Logo
শিরোনাম

নড়াইলে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় ৫ জন রিমান্ডে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ নভেম্বর ২০২৩ | ২৪৫০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার দীঘলিয়া গ্রামে মহানবী (সা.) কে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তির অভিযোগে সহিংসতার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় গ্রেফতারকৃত ৫ জনের প্রত্যেককে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার (১৮ জুলাই) বিকেলে নড়াইলের লোহাগড়া আমলি আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোরশেদুল আলম উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এর আগে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এসআই মিজানুর রহমান শেখ ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে আসামিদের আদালতে হাজির করেন। আসামিরা হলেন লোহাগড়ার দিঘলিয়া ইউনিয়নের দিঘলিয়া গ্রামের ইসহাক মৃধার ছেলে রাসেল মৃধা (৩৮) ও লুটিয়া গ্রামের মৃত আজিজুল গাজীর ছেলে কবির গাজী (৪০), তালবাড়িয়া গ্রামের মৃত আমিন উদ্দিন শেখের ছেলে সাইদ শেখ (২৫), বাটিকাবাড়ি গ্রামের বারিক শেখের ছেলে রেজাউল শেখ (৪০) এবং বয়রা গ্রামের সাদেকুর রহমান মোল্যার ছেলে মাসুম বিল্লাহ (৩২)।

লোহাগড়া থানার ওসি শেখ আবু হেনা মিলন জানান, প্রথম দুজনকে রবিবার এবং পরের তিনজনকে সোমবার গ্রেফতার করা হয়। গত রবিবার (১৭জুলাই) বিকেলে বাড়ি ও মন্দির ভাংচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় লোহাগড়া থানার এসআই মাকফুর রহমান বাদী হয়ে অজ্ঞাত ২০০ থেকে ২৫০ জনকে আসামি করে লোহাগড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এদিকে, ধর্মীয় উস্কানিমূলক পোষ্ট প্রদানকারী আকাশ সাহাকে শনিবার রাতে খুলনা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদনের প্রেক্ষিতে একই আদালত আকাশ সাহার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার দীঘলিয়া সাহা পাড়ার কলেজছাত্র আকাশ সাহার ফেসবুক আইডিতে গত ১৫ জুলাই মহানবী (সা.) কে নিয়ে কটূক্তি ও বিতর্কিত মন্তব্য করায় দীঘলিয়ায় ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। এরপর বিক্ষুব্ধ লোকজন আকাশ সাহার গ্রেফতার ও বিচার দাবিতে তাদের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ করেন। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনগণ দীঘলিয়া বাজারের ৬টি দোকান ও একটি মন্দিরে আগুন দেওয়াসহ তিনটি মন্দির ভাংচুর করে।

এছাড়া দীঘলিয়া সাহাপাড়ার ৫টি বসতবাড়িতে হামলা করে আসবাবপত্র ভাংচুর, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনার সময় স্থানীয় ইউপি মেম্বর, এক শিক্ষকসহ ৩জন আহত হয়।  এ ঘটনায় আকাশ সাহাকে আসামী করে দীঘলিয়া গ্রামের কচি সরদার বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করেন। ওই এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও র‌্যাব মোতায়েন রয়েছে।


আরও খবর