
রোববার (২০ ফেব্রুয়ারি)
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পাল্লা বাজারে ফুহাদ আল মতিনের ব্যক্তিগত একটি কার্যালয়ে এ ঘটনা
ঘটে। আহত অবস্থায় গৃহবধূকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছেন এক সিএনজিচালক।
অভিযুক্ত ফুহাদ আল মতিন পাঁচগাঁও ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বলে নিশ্চিত করেছেন
উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মোহাম্মদ উল্যাহ পাটোয়ারী।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
গৃহবধূ জানান, পরিবারের সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন ঢাকায় ছিলেন। তার এক সন্তান রয়েছে। এক
বছর আগে পরিচয়ের জের ধরে পারিবারিক সমস্যা থাকায় ফুহাদের কাছে একটি চাকরির কথা বলেন
গৃহবধূ। ফুহাদ নিজেকে বড় মাপের একজন নেতা দাবি করেন।
পরবর্তী সময়ে
গৃহবধূর কাছ থেকে একটি জীবনবৃত্তান্ত জমা নেন ফুহাদ। এর সূত্র ধরে রোববার সকাল ১০টায়
ওই গৃহবধূকে তার পাল্লা বাজার কার্যালয়ে আসতে বলেন ফুহাদ। তার কথা হিসেবে সিএনজিতে
পাল্লা বাজার ফুহাদের কার্যালয়ে আসেন তিনি। আসার পর প্রথমে তাকে নাশতা ও পরে কোমল পানীয়
(কোল্ড ড্রিংকস) দেওয়া হয়। তাতে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে প্রথমে মারধর ও পরে জোরপূর্বক
ধর্ষণ করেন ফুহাদ আল মতিন।
এ সময় তার এক
সহকারী সবকিছু মোবাইলে ধারণ করেন এবং কাউকে কিছু বললে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া ও হত্যার হুমকি
দেন। পরে তারা তাকে একটি অটোরিকশায় তুলে দিলে রিকশা তাকে চাটখিল ও পাল্লা বাজারের মাঝামাঝি
জায়গায় নামিয়ে দেয়। ওই স্থান থেকে মোহাম্মদ আলী নামের এক সিএনজিচালক তাকে জেনারেল হাসপাতালে
ভর্তি করেন।
চাটখিল থানার
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের জানান, অভিযুক্ত ফুহাদ আল মতিনকে আটকের জন্য
পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

