Logo
শিরোনাম

অ্যান্তোনিও গুতেরেসই থাকছেন জাতিসংঘের মহাসচিব

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৭৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দ্বিতীয়বারের জন্য জাতিসংঘের মহাসচিব হতে যাচ্ছেন ৭২ বছর বয়সী পর্তুগীজ রাজনীতিবিদ অ্যান্তোনিও গুতেরেস। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ভোটাভুটিতে গুতেরেসকে আরেক মেয়াদে দায়িত্ব দেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়। এবার শুধু আগামী ১৮ জুন সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষা। মূলত নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশই সবসময় পালন করে সাধারণ পরিষদ। ফলে আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে অ্যান্তোনিও গুতেরেসের দ্বিতীয় মেয়াদের কার্যক্রম। জাতিসংঘ মহাসচিব পদটির মেয়াদ পাঁচ বছর।

বান কি মুনের পর ২০১৭ সাল থেকে অ্যান্তোনিও গুতেরেস জাতিসংঘের মহাসচিবের দায়ীত্ব পালন করে আসছেন। ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত তিনি পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এ ছাড়া ২০০৫ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন গুতেরেস। এছাড়াও সোশ্যালিস্ট ইন্টারন্যাশনালের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

গুতেরেস ছাড়াও আরও ১০ জন এ পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শুধু পর্তুগাল ছাড়া সদস্য দেশগুলোর কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে কারও নাম প্রস্তাব না করায় কেউ প্রার্থী হতে পারেননি।

এক বিবৃতিতে অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেন, আমার ওপর আস্থা রাখায় নিরাপত্তা পরিষদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। সাধারণ পরিষদ দ্বিতীয় মেয়াদে আমার ওপর আস্থা রাখলে আমি বিনীত হব।

রোহিঙ্গা পরিস্থিতি দেখতে ২০১৮ সালে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম ও আন্তর্জাতিক রেডক্রসের প্রেসিডেন্ট পিটার মরাসহ উচ্চপর্যায়ের পাঁচ ব্যক্তিত্ব বাংলাদেশ সফর করেন। এসময় তারা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন জাতিসংঘের মহাসচিব। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে অ্যান্তোনিও গুতেরেস সরাসরি বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে যান।

১৯৪৯ সালের ৩০ এপ্রিল পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে জন্মগ্রহণ করেন অ্যান্তোনিও গুতেরেস। সেখানেই তার শৈশবকাল অতিবাহিত হয়। তার বাবা ভার্জিলিও ডায়াস গুতেরেস ও মাতা ইল্দা কান্ডিডা দে অলিভেইরা।




আরও খবর



রাজশাহীতে করোনায় একদিনে আরও ১২ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৯৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরও ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজশাহী মেডিকেলে করোনায় মৃত্যুর এ সংখ্যা সর্বোচ্চ।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস রবিবার সকালে করোনায় হতাহতের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মৃত ১২ জনের মধ্যে করোনা বিধ্বস্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলারই সাতজন রয়েছেন।  বাকি দুজন রাজশাহীর, দুজন নওগাঁ জেলার ও একজন নাটোর জেলার বাসিন্দা।

মৃতদের মধ্যে আটজন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বাকি চারজন উপসর্গ নিয়ে মেডিকেলের করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। এদের মধ্যে  আইসিইউতে মারা গেছেন তিনজন।

বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেলে আক্রান্ত ২০৭ করোনা রোগী চিকিৎসাধীন। তিনি আরও বলেন, রাজশাহী অঞ্চলে দ্রুত কঠোর লকডাউন আরোপ ছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের কোনো পথ নেই।  

তিনি আরও বলেন, গত বছর মার্চে দেশে করোনা শুরুর পর থেকে রাজশাহী মেডিকেলে একদিনে একসঙ্গে এতজনের মৃত্যু আগে হয়নি। পরিস্থিতি খুবই ভয়ঙ্কর এবং সেই সঙ্গে ভীতিকরও। তিনি করোনার এই ছোবল থেকে বাঁচতে সবাইকে ঘরে থাকা, জরুরি প্রয়োজনে বাহিরে গেলে মাস্ক পরিধানের পরামর্শ দেন।


আরও খবর



বাজেটে যেসব পণ্যের দাম কমছে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৩ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ১১৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদিত স্যানিটারি ন্যাপকিনের ওপর প্রযোজ্য সমুদয় ভ্যাট অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্যানিটারি ন্যাপকিন ও ডায়াপার উৎপাদনের লক্ষ্যে কতিপয় কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা

২০২১-২০২২ অর্থবছরের জন্য ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আজ বৃহস্পতিবার (৩ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট প্রস্তাব তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বাজেটে কিছু পণ্যের ভ্যাট, আমদানি শুল্ক, আগাম কর অথবা সম্পূরক শুল্কে ছাড় দেয়ায় হয়েছে। ফলে এসব পণ্যের দাম কমতে পারে।

কৃষি যন্ত্রপাতি : ইউডার (নিড়ানি) ও উইনোয়ারের (ঝাড়াইকল) উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এছাড়া থ্রেসার মেশিন, পাওয়ার রিপার, পাওয়ার টিলার, অপারেটেড সিডার, কম্বাইন হারভেস্টর, রোটারি টিলার, নিড়ানি ও ঝাড়াইকলের আমদানি পর্যায়ের আগাম কর অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। ফলে দাম কমতে পারে এসব পণ্যের।

মুড়ি : উৎপাদন পর্যায়ে মুড়ির ভ্যাট অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। তাই কমতে পারে প্যাকেটজাত মুড়ির দাম।

তাজা ফল : ব্যবসায়ী পর্যায়ে ফলের ওপর ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে। এতে কমতে পারে ফলের দাম।

মাইক্রোবাস ও হাইব্রিড গাড়ি : সিসিভেদে মাইক্রোবাস আমদানিতে শুল্ক কমানো হয়েছে। এছাড়া হাইব্রিড গাড়ির সম্পূরক শুল্কে কমানো হয়েছে। তাই জ্বালানি বান্ধব গাড়ির দাম মাইক্রোবাসের দাম কমতে পারে।

ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন ও ইলেকট্রিক ওভেন: উৎপাদন পর্যায়ের ভ্যাট অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। ফলে এসব পণ্যের দাম কমতে পারে। এছাড়া ব্লেন্ডার, জুসার, মিক্সার, গ্রাইন্ডার, ইলেক্ট্রিক কেটলি, রাইস কুকার, মাল্টি কুকার, প্রেসার কুকারের দাম কমতে পারে।

প্রস্তাবিত বাজেটে স্পিনিং মিলে ব্যবহৃত পেপার কোনের ওপর বিদ্যমান মূল্য সংযোজন কর ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদিত স্যানিটারি ন্যাপকিনের ওপর প্রযোজ্য সমুদয় ভ্যাট অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্যানিটারি ন্যাপকিন ও ডায়াপার উৎপাদনের লক্ষ্যে কতিপয় কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা দুই বছর বাড়ানো হয়েছে। গ্রামাঞ্চলে মানুষের স্যানিটেশন সুবিধা আরও সুলভ করার লক্ষ্যে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত লং প্যান-এর ওপর থেকে ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে অটিজম সেবার কার্যক্রমের ওপর ভ্যাট অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

করোনা নিয়ন্ত্রণে কোভিড-১৯ টেস্ট কিট, পিপিই এবং ভ্যাকসিন আমদানি উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেটে।


আরও খবর



শেরপুর পৌর এলাকায় ১৪ দিনের বিধিনিষেধ আরোপ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১১ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শেরপুর প্রতিনিধি:

শেরপুর জেলায় করোনা সনাক্তের হার দ্রুত গতিতে বেড়ে যাচ্ছে। গত মে মাসের তুলনায় আক্রান্তের সংখ্যা তিনগুন বেড়ে গেছে। জেলায় গোটা মে মাসে ৬৮ জনের শরীরে করোনা সনাক্ত হয়েছিলো। আর জুন মাসের প্রথম ১০ দিনেই ৮০ জন আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১০ জুন ৬৯ জনের করোনা পরীক্ষা করে ১৪ জনের শরীরে করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। এদের সবার বাড়িই শেরপুর পৌর এলাকায়। স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণেই জেলায় দ্রুত করোনা পরিস্থিতি অবনতি হচ্ছে এমনটাই মনে করছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। এতে উদ্বিগ্ন জেলার সচেতন মহল।

এ অবস্থায় জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাদের এক জরুরী মিটিং বৃহস্পতিবার রাত ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের বাসভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে ১১জুন সকাল ৬টা থেকে ২৪জুন রাত ১২টা পর্যন্ত ১৪ দিনের কঠোর বিধি-নিষেধ (আংশিক লকডাউন) আরোপ করা হয়। আরোপিত বিধি-নিষেধ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ারও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে, করোনায় আক্রান্তের বাড়ি পুরোপুরি লকডাইনে থাকবে। আক্রান্ত ব্যক্তি ও তার পরিবারের সদস্যরা বাড়ির বাইরে যেতে পারবে না। সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, বিবাহ, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, জন্মদিন, পিকনিক স্পট, পর্যটন ও পার্কসমুহ বন্ধ থাকবে, সকাল ৭টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপার্ট খোলা রাখা যাবে। স্বাস্থ্য না মানলে ওইসব দোকানপার্ট ও স্বপিংমলকে বন্ধ করে দেয়া হবে। জরুরী পরিসেবা ও প্রয়োজন ছাড়া কেউ সন্ধা ৭টা থেকে সকাল সাতটার মধ্যে বাড়ির বাইরে বের হতে পারবে না। হোটেল রেস্তোরায় কেউ বসে খেতে পারবে না। শুধুমাত্র পার্সেল দিতে পারবে। সিএনজি, অটোরিক্সাসহ ক্ষুদ্র যানবাহনে দুই জনের বেশি যাত্রী উঠানো যাবে না। যাত্রীবাহী যানবাহনে অর্ধেকের বেশি যাত্রী উঠানো যাবে না। আর সবাইকে মাক্স পরা বাধ্যতামূলক।

সভায় জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব ও সিভিল সার্জন ডাঃ একেএম আনোয়ারুর রউফ প্রমুখ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

শেরপুরের  জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ একেএম আনোয়ারুর রউফ জানান, আমরা সবার সাথে পরামর্শ করে কিছু বিধিনিষেধ দিয়েছি। আগামী রবিবার আবার বসবো। তখন পরিস্থিতি বিবেচনায় ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরও খবর



যেসব এলাকায় আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস

প্রকাশিত:শনিবার ২২ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ১২৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

তীব্র দাবদাহে পুড়ছে দেশ। গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের প্রভাবে সপ্তাহজুড়ে নেই বৃষ্টির সুখবরও। বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা আরও পরিণত হয়েছে। শনিবারের মধ্যে বঙ্গোপসাগরের আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের কাছাকাছি এলাকায় একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হতে পারে।  ২৫ মে রাত থেকে ২৬ মের মধ্যে উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস।

আবহাওয়াবিদ মো. শাহিনুল ইসলাম বলেন, ২২ তারিখের কাছাকাছি সময় এটা সেটা লঘুচাপ হতে পারে। আর যদি লঘুচাপ হয়ে সেটা স্টেজ পরিবর্তন করে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়, তবে সেটা 'ইয়াস' নাম ধারণ করবে।

বাংলাদেশের খুলনা থেকে চট্টগ্রাম উপকূল বিস্তৃত হতে পারে ঘূর্ণিঝড় 'ইয়াস'। এদিকে এই পরিস্থিতির মধ্যেই দেশে বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি রকমের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, উত্তর আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ২৬ মে নাগাদ উড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের খুলনা উপকূলে পৌঁছাতে পারে।

সাধারণত যে কোনো ঘূর্ণিঝড় প্রচুর বৃষ্টিপাত নিয়ে আসে। সেই হিসেবে ইয়াস আসায় তাপপ্রবাহ কিছুটা কমতে পারে। সাধারণত সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করলে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হতে পারে। সে কারণে বিদ্যমান তাপপ্রবাহের সঙ্গে লঘুচাপ-নিম্নচাপ এবং ঘূর্ণিঝড়ের সম্পর্ক আছে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

পূর্বাভাস বলছে, শনিবার রাত থেকে রবিবার সকালের মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের সৃষ্টি হতে পারে। ফলে দেশের খুলনা, বাগেরহাট এবং ভারতের উড়িশ্যা ও পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী এলাকায় ৪৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার গতিতে বয়ে যাবে ঝড়ো হাওয়া। ২৬ মে এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়ে আঘাত হানতে পারে। ওমানের আবহাওয়াবিদরা এ ঘূর্ণিঝড়ের নাম দিয়েছেন ইয়াস।

বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, উত্তর আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ২৬ মে নাগাদ উড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের খুলনা উপকূলে পৌঁছাতে পারে।

নিউজ ট্যাগ: ঘূর্ণিঝড় ইয়াস

আরও খবর



সরকারের অনুমতি ছাড়া ভাসানচরে যাওয়া নিষিদ্ধ

প্রকাশিত:বুধবার ০২ জুন 2০২1 | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৮৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সরকারের অনুমতি ছাড়া ভাসানচরে যাতায়াত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বুধবার (২ জুন) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

তিনি বলেন, ভাসানচর বিচ্ছিন্ন এলাকা। সেখানে প্রতিদিনই বহুসংখ্যক নৌযান যাচ্ছে, ব্যবসা-বাণিজ্য করছে। এসব আর হতে দেওয়া যাবে না। এগুলো বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোনো নাগরিক এখন থেকে সরকারের অনুমতি ছাড়া ভাসানচরে যেতে পারবেন না।

আ ক ম মোজ্জাম্মেল হক বলেন, এ পর্যন্ত ১৮ হাজার রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে। সেখানে তাদের জন্য মানসম্মত থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন তারা পাঁচ হাজার করে টাকা দেওয়ার জন্য বিক্ষোভ করছে। পৃথিবীর কোনো দেশে শরণার্থীদের জন্য নাগরিক সুবিধা থাকে না। তাদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়, নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় মাত্র। কিন্তু বাংলাদেশে শরণার্থীদের থাকা-খাওয়া ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা সরকার করছে। এর মধ্যে আবার তারা বাড়তি টাকার জন্য বিক্ষোভ করছে। তাদের পকেট খরচ দেওয়ার কোনো বিধান নেই। তারা হয়তো কারও প্ররোচণায় এমন দাবি তুলেছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, যেসব রোহিঙ্গা কক্সবাজার বা অন্যত্র রয়েছে তারা মাদক ব্যবসা ও অনৈতিক কাজের সঙ্গে জড়িত। সেগুলো নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য চারদিকে দেয়াল নির্মাণের কাজ চলছে। সেখানে সিসি ক্যামেরা বাড়ানো হবে। অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ধরে এনে ক্যাম্পে পাঠাতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর