Logo
শিরোনাম

পাকিস্তানের সামনে ভারতের চ্যালেঞ্জিং স্কোর

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ১৫৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিরাট কোহলির রেকর্ড হাফসেঞ্চুরির ওপর ভর করে এশিয়া কাপের সুপার ফোরের ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রান করেছে ভারত।

রোববার দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খেলতে নামে দুদল। বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় ম্যাচটি শুরু হয়। আসরের সুপার ফোরের ম্যাচে মুখোমুখি হয় ভারত-পাকিস্তান। যেখানে টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠান পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম।

প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ঝড় তোলেন ভারতের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও রোহিত শর্মা। ৫.১ ওভারেই ৫৪ রান তোলেন তারা। অবশেষে এই জুটি ভেঙে পাকিস্তানকে ব্রেকথ্রু এনে দেন হারিস রউফ। তার বলে রোহিত তুলে মারতে গিয়ে খুশদিল শাহর ক্যাচে পরিণত হন। ১৬ বলে ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় ২৮ রান করেন ভারতীয় অধিনায়ক।

পরের ওভারেই বিদায় নেন আরেক ওপেনার রাহুল। শাদাব খানের বলে মারতে গেলে বাউন্ডারিতে মোহাম্মদ নওয়াজের কাছে ক্যাচ দেন এই ডানহাতি। ২০ বলে একটি চার ও ২টি ছক্কায় ২৮ রান করেছেন রাহুল।

আক্রমণাত্মক শুরু করা সূর্যকুমার যাদবকে ব্যক্তিগত ১৩ রানে ফেরান স্পিনার মোহাম্মদ নওয়াজ। এরপর ১১তম ওভারে দলীয় শতকের দেখা পায় ভারত।

ঋষভ পন্থকে বিদায় করেন শাদাব খান। এই স্পিনারের বলে রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে আসিফ আলীর কাছে ক্যাচ দেন ১৪ রান করা পন্থ। এরপর দ্রুত ফিরে যান হার্দিক পান্ডিয়াও। মোহাম্মদ হাসনাইনের বলে শূন্য রানে ফেরেন এই ভয়ঙ্কর ব্যাটার।

এদিন ব্যাটিংয়ে শুরু থেকেই ছন্দে ছিলেন বিরাট কোহলি। দারুণ ব্যাট করে হাফসেঞ্চুরিও তুলে নেন এই তারকা। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এদিন ৩২তম ফিফটির দেখা পান কোহলি, যা যেকোনো ব্যাটার হিসেবে সর্বোচ্চ। তিনি এতদিন ৩১টি ফিফটি করে সতীর্থ রোহিত শর্মার সঙ্গে শীর্ষে ছিলেন। শেষ  অবধি এই ব্যাটার ৪৪ বলে ৪টি চার ও একটি ছক্কায় ৬০ রান করে রান আউট হন।

পাকিস্তান বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২টি উইকেট পান শাদাব খান।

এর আগে গ্রুপ পর্বে ম্যাচে ভারতের কাছে হেরেছিল পাকিস্তান।


আরও খবর

হার দিয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২

১৬৮ রানের লক্ষ্য পেল বাংলাদেশ

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২




গান্ধীর আদলে অসুর, ভারতজুড়ে সমালোচনার ঝড়

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ২৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভারতের জাতিরপিতা মোহন দাস করমচাঁদ গান্ধীকেই অশুভ শক্তির প্রতীক অসুর বানিয়ে দুর্গা পুজো করার অভিযোগ উঠেছে। দক্ষিণ কলকাতার রুবি পার্ক এলাকার এক পূজামণ্ডপে বানানো হয়েছে এমনই প্রতিমা। পূজার উদ্যোক্তা অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভা। 

এরই মধ্যে বিভিন্নমহল থেকে দাবি উঠেছে অবিলম্বে পূজার অনুমতি বাতিল করে আয়োজকদের গ্রেপ্তার করতে হবে।  রবিবার (২ অক্টোবর) ছিল মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিন। ঘটনাচক্রে একই দিনে ছিল দুর্গা পুজোর প্রথম দিন সপ্তমীও। সেই দিনেই গান্ধীকে অসম্মান করায় হিন্দুত্ববাদীদের কড়া সমালোচনা শুরু হয়েছে দেশজুড়ে। বিজেপি বিরোধীদের অভিযোগ, গান্ধীর হত্যাকারীরা এখন তাঁর আদর্শকেও হত্যা করতে চাইছে।

হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ বা আরএসএস সমর্থক নাথুরাম গডসের গুলিতে প্রাণ হারান অহিংসার প্রচারক মহাত্মা গান্ধী। সারা দুনিয়া গান্ধীর অহিংসাবাদী আদর্শ সমর্থন করলেও হিন্দুত্ববাদীরা সব সময়ই তাঁর বিরোধিতা করে এসেছে। এমনকি, বহু বিজেপি সমর্থককে দেখা গিয়েছে নাথুরাম গডসের পুজো করতেও। তবে কলকাতার বুকে এবারই প্রথম গান্ধীকে চরম অসম্মান করা হলো।

পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাসীন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের মতে, যাদের গায়ে গান্ধীকে হত্যা করার রক্ত লেগে রয়েছে তাদেরই এমন কাজ শোভা পায়। কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী অবিলম্বে পুজো বন্ধ করে উদ্যোক্তাদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। বাম দলগুলোর তরফ থেকেও এই ঘটনার নিন্দা করে বলা হয়েছে, মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াই আরও জোরদার করার সময় হয়েছে।

তবে অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভার রাজ্য কমিটির কার্যকরী সভাপতি চন্দ্রচূড় গোস্বামীর পাল্টা দাবি, তাঁরা ইচ্ছা করে এটা করেননি। ঘটনাটি নাকি কাকতালীয়। যাই হোক, পরে দ্রুতই পুলিশের হস্তক্ষেপে বদলে ফেলা হয় মূর্তিটি। তবে নেট দুনিয়ায় এই ঘটনার তীব্র নিন্দা শুরু হয়েছে।


আরও খবর

‘হাসি’ মানুষের সবচেয়ে ভালো ওষুধ

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২




‘আ.লীগ-বিএনপি গণতন্ত্রের নামে একনায়কতন্ত্র চালু করেছে’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৪৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে এখন আর গণতন্ত্র নেই। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি বারবার সংবিধান সংশোধন করে গণতন্ত্রের নামে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। সব ক্ষমতা এখন এক ব্যক্তির হাতে কুক্ষিগত করা হয়েছে, বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জি এম কাদের।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যারের বনানীর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, দলীয়করণের মাধ্যমে দেশে বৈষম্য সৃষ্টি করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য চিকিৎসা নেই, বেকারদের জন্য কাজের নিশ্চয়তা নেই।

জি এম কাদের বলেন, দেশের কোথাও জবাবদিহিতা নেই। জবাবদিহিতা না থাকার কারণে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে অনীয়ম ও দুর্নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: জিএম কাদের

আরও খবর



‘এখনও মনের মতো চরিত্র পাইনি’

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। নিয়মিত কাজ করছেন দুই বাংলার সিনেমায়। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার একাধিক সিনেমা। সেই তালিকায় থাকা অপারেশন সুন্দরবন দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে আজ। এই সিনেমাটির পাশাপাশি নিজের ক্যারিয়ার ভাবনাসহ ইন্ডাস্ট্রির নানা দিক নিয়ে কথা বললেন ইত্তেফাকের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এ এম রুবেল। প্রায় ২ বছর পর আপনার নতুন সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে। সিনেমাটি প্রসঙ্গে জানতে চাই।

নুসরাত ফারিয়া: হ্যাঁ, আজ আমার অপারেশন সুন্দরবন সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে। এই সিনেমাটির জন্য অনেকদিন ধরে অপেক্ষা করছি। ৪ বছর কষ্ট করেছি। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থেকে বনে-জঙ্গলে শুটিং করেছি। এটি আমার ২০ তম সিনেমা হলেও মনে হচ্ছে প্রথম সিনেমা। এত এক্সাইটমেন্ট কাজ করছে যে, ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না।

সিনেমাটি ঘিরে প্রত্যাশা কেমন থাকছে?

নুসরাত ফারিয়া: শুরু থেকেই সিনেমাটি ঘিরে আমার প্রত্যাশা অনেক বেশি ছিল। তবে প্রিমিয়ারে সিনেমাটি দেখার পর আত্মত্মবিশ্বাসটাও বেড়ে গেছে। এমন একটি থ্রিলার এবং বিনোদনে ভরপুর সিনেমা মিস করা কারও ঠিক হবে না। সিনেমাটির নায়িকা হিসেবে নয়, একজন দর্শক হিসেবে সিনেমাটি দেখে আমার এমনটাই মনে হয়েছে। দর্শকদের পয়সা উসুল হবে, এটা বলতে পারি।

অনেকেই বলছেন, চলচ্চিত্রে সুদিন ফিরছে। আপনি কেমন দেখছেন?

নুসরাত ফারিয়া: অবশ্যই সুদিন ফিরছে। আমি খুবই ভাগ্যবান যে, এমন সময় অপারেশন সুন্দরবন মুক্তি পাচ্ছে। তবে আমরা যেমন প্রতি শুক্রবার দর্শকদের উপহার দেওয়ার চেষ্টা করব, তেমনি দর্শকদেরও হলে আসার চর্চাটা অব্যাহত রাখতে রাখতে হবে। আমার মনে হয়, চলচ্চিত্রের সুদিন ফেরাতে দু পক্ষের সমান দায়িত্ব পক্ষের রয়েছে শুরুতে রোমান্টিক ঘরানার সিনেমায় আপনাকে বেশি দেখা গেলেও ইদানিং নানামুখী চরিত্রে দেখা মিলছে।

কিছুদিন আগে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল মুজিব সিনেমাটির কিছু দৃশ্য রিটেক হবে। সংবাদটির সত্যতা কতটুকু?

নুসরাত ফারিয়া: আমি আসলে এই বিষয়টি নিয়ে তেমন কিছু জানি না। কারণ আমার তো কোনো সিডিউল নেওয়া হয়নি বা নতুন করে কোনো শুটিং করিনি।

আপনার কলকাতার সিনেমাগুলোর কোনো আপডেড আছে কি না?


নুসরাত ফারিয়া: হ্যাঁ, আসছে অক্টোবরে ভয় সিনেমাটি মুক্তির কথা রয়েছে। সিনেমাটি প্রথমে কলকাতা এবং পরে বাংলাদেশে মুক্তি পাবে। রকস্টার আগামী বছর পর্দায় আসবে। পাশাপাশি বিবাহ অভিযান টু সিনেমাটির শুটিংও ২৫ অক্টোবর থেকে শুরু করব।

দুই বাংলার সিনেমাতেই কাজ করছেন। দুই ইন্ডাস্ট্রির ভেতর তফাৎ কতটা দেখতে পাচ্ছেন?

নুসরাত ফারিয়া: তেমন কোনো পার্থক্য আমি দেখতে পাই না। প্রতিটি ইন্ডাস্ট্রি নিজেদের জায়গা থেকে গুছিয়ে কাজ করে। তাছাড়া আমি দুই দেশের বড় বড় প্রডাকশনের সঙ্গে কাজের সুযোগ পাওয়ায় হয়তো পার্থক্যটা সেভাবে চোখে পড়েনি।

ওটিটি মাধ্যমটি চলচ্চিত্রের জন্য কতটা সহায়ক হবে মনে করছেন। পাশাপাশি মাধ্যমটি নিয়ে আপনার পরিকল্পনাগুলো কেমন?

নুসরাত ফারিয়া: এর আগে ওটিটির একটি কাজ আমি করেছি। আবার যদি কখনও গল্প চরিত্র দেখে মনে হয় এটি আমার ক্যারিয়ারে ভিন্নমাত্রা যুক্ত করবে তাহলে অবশ্যই সেই হবে না সেটা। আসলে কাজটি করব। আর মাধ্যমটি চলচ্চিত্রের জন্য সহায়ক হবে কী নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না। করোনার সময় দর্শক ওটিটি বেশি দেখলেও এখন কিন্তু আবার হলে চলে এসেছে। তবে আমি মনে করি, দুটি মাধ্যমেরই সমান দায়িত্ব রয়েছে ইডাস্তিকে বাঁচিয়ে রাখার।

মাঝে মাঝে গানেও নুসরাতের দেখা মেলে। নতুন গান কবে পাচ্ছে শ্রোতারা?