Logo
শিরোনাম

অসহায়ের সহায় হিসেবে আবির্ভূত হন ইঞ্জিনিয়ার নোমান

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ১২৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ইঞ্জিনিয়ার আবু নোমান হাওলাদার এই মুহূর্তে বাংলাদেশের একজন তরুণ সফল শিল্পোদ্যোক্তা। উদ্যোমী, মেধাবী ও প্রকৌশলী শিল্পপতি হিসেবে ব্যবসায়ী সমাজের কাছে আদর্শ বিজনেস আইকন হিসেবে সমাদৃত তিনি। অল্প সময়ে তার পরিশ্রম, ত্যাগ, সততা, নিষ্ঠা ও সংগ্রামের মাধ্যমে নিজেকে ব্যবসায়ী জগতে যেমন অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন, তেমনি রাষ্ট্রের কাছে হয়ে উঠেছেন ব্যবসায়ী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। বৃহৎশিল্প স্থাপন ও পরিচালনার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে তিনি বেকারত্ব দূরীকরণ এবং ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মানে নিভৃতে কাজ করে চলেছেন।

ইঞ্জিনিয়ার আবু নোমান হাওলাদার ১৯৭৩ সালে ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ভেদুরিয়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আব্দুল হান্নান হাওলাদার ও মাতা নুর জাহান বেগম। ছয় ভাই-বোনের মধ্যে নোমান হাওলাদার দ্বিতীয়।

শৈশব থেকেই অত্যন্ত শান্তও মিশুক প্রকৃতির ছিলেন আবু নোমান। তার আদব-কায়দা ও ভদ্রতায় প্রতিবেশীদের কাছে অন্তত এ বিষয়টি স্পষ্ট ছিল যে একজন সুমানুষ হিসেবে গড়ে উঠবেন তিনি। বাবা মায়েরও বুঝতে বাকি ছিলোনা যে তাদের এই মেধাবী সন্তান পড়ালেখায় ভালো করে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করবেন। সম্মান বয়ে আনবেন সমাজ ও দেশের জন্য। বাবা-মারও প্রত্যাশা ছিলো যেতাদের সন্তান দেশের মানুষের সেবা করবে সবটুকু উজার করে।

প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সবসময়ই ক্লাসে প্রথম ছিলেন আবু নোমান। প্রাথমিকে পড়েছেন উত্তর ভেদুরিয়ার কুলচরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এরপর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ শেষে আবু নোমান ভর্তি হন ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের করিমগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয়ে। সেখানে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন তিনি। এখানেও প্রতিটি শ্রেণিতে প্রথম ছিলেন তিনি। এই সাফল্যের পথ ধরে ১৯৮৮ সালে অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে এসএসসি পাস করেন আবু নোমান। পিতা-মাতা উভয়েই শিক্ষার প্রতি অনুরাগী হবার ফলে পড়ালেখার উত্তম পরিবেশ সৃষ্টি করেন তারা এবং তাদের তত্ত্ববধানেই বাড়িতে থেকে পড়ালেখা করে মাধ্যমিকেও সাফল্য অর্জন করেন তিনি।

মাধ্যমিক পাশ করার পর উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ালেখার জন্য রাজশাহীতে যান আবু নোমান। সেখানে মামার তত্ত্ববধানে পড়ালেখা করেন তিনি। ভর্তি হন রাজশাহী সিটি কলেজে। উচ্চ মাধমিক পাস করার পর মেধার স্বাক্ষর রেখে আবু নোমান ভর্তি হন দেশের মেধাবীদের পীঠস্থান,বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়- বুয়েটে। পড়াশোনা করেন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে। এই সময়ে জড়িত হন ছাত্র রাজনীতিতে। বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশকে বুকে লালন করা পরিবারের সন্তান হিসেবে নিশ্চিত ভাবে আওয়ামী লীগ এবং ছাত্রলীগই তার রাজনৈতিক, আদর্শিক ঠিকানা হয়ে ওঠে।

নব্বইয়ের দশকে বুয়েটে ছাত্রলীগের রাজনৈতিক অবস্থান অতটা শক্তিশালী ছিলো না। ছাত্রলীগের অবস্থানকে শক্তিশালী করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেন ইঞ্জিনিয়ার আবু নোমান। সেই পরিশ্রম ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৯৭ সনে ইউকসু নির্বাচনে সোহরাওয়ার্দী হল থেকে ভিপি নির্বাচিত হন তিনি।

তার সততা, নিষ্ঠা, কঠোর পরিশ্রম, বন্ধুবৎসল আচরণে মুগ্ধ হন সবাই। সে কারণেই সাধারণ শিক্ষার্থীরা ও তাকে বিপুল সমর্থকরা ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন। কর্মজীবনে ও তিনি মানুষকে ভালোবাসার যে শিক্ষা চর্চা করেন, সেই হৃদ্যতাপূর্ণ আচরণের কারণেই দল মত নির্বশেষে সার্বজনীন ভালোবাসাও সম্মানের অবস্থানে নিজেকে উন্নীত করেছেন ইঞ্জিনিয়ার আবু নোমান হওলাদার। ছাত্র-শিক্ষক, ধনী-গরীব, নারী-পুরুষ,তরুণ, বৃদ্ধ নির্বিশেষে সবাই ইঞ্জিনিয়ার আবু নোমানকে একজন সজ্জন, দয়ালু, দানশীল মানবিক মানুষ হিসেবে জানেন এবং শ্রদ্ধাকরেন।

আবু নোমান হাওলাদারের নেতৃত্ব দেবার গুণাবলী অসাধারণ। তার মোহনীয় ব্যক্তিত্বই তাকে নেতৃত্বের স্থানে আসীন করেছে। তিনি এরই মধ্যে লালমোহন-তজুমদ্দিন এবং তার কর্মক্ষেত্রে প্রমাণ করেছেন তার জনপ্রিয়তা। দশ থেকে বারোটি বৃহৎ শিল্প পরিচালনা, এসব ভারী শিল্প কারখানকে টিকিয়ে রাখতে যে দক্ষতা, যোগ্যতা, দূরদর্শিতা এবং নেতৃত্বের প্রয়োজন আবু নোমানের এসবের কোনোটিরই কমতি নেই। তিনি যেমন একজন অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে জীবন শুরু করেছিলেন, ঠিক তেমনি ভাবেই একজন প্রতিভাবান ও সুব্যবসায়ী হিসেবে এদেশের শিল্পখাতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

শিক্ষাজীবন, পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন, ব্যবসায়ী জীবনে সাফল্যের পর রাজনীতিতেও ঈর্ষণীয় সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে চলেছেন তিনি। প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের যোগ্যতায় বিশেষ বৈশিষ্ট্য মন্ডিত একজন সফল মানুষ ইঞ্জিনিয়ার আবু নোমান হাওলাদার। তার মতো প্রমাণিত মেধাবীদের পক্ষেই সম্ভব দেশের রাজনীতিতেও গুণগত পরিবর্তন সাধন করা।

বুয়েটের মেধাবীদের কাছে বিদেশ কোনও স্বপ্ন নয়। অনেকেই ইউরোপ, আমেরিকায় উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমিয়ে সেখানেই স্থায়ী হয়েছেন পেশায়। বুয়েট থেকে পাশ করা একজন মেধাবী প্রকৌশলী হিসেবে ইঞ্জিনিয়ার আবু নোমান হাওলাদারেরও সেই সুযোগ ছিলো। সেরা বিদ্যাপীঠ থেকে পাস করে বের হওয়া একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের বিদেশে চলে যাবার সুযোগ অবজ্ঞা করা নিশ্চয়ই সহজ কাজ নয়। কিন্তু দেশ, মাটি ও মানুষের কথা চিন্তা করে, নিজের আরাম-আয়েসের কথা বাদ দিয়ে দেশেই নিজেকে প্রমাণ করেছেন এই বুয়েট প্রকৌশলী। তিনি মা ও মাটিকে ফিরিয়ে দিতে চান তার চেয়েও বেশি যতটুকু তিনি এই দেশ থেকে পেয়েছেন।

ইঞ্জিনিয়ার আবু নোমানের জীবন পথও কুসুমাস্তীর্ণ ছিলোনা। ক্যারিয়ার ছিলো চ্যালেঞ্জিং ও বিপদ সঙ্কুল। বুয়েটে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর একটি স্বনামধন্য বেসরকারি শিল্প গ্রুপে চাকরি করেন তিনি। কয়েক বছর চাকরি করে এই প্রকৌশলী সিদ্ধান্ত নেন- আর চাকরি নয়; এবার ব্যবসা করবেন তিনি।

শুরু করলেন উদ্যোক্তা জীবন। শুরুটা ২০০০ সালের দিকে। কিন্তু ব্যবসাতো এত সহজ নয়। এই অভিযাত্রায় আছে ঘাত-প্রতিঘাত ও বন্ধুর পথ। আছে লাভ-লোকসানের কঠিন সব সমীকরণ। ব্যবসায় প্রয়োজন অসীম ধৈর্য, হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম, দৃঢ় মনোবল, আত্মবিশ্বাস এবং সঠিক সময়ে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা। জীবনের কঠিন সব চ্যালেঞ্জ উতরে আজকের অবস্থানে নিজেকে মেলে ধরেছেন আবু নোমান হাওলাদার। একজন সফল উদ্যোক্তা, নিষ্ঠাবান, সৎব্যবসায়ী হিসেবে রাষ্ট্রকে কোটি কোটি টাকা কর প্রদান করেন তিনি। শিল্পখাতে নিজের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠা করেছেন তরুণ এই শিল্পপতি।

দুদশকের ব্যাবসায়িক অগ্রযাত্রায় অর্জন আর সাফল্যের ঝুড়ি নিয়ে গর্ব করার অনেক কিছুই অর্জন করেছেন তিনি। সিআইপি মর্যাদা পেয়েছেন দুবার। রাষ্ট্র ব্যবসায়িক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি তাদেরকেই মনোনীত করে যাদের অবদান বিশেষ সম্মানের সাথে স্বীকার করে রাষ্ট্র। যেসব বিবেচনায় একজন শিল্প উদ্যোক্তা সিআইপি মনোনীত হন।

ইঞ্জিনিয়ার আবু নোমান হাওলাদার একজন সৎ, আদর্শবান, পরিশ্রমী এবং নিষ্ঠাবান ব্যবসায়ী। ছাত্রজীবন থেকে যোগ্য নেতা হিসেবে প্রমাণিত এই মানুষটি করোনাকালে ভোলার লালমোহন-তজুমদ্দিনে অসহায়ের সহায় হিসেবে আবির্ভূত হন। তারপক্ষে চাল, ডাল, তেলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য পৌঁছে দেয়া হয় নিম্নআয়ের মানুষের ঘরে ঘরে। জাতির পিতার আদর্শের ধারক হিসেবে তিনি বিশ্বাস করেন, সবাইকে নিয়ে বেঁচে থাকার মধ্যেই জীবনের প্রকৃত অর্থ নিহিত। এই মহৎ ভাবনা যাকে তাড়া করে ফেরে, তিনি একজন মানবিক মানুষ। আর মানবিক মানুষেরাই প্রকৃত মানুষ। নেতত্বের আসনে এমন প্রকৃত মানুষদের আসা উচিৎ যারা দায়িত্বকে ক্ষমতা নয়, মনে করেন আমানত।


আরও খবর



‘এক মদ্যপের কারণে’ ১৫ জনের প্রাণহানি

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২ | ৩৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাশিয়ায় আজ শনিবার দেশটির কোস্ত্রোমা শহরের এক নৈশ ক্লাবে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে অন্তত ১৫ জনের প্রাণহানি হয়েছে। রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা এই তথ্য জানিয়েছে। খবর এনডিটিভির।

সংবাদ সংস্থা তাস জানিয়েছে, জনপ্রিয় ক্লাবটিতে রাতের বেলা আগুন ধরে। ধারণা করা হচ্ছে, এক মদ্যপ ব্যক্তি ফ্লেয়ারগান (একধরনের পিস্তল, যা দিয়ে আগুন বা ধোঁয়া বের হয়) ব্যবহারের পর ক্লাবটিতে আগুন লেগেছে।

দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় আনুমানিক রাত ২ টায় নৈশ ক্লাবটিতে আগুন ধরে এবং সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে তা নিয়ন্ত্রণে আসে। এর আগে গভর্নর সের্গেই সিতনিকভ জানায়, আগুনে ১৩ জন নিহত হয়। কিন্তু পরবর্তীতে দেশটির জরুরি সেবা বিভাগ পরে আরও দুই ব্যক্তির লাশ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে।

দেশটির আইনপ্রেণেতাদের বরাত দিয়ে তাস বলছে, আরও দুই লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মানে মোট প্রাণহানির সংখ্যা এখন ১৫। আগুন লাগার পর নৈশ ক্লাবের ওই ভবন থেকে অন্তত ২৫০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

জরুরি পরিষেবার সূত্রের বরাত দিয়ে তাস বলছে, মদ্যপ ব্যক্তি ফ্লেয়ারগানের কারণে সম্ভবত অগ্নিকাণ্ড হয়েছে। ওই মদ্যপ ব্যক্তি বারটিতে এক নারীর সঙ্গে সময় কাটাচ্ছিলেন এবং তার হাতে একটি ফ্লেয়ারগান নিয়ে তাকে ফুলের অর্ডার দিয়েছিলেন। এরপর তিনি ড্যান্স ফ্লোরে যান এবং ফায়ার করেন।

আগুন ৩ হাজার ৫০০ স্কয়ার মিটারের বেশি ছড়িয়ে পড়ে বলে স্থানীয় জরুরি পরিষেবার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত চলছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: রাশিয়া

আরও খবর



মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রকে যৌন নিপীড়ন অভিযোগ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৭৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে এক মাদরাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। পৌরসভাধীন ৯নং ওয়ার্ডে লেংড়া বাজারের মাদরাসা-ই তাহফিজুল কুরআন মাদরাসার ছাত্রকে নিপীড়ন করা ওই শিক্ষকের নাম আব্দুর রশিদ।

বুধবার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নিপীড়নের শিকার ছাত্রের বাবা সাইফুল ইসলাম বলেন, আমার ছেলে মো. সাজ্জাদ হোসেনকে (১০) দীর্ঘ তিন মাসে শিক্ষক আব্দুর রশিদ সাতবার জোরপূর্বক যৌন নিপীড়ন করেছেন। একপর্যায়ে ছেলে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে নিপীড়নের ঘটনাটি আমাকে খুলে বলে। অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুর রশিদ তার কু-কর্মের ঘটনা কারও কাছে প্রকাশ করলে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিলেন। এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকে ওই শিক্ষক পলাতক রয়েছেন।

অভিযোগ পাওয়ার পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রায়পুর) শেখ সাদি ও রায়পুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিপন বড়ুয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা মাদরাসার অধ্যক্ষকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যান।

 


আরও খবর



হাইকোর্টে জামিন পেলেন দণ্ডিত এনামুল বাছির

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৪২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঘুস কেলেঙ্কারির মামলায় বিচারিক আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আর কোনো মামলা না থাকলে এ জামিনের আদেশের ফলে তার কারামুক্তিতে বাধা নেই।

এনামুল বাছিরের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফারুখ আলমগীর চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, মামলায় কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুদকের বরখাস্ত পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে ছয়মাসের জামিন দিয়ে হাইকোর্ট তার সাজা থেকে খালাস চেয়ে করা আপিল শুনানির জন্য নথিপত্র প্রস্তুতর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।’

এ সংক্রান্ত বিষয়ে শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. রইস উদ্দিনের একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আজ জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ফারুখ আলমগীর চৌধুরী। অন্যদিকে দুদকের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান।

এর আগে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে এনামুল বাছিরের পক্ষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জামিন আবেদন করেন আইনজীবী ফারুখ আলমগীর চৌধুরী।

তারও আগে গত ২৩ আগস্ট হাইকোর্ট থেকে খন্দকার এনামুল বাছিরকে জামিন দিলেও পরে সেটি বাতিল করেন চেম্বারজজ আদালত।

২০১৯ সালের ৯ জুন একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে প্রচারিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুর্নীতির অনুসন্ধান থেকে দায়মুক্তি পেতে দুদক পরিচালক বাছিরকে ৪০ লাখ টাকা ঘুস দিয়েছিলেন ডিআইজি মিজান। এরপর ঘুস লেনদেন সংক্রান্ত কথোপকথন রেকর্ড করে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দিয়েছিলেন তিনি। ডিআইজি মিজান এ বিষয়ে নিজেই গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেন। অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা থেকে বাঁচতে ওই অর্থ ঘুস দেন বলে ডিআইজি মিজান দাবি করেন।

এ প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ার পর দুদকের সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখতকে প্রধান করে তিন সদস্যের উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি ২০১৯ সালের ১০ জুন প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে পরিচালক বাছিরকে দুদকের তথ্য অবৈধভাবে পাচার, চাকরির শৃঙ্খলাভঙ্গ ও সর্বোপরি অসদাচরণের অভিযোগে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে কমিশন।

এরপর ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই দুদক পরিচালক ও অনুসন্ধান টিমের দলনেতা শেখ মো. ফানাফিল্লাহ মানি লন্ডারিং আইনে সংস্থার ঢাকা-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করেন। একই বছর ২২ জুলাই এনামুল বাছিরকে গ্রেফতার করে দুদকের একটি দল। সেই থেকে তিনি কারাগারে। এ মামলায় ডিআইজি মিজানকেও গ্রেফতার করা হয়। ২০২০ সালের ১৯ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের একই কর্মকর্তা।

এ ঘটনায় দুদকের দায়ের করা মামলায় গত ২৩ ফেব্রুয়ারি এনামুল বাছিরকে আট বছর ও পুলিশের বরখাস্ত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে তিন বছর কারাদণ্ড দেন আদালত। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় দেন।

এর মধ্যে ঘুস লেনদেনের অভিযোগে মিজানকে দণ্ডবিধির ১৬১ ধারায় ও বাছিরকে দণ্ডবিধির ১৬৫(এ) ধারায় তিন বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অন্যদিকে মানিলন্ডারিং আইনের ৪ ধারায় বাছিরকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৮০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বাছিরের দুটি দণ্ড একসঙ্গে চলবে বলে তাকে পাঁচ বছর দণ্ড ভোগ করতে হবে। তবে দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় উভয়ে দোষী সাব্যস্ত হলেও একই ধরনের অভিযোগে দণ্ডিত হওয়ায় এ ধারায় কাউকেই সাজা দেওয়া হয়নি।

পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে আপিল এবং জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন জানান দুদকের বরখাস্ত হওয়া পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির। এর আগে গত ১৩ এপ্রিল তার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ৮০ লাখ টাকা জরিমানা স্থগিত করেছিলেন উচ্চ আদালত।


আরও খবর



প্রথমার্ধে গোল করতে পারল না আর্জেন্টিনা

প্রকাশিত:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ | ১৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার সামনে কেবল একটাই সমীকরণ– হয় জয়, না হয় বাড়ি যাও। এমন বাঁচা-মরার ম্যাচে মেক্সিকোর বিরুদ্ধে প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা গোলের দেখা পায়নি।

খেলার শুরুতে আর্জেন্টিনা নিয়ন্ত্রণ নেয়। কিন্তু মেক্সিকোও ম্যাচে অধিকার ধরে রাখে। লা আলবিসেলেস্তে বল ধরে রাখলে মেক্সিকান খেলোয়াড়রা ফিরিয়ে দিতে প্রস্তুত থাকে। খেলার ২৫ মিনিটে ৬৭ শতাংশ বল ছিল আর্জেন্টিনার দখলে। এই সময়ে দুই দলের কোনো দল ভালো শট নিতে পারেনি।

আর্জেন্টিনা আক্রমণের পর আক্রমণ করে কিন্তু মেক্সিকানরা আক্রমণ প্রতিহত করে। নির্ধারিত ৪৫ মিনিট খেলা শেষে ৫ মিনিট স্টপেজ টাইম নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু এই সময়েও দুই দলের কোনো দল গোল করতে পারেনি। 

ম্যাচটাতে আর্জেন্টিনার যে জিততেই হবে, বিষয়টা প্রথমার্ধের খেলাতে অন্তত বোঝা যায়নি। শুরুর ৪৫ মিনিটে আর্জেন্টিনা যে গোলরক্ষক গিলের্মো ওচোয়াকে তেমন পরীক্ষাতেই ফেলতে পারেনি! শট নিয়েছে মোটে একটা, তাও সেটা হয়েছে লক্ষ্যভ্রষ্ট।

দুই দলই একটা করে পেয়েছে ফ্রি কিক, মেক্সিকো বক্সের ডান প্রান্তে পাওয়া ফ্রি কিকটা থেকে মেসির শট অনেকটা অনায়াসেই ঠেকিয়েছেন ওচোয়া। ওদিকে আর্জেন্টিনা বক্সের সামনে পাওয়া ফ্রি কিকটা একটু এদিক ওদিক হলে গোলই হয়ে যেতে পারত। এমিলিয়ানো মার্টিনেজ ছিলেন বলে রক্ষা। ডান দিকে ঝাঁপিয়ে বলটা আয়ত্বে নিতে হয়েছে তাকে। তাই গোল হজম করে প্রথমার্ধ বিরতিতে যাওয়া থেকে রক্ষা পায় আর্জেন্টিনা।

এই ম্যাচে আর্জেন্টিনার যে জয় চাই, তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু মাঠের পারফর্ম্যান্সে তার ছাপ নেই মোটেও। ম্যাচটা জিততে হলে পারফর্ম্যান্সটাকে আমূলেই বদলে ফেলতে হবে দলকে। মেসিরা সেটা পারবেন কি না, তা সময়ই বলে দেবে।


আরও খবর

রোনালদোকে টপকে গেলেন মেসি

রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২




হাতিরঝিলে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:শনিবার ১২ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৫৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীর হাতিরঝিলের মহানগর ব্রিজের নিচে লেকের পানি থেকে অজ্ঞাতনামা (২৮) এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে হাতিরঝিল থানা পুলিশ। শনিবার(১২ নভেম্বর) বেলা ১২টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে। অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পৌনে দুইটার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাতিরঝিল থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আলমগীর হোসেন জানান, আমরা খবর পেয়ে হাতিরঝিল মহানগর ব্রিজ এর নিচে লেকের পানি থেকে তাকে উদ্ধার করি। অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরো জানান, আশেপাশের লোকজন এর মুখে জানতে পারি নিহত ওই যুবকব্রীজ থেকে লাফিয়ে পড়ে পানির মধ্যে পড়ে যায় পরে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে সে মারা যান। নিহতের নাম ঠিকানা এখনও জানা যায়নি বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। আমরা ক্রাইম সিমকে খবর দিয়েছি ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে তার নাম পরিচয় সনাক্ত করা যাবে বলে জানান। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে।


আরও খবর