Logo
শিরোনাম

ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ জানুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৪৫জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আজ ২৪ জানুয়ারি, বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মাইলফলক ঊনসত্তরের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস। মুক্তিকামী নিপীড়িত জনগণের পক্ষে জাতির মুক্তিসনদ খ্যাত ছয় দফা এবং পরবর্তীতে ছাত্র সমাজের দেওয়া ১১ দফা কর্মসূচির প্রেক্ষাপটে সংঘটিত হয়েছিল এই গণঅভ্যুত্থান।

দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শহীদ মতিউর স্মৃতি সৌধে (নবকুমার ইনস্টিটিউট, বকশীবাজার, ঢাকা) শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

ঐতিহাসিক ২০ জানুয়ারি ৬৯র গণঅভ্যুত্থানের নায়ক শহীদ আসাদের আত্মদানের পর ২১, ২২, ২৩ জানুয়ারি শোক পালনের মধ্য দিয়ে ঢাকায় সর্বস্তরের জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ২৪ জানুয়ারি এই অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানের সৃষ্টি হয়। এই গণঅভ্যুত্থানের পথ ধরে রক্তাক্ত সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাঙালি জাতি মহান স্বাধীনতা অর্জন করে।

ঊনসত্তরের এদিন ঢাকায় সচিবালয়ের সামনের রাজপথে নবকুমার ইনস্টিটিউটের নবম শ্রেণির ছাত্র কিশোর মতিউর ও রুস্তম শহীদ হন। প্রতিবাদে সংগ্রামী জনতা সেদিন সচিবালয়ের দেয়াল ভেঙে আগুন ধরিয়ে দেয়। বিক্ষুব্ধ জনগণ আইয়ুব-মোনায়েম চক্রের দালাল, মন্ত্রী, এমপিদের বাড়িতে এবং তাদের মুখপত্র হিসেবে পরিচিত তৎকালীন দৈনিক পাকিস্তান ও পাকিস্তান অবজারভারে আগুন লাগিয়ে দেয়। জনগণ আইয়ুব গেটের নাম পরিবর্তন করে আসাদ গেট নামকরণ করে।

Share



শকুন রক্ষায় উৎপাদন বন্ধ হচ্ছে কিটোপ্রোফেন

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৬২জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে মহাবিপন্ন শকুন রক্ষায় ব্যথানাশক ভেটেরিনারি কিটোপ্রোফেন জাতীয় ওষুধের উৎপাদন বন্ধের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ভার্চ্যুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

সভা শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এক ব্রিফিংয়ে বলেন, আমাদের দেশে খুবই ডেনজারাসলি শকুনের সংখ্যা কমে গেছে, খুবই বিপজ্জনক অবস্থায়। সত্তরের দিকে দেশে ৫০ হাজারের মতো শকুন ছিল, এখন তাদের (মন্ত্রণালয়) হিসাবে মাত্র ২৬০টি আছে। তাও ক্রিটিক্যালি অবস্থায় আছে। এটার অন্যতম কারণ হলো কিটোপ্রোফেন জাতীয় ব্যথানাশক ইউজ করার কারণে, এই ওষুধটা শকুনের মধ্যে গেলে মারা যায়।

আনোয়ারুল ইসলাম জানান, ফার্মাসিউটিক্যালস, ড্রাগ কোম্পানি ও এক্সপার্টদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রস্তাব নিয়ে এসেছে। এই কিটোপ্রোফেন ওষুধ যদি বন্ধ না করা যায় তাহলে শকুন এদেশে বাঁচবে না। শকুন যদি না থাকে সেক্ষেত্রে পুরো দেশের মধ্যে যে পরিমাণ মৃত পশু-পাখি থাকে সেগুলোতো পরিবেশ নষ্ট করে, রোগজীবাণু ছড়ায়। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অন্যতম একটা উপজীব্য হিসেবে শকুন কাজ করে। সেজন্য তারা বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা, সভা-সিম্পোজিয়াম করে সিদ্ধান্তে আসছে এটা বন্ধ করতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কিটোপ্রোফেন জাতীয় ব্যথানাশক ওষুধ বন্ধ করে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় ম্যালোক্সিক্যাম (Meloxicam) নামে একটা ওষুধ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে। এটার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুব কম, এটা ব্যবহার করলে শকুন বা অন্য পাখির ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা হবে না, লাইফ রিস্ক হবে না, মন্ত্রিসভা এটাও অনুমোদন করেছে। ম্যালোক্সিক্যাম ওষুধ নিয়ে দেশের ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়েছে। এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই, ওষুধটি বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। ওটা (কিটোপ্রোফেন) তুলে নিলে কোনো ক্ষতি হবে না।

পরিবেশ মন্ত্রণালয় থেকে জানা যায়, বিভিন্ন কারণে ৯৯ শতাংশ শকুন বিলুপ্ত হয়েছে। বর্তমানে দেশে ২৬০টি শকুন আছে। ২০১০ সালে দেশব্যাপী শকুনের জন্য ক্ষতিকারক ওষুধ ডাইক্লোফেনাক নিষিদ্ধ করা হয়। ২০১৩ সালে বাংলাদেশ জাতীয় শকুন সংরক্ষণ কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২০১৪ সালে দেশের দুটি অঞ্চলকে শকুনের জন্য নিরাপদ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ২০১৬ সালে দশ বছর মেয়াদী (২০১৬-২০২৫) বাংলাদেশ শকুন সংরক্ষণ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের শকুন রক্ষা করার জন্য দীর্ঘমেয়াদী কাঠামো হিসেবে কাজ করছে। এই কর্মপরিকল্পনা অগ্রাধিকার দিয়েই শকুন সংরক্ষণে বর্তমানে সব ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

আর ২০১৫ সালে শকুনের প্রজননকালীন বাড়তি খাবারের চাহিদা মেটানোর জন্য হবিগঞ্জের রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে ও সুন্দরবনে দুটি ফিডিং স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। ২০১৬ সালে অসুস্থ ও আহত শকুন উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দিনাজপুরের সিংড়ায় একটি শকুন উদ্ধার ও পরিচর্যা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। সরকারের বহুমুখী পদক্ষেপের ফলে হবিগঞ্জের রেমা-কালেঙ্গায় ২০১৪ সালে শকুনের প্রজনন সফলতা ছিল ৪৪ শতাংশ, ২০২০ সালে বেড়ে ৫৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।

Share

করোনা টিকা নিলেন শেখ রেহানা

বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১




ভাসানচরের পথে আরো দুই হাজার রোহিঙ্গা

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৭১জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চতুর্থ পর্যায়ে চট্টগ্রাম থেকে জাহাজে করে দুই হাজার ১২ জন রোহিঙ্গাকে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ভাসানচরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। চট্টগ্রামের পতেঙ্গা বোট ক্লাব থেকে আজ সোমবার সকালে পাঁচটি জাহাজে করে তাদের ভাসানচরের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়।

এর আগে গতকাল রবিবার রাতে নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন শিবির থেকে ৪১টি বাসে করে তাদের চট্টগ্রামে আনা হয়। দুই হাজার ১২ জন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ রাতে চট্টগ্রাম পৌঁছায়। পতেঙ্গা বিএফ শাহীন কলেজ মাঠ, বোট ক্লাব ও আশপাশের এলাকায় অস্থায়ী ট্রানজিট শিবিরে তাদের রাখা হয়। পরে আজ সোমবার সকালে নৌবাহিনীর পাঁচটি বিশেষ জাহাজে করে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ভাসানচরে।

রোহিঙ্গা অধিবাসী মনির জানান, তিনি নিজ ইচ্ছায় ভাসানচরে ফিরছেন। সেখানে তাঁদের আত্মীয়-স্বজনরা আগে গেছেন। একটু সুখ-শান্তির আশায় তাঁরা সেখানে যাচ্ছেন। তবে তিনি নিজের দেশ মিয়ানমারে ফিরে যেতে চান। নিজের জন্মভূমিতে ফেরার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

নৌবাহিনী সূত্র জানিয়েছে, যেসব রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নেওয়া হবে, তাদের জন্য খাবার, নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীসহ অন্তত এক মাসের রসদ সরকার মজুদ রেখেছে।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর চরম নজিরবিহীন নৃশংসতার শিকার হয়ে বিভিন্ন সময়ে দেশটি থেকে সাড়ে ১১ লাখ রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। মাঝে দুই দফায় রোহিঙ্গাদের রাখাইনে প্রত্যাবাসনের জন্য দিনক্ষণ চূড়ান্ত হলেও তাদের পাঠানোর প্রক্রিয়া সফল হয়নি। মূলত মিয়ানমার কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। ফলে বহুদিন ধরেই কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্পে তারা বসবাস করে আসছে। সেখানে চাপ কমানোর জন্য সাময়িকভাবে রোহিঙ্গাদের একটি অংশকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হচ্ছে।

ভাসানচরে এরই মধ্যে তৈরি করা হয়েছে এক হাজার ৪৪০টি ক্লাস্টার হাউস ও ১২০টি শেল্টার স্টেশন। গুচ্ছ গ্রামের আদলে নির্মাণ করা হয়েছে এসব ক্লাস্টার হাউস। প্রতিটি ক্লাস্টার হাউসে ১২টি গৃহ। প্রতি গৃহে রয়েছে ১৬টি কক্ষ। একেক কক্ষে চারজনের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। রোহিঙ্গারা কক্সবাজারের তুলনায় ভাসানচরে অনেক ভালো প্রাকৃতিক নান্দনিক পরিবেশে বসবাস করতে পারবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

Share



শরীয়তপুরে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা : চাচাসহ দুজনের ফাঁসি

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৫৯জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানার সরদারকান্দি গ্রামের শিশু লিজা আক্তারকে (১৩) গণধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

শরীয়তপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আব্দুস ছালাম খান বুধবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে এ আদেশ দেন।

এছাড়া শিশুটির মরদেহ গুম করার অপরাধে দুজনকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে ছয় মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন, লিজার চাচা ফরিদ শেখ (৩৪) ও চাচাতো ভাই জাকির শেখ (২৮)।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ কৌঁসুলি (পিপি) ফিরোজ আহমেদ বলেন, ২০১৭ সালের ১৫ জুলাই শনিবার বিকেলে স্কুল ছুটির পর বাইসাইকেল নিয়ে বাড়ির সামনের রাস্তায় বের হয় লিজা। সন্ধ্যা হয়ে গেলে বাড়িতে না ফেরায় খোঁজাখুঁজি করে তার পরিবার। পরে সখিপুর থানায় একটি জিডিও করা হয়।

এক সপ্তাহ পর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সখিপুর ইউনিয়নের ছৈয়ালকান্দি গ্রামের একটি পাটখেতের পানিতে লিজার মরদেহটি ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। সখিপুর থানায় খবর দিলে লিজার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে লিজার বাবা লেহাজ উদ্দিন সরদার বাদী হয়ে মামলা করেন।

জানা যায়, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। কিন্তু ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে নিয়ে গেলে লিজার জরায়ু, লিভার, ফুসফুস, কিডনি ও হৃদযন্ত্রসহ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ পাননি ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক। পরে ডিএনএ টেস্ট করার জন্য শরীরের কিছু অংশ ঢাকা মেডিকেল ও মহাখালীতে পাঠানো হয়।

তদন্ত শেষে সখিপুর থানার পুলিশ দুজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দুজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়। রায় ঘোষণার পর তাদের কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী শাহ আলম জানান, তারা রায়ে সন্তুষ্ট হতে পারেননি। এ রায়ের বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

Share

মাদক মামলায় পারভিনের ১০টি বই পড়ার দণ্ড

বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার এক আসামি গ্রেফতার

মঙ্গলবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১




সৌদি ও আমিরাতের কাছে অস্ত্র বিক্রি নিষিদ্ধ করল ইতালি

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ জানুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৯৮জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

এবার সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অস্ত্র বিক্রি স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দিয়েছে ইতালি। ইয়েমেন যুদ্ধে এসব অস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে যার কারণে এই সিদ্ধান্ত নিল ইতালি। খবর আল জাজিরার

এর দুই দিন আগে সৌদি ও আমিরাতে কোটি কোটি ডলারের অত্যাধুনিক অস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তার দুইদিন পরই এই সিদ্ধান্ত জানাল ইতালি।

ইয়েমেন যুদ্ধে সংশ্লিষ্টতার কারণে দেড় বছর আগে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অস্ত্র বিক্রি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছিল ইতালি। শুক্রবার সেই সিদ্ধান্তকে স্থায়ী রূপ দিল ইউরোপের দেশটি। ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী লুইজি দি মাইও বলেন, আমি ঘোষণা দিচ্ছি, সরকার সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমা রপ্তানি অনুমতি বাতিল করেছে।

তিনি বলেন, এই কাজটি আমরা যথাযথ বলে বিবেচনা করেছি। এটি আমাদের দেশ থেকে শান্তির পক্ষে পরিষ্কার বার্তা। মানবাধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা আমাদের একটি অটুট প্রতিশ্রুতি।

২০১৯ সালের জুলাইয়ে অস্ত্র বিক্রিতে সাময়িক স্থগিতাদেশ দেওয়ার সময় ইয়েমেনের নাম উল্লেখ করলেও এবার সেটি করেননি ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এদিকে দেশটির পিস অ্যান্ড ডিসআর্মানেন্ট নেটওয়ার্ক নামে একটি গ্রুপ সরকারের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। সরকারের এ আদেশের ফলে ১২ হাজার ৭০০টিরও বেশি অস্ত্র বিক্রি বাতিল হতে পারে বলে তারা ধারণা করা হচ্ছে।

২০১৬ সালে সৌদি আরবের সাথে ৪০ কোটি ইউরোর ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির চুক্তি ছিল যার আওতায় রিয়াদকে ২০ হাজার ক্ষেপণাস্ত্র দেয়ার কথা ছিল।

Share

মোদি সবচেয়ে বড় দাঙ্গাবাজ: মমতা

বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১

তিন কারাগারে দাঙ্গায় ৬২ জন নিহত

বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১

চিরকুট লিখে হোটেলে এমপির ‘আত্মহত্যা’

মঙ্গলবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১




যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলে তুষারধসে চার স্কিয়ারের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৫২জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলীয় ইউটা অঙ্গরাজ্যের এক গিরিখাতে তুষারধসে চার স্কিয়ারের মৃত্যু ও অপর চারজন আহত হয়েছে।

আঞ্চলিক এভালেন্সের নথি সংরক্ষণকারী ইউটা এভালেন্স সেন্টার জানায়, ১৯৯২ সালের পরে এটি সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা। সেন্টার এক টুইটে জানায়, উইলসন পিকের কাছে মিল ক্রিক গিরিখাতে আজ তুষারধসে চারজনের মৃত্যুতে মর্মাহত।

স্থানীয় টিভি স্টেশন কেএসটিইউ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, পুলিশ স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে (১৮৪০ জিএমটি) প্রথম অস্পষ্ট একটি কল পেয়েছিল।

স্টেশন জানায়, অপর চারজন স্কিয়ার তুষারধসে আটকা পড়েছিল, তবে বের হয়ে আসে এবং তাদের উদ্ধার করা হয়েছে।

ইউটা গভর্নর স্পেন্সার কক্স এক টুইটে বলেন, এটি একটি ভয়ংকর ট্রাজেডি, এই ঘটনায় নিহতদের জন্য প্রার্থনা করছি ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।

দুর্ঘটনার আগে শনিবার সতর্ক করা হয়েছিল, জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ইউটা পর্বতমালা গুরুতর বিপদসংকুল। এক টুইটে বিপজ্জনক তুষারপাতের পরিস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: তুষারধস
Share

মোদি সবচেয়ে বড় দাঙ্গাবাজ: মমতা

বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১

তিন কারাগারে দাঙ্গায় ৬২ জন নিহত

বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১

চিরকুট লিখে হোটেলে এমপির ‘আত্মহত্যা’

মঙ্গলবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১