Logo
শিরোনাম

পাকিস্তানের নতুন সেনাপ্রধান হচ্ছেন আসিম মুনীর

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পাকিস্তানের নতুন সেনাপ্রধান হচ্ছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল সৈয়দ আসিম মুনীর। আজ নতুন সেনাপ্রধানের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। টুইটারে দেশটির তথ্যমন্ত্রী মরিয়াম আওরঙ্গজেব এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর ডনের। আজ বৃহস্পতিবার তাকে সেনাপ্রধান হিসেবে বেছে নেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ। এ বিষয়ক নথি প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভীর কাছে পাঠানো হয়েছে।

পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জাকে জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।

ডন তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ কমিটি তিন সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করে। জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যান প্রধানন্ত্রী ও জাতীয় কমান্ড অথরিটির প্রধান সামরিক উপদেষ্টা।

দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ আশা প্রকাশ করে বলেছেন, প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত পোষণ করবেন এবং এ নিয়োগকে বিতর্কিত করবেন না।


আরও খবর



পাকিস্তানকে ১ হাজার ৩০০ কোটি ডলার দেবে চীন-সৌদি

প্রকাশিত:রবিবার ০৬ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৬৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে পাকিস্তানকে ১ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের ঋণ ও সহায়তা দেবে বলে আশ্বাস দিয়েছে দেশটির দুই পুরোনো মিত্র চীন ও সৌদি আরব। পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী ইশাক দার শুক্রবার এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছেন। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই ১ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের মধ্যে ৫৭০ কোটি ডলার ঋণ হিসেবে প্রদান করা হবে, আর বাকি অর্থ পাকিস্তানকে দেওয়া হবে আর্থিক সহায়তা হিসেবে।

পাকিস্তানের অর্থনীতিবিদদের মতে, চলতি অর্থ বছরে সরকার যে পরিমাণ বৈদেশিক বিনিয়োগ আসতে পারে বলে ধারণা করেছিল, শতকরা হিসেবে এই অর্থের পরিমাণ তার ৩৮ শতাংশ। চীনের কাছে পাকিস্তানের বকেয়া ‍ঋণ জমেছে ৭৩০ কোটি ডলার। গত ২ নভেম্বর চীন সফরে গিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বকেয়া ঋণ পরিশোধের মেয়াদ বাড়ানো এবং আরও ১৫০ কোটি ডলার নতুন ‍ঋণের আবেদন করেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের কাছে।

পাক প্রধানমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়ে শি জিনপিং ঋণ পরিশোধের মেয়াদ বাড়িয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে, সেই সঙ্গে ১৫০ কোটি ডলার ‍ঋণসহ ৬শ কোটি টাকার সহয়তা প্রদান করা হবে বলে শেহবাজকে আশ্বাস দিয়েছেন জিনপিং। এছাড়া সম্প্রতি সৌদি সরকারের কাছে ৩০০ কোটি ডলার ঋণ চেয়েছিল পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী। সেই আবেদনেও সাড়া মিলেছে। দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পাকিস্তানকে মোট ৬৬০ কোটি ডলার প্রদান করবে সৌদি। তার মধ্যে ২৪০ কোটি ডলার ঋণ ও ৪২০ কোটি ডলার সহায়তা হিসেবে প্রদান করা হবে।

বিদেশি মুদ্রার মজুত কমে যাওয়ায় চলতি বছরের শুরু থেকেই নড়বড়ে অবস্থায় ছিল পাকিস্তানের অর্থনীতি। উপরন্তু গত বর্ষায় ব্যাপক বর্ষণ ও তার প্রভাবে দেশটির উত্তর দিকের পার্বত্য অঞ্চলের হিমবাহ গলে ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ে দেশটি। ইতিহাসে এত বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ এর আগে দেখেনি পাকিস্তান। গত জুন মাসে শুরু হওয়া এই মহাদুর্যোগে দেশটির এক তৃতীয়াংশের বেশি এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়, নিহত হন প্রায় ২ হাজার মানুষ।

এছাড়া বন্যায় লাখ লাখ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে, মারা গেছে হাজার হাজার গবাদিপশু, বাঁধ ও অন্যান্য সরকারি স্থাপনারও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সরকারি হিসেবেই বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ছাড়িয়েছে ৩ হাজার কোটি ডলার। দীর্ঘদিনের সামরিক শাসন, প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের কারণে ২০১৭ সাল থেকেই পাকিস্তানের অর্থনীতিতে দুরাবস্থা চলছিল। সংকট কাটিয়ে উঠতে ওই সময় থেকেই চীনের কাছ থেকে ‍ঋণ নেওয়া শুরু করে দেশটির সরকার। তার আগেও অবশ্য বিভিন্ন সময়ে চীনের কাছ থেকে আর্থিক ঋণ নিয়েছে পাকিস্তান।

দীর্ঘদিনের সামরিক শাসন, প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের কারণে ২০১৭ সাল থেকেই পাকিস্তানের অর্থনীতিতে দুরাবস্থা চলছিল। সংকট কাটিয়ে উঠতে ওই সময় থেকেই চীন ও সৌদির কাছ থেকে ‍ঋণ নেওয়া শুরু করে দেশটির সরকার। তার আগেও অবশ্য বিভিন্ন সময়ে এ দুই দেশের কাছ থেকে আর্থিক ঋণ নিয়েছে পাকিস্তান।

নিউজ ট্যাগ: পাকিস্তান

আরও খবর



অবৈধ বালু উত্তোলনে হুমকিতে বঙ্গবন্ধু সেতু

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৫৭জন দেখেছেন

Image

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:

সিরাজগঞ্জের সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে অবাধে বালু উত্তোলন করায় চরম হুমকির মুখে পড়েছে বঙ্গবন্ধু সেতু। সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়নের ফুলবাড়ী চর ও চকবয়ড়া চর এলাকায় যমুনা সেতুর নিরাপত্তা বেষ্টনি জুড়ে ৮টি ট্রেজার বসিয়ে পাইপের মাধ্যমে সরাসরি ইকোনোমিক জোনে বালু ফেলা হচ্ছে।

বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ধারা ৪-এর (খ) অনুযায়ী, সেতু, কালভার্ট, বাঁধ, সড়ক, মহাসড়ক, রেললাইন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনা অথবা আবাসিক এলাকা থেকে এক কিলোমিটারের মধ্যে বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ।

অথচ বঙ্গবন্ধু সেতুর প্রায় ২০০ মিটারের দক্ষিণে বালু ব্যবসায়ীরা ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবাধে বালু উত্তোলন করছে। এর ফলে দেশের বৃহত্তর স্থাপনা বঙ্গবন্ধু সেতুর চরম হুমকিতে পড়েছে এবং দেখা দিয়েছে যমুনা নদী তীরে ভাঙ্গন। এ ব্যাপারে অভিজ্ঞমহল উচ্চ পর্যায়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারী অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ (ইকোনোমিক জোন) সদর ও বেলকুচি উপজেলার বড়শিমুল, বীরহাটি, চকবয়ড়া, বয়ড়া মাছুম, বড় বেড়াখারুয়া এলাকায় প্রায় ১ হাজার ৪২ একর জায়গায় পুরোদমে চলছে প্রকল্প মাটি ভরাটের কাজ।

আরিফ এন্টার প্রাইজের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৮টি ট্রেজার বসিয়ে স্থানীয় মেম্বার জানিফ, জব্বার, মজিবুর, ইউসুফ ও রেজাউল মিলে সেতুর প্রায় ২০০ মিটার দক্ষিণে যমুনা নদী থেকে দীর্ঘ দিন ধরে ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে বিক্রি করছে বেসরকারী অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ (ইকোনোমিক জোন) এর নিকট।

সরেজমিন ঘুরে ও স্থানীয়দের অভিযোগে জানা যায়, সয়দাবাদ ইউনিয়নের অংশে দীর্ঘদিন বালু উত্তোলন বন্ধ ছিল। স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও জলদস্যুদের সহযোগিতায় যমুনা নদীতে ড্রেজার বসিয়ে দেদারছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। অবৈধ বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে নদীতে ক্রমেই বাড়ছে অপরাধ প্রবণতা। বালুমহাল থেকে উপার্জিত অর্থের একটি অংশ চলে যাচ্ছে জলদস্যুদের হাতে। নয়া উদ্যমে বালু উত্তোলন শুরু করায় এলাকাভিত্তিক পুরনো দ্বন্দ্ব আবার প্রকাশ্যে রূপ নিয়েছে। যে কোনো সময় বড় ধরণের সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অপরদিকে যমুনার তীব্র ভাঙ্গণে দিশেহারী হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ৩টি মহলের ইজারা দেওয়া আছে। বঙ্গবন্ধু সেতুর দক্ষিণে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করছে সেটার কোন অনুমোদন নেই।

আরিফ এন্টার প্রাইজের ঠিকাদার আবু সায়েম সোহাগ জানান, আমরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে অনুমতি নিয়ে বালু উত্তোলন করছি।

এ বিষয়ে বেসরকারী অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ (ইকোনোমিক জোন) পরিচালক মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, জেলা প্রশাসকের অনুমোতির মাধ্যমে যমুনা নদী থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। আপনারা জেলা প্রশাসকের নিকট থেকে জেনে নেন।

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহমেদ বলেন, সদরে ৩টি বালু মহলের ইজারা দেওয়া আছে। ইজারা ছাড়া যমুনা নদী থেকে বালু উত্তোলনের কোন নিয়ম নেই। যদি কেউ অবৈধভাবে যমুনা নদী থেকে বালু উত্তোলন করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমি এখনি এসিল্যান্ডকে ঐখানে পাঠাবো বলে তিনি জানান।

বঙ্গবন্ধু সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান মাসুদ বাপ্পী বলেন, ড্রেজিং এর মাধ্যমে বালু উত্তোলন করার জন্য জেলা প্রশাসকের একটি অনুমোদন পত্র রয়েছে। বঙ্গবন্ধু সেতুর ২শ মিটারের দক্ষিণে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন আপনারা উপজেলা কিংবা জেলা প্রশাসকের নিকট থেকে জেনে নেন।


আরও খবর



আফগানিস্তানের স্কুলে বোমা হামলা, নিহত ১৫

প্রকাশিত:বুধবার ৩০ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৩২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় সামাঙ্গান প্রদেশের একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বোমা বিস্ফোরণে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে আল জাজিরা।

প্রাদেশিক মুখপাত্র এমদাদুল্লাহ মুহাজির জানিয়েছেন যে, বুধবারের বিস্ফোরণে আরও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে।

ফেডারেল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্দুল নাফি তাকোর বলেছেন, সামাঙ্গান প্রদেশের রাজধানী আইবাকের একটি স্কুলে বিস্ফোরণটি ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।

রাজধানী কাবুল থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার (১৩০ মাইল) উত্তরে আইবাকের একজন চিকিৎসক বলেছেন, নিহতদের বেশিরভাগই যুবক।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি এএফপিকে বলেন, 'তারা সবাই শিশু ও সাধারণ মানুষ।'

তালেবান বলেছে যে তারা গত বছর দেশটি দখল করার পর থেকে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিকে সুরক্ষিত করার দিকে মনোনিবেশ করেছে।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বেশ কয়েকটি হামলা হয়েছে আফগানিস্তানে। যার মধ্যে কয়েকটির দায় স্বীকার করেছে আইএস।


আরও খবর



ডেমরায় আ.লীগের অফিসে ৩ বোমা বিস্ফোরণ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ | ৩৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীর ডেমরায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের অফিসে পর পর ৩টি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে ডগাইর বাজার এলাকার স্থানীয় আওয়ামী লীগ অফিসে এ বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। 

এ সময় এলাকায় আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ১০টার দিকে আওয়ামী লীগের ওই অফিস থেকে আড্ডা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন ডেমরা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী সিফাত সাদেকীন চপল, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রেজাউল ইসলাম রেজু, যুবলীগ নেতা মামুন ভূঁইয়া, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শিপন চৌধুরীসহ কয়েকজন। পরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি তাদের।

এদিকে বোমা বিস্ফোরণের প্রতিবাদে মিছিল ও সমাবেশ করেছেন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। এতে নেতৃত্ব দেন ডিএসসিসির ৬৬নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি রাসেল ভূঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহসম্পাদক আবদুল মান্নান সরকার, ৬৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ইউনিট সভাপতি মাহবুব আলম ফয়সালসহ নেতাকর্মীরা।

এ বিষয়ে ডেমরা থানার ওসি মো. শফিকুর রহমান বলেন, বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে আসল ঘটনা জানা যাবে।


আরও খবর



অনুমতির অপেক্ষা আর করবো না: গয়েশ্বর

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ | ৩২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, আগামী ১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সমানে সমাবেশের অনুমতি চেয়েছি আমরা। সেখানেই সমাবেশ করব। তারা যদি অপারগতা প্রকাশ করে তাহলেও করব। অনুমতি দিলেও করব, না দিলেও করব। অনুমতির অপেক্ষা আর করবো না। মনে রাখতে হবে, এ দেশটা আমাদের সবার।

আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। 

১০ ডিসেম্বর ঢাকার ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ পাহারা দেবে- সেক্ষেত্রে কোনো সংঘাতের আশঙ্কা করছেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে গয়েশ্বর বলেন, আমরা ইতোমধ্যে সাতটি গণসমাবেশ করেছি। সব জায়গায় তারা সংঘাত সৃষ্টির পাঁয়তারা করেছে। প্রশাসন দিয়ে চেষ্টা করেছে। গাড়ি, লঞ্চ বন্ধ করে দিয়ে চেষ্টা করেছে, তারা তো কোনো পথই বাকি রাখেনি। নতুন কোনো পথ খোলাও রাখেনি। সুতরাং ঢাকার গণসমাবেশে তারা এটা করবে স্বাভাবিক ব্যাপার, অস্বাভাবিক মনে করছি না। রাতারাতি আওয়ামী লীগ ভালো হয়ে যাবে তা আমরা আশাও করি না। কিন্তু আমরা সরকারের ফাঁদে পা দেব না। আমরা সংঘাত এড়িয়ে গণসমাবেশ করব। 

ঢাকার গণসমাবেশ থেকে বিএনপি সরকার পতনের কোনো ঘোষণা দিবে কি না জানতে চাইলে গয়েশ্বর চন্দ্র আরও বলেন, এখনও ১০ ডিসেম্বর অনেক দূর। আপনারা ১০ ডিসেম্বরের গণসমাবেশে আসবেন। ১০ ডিসেম্বরের কথা সেই দিনই বলবো। আগাম কোনো কথা কেউ বলবে না, আমিও বলব না। আমরা ১০ ডিসেম্বর অবশ্যই পরবর্তী কর্মসূচি দেবো। ১০ ডিসেম্বরের আগে যদি সরকার জনগণের দাবি মেনে নেয়, সেটা তো অন্য রকম। কিন্তু আমরা তা প্রত্যাশা করতে পারছি না। 

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ডা. দেওয়ান সালাউদ্দিন বাবু, নতুন কমিটির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, সহ-সভাপতি খন্দকার মাঈনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী প্রমুখ।


আরও খবর