
ঘরে ঘরে পাহারা দিয়ে ইউপি নির্বাচনের সহিংসতা ঠেকানো সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। তিনি বলেন, এর একমাত্র উপায় হলো নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সহনশীলতা। নির্বাচনসুলভ আচরণ করতে হবে।
আজ বুধবার বিকেলে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
তিনি বলেন, অধিকাংশ সহিংসতা ঘটে পূর্বশত্রুতা বা স্থানীয় দ্বন্দ্বের কারণে। এসব দমনে প্রার্থী ও সমর্থকদের আন্তরিক হতে হবে। এরপরও যদি কোনো অঘটন ঘটে, তাহলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সিইসি বলেন, সহিংসতার দায় এককভাবে কাউকে দেওয়া যাবে না। নির্বাচনী সহিংসতা থামাতে দরকার সহনশীলতা। এ জন্য রাজনৈতিক দল প্রার্থী সমর্থক সবার সহযোগিতা দরকার।
তিনি বলেন, আমরা পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছি। যার যার দায়িত্ব সে সে পালন করে যাচ্ছে। বিশেষ করে তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যথেষ্ট ভূমিকা রাখছেন বলে আমি বিশ্বাস করি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অজান্তে এসব ঘটনা ঘটে, তাদের অনুপস্থিতিতে এটা ঘটে যায়। এটা এত বড় একটা নির্বাচন, যেখানে হাজার হাজার, লাখ লাখ লোক নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে।
তিনি জানান, নির্বাচনী সহিংসতা দমন করতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন ভবনে ব্রিফিংয়ের সময় নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম শাহাদাত হোসেন চৌধুরী ও কবিতা খানম উপস্থিত ছিলেন।
