Logo
শিরোনাম

অর্থনীতি গতিশীল ও নিরাপদ আছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ১৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাস মহামারি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব বিশ্বজুড়ে পড়লেও বাংলাদদেশের অর্থনীতি গতিশীল ও নিরাপদ আছে বলে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈশ্বিক মন্দা মোকাবিলায় সরকার সজাগ রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

যশোরে বৃহস্পতিবার বিএএফ অ্যাকাডেমিতে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর শীতকালীন রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের অনেক কাজ আমরা করে যাচ্ছিলাম, তবে কোভিড-১৯ এবং ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, স্যাংশন, যার কারণে বিশ্বব্যাপী মন্দা দেখা দিয়েছে, কিন্তু এই মন্দা থেকে যেন উত্তরণ ঘটে, সে বিষয়েও আমরা যথেষ্ট সজাগ। আমাদের অর্থনীতি এখনও গতিশীল আছে, নিরাপদ আছে, সেটুকু অন্তত আমি বলতে পারি।

দেশের দুর্যোগের সময় বিমান বাহিনীসহ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা জনগণের পাশে দাঁড়ায় বলে তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, জনগণের আস্থা, বিশ্বাস, যেকোনো যুদ্ধে জয়ী হওয়ার জন্য একান্তভাবে দরকার। তা ছাড়া আমরা যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই। সবার সঙ্গে বন্ধুত্বএই নীতি আমরা বিশ্বাস করি, কিন্তু তার পরও দক্ষতার দিক থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে আমাদের সব ধরনের উৎকর্ষতা বজায় রেখে চলতে হবে। সেই আত্মবিশ্বাস নিয়ে চলতে হবে। দেশ ও দেশের জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ থাকতে হবে।

বিভিন্ন মেয়াদে ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ সরকারের নেয়া পদক্ষেপের কারণে বিমান বাহিনী অত্যন্ত চৌকস, দক্ষ বাহিনীতে রূপ নিয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা শুধু না, শান্তিরক্ষা মিশনেও যারা কাজ করছেন, তারাও যেন উচ্চজ্ঞানসম্পন্ন হয়, সেটাও আমার লক্ষ্য। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা বিভিন্ন ধরনের বিমান, হেলিকপ্টার, র‌্যাডার, অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম- সেগুলো আমরা ক্রয় করেছি।

প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে পারদর্শী হিসেবে গড়ে ওঠার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আকাশ প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ এলাকা এবং এয়ার ডিফেন্স নোটিফিকেশন সেন্টারের কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। তা ছাড়া আজকের বিমানবাহিনী অবকাঠামো, রণকৌশল, প্রযুক্তির দিক থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী, আধুনিক, চৌকস।

প্রতিটি বাহিনীকে তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন করতে সরকারের প্রচেষ্টার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিমান বাহিনীর নিজস্ব জনবল ও অর্জিত প্রযুক্তির মাধ্যমে পরীক্ষামূলক বিমান নির্মাণের একটি প্রকল্প চলছে। এগুলো যদি করতে পারি, তাহলে আমাদের একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে প্রত্যয় ব্যক্ত করে বিমান বাহিনীর নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের সরকার বিমান বাহিনীর সদস্যদের সার্বিক দক্ষতা ও প্রশিক্ষণ সুবিধা উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে থাকে। আমরা সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছি।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় হেলিকপ্টারে করে যশোরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। দুপুর ২টায় যশোরের শামস উল হুদা স্টেডিয়ামে আওয়ামী লীগের জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


আরও খবর



পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করল জামায়াতে ইসলামী

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৫২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ২০২৩-২০২৫ কার্যকালের জন্য এ কমিটি গঠিত হয়েছে।  গতকাল শুক্রবার দলটির কেন্দ্রীয় মজলিসে মজলিসে শূরার সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

আজ শনিবার জামায়াতে ইসলামীর প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি মতিউর রহমান আকন্দ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সভায় ২০২৫ সাল পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির, সেক্রেটারি জেনারেল, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ ও কর্মপরিষদ গঠিত হয়েছে। এতে দলের নায়েবে আমির নির্বাচিত হন অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের ও মাওলানা আ ন ম শামসুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল নির্বাচিত হয়েছেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। 

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এ টি এম মাছুম, রফিকুল ইসলাম খান, হামিদুর রহমান আযাদ, আবদুল হালিম, মোয়ায্যম হোসাইন হেলাল, মাওলানা মো. শাহজাহান ও এহসানুল মাহবুব জোবায়ের আর কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি হয়েছেন মতিউর রহমান আকন্দ।


আরও খবর



চীনে লকডাউন বিরোধী বিক্ষোভ

প্রকাশিত:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৩৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় চীনের অনেক এলাকায় নতুন করে লকডাউনসহ নানা বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করছেন দেশটির সাধারণ জনগণ। তারা চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের পদত্যাগের দাবি তুলেছেন। রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, বিক্ষোভ ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ছে। সাংহাইসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ চলছে। বিক্ষোভকারীদের অনেকেই ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এমনকি অনেকেই প্রকাশ্যে প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের পদত্যাগের দাবি করেছেন। প্রকাশ্যে প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ দাবি করার নজির চীনে নেই বললেই চলে। বিক্ষোভকারীরা লকডাউন চাই না, স্বাধীনতা চাই’, হয় স্বাধীনতা দাও না হয় মৃত্যু দাও’, সি চিনপিং পদত্যাগ করো, কমিউনিস্ট পার্টি পদত্যাগ করো’ ইত্যাদি নানান স্লোগান দিচ্ছেন।

শুধু রাস্তায় নয় আন্দোলন ছড়িয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে। বেইজিং ও নানজিং-এর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানা যায়, চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলের উরুমকি শহরে বিক্ষোভে অংশ নেয় হাজারো মানুষ। বৃহস্পতিবার উরুমকিতে একটি বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরপর শহরটির ক্ষুব্ধ জনগণ পথে নেমে লকডাউন-বিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেয়। অনেকের ধারণা, অগ্নিকাণ্ডের শিকার ভবনটি লকডাউনের কারণে আংশিকভাবে তালাবদ্ধ থাকায় বাসিন্দারা সময়মতো বের হতে পারেনি। এ ছাড়া দগ্ধদের ঠিক সময়ে হাসপাতালে নেওয়াও সম্ভব হয়নি।

তবে এ দাবি অস্বীকার করেছে চীনা কর্তৃপক্ষ। তারা বলছে, এ মৃত্যুর সঙ্গে কোভিডের নিষেধাজ্ঞার কোনো যোগসূত্র নেই। এমনকি তারা জিরো কোভিড পলিসিতে’ অটল থাকার কথাও জানিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীরা লকডাউন তুলে নাও’ বলে স্লোগান দিচ্ছে। একপর্যায়ে একটি বড় অংশ সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে শুরু করে। এ সময় চীনা কমিউনিস্ট পার্টি ও প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের পতন দাবি করে বিক্ষোভকারীরা। প্রত্যক্ষদর্শী এবং বিভিন্ন ভিডিও অনুসারে, এটি চীনা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একটি বিরল প্রকাশ্য প্রতিবাদ।

চীনে হঠাৎ করেই বাড়তে শুরু করেছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। ইতিমধ্যে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে জিরো কোভিড পলিসি’ নিয়েছে দেশটির সরকার। কয়েক মাস আগে বিভিন্ন স্থানে নতুন করে লকডাউনসহ নানা বিধিনিষেধ আরোপ করে চীনা কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি তা আরও জোরদার করা হয়। তবে এতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বলে লকডাউন-বিরোধী বিক্ষোভ করছে জনগণ।

 


আরও খবর



বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হলে কী লাভ? কত টাকা আয়?

প্রকাশিত:রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

অলিম্পিকের চেয়ে বর্তমানে বিশ্বে সবচেয়ে বড় ক্রীড়া ইভেন্ট ফুটবল বিশ্বকাপ। এবার জমজমাট আসরটি বসেছে আরব রাষ্ট্র কাতারে। খেলায় চোখ রাখতে যাচ্ছেন পাঁচশো কোটিরও বেশি ফুটবল প্রেমিক। আর ১০ লাখ মানুষ সরাসরি এসেছেন মহাযজ্ঞ উপভোগ করতে। আয়োজক দেশগুলো কী বিশ্বকাপ থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারে? করলেও কি পরিমাণ হতে পারে, এমন প্রশ্ন অনেকের মনে।

টিকিট, পণ্য বিক্রি থেকে শুরু করে স্পন্সরপিশ, পুরস্কারের অর্থ এবং পর্যটককে ঘিরে বিপুল অর্থ ব্যয় হয়ে থাকে। কিন্তু একটি আয়োজক দেশ কি এতে আর্থিকভাবে লাভবান হয়ে থাকে? সহজ উত্তর হলো, না।

বিশ্বকাপের আগে মহাপরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামে আয়োজক দেশ। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগে থেকেই অবকাঠামো উন্নয়ন, দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য আধুনিক হোটেল নির্মাণসহ নানা খাতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে থাকে। কিন্তু এসব খরচের বেশিরভাগই উঠে আসে না। বিশেষ করে নগদ অর্থের ক্ষেত্রে।

বিশ্বকাপ থেকে অবশ্যই বিপুল অর্থ আয় হয়, যেমন রাশিয়ায় ২০১৮ সালে বিশ্বকাপের টিভি স্বত্ব বিক্রি হয়েছিল ৪৬০ কোটি মার্কিন ডলারে। যার পুরো অর্থটাই যায় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার কাছে।

টিকিট বিক্রিতে যে আয় হয় তার শতাভাগ মালিকও ফিফা। ২০১৮ সালে মার্কেট রাইটস বিক্রি করে আয় হয় একশো কোটি মার্কিন ডলার। যদিও মাসব্যাপী ফুটবল টুর্নামেন্ট পরিচালনার মূল খরচ বহন করে থাকে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থাটি। এবারের আয়োজক দেশ কাতারকে ১৭০ কোটি মার্কিন ডলার দেওয়ার কথা রয়েছে তাদের। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলোর জন্য রয়েছে ৪৪ কোটি ডলারের পুরস্কার। বিশ্বকাপ আয়োজন, অবকাঠামো, সড়ক, রেলপথ নির্মাণসহ সবকিছু মিলিয়ে প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ করেছে কাতার।

প্রায় মাসব্যাপী বিশ্বকাপে কয়েক লাখ লোকের সমাগম হবে দেশটিতে। এতে পর্যটন ব্যবসা, হোটেল ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীদের আয় বৃদ্ধি পাবে। তবে এই খরচ তুলতে অতিরিক্ত সক্ষমতার প্রয়োজন। কেননা বিশ্বকাপ আয়োজনের পেছনে ব্যয় সাধারণত স্বল্প মেয়াদে উৎপন্ন রাজস্বের চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। তাই সংক্ষিপ্ত সময়ে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে আয়োজক দেশের।

তবে পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করলে সেই দেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি সুফল আসার সম্ভবনা রয়েছে। বিশ্বকাপের চূড়ান্ত বাঁশি বাজার পরও নতুন সড়ক এবং পরিবহন ব্যবস্থা দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে।

নিউজ ট্যাগ: কাতার বিশ্বকাপ

আরও খবর

রোনালদোকে টপকে গেলেন মেসি

রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২




সিলেটে থ্রি-জি ও ফোর-জি ইন্টারনেট নেই

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ | ৪২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ উপলক্ষে সিলেটে মোবাইল থ্রি-জি ও ফোর-জি ইন্টারনেট পাওয়া যাচ্ছে না। আজ শনিবার সকাল ৮টা থেকে সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় এ সেবা পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন গ্রাহকেরা। ডাটা থাকার পরও নেটওয়ার্ক পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন নগরীর মিরের ময়দানের কেওয়াপাড়ার বাসিন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাহিমা বেগম।

জানা গেছে, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার (বিটিআরসি) পক্ষ থেকে নির্দেশনার পর বিভিন্ন অপারেটর মোবাইল ইন্টারনেটসেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে সিলেট নগরীর মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহকেরা বিড়ম্বনায় পড়েছেন। এমনকি মোবাইল নেটওয়ার্কও মিলছে না সহজে। সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে বিএনপির গণসমাবেশ থাকায় এর আশাপাশ এলাকার মোবাইল ফোন গ্রাহকেরা নেটওয়ার্কের জন্য ঠিকমত কথা বলতে পারছেন না।

মোবাইল অপারেটর কোম্পানির দাবি, থ্রি-জি ও ফো-জি সেবা বন্ধ নয়, তবে গতি কমে গেছে। মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর কোম্পানির পক্ষ থেকে সিলেটে দায়িত্বরতরা কথা বলতে চাননি।

ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান এনরিচের ব্যবস্থাপক চিন্ময় বলেন, একসঙ্গে বেশি লোক জমায়েত হলে এমনিতেই নেটওয়ার্ক দুর্বল হয়ে পড়ে। অনেক লোক ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার করলে এ অবস্থা হয়। তবে মোবাইলের থ্রি-জি ও ফোর-জি সেবা বন্ধ রয়েছে।

সিলেটে সমাবেশে যোগ দেওয়া নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, সমাবেশ ও মিছিলের কোনো ছবি তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপলোড করতে পারছেন না। এমনকি মিছিল লাইভ করার ইচ্ছা থাকলেও করতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন কয়েকজন।

বিএনপির গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে সিলেট ছাড়াও এর আগে বরিশাল ও ফরিদপুরে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি ময়মনসিংহ, খুলনা, রংপুর, বরিশাল ও ফরিদপুরে ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দেওয়া হয়। এবার সিলেটেও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: ইন্টারনেট সেবা

আরও খবর

হাইড্রোজেন দিয়ে উড়বে উড়োজাহাজ

রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২

পুরোনো টুইট আর্কাইভ করবেন যেভাবে

রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২




প্রশ্নফাঁসের চেষ্টা করলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০৬ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৫৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কেউ প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়ালে অথবা প্রশ্নফাঁসের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। আজ রোববার সরকারি বেগম বদরুন্নেসা মহিলা কলেজে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গত পরীক্ষায় আমরা দেখেছিলাম বিভিন্ন জায়গায় প্রশ্নপত্র ফাঁস করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তারা সফল হয়নি। প্রশ্নফাঁস বন্ধ করতে আমরা অভিনব কৌশল গ্রহণ ও কঠোর মনিটরিং করছি। এরপরও কেউ যদি গুজব ছড়ানো বা প্রশ্নফাঁসের চেষ্টা করে, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দীপু মনি বলেন, কেন্দ্র ঘুরে দেখলাম বাইরে অভিভাবকদের অনেক ভিড়। যারা আগে এসেছেন তারা সন্তানকে ভেতরে ঢুকিয়ে দিয়ে বাইরে অপেক্ষা করছেন। কিন্তু তাদের ভিড়ের কারণে বাকি পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে সমস্যা হচ্ছে।

সন্তানকে পৌঁছে দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে অভিভাবকদের কেন্দ্র ত্যাগ করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন,  তাহলে আর কোনো পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে আসতে সমস্যা হবে না।

আগামী বছরের পরীক্ষা এগিয়ে আনা হবে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবার আমরা জুলাই-আগস্টে পরীক্ষা নিয়ে আসতে চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু বন্যার কারণে তা হয়নি। এরপরের বছর আরও এগিয়ে আনার চেষ্টা করব। আর আগামীতে যদি কোনো অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়, তাহলে সে বোর্ডের পরীক্ষা সাময়িক বন্ধ রেখে অন্যগুলোর নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষার মধ্য দিয়ে রোববার সারাদেশে ২০২২ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এ বছর দেশের দুই হাজার ৬৪৯টি কেন্দ্রে ১২ লাখ তিন হাজার ৪০৭ পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। এদের মধ্যে ছয় লাখ ২২ হাজার ৭৯৬ ছাত্র এবং পাঁচ লাখ ৮০ হাজার ৬১১ জন ছাত্রী রয়েছেন।

এক বছরের ব্যবধানে উচ্চ মাধ্যমিকে পরীক্ষার্থী কমেছে প্রায় ২ লাখ। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গত বছর মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ৬৯০। এ হিসাবে পরীক্ষার্থী কমেছে ১ লাখ ৯৬ হাজার ২৮৩ জন।


আরও খবর