Logo
শিরোনাম

অনুমতির অপেক্ষা আর করবো না: গয়েশ্বর

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৩৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, আগামী ১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সমানে সমাবেশের অনুমতি চেয়েছি আমরা। সেখানেই সমাবেশ করব। তারা যদি অপারগতা প্রকাশ করে তাহলেও করব। অনুমতি দিলেও করব, না দিলেও করব। অনুমতির অপেক্ষা আর করবো না। মনে রাখতে হবে, এ দেশটা আমাদের সবার।

আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। 

১০ ডিসেম্বর ঢাকার ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ পাহারা দেবে- সেক্ষেত্রে কোনো সংঘাতের আশঙ্কা করছেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে গয়েশ্বর বলেন, আমরা ইতোমধ্যে সাতটি গণসমাবেশ করেছি। সব জায়গায় তারা সংঘাত সৃষ্টির পাঁয়তারা করেছে। প্রশাসন দিয়ে চেষ্টা করেছে। গাড়ি, লঞ্চ বন্ধ করে দিয়ে চেষ্টা করেছে, তারা তো কোনো পথই বাকি রাখেনি। নতুন কোনো পথ খোলাও রাখেনি। সুতরাং ঢাকার গণসমাবেশে তারা এটা করবে স্বাভাবিক ব্যাপার, অস্বাভাবিক মনে করছি না। রাতারাতি আওয়ামী লীগ ভালো হয়ে যাবে তা আমরা আশাও করি না। কিন্তু আমরা সরকারের ফাঁদে পা দেব না। আমরা সংঘাত এড়িয়ে গণসমাবেশ করব। 

ঢাকার গণসমাবেশ থেকে বিএনপি সরকার পতনের কোনো ঘোষণা দিবে কি না জানতে চাইলে গয়েশ্বর চন্দ্র আরও বলেন, এখনও ১০ ডিসেম্বর অনেক দূর। আপনারা ১০ ডিসেম্বরের গণসমাবেশে আসবেন। ১০ ডিসেম্বরের কথা সেই দিনই বলবো। আগাম কোনো কথা কেউ বলবে না, আমিও বলব না। আমরা ১০ ডিসেম্বর অবশ্যই পরবর্তী কর্মসূচি দেবো। ১০ ডিসেম্বরের আগে যদি সরকার জনগণের দাবি মেনে নেয়, সেটা তো অন্য রকম। কিন্তু আমরা তা প্রত্যাশা করতে পারছি না। 

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ডা. দেওয়ান সালাউদ্দিন বাবু, নতুন কমিটির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, সহ-সভাপতি খন্দকার মাঈনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী প্রমুখ।


আরও খবর



মেসির গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে আর্জেন্টিনা

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কাতার বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করতে নক আউট পর্বে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এক গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করেছে আর্জেন্টিনা। শনিবার (৩ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত ১ টায় আহমেদ বিন আলী স্টেডিয়াম মাঠে নেমে এই দু'দল। মেসির দেওয়া এক মাত্র গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের প্রথম আক্রমণ করে অস্ট্রেলিয়া। শুরুতেই আর্জেন্টিনার দূর্গে হানা দেয় তারা। তবে তা ক্লিয়ার করে দেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্স। এরপর নিচ থেকে বল দেয়া নেওয়া করে আক্রমণ তৈরির চেষ্টা করে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ১০ মিনিটে আক্রমণে উঠে আর্জেন্টিনা। তবে নিকোলাস ওতামেন্দির বাড়ানো বল নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেনি এলেক্সিস ম্যাকএলিস্টার।

নিজেদের মধ্যে বল দেওয়া নেওয়া করে সাজানো আক্রমণে যায় আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে কাউন্টার অ্যাটাক নির্ভর ফুটবল খেলতে থাকে অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচের ১৫ মিনিটে মার্কোস আকুনাকে ফাউল করার কারণে জ্যাকসন ইরভিনকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। ম্যাচের ১৭ মিনিটে ডি বক্সের বাইরে থেকে গোলমুখে শট করেন পাপু গোমেজ। তবে তা চলে যায় ক্রসবারের অনেক ওপর দিয়ে।

ম্যাচের ১৮ মিনিটে বাম দিক থেকে সাজানো আক্রমণে যায় অস্ট্রেলিয়া। তবে তা ক্লিয়ার করে দেন ডিফেন্ডাররা। ম্যাচের ২৩ মিনিটে সাজানো আক্রমণে যায় অস্ট্রেলিয়া। কোন বিপদ ঘটাতে না পারলেও কর্নার আদায় করে নেয় তারা। তবে কর্নার থেকে সুবিধা করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। 

ম্যাচের ২৭ মিনিটে আবারও কর্নার পায় অস্ট্রেলিয়া। কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে হ্যারি সুটার লাফিয়ে হেড করলেও তা জালে জড়াতে পারেনি। ম্যাচের ৩১ মিনিটে ফ্রি কিক পায় সকারুরা। তবে সেই ফ্রি কিক কাজে লাগাতে পারেনি তারা। ম্যাচের ৩৪ মিনিটে ডান দিকে গোমেজকে ফাউল করার কারণে ফ্রি কিক পায় আর্জেন্টিনা। ফ্রি কিক কাজে লাগাতে না পারলেও ফ্রি কিক থেকে আসা বল নিয়ে সাজানো আক্রমণ থেকে ডি বক্সে বল পান মেসি। সেখান থেকে প্লেসিং শটে বল জালে জড়ান তিনি। তার গোলে ম্যাচে প্রথমবারের মতো লিড পায় আর্জেন্টিনা।

ম্যাচে লিড নিয়ে আরও আক্রমণের ধার বাড়িয়ে দেয় আর্জেন্টিনা। গোল শোধের লক্ষ্যে পাল্টা আক্রমনেও যায় অস্ট্রেলিয়া। তবে গোল করতে ব্যর্থ হয় তারা। শেষ পর্যন্ত আর কোন গোল না হলে মেসির দেওয়া গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে আর্জেন্টিনা। 


আরও খবর

রোনালদোকে টপকে গেলেন মেসি

রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২




মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ কেন?

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৬১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মার্কিন সংসদের মধ্যবর্তী নির্বাচন হোয়াইট হাউসে ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট এবং তার দলের ভাগ্য নির্ধারণের পাশাপাশি গোটা জাতির দিকনির্দেশনার ওপর এক বিরাট প্রভাব ফেলতে যাচ্ছে। মঙ্গলবারের এই নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ওপর কোনও ব্যালট হচ্ছে না। তবে প্রেসিডেন্টের মেয়াদের মাঝামাঝি এই নির্বাচনে সিদ্ধান্ত হবে কংগ্রেসের পাশাপাশি বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে আইনসভা এবং গভর্নরের অফিস কে নিয়ন্ত্রণ করবে। তবে এই নির্বাচন প্রেসিডেন্টের কর্মকাণ্ড এবং দেশের বর্তমান হালচাল সম্পর্কে পরোক্ষভাবে ভোটারদের মতামত প্রকাশের সুযোগ এনে দেয়। মার্কিন অর্থনীতির বর্তমান সমস্যা এবং অপরাধ ও অবৈধ অভিবাসন নিয়ে ভোটাররা যখন উদ্বিগ্ন, তার মধ্যে নির্বাচনের এই রায় বর্তমান প্রেসিডেন্টের জন্য বেশ কঠোর হতে পারে।

এছাড়া এই ফলাফল ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ভোটের প্রচারণার ক্ষেত্রকে নানাভাবে প্রভাবিত করবে, বিশেষভাবে সেখানে যদি ডোনাল্ড ট্রাম্পের আবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কোনও সম্ভাবনা তৈরি হয়।

এবারের এই নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

গর্ভপাতের অধিকার বা বিধিনিষেধ: মার্কিন কংগ্রেসের আকারে পরিবর্তন ঘটলে তা সারাদেশে আমেরিকানদের দৈনন্দিন জীবনকে সরাসরিভাবে প্রভাবিত করতে পারে। এর একটি ভাল উদাহরণ হলো নারীদের গর্ভপাতের অধিকার। গত জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষিত নারীদের গর্ভপাতের অধিকার সংক্রান্ত আইনটিকে বাতিল ঘোষণা করে। মধ্যবর্তী মেয়াদের এই নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হাতে নিতে পারলে ক্ষমতাসীন ডেমোক্র্যাট এবং বিরোধী রিপাবলিকান পার্টি এ নিয়ে দেশব্যাপী নতুন আইন তৈরি করবে বলে প্রস্তাব করেছে। ডেমোক্র্যাটরা নারীদের গর্ভপাতের অধিকার বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অন্যদিকে, রিপাবলিকানরা নারীর ১৫ সপ্তাহের গর্ভাবস্থার পর গর্ভপাতের বিরুদ্ধে জাতীয় নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব দিয়েছে।

রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে, পেনসিলভেনিয়া, উইসকনসিন এবং মিশিগানের মতো ভোটের চিরাচরিত রাজনৈতিক লড়াইয়ের ময়দানে গুরুত্বপূর্ণ গভর্নর এবং স্থানীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যে ফলাফল উঠে আসতে পারে তার ফলে সেখানে গর্ভপাতের আরও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হতে পারে। কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কোন দলের হাতে যাবে এবং অঙ্গরাজ্যগুলোতে কোন দল ক্ষমতা লাভ করবে তা গর্ভপাতের ইস্যুটি ছাড়াও অন্যান্য নীতিগুলোকে প্রভাবিত করবে। যদি রিপাবলিকানরা বিজয়ী হয়, তাহলে অভিবাসন, ধর্মীয় অধিকার এবং সহিংস অপরাধ মোকাবিলাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রত্যাশা করা যেতে পারে। অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাটরা বিজয়ী হলে, পরিবেশ, স্বাস্থ্যসেবা, ভোটের অধিকার এবং আগ্নেয়াস্ত্রের নিয়ন্ত্রণের মতো ইস্যুগুলো তাদের এজেন্ডায় ওপরের দিকে থাকবে।

রিপাবলিকানদের হাতে ডেমোক্র্যাটদের তদন্ত করার পালা: এবারের সংসদীয় নির্বাচন বিভিন্ন নীতির বাইরের কিছু বিষয়ের ওপরও প্রভাব ফেলবে। কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করতে সফল হলে বিভিন্ন বিষয়ে সংসদীয় তদন্ত কমিটি তৈরির ক্ষমতা হাতে চলে আসবে। গত দুবছর ধরে, হোয়াইট হাউস যে পরিমাণ যাচাই-বাছাইয়ের মুখোমুখি হওয়ার প্রয়োজন ছিল ডেমোক্র্যাটরা তা সীমিত করে রেখেছে এবং তারা ২০২১ সালে মার্কিন কংগ্রেস ভবন ক্যাপিটলের ওপর ৬ জানুয়ারির হামলাকে তাদের প্রাথমিক ফোকাসে পরিণত করেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্ষমতাসীন থাকার সময় ওই আক্রমণ সম্পর্কে হোয়াইট হাউস আগে থেকে কী জানত এবং কীভাবে তারা ওই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল তা খুঁজে বের করতে ডেমোক্র্যাটরা শত শত লোকের সাক্ষাৎকার নিয়েছে এবং ওই দিন ঠিক কী ঘটেছিল সে সম্পর্কে তাদের শুনানি প্রাইম টাইম টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করেছে। চলতি বছর শেষ হওয়ার আগেই তারা এ সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কিন্তু এই সবকিছু বদলে যেতে পারে। রিপাবলিকানরা ইতোমধ্যে কংগ্রেসের নিম্ন-কক্ষ হাউস অফ রেপ্রেজেনটেটিভ বা প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণের প্রত্যাশা করছে। তারা বলছে, ৬ জানুয়ারির তদন্ত কমিটি তারা বন্ধ করে দেবে এবং এর পরিবর্তে জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেনের সাথে চীনের কী ধরনের ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে তা নিয়ে তদন্ত শুরু করবে। তারা একই সঙ্গে বাইডেন প্রশাসনের অভিবাসন নীতি, আফগানিস্তান থেকে মার্কিন প্রত্যাহার এবং চীনে করোনাভাইরাস মহামারির উৎসের দিকেও নজর দেবে। আর যদি রিপাবলিকানরা মার্কিন সংসদের উচ্চ কক্ষ সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে, তবে আশা করতে পারেন যে ফেডারেল আদালতে কাজ করার জন্য বাছাই করা লোকদের নিয়োগ নিশ্চিত করা এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সংস্থাগুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে পড়বে।

জো বাইডেনের ভবিষ্যৎ: মধ্য মেয়াদী এই নির্বাচনকে সাধারণত প্রেসিডেন্টের মেয়াদের প্রথম দুবছরের ওপর গণভোট হিসাবে বিবেচনা করা হয়, যাতে ক্ষমতাসীন দলটি প্রায়ই মার খায়। গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে জনমত জরিপে বাইডেনের রেটিং বেশ খারাপ ছিল। যদিও গ্রীষ্মকালে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সৌভাগ্য কিছুটা ফিরে এসেছে বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু এই নির্বাচনের প্রচারের চূড়ান্ত পর্বে মুদ্রাস্ফীতির উঁচু হার এবং অর্থনীতি নিয়ে শঙ্কা আবার ফিরে এসেছে। এর ফলে কংগ্রেসের উভয় কক্ষতে ক্ষমতা ধরে রাখা ডেমোক্র্যাটদের জন্য একটি কঠিন লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার প্রথম দুবছরে, কংগ্রেসে তার সামান্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকার পরও বাইডেন জলবায়ু পরিবর্তন, আগ্নেয়াস্ত্র-নিয়ন্ত্রণ, অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ এবং দরিদ্র শিশুদের জন্য নতুন আইন চালু করতে পেরেছেন।

যদি মার্কিন সংসদের দুটি কক্ষের মধ্যে কোন একটি রিপাবলিকানদের হাতে চলে যায়, তাহলে ডেমোক্র্যাটদের আনা বিলগুলো কংগ্রেসে পাস হওয়া তারা ঠেকিয়ে দেয়ার ক্ষমতা অর্জন করবে। এর ফলে জটিলতা তৈরি হবে। ডেমোক্র্যাটদের জন্য এই নির্বাচনের একটি খারাপ রাতকে বাইডেনের রাজনৈতিক দুর্বলতার লক্ষণ হিসাবে ব্যাখ্যা করা হবে। ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারের মৌসুম শুরু হলে অন্য ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর স্বার্থে বাইডেনকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান নতুন করে উঠতে পারে। প্রেসিডেন্ট এবং তার উপদেষ্টারা জোর দিয়ে বলছেন যে তিনি পুনঃনির্বাচনে লড়বেন। তবে কোনও কোওন প্রাইমারি নির্বাচন যেখানে একই দলের প্রার্থীরা মনোনয়নের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তার মাধ্যমে একজন ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টকে অপসারণ করার ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের আধুনিক রাজনৈতিক ইতিহাসে শুধুমাত্র একবারই ঘটেছে।

ট্রাম্প যদি আবার দৌড়ে যোগদান করেন: সাম্প্রতিক কালে অন্যসব পরাজিত প্রেসিডেন্ট রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু ট্রাম্প তেমনটা করেননি। তিনি এখনও ২০২৪ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার ব্যাপারে আগ্রহী বলে দৃশ্যত মনে হচ্ছে। ফলে সংসদের এই মধ্যমেয়াদী নির্বাচন তার হাতকে হয় শক্তিশালী করবে বা তার সব আশা গুঁড়িয়ে দিতে পারে। যদিও এই নির্বাচনে তার ওপর কোন ভোট হচ্ছে না, কিন্তু তার নির্বাচিত কয়েক ডজন প্রার্থী যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে গুরুত্বপূর্ণ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রবীণ রিপাবলিকান নেতাদের আপত্তি সত্ত্বেও প্রথাগত রিপাবলিকান রাজনীতিবিদদের বাদ দিয়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জিয়ার সাবেক রাগবি খেলোয়াড় হার্শেল ওয়াকার, পেনসিলভেনিয়ায় টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ডা. মেহমেত ওজ এবং ওহাইওর জনপ্রিয় লেখক জেডি ভ্যান্সের মতো কিছু সিনেট পদপ্রার্থীর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। নির্বাচনে তারা জয়লাভ করলে এটা প্রমাণিত হবে যে তার রাজনৈতিক সহজাত প্রবৃত্তি বেশ সুতীক্ষ্ণ এবং জাতীয় পর্যায়ে তার তৈরি রক্ষণশীল রাজনীতির ব্র্যান্ডের একটা আবেদন রয়েছে। কিন্তু যদি কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের সংখ্যা কমে যায় এবং যদি এটি ঘটে ট্রাম্পের হাতে গড়া প্রার্থীদের ব্যর্থতার কারণে তাহলে সব দোষ গিয়ে পড়বে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘাড়ে। এই ধরনের ফলাফল দলের মধ্যে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীদের মনে আশা বাড়িয়ে তুলবে। ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিস এবং টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট দুজনেই নভেম্বরে পুনঃনির্বাচনের জন্য প্রস্তুত এবং ২০২৪ সালে রিপাবলিকান মনোনয়ন জয়ের জন্য তাদের নিজস্ব প্রচারণায় তারা এই ফলাফলকে একটা স্প্রিংবোর্ড হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন।

নির্বাচনের ফলাফল অস্বীকারকারীরা কী ভোটে অংশ নেবে: মার্কিন ক্যাপিটলে ৬ জানুয়ারির হামলা যেটিতে ট্রাম্প সমর্থকরা জো বাইডেনের নির্বাচনী বিজয়কে কংগ্রেসের অনুমোদন আটকে দেয়ার চেষ্টা করেছিল; তার পর এবারের সংসদীয় নির্বাচন হবে প্রথম কোনও ফেডারেল নির্বাচন। ওই দাঙ্গার পর চুপ থাকা তো দূরের কথা ট্রাম্প অনবরত নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং সক্রিয়ভাবে সেই সব রিপাবলিকান প্রার্থীর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। যারা বলেছেন যে চুরি করে ট্রাম্পের বিজয় ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই প্রার্থীদের মধ্যে অনেকেই যেমন, অ্যারিজোনায় রাজ্য মনোনীত সেক্রেটারি মার্ক ফিনচেম এবং নেভাডায় জিম মার্চেন্ট এবং পেনসিলভেনিয়ার গভর্নর পদপ্রার্থী ডগ মাস্ট্রিয়ানো, এমন সব পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন যেখানে ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট প্রতিদ্বন্দ্বিতার সময় তাদের রাজ্যের নির্বাচনী ব্যবস্থার ওপর তাদের কিছুটা নিয়ন্ত্রণ থাকবে। নির্বাচিত হলে এই রাজনীতিবিদরা একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে তাদের রাজ্যের নির্বাচনী ফলাফল প্রত্যয়িত করতে অস্বীকার করতে পারেন।

নির্বাচনে দুর্নীতির অভিযোগে স্থানীয়দের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় তারা যোগ দিতে পারেন। ডাক কিংবা ব্যালট ড্রপ বাক্স পদ্ধতির মতো ভোটের কিছু সুনির্দিষ্ট কিছু পদ্ধতি বদলে দিয়ে এরা নতুন নিয়ম ও আইন তৈরি করতে পারেন। ২০২০ সালের নির্বাচনে কিছু ফলাফল উল্টে দেয়ার জন্য ট্রাম্পের চাপ থাকা সত্ত্বেও একাধিক রাজ্যের রিপাবলিকান নির্বাচনী কর্মকর্তারা তার দাবির কাছে নতি স্বীকার করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। এখন থেকে দুবছর পর একইভাবে কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হলে, এ ধরনের চ্যালেঞ্জের ফলাফল সম্পূর্ণ ভিন্ন হতে পারে।


আরও খবর



মেসিকে যে অনুরোধ ম্যারাডোনা কন্যার

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৫৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আর মাত্র ২ দিন বাকি বিশ্বকাপের। বিশ্বকাপের আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে বড় জয় পেয়ে বৃহস্পতিবার কাতারে পা রেখেছেন লিওনেল মেসিরা।

বর্তমানে দারুণ ছন্দে রয়েছে আর্জেন্টিনার ফুটবল দল। এ দলের তারকা খেলোয়াড় মেসির শেষ বিশ্বকাপ এটি। তাই দলের প্রতিটি খেলোয়াড় তাদের সেরাটা দিয়ে মেসির হাতে ট্রফি তুলে দিতে চায়। অন্যদিকে লিওনেল মেসিকে বিশ্বকাপ নিয়ে দেশে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন প্রয়াত কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার কন্যা দালমা।

সম্প্রতি এক ভিডিওতে ম্যারাডোনা কন্যা দালমা বলেন- মনে রেখো, আমার বাবা কিন্তু তোমাদের সঙ্গেই রয়েছেন। ধরে নিতে পার, তিনিই এ দলের দ্বাদশ সদস্য। এবারের বিশ্বকাপে বাবার না থাকা প্রত্যেক মুহূর্ত উপলব্ধি করছি। তাই মেসির কাছে আমার একান্ত অনুরোধ, এবার বিশ্বকাপ নিয়ে দেশে ফিরতেই হবে। তাহলেই বাবা সবচেয়ে বেশি আনন্দ পাবেন। মনে রেখ- উনি কিন্তু তোমাদের দেখছেন।

আগামী ২২ নভেম্বর কাতার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের বিপক্ষে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। গ্রুপের বাকি দুই দল মেক্সিকো এবং পোল্যান্ড।


আরও খবর

রোনালদোকে টপকে গেলেন মেসি

রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২




রোনালদোবিহীন ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ডিসেম্বর 2০২2 | ৩১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ফুলহ্যামের বিপক্ষে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে এগিয়ে নেন ক্রিস্তিয়ান এরিকসেন। তবু জেগেছিল তাদের পয়েন্ট হারানোর শঙ্কা। একেবারে শেষ মুহূর্তে গোল নাটকীয়ভাবে গোল করে দলকে বাঁচান আলেহান্দ্রো গারনাচো।

বিশ্বকাপ বিরতির আগে প্রিমিয়ার লিগের শেষ ম্যাচ ছিল রবিবার রাতে। ২-১ গোলে জিতেছে এরিক টেন হাগের দল।অসুস্থতার কারণে এই ম্যাচে খেলেননি পর্তুগিজ তারকা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো।

১৪ ম্যাচে আট জয় ও দুই ড্রয়ে ২৬ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে আছে ইউনাইটেড। ১৫ ম্যাচে ২৯ পয়েন্ট নিয়ে টটেনহ্যাম হটস্পার চারে, ৩০ পয়েন্ট নিয়ে নিউক্যাসল ইউনাইটেড তিনে আছে।

১৪ ম্যাচে ৩২ পয়েন্ট নিয়ে গতবারের চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটি দুইয়ে আছে। সমান ম্যাচে ৩৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আর্সেনাল। ১৫ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে নবম স্থানে আছে ফুলহ্যাম।


আরও খবর

রোনালদোকে টপকে গেলেন মেসি

রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২




উত্তরায় বস্তিতে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৫৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধনীর উত্তরার ৮ নম্বর সেক্টরের একটি বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট কাজ করছে।

শনিবার (১৯ নভেম্বর) বিকাল ৫টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার।

তিনি বলেন, উত্তরা-৮ নম্বর সেক্টরে রেললাইনের পাশে বস্তিতে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট কাজ করছে।

প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও হতাহতের কোনো খবর জানাতে পারেননি ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা।


আরও খবর