দিনেও তার আদর্শ ও বিশ্বাস থেকে বিচ্যুত হননি। বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি ও জীবনদর্শনকে আত্মস্থ করে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

স্বাধীনতার পর তার নির্বাচনী এলাকা থেকে ৭ বার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে বিজয়ী হয়ে জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেন।

তৃণমূল থেকে উঠে আসা জনমানুষের নেতা মো. আবদুল হামিদ দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র ব্যক্তি, যিনি টানা দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রপতির আসন অলংকৃত করেন।


আরও খবর