Logo
শিরোনাম

‘নিষেধাজ্ঞাকালে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম পরিবহণ ও বিপণণে বাধা থাকবে না’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ২৬৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, বিদ্যমান করোনা পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত চলমান নিষেধাজ্ঞাকালে জরুরি খাদ্য পরিবহণে কোন বাধা নেই। মাছ, মাংস, দুধ, ডিম অত্যাবশ্যকীয় পণ্য। একইসাথে এগুলো পচনশীল দ্রব্য। এগুলো ‍উৎপাদন, পরিবহণ ও বিপণণে কোনভাবেই বাধা থাকবে না। এ ব্যাপারে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর-সংস্থায় চিঠি দিয়ে মন্ত্রণালয় থেকে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মঙ্গলবার (০৬ এপ্রিল) বিদ্যমান করোনা পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত চলমান নিষেধাজ্ঞাকালে মাছ, হাঁস-মুরগি, গবাদিপশু, দুধ, ডিম, মাছের পোনা, মুরগির বাচ্চা, পশু চিকিৎসা সামগ্রী, টিকা, কৃত্রিম প্রজনন সামগ্রী, মৎস্য ও পশু খাদ্য, ঔষধ ইত্যাদি পরিবহণ ও বিপণন কার্যক্রম নিশ্চিতকরণ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত ভার্চুয়াল সভায় রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে সংযুক্ত হয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ্ মোঃ ইমদাদুল হক ও শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ শেখ আজিজুর রহমানসহ মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ এ ভার্চুয়াল সভায় অংশগ্রহণ করেন।

এ ব্যাপারে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনের সাথে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় ও জেলা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের তৎপর থাকার নির্দেশ দেন মন্ত্রী। উপজেলা কর্মকর্তাদের সাথে নিবিড়ভাবে যোগাযোগ রক্ষা এবং মনিটরিং এর জন্যও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের এ সময় নির্দেশ দেন মন্ত্রী। মাঠ পর্যায়ের উদ্ভুত সমস্যাগুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা এবং নিয়মিত কঠোর মনিটরিং এর ব্যবস্থা নেয়ার জন্য মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এসময় নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী এসময় বলেন, এ বছর করোনা পরিস্থিতি গতবছরের চেয়ে আরো ভয়াবহ। তবে এসময় আতঙ্কিত হয়ে একেবারে ঘরে বসে থাকার সুযোগ নেই। আমরা সবকিছু বন্ধ করে দিলে দেশ চলবে না। মানুষের মাছ, মাংস, দুধ ডিমের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে না। আবার উৎপাদক, খামারি, বিপণনকারীসহ এ খাত সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। গতবছর এ খাতের সংকট উত্তরণে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল, কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে, পরিবহনের বাধা দূর করা হয়েছে। বন্দরে মৎস্য ও প্রাণী খাদ্য ছাড়করণেও আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। এবছরও প্রান্তিক খামারিদের উৎপাদিত পণ্য ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের ব্যবস্থা করা হবে। উদ্ভূত সংকট মোকাবিলায়  কন্ট্রোল রুম চালু করা হবে।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসময় মন্ত্রী আরো বলেন, বিগত বছর করোনার মধ্যে আপনাদের পরিশ্রম ও আন্তরিক প্রচেষ্টার কারণে মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার ভাবমূর্তি দেশবাসীর কাছে প্রশংসিত হয়েছে। করোনাকালে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত একটি বড় খাত। এজন্য এ খাতের উৎপাদন, পরিবহণ ও বিপণন অবশ্যই অব্যাহত রাখতে হবে। করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতিতে কোনভাবেই যেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত নুয়ে না পড়ে। এ খাত নুয়ে পড়লে ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে। কারণ পুষ্টি ও আমিষের বড় যোগান আসে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত থেকে। এ খাতের যে সুনাম গতবছর হয়েছিল, সেটা যেন কোনভাবে বিপন্ন না হয়। দায়িত্বের জায়গা সম্মিলিতভাবে গ্রহণ করতে হবে, এককভাবে নয়। এ ব্যাপারে কোনরূপ শৈথিল্য দেখানোর সুযোগ নেই।



আরও খবর



অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করলেন বাইডেন

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৫৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাড়িতে তৈরি বন্দুক লক্ষ্য করে একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন সদ্য ক্ষমতায় বসা মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। নিবন্ধনহীন এবং শনাক্তের অযোগ্য এসব বন্দুক ঘোস্ট গান নামে পরিচিত।

বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) জো বাইডেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে মহামারি হয়ে ওঠা বন্দুক সহিংসতা আন্তর্জাতিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করছে। নতুন নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে নির্দিষ্ট বন্দুকের জন্য নিয়ম তৈরি হবে, ব্যাকগ্রাউন্ড খতিয়ে দেখা জোরাল হবে আর সহিংসতা প্রতিরোধে স্থানীয় উদ্যোগগুলোকে সমর্থন দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাহী আদেশের এসব নির্দেশনা জারি করায় এগুলো বাস্তবায়ন করতে এখন আর কংগ্রেসের অনুমোদনের দরকার পড়বে না। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

নির্বাহী আদেশ জারি করা হলেও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে এখনো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। মার্কিন সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে নাগরিকদের অস্ত্র বহনের অধিকারকে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। আর এ কারণে অনেকেই অস্ত্র নিয়ন্ত্রণকে সাংবিধানিক অধিকারে হস্তক্ষেপ বলে দেখ থাকেন।

এদিন বাইডেন নতুন নির্বাহী আদেশ জারি করার কয়েক ঘণ্টা পরই টেক্সাসের একটি দোকানে চালানো বন্দুক হামলায় একজন নিহত এবং আরও পাঁচজন আহত হয়েছে। সন্দেহভাজন হামলাকারীকে আটকের সময় রাজ্যের একজন সেনা সদস্যও গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। এর আগে বুধবার (৭ এপ্রিল) দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় এক হামলায় দুই শিশুসহ পাঁচ জন নিহত হয়। এছাড়া মার্চে দুইটি বড় আকারের হামলায় নিহত হয় মোট ১৮ জন।

বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের রোজ গার্ডেনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, বন্দুকের কারণে এই দেশে প্রতিদিন গড়ে ১০৬ জন নিহত হচ্ছে। তিনি বলেন, সৃষ্টিকর্তার দোহাই, এটা মহামারি। আর এটা থামাতে হবে।

বাইডেনের নতুন নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ঘোস্ট গান নিয়ন্ত্রণের উপায় হিসেবে ৩০ দিনের মধ্যে নতুন নিয়মের প্রস্তাব দেবে বিচার বিভাগ। এসব অস্ত্র যে কেউ জোড়া লাগিয়ে ফেলতে পারে। ফলে এগুলোর কোনও সিরিয়াল নাম্বার থাকে না আর শনাক্তও করা যায় না।

অস্ত্র জোড়া লাগানোর সামগ্রী কিনতে হলেও কোনো ব্যাকগ্রাউন্ড চেকও প্রয়োজন পড়ে না। বাইডেন বলেন, অপরাধী থেকে শুরু করে সন্ত্রাসী পর্যন্ত যে কেউ এই কিট কিনতে পারে, আর ৩০ মিনিটের মধ্যে সবকিছু জোড়া লাগিয়ে একটা অস্ত্র বানিয়ে নিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে অপরাধগুলোতে ক্রমবর্ধমান হারে বাড়িতে তৈরি অস্ত্র ব্যবহার হচ্ছে। দেশটির কেন্দ্রীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী লস অ্যাঞ্জেলস থেকে জব্দ করা অস্ত্রের ৪০ শতাংশের বেশি ঘোস্ট গান

নিউজ ট্যাগ: জো বাইডেন

আরও খবর

মিয়ানমারে সেনা অভিযানে নিহত ৮২

রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১




স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই চলছে গণপরিবহন

প্রকাশিত:রবিবার ২১ মার্চ 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১৬৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গত কয়েকদিন ধরে দেশে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় নড়েচড়ে বসেছে সরকার। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদফতর, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও সচেতন মহল থেকে বারবার বলা হচ্ছে- স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। অথচ স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চলছে অধিকাংশ মানুষ। বিশেষ করে গণপরিবহনের চিত্র একেবারেই উলটো। সেখানে চালক, সহকারী ও অধিকাংশ যাত্রী মাস্ক পরেন না। আবার অনেকে মাস্ক পরলেও তা থুতনিতে ঝুলিয়ে রাখে। এছাড়া গাড়ির ভেতরে মাস্ক ছাড়া হকার যখন-তখন প্রবেশ করে। হ্যান্ড স্যানিটাইজার কিংবা জীবাণুনাশক ছিটাতেও দেখা যায় না। এ পরিস্থিতিতে গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

শনিবার (২০ মার্চ) রাজধানীর সাতরাস্তা বাসস্ট্যান্ড, মহাখালী, ফার্মগেট ও কাওরানবাজার বাসস্ট্যান্ড সরেজমিনে ঘুরে স্বাস্থ্যবিধি না মানার এমন চিত্র দেখা গেছে।

রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর থেকে ফার্মগেট এসে যাত্রী তুলছিলেন বিআরটিসি বাসের সহকারী বাবুল মিয়া। দেখে গেছে- মাস্ক না পরেই যাত্রী তুলছেন, যাত্রীদের হাত ধরছেন, আবার কারো মুখের একেবারে কাছে গিয়ে কথা বলছেন তিনি। মাস্ক কোথায় জানতে চাইলে তিনি বলেন, গাড়ি ছাড়ার আগে ভাত খেয়েছিলাম, তাই আর পরা হয়নি।

একই বাসে ফার্মগেট থেকে উঠেছেন আমিনুল ইসলাম। তিনি যাবেন পুরান ঢাকার বাবু বাজারে। মাস্ক ছাড়াই বাসে উঠেছেন তিনি। ক্যামেরা দেখেই পকেট থেকে একটি রুমাল বের করে মুখে বাঁধেন। আপনার মাস্ক নেই কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, মন চাইলে মাঝে মধ্যে মুখে রুমাল বেঁধে রাখি, মাস্কের প্রয়োজন হয় না।

একইচিত্র দেখা গেছে, রাজধানীর নাবিস্কোতে। নতুন বাজার থেকে ছেড়ে আসা কমলাপুরগামী ৬ নম্বর বাসের ভেতরে গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে আছেন যাত্রীরা। বেশিরভাগ যাত্রীই মাস্ক ছাড়া গাড়িতে উঠেছেন। সেখানে একজন যাত্রী শাহ আলম বলেন, যারা গণপরিবহন পরিচালনা করেন তাদেরই এ বিষয়ে কোনো খেয়াল নেই। গাড়ির চালক-হেলপার যদি যাত্রীদের তাগিদ দিতো তাহলে সবাই মাস্ক পরেই গাড়িতে উঠতো। তারা নিজেরাই মাস্ক পড়েন না।

হেলথ অ্যান্ড হোপ স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, ফের করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো বিকল্প নেই। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই চলতে হবে। কোথাও কোনো জনসমাগম করা যাবে না। বিশেষ করে গণপরিবহনসহ পাবলিক প্লেসে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের আরও কঠোর হতে হবে।


আরও খবর

লকডাউনেও ট্রাফিক জ্যাম

মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১




যেভাবে পুরো পরিবারকে হত্যার পরিকল্পনা করেন ফারহান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাসের নিকটস্থ অ্যালেন শহরে বাংলাদেশি একটি পরিবারের চার সদস্যকে মর্মান্তিকভাবে হত্যার পর দুই ভাইয়ের আত্মহত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছিল ফারহান তৌহিদ। ফারহান তৌহিদ দীর্ঘদিন ধরেই বিষন্নতায় ভুগছিলেন বলে তাদের পারিবারিক ও স্থানীয় বাংলাদেশিদের একটি সূত্রে জানা গেছে।

টেক্সাসের স্থানীয় সময় সোমবার (৫ এপ্রিল) সকালে দুই ভাই মিলে তাদের মা আইরিন ও বাবা তৌহিদুল ইসলামসহ নানী এবং একমাত্র বোনকে হত্যার পর নিজেরাও আত্মহত্যা করেছে। ঘটনার পর অ্যাপার্টমেন্ট থেকে পুলিশ ৬ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করেন।

এ ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ফারহান তৌহিদের ফেসবুকের স্ট্যাটাস পর্যালোচনা করে অ্যালেন সিটি পুলিশের সার্জেন্ট জন ফেলী জানান, সম্ভবত গত শনিবার এমন নৃশংসতার ঘটনা ঘটে। ১৯ বছর বয়সী একজনের এই পরিস্থিতির আলোকপাত করা হয়েছে। পুলিশের মতে আত্মহত্যার নোটে রয়েছে হতাশার ধারা বিবরণী।

তবে স্থানীয়রা জানিয়েছেন কোনো কারণে হয়তো তৌহিদুল ইসলামের দুই পুত্রই মন মরা ভাব বা বিষন্নতায় ভুগছিলেন। আত্মহত্যার সেই নোটে ফারহান উল্লেখ করেছেন ২০১৬ সালে নবম গ্রেডে পড়া অবস্থায় সে বিষন্নতায় আক্রান্ত হয় বলে চিকিৎসকরা জানায়। এজন্য সে পরীক্ষায় বারবার ফেল করে। আজ সে নিজের শরীরে দুইবার কেটেছে। খুবই কষ্ট পেয়েছে। তার মনে আছে ২০১৭ সালের ২২ আগস্ট, কাঁচির মতো ধারালো অস্ত্র দিয়ে নিজের শরীরে কেটেছিল। সে অনুভব করেছে কতটা অসহনীয় যন্ত্রণা। এরপর প্রায় দিনই শরীরে রান্নাঘরের চাকু দিয়ে কাটে। বিষন্নতার দুঃখবোধ লাঘবের পথ খুঁজেছিল সে। এ অবস্থায় তার ঘনিষ্ঠ তিন বন্ধু তাকে ত্যাগ করেছে। এমনি হতাশার মধ্যেই তাকে ভর্তি করা হয় ইউনিভার্সিটি অব অস্টিনে কম্পিউটার সায়েন্স ডিপার্টমেন্টে। এরপর সে ভাবে যে, এবার জীবনটা সঠিক ট্র্যাকে উঠেছে। বাস্তবে তা ঘটেনি। বিষন্নতায় জর্জরিত হয়ে পুনরায় সে নিজের শরীর রক্তাক্ত করে এবং কাঁদতে কাঁদতে বিছানায় ঘুমাতে যায়। সান্ত্বনা খোঁজে যে, সে সুস্থ হয়েছি। অন্যদের মতোই স্বাভাবিক। কিন্তু সেটি সত্য বলে কখনোই মনে হয়নি তার। এক পর্যায়ে সে লিখেছে, যদি আত্মহত্যা করি তাহলে গোটা পরিবার সারাটি জীবন কষ্ট পাবে। সেটি সে চায় না। সেজন্য পরিবারের সকলকে নিয়ে মারা যাবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে ভাইকে শমিল করেন। দুইভাই যায় বন্দুক ক্রয় করতে। সে হত্যা করবে ছোটবোন আর নানীকে। আর তার ভাই করবে মা-বাবাকে। এরপর উভয়ে আত্মহত্যা করবে এমন একটি সিদ্ধান্ত নেয় তারা। কেউ থাকবে না কষ্ট পাবার।

আত্মহত্যার প্রাক্কালে লেখা ওই নোটে সে আরও উল্লেখ করেছে যে, বন্দুক ক্রয়ের ব্যাপারটি খুবই সহজ। তার ভাই গেলেন দোকানে। বললেন যে, বাড়ির নিরাপত্তার জন্যে বন্দুক দরকার। দোকানি কয়েকটি ফরম ধরিয়ে দিলেন সেখানে স্বাক্ষর করলেন ভাই। এরপর হাতে পেয়ে যায় কাঙ্ক্ষিত বস্তুটি, যা দিয়ে নিজের কষ্ট এবং পরিবারের কষ্ট সহজ করতে মা আইরিন ও বাবা তৌহিদুল ইসলামসহ নানী এবং একমাত্র বোনকে তারা নির্মমভাবে হত্যা করে নিজেরা আত্মহত্যা পথ বেছে নেয়।

তৌহিদুল ইসলামের দেশের বাড়ি পাবনা জেলার দোহার পাড়ায় বলে জানা গেছে। তিনি হায়দার পরিবার (জিয়া হায়দার ও রশিদ হায়দার)-এর নিকট আত্মীয় বলে জানা গেছে।


আরও খবর



জলে-স্থলে-আকাশে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু

প্রকাশিত:সোমবার ২২ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৭১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সরকার ও রাজনৈতিক দল যখন সততা, আন্তরিকতা দিয়ে জনস্বার্থে কাজ করে তখন জাতির উন্নতি ও কল্যাণ নিশ্চিত হবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বলেছেন, সাধারণ হতদরিদ্র মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে দল-মত নির্বিশেষে তাদের পাশে দাঁড়াতে পারলে দেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। মুজিববর্ষে এটাই হবে সবচেয়ে বড়ো অর্জন।

আজ সোমবার (২২ মার্চ) স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষ্যে আয়োজিত ১০ দিনের আয়োজনের ষষ্ঠ দিনে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

সোমবার আয়োজনের থিম বাংলার মাটি আমার মাটি। শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারী।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ এখন স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ অর্জন করেছে। বাংলাদেশ এখন উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হওয়ার পথে দ্রুত অগ্রসরমান।

জলে-স্থলে-আকাশে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। তিনি দেশকে সোনার বাংলা হিসাবে গড়তে চেয়েছিলেন। আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই আরাধ্য কাজ সম্পন্ন করেছেন, বাংলাদেশের স্থল ও সমুদ্রসীমা স্থায়ীভাবে নির্ধারণ করেছেন।

৫৭তম দেশ হিসাবে বাংলাদেশ মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট পাঠিয়েছে যা সফলভাবে কাজ করছে। জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলাদেশ গড়ার। তারই দেখানো পথে জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে অযুত বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হতে পারে, সে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

তিনি বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান শুধু একটি নাম নয়। বঙ্গবন্ধু একটি প্রতিষ্ঠান, একটি সত্তা, একটি ইতিহাস। বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে আলাদা করে দেখার কোনও সুযোগ নেই। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর জাতির পিতার আদর্শকে ধারণ করে জাতি এগিয়ে যাক ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার পথে।


আরও খবর



ইডেন মহিলা কলেজে বাংলাদেশ হিউম্যান হেল্পিং সোসাইটি'র আহ্বায়ক কমিটি গঠিত

প্রকাশিত:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ২৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ইডেন মহিলা কলেজে বাংলাদেশের হিউম্যান হেল্পিং সোসাইটি'র কার্যক্রম বিস্তৃতি ও শাখা গঠনের লক্ষ্যে ০৮ (আট) সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গতকাল রবিবার বাংলাদেশ হিউম্যান হেল্পিং সোসাইটি'র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি নাইমুর রহমান সাকিব ও সাধারণ সম্পাদক  মাহমুদুল হাসান ইজাজ কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উক্ত কমিটি ঘোষণা করা হয়।

নতুন কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তামান্না বেগম এবং সদস্য সচিব হিসেবে সুমনা হক চৈতী।   কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক আগামী ৬০ দিনের মধ্যে পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠনের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

তামান্না বেগম বলেন, "মানব সেবামূলক কার্যক্রমে আমাদের সবার এগিয়ে আসা উচিৎ। বিশেষ করে বর্তমানে আমরা খুবই সংকটময় অবস্থার মধ্যে যাচ্ছি। আমাদের সবার মানবিক হওয়া অত্যন্ত জরুরী।"          

সুমনা হক চৈতী বলেন, "পারস্পরিক সহযোগিতায় অগ্রগতি, পরহিতে মানবের স্থায়ী সুখ, প্রেমমৈএীর মেলবন্ধনেই অস্তিত্ব বিকাশ। মানব সহযোগিতায় সেই পরহিতে ব্রতই এক সুমহান কর্ম। আর এ স্লোগান এ এগিয়ে যাক এই সংগঠন।"

এছাড়া আহ্বায়ক কমিটিতে রয়েছেন  যুগ্ম আহ্বায়ক ফারজানা মাহমুদা, সানজিদা রহমান সেতু। আহ্বায়ক সদস্য জারকা, রিফাত আনজুম তিনা, তাসনিম তাবাসসুম ও ফাতেমা তুক জোহরা।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ হিউম্যান হেল্পিং সোসাইটি ২০১৩ সালের ০১লা মে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

নিউজ ট্যাগ: ইডেন মহিলা কলেজ

আরও খবর