Logo
শিরোনাম

অপরাধে জড়িয়ে কুয়েত ছাড়তে হলো ৩৫০০ বাংলাদেশিকে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৫ নভেম্বর ২০২৩ | ৭৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

এক বছরে বিভিন্ন অপরাধে সাজা পাওয়া প্রায় ৩০ হাজার প্রবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যর দেশ কুয়েত। তাদের মধ্যে বাংলাদেশি প্রবাসী রয়েছেন ৩ হাজার ৫০০ জন।

আজ মঙ্গলবার কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে ইংরেজি দৈনিক কুয়েত টাইমসর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ২০২২ সালে মাদক সেবন ও বেচাকেনা, মারামারি, চুরি, মাদক তৈরি, পতিতাবৃত্তি, আকামার মেয়াদ উত্তীর্ণ এবং আইন লঙ্ঘন করাসহ বিভিন্ন অপরাধে সাজা পাওয়া প্রায় ৩০ হাজার প্রবাসীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। নিজ দেশে ফেরত যাওয়া প্রবাসীদের মধ্যে ১৭ হাজার পুরুষ এবং ১৩ হাজার নারী।

নিজ দেশে ফেরত আসা পুরুষ প্রবাসীদের মধ্যে ৬ হাজার ৪০০ জন ভারতীয়, ৩ হাজার ৫০০ জন বাংলাদেশি এবং ৩ হাজার মিশরীয় নাগরিক। নারীদের মধ্য ৩ হাজার ফিলিপিনো, ২ হাজার শ্রীলঙ্কান, ১ হাজার ৭০০ ভারতীয় এবং ১ হাজার ৪০০ জন ইথিওপিয়ান নাগরিক।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কুয়েতের জনসংখ্যায় ভারসাম্য ও দেশটির শ্রমবাজারে অতিরিক্ত প্রবাসীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে অভিযুক্তদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া চলতি বছরও দেশটির শ্রমবাজারে প্রবাসী নাগরিকদের ভারসাম্য আনতে প্রয়োজনে আরও প্রবাসীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে পারে দেশটির সরকার।

কুয়েতে প্রবাসী বাংলাদেশি আরমান মিঞা বলেন, কুয়েতের আইন মধ্যপ্রাচ্যে অনেকে দেশের তুলনায় কঠোর। তাই যারা দেশটিতে কর্মরত রয়েছেন, তাদের উচিত দেশের আইন ভালোভাবে মেনে চলা।


আরও খবর



নির্বাচন নিয়ে আবারও অবস্থান পরিষ্কার করল জাতিসংঘ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | ৮৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আবারও বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে কথা বলেছে জাতিসংঘ। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জানুয়ারি) জাতিসংঘের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ফের উঠে আসে নির্বাচন ইস্যু।

জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানান, বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের অবস্থান আগের মতোই রয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচনের পর জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যা বলেছেন সেটিও অপরিবর্তিত রয়েছে।

মূলত টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সোমবারের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, মহাসচিবের এমন চিঠি নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের পূর্বের অবস্থান এবং নির্বাচন নিয়ে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যে বিবৃতি দিয়েছেন তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, এটি সাংঘর্ষিক না। জাতিসংঘ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেমনটা বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানরা পুনর্নির্বাচিত হলে মহাসচিব পাঠিয়ে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, তারা আগে যা বলেছেন এবং মানবাধিকার হাইকমিশনার আগে যা বলেছেন, তা অপরিবর্তিত রয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। ডুজারিক বলেছেন, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে জোর করে বা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়।

এছাড়া এদিনের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নকারী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন নিয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, আপনি জানেন- বাংলাদেশ ২০১৭ সাল থেকে প্রায় সাত বছর ধরে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।

অন্যদিকে, মানবিক তহবিল, আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সম্পর্কিত মনোযোগ, সবকিছু সঙ্কুচিত হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘ মহাসচিবের পরিকল্পনা কী?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র এই মুখপাত্র বলেন, প্রথমত, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। এটি এমন পদ্ধতিতে স্বেচ্ছায় হওয়া দরকার যেখানে তাদের মর্যাদা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে।

তিনি বলেন, এটা পরিষ্কার যে, মিয়ানমারের পরিস্থিতি বর্তমানে প্রত্যাবাসনের জন্য দরকারি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করছে না। যেসব সম্প্রদায় উদারভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আতিথেয়তা দিয়েছে, তাদের জন্য বিশ্বব্যাপী সংহতি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। যেমন কক্সবাজারের সম্প্রদায়, মহাসচিব এটি পরিদর্শন করেছেন।

স্টিফেন ডুজারিক বলেন, শরণার্থীদের সবার সংহতি প্রয়োজন এবং আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোরও জাতিসংঘের ও সারা বিশ্বের সংহতি প্রয়োজন। এবং এসব কিছুর জন্যই আমাদের তহবিল আরও বৃদ্ধি করা দরকার।


আরও খবর

দেশে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি

মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩