Logo
শিরোনাম

পাটুরিয়া-আরিচা ঘাটে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৬৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাটে ঈদে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়। সোমবার (১৯ জুলাই ) সকাল থেকেই এই ভিড় শুরু হয়। এছাড়া পাটুরিয়া-ঢাকা মহাসড়কের চরের ডাঙ্গা এলাকা পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার যানজট রয়েছে। এতে যাত্রীদের ঘাট এলাকায় এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে।

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় বাড়ছে লঞ্চ ও ফেরিতে। স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে গাদাগাদি করে যাত্রীরা লঞ্চ ও ফেরিতে উঠছেন।

এদিকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-রুটে নদীতে প্রচণ্ড স্রোতে ফেরি চলাচলে সময় বেশি লাগছে। আরিচা-কাজীরহাট নৌ-রুটে ফেরি স্বল্পতা এবং যানবাহন বৃদ্ধির কারণে ঘাট এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

আরিচা অফিসের বিআইডব্লিউটিসির ডিজিএম জিল্লুর রহমান জানান, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজীরহাট নৌ-রুটে ফেরি স্বল্পতা ও নদীতে প্রচণ্ড স্রোতের কারণে ফেরি চলাচলে সময় বেশি লাগায় ঘাট এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-রুটে ১৬টি ও আরিচা কাজীরহাট নৌরুটে মাত্র ৩টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করায় ঘাট এলাকায় এ যানজট দেখা দিয়েছে।

শিবালয় থানার ওসি ফিরোজ কবির জানান, আসন্ন ঈদ উপলক্ষে ঘাট এলাকা দিয়ে ঘরমুখো যাত্রীদের নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছানোর লক্ষ্যে প্রায় ৬ শতাধিক পুলিশসহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন নিয়োজিত রয়েছে। যাত্রীদের মাস্ক বিতরণ করা হচ্ছে।


আরও খবর

তীব্র যানজটে নাকাল মানুষ

রবিবার ১৮ জুলাই ২০২১




করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ঢাকার বাইরে মৃত্যু ১৬০

প্রকাশিত:সোমবার ১২ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশে। করোনা নিয়ন্ত্রণে দেশব্যাপী চলছে কঠোর লকডাউন। তবে এ লকডাউনেও থামানো যাচ্ছে না আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার। রোগীর চাপ সামলাতে দিশেহারা হাসপাতালগুলো। 

করোনায় দেশে মৃত্যুর সবশেষ

দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসছে মৃত্যুর খবর। পরিস্থিতির ভয়াবহতায় উচ্চঝুঁকিতে ময়মনসিংহ, বরিশাল, রাজশাহী, খুলনা, কুষ্টিয়া, টাঙ্গাইল ও সাতক্ষীরা জেলা। সোমবার (১২ জুলাই) সারা দেশে ১৬৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। রবিবার (১১ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে সোমবার (১২ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান তারা।

ময়মনসিংহ:

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জন করোনা রোগী এবং ১১ জন উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। রোববার (১১ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে সোমবার (১২ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান তারা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফোকাল পার্সন ডা. মহিউদ্দিন খান মুন।

বরিশাল

বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছেন ৪৭ জন। এর মধ্যে ১২ জন পজিটিভ। বর্তমানে এখানে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ৩০৭ জন। এর মধ্যে পজিটিভ ৭৭ জন।

খুলনা

খুলনার চারটি হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১৭ জন। এর মধ্যে করোনা ১৩০ শয্যার ডেডিকেটেড হাসপাতালে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন পাঁচজন এবং উপসর্গ নিয়ে পাঁচজন। খুলনা সদর হাসপাতালে মারা গেছেন তিনজন। আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে একজন এবং বেসরকারি গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল তিনজন মারা গেছেন। এদের মধ্যে খুলনা জেলার রয়েছে ১১ জন। এ ছাড়া যশোর ও বাগেরহাট জেলার একজন করে মারা গেছেন।

রাজশাহী:

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় রাজশাহীতে ১৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী এ তথ্য জানিয়েছেন। করোনা সংক্রমণ ও উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছিলেন তারা। শামীম ইয়াজদানী জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় যে ১৪ জন মারা গেছেন এদের মধ্যে পাঁচজনের বাড়ি রাজশাহী জেলায়। এ ছাড়া নাটোরের চারজন, নওগাঁর দুজন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ‍দুজন এবং পাবনার একজন মারা গেছেন।  করোনা সংক্রমণ ও উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছিলেন তারা।

কুষ্টিয়া

কুষ্টিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৮ জন করোনা শনাক্ত ছিলেন, বাকি ৬ জনের করোনার উপসর্গ ছিল। এ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৭৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এক হাজার ২৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় আগের দিনের চেয়ে শনাক্তের হার আরও এক কমে ২৬ দশমিক ৯৭ শতাংশ হয়েছে।

টাঙ্গাইল

টাঙ্গাইলে লাগামহীন করোনা পরিস্থিতি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়ে এবং ৯ জন উপসর্গ নিয়ে মারা যান। ৭৩১টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন আক্রান্ত ২০৭ জন। শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

বগুড়া

বগুড়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা এবং করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১৪ জন। এদের মধ্যে বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ৭ জন, শহীদ জিয়াতে ৬ জন এবং এবং টি এম এস হাসপাতালে একজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, জয়পুরহাট এবং নওঁগা জেলার বাসিন্দা। বগুড়া সিভিল সার্জন অফিসের তথ্যমতে, ২৪ ঘণ্টায় জেলায় এক হাজার ৬২টি নমুনা পরীক্ষা  করে করোনা পজেটিভ হয়েছেন ৩২৭ জন।

ফরিদপুর

গত ২৪ ঘণ্টায় ফরিদপুর পিসিআর ল্যাবে ৩৫৬ নমুনা পরীক্ষার মধ্যে শনাক্ত হয়েছে ১৫১ জন। এই সময়ে করোনায় ও উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৯ জন। এদের মধ্যে করোনা শনাক্ত হয়ে ২ জন এবং উপসর্গ নিয়ে ৭ জন মারা গেছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৩৯৫ জন। ফরিদপুর জেলা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত হয়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

রংপুর

২৪ ঘণ্টায় রংপুরে করোনায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসময় আক্রান্ত হয়েছেন ১১৬ জন।

চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরা মেডিকেলে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু।

ঝিনাইদহ

ঝিনাইদহে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসময়  নতুন আক্রান্ত ৯০ জন।

নাটোর

নাটোর সদর হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৪ জন। এর মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৩ জন ও উপসর্গ নিয়ে একজন মারা যান।

নেত্রকোনা

নেত্রকোনায় ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসময় নতুন শনাক্ত হয়েছেন ৯৩ জন।

এছাড়া, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে ২ জন, কি‌শোরগ‌ঞ্জে ২ জন, কুড়িগ্রামে একজন এবং পঞ্চগড়ে একজন মারা গেছেন।


আরও খবর



মুসলমান খেলোয়াড়দের অ্যাথলেট চার্টারে ব্রিটিশ ক্লাবের সমর্থন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৯৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ফ্রান্সের ফুটবলার পল পগবা সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে হেইনিকেইন ব্র্যান্ডের একটি বিয়ারের বোতল টেবিল থেকে সরিয়ে রাখার  পর এ নিয়ে বিস্তর আলোচনার সৃষ্টি হয়।

অ্যালকোহল পান কিংবা তার প্রসার ও বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়া মুসলমানদের জন্য নিষিদ্ধ, তাই একজন ধর্মপ্রাণ মুসলমান হিসেবে এটি অনুভব করেছে এর থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখেন তিনি।

যুক্তরাজ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় গোষ্ঠী হলো মুসলমানেরা এবং এই সম্প্রদায় দ্রুত বাড়ছে। প্রিমিয়ার লিগেরই বিভিন্ন ক্লাবে ৭০ জনের মতো মুসলিম খেলোয়াড় খেলে থাকেন।

এসব কারণে গত শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে একটি চার্টার বা সনদ প্রকাশ করা হয়েছে, যাকে বলা হচ্ছে 'মুসলিম অ্যাথলেট চার্টার'।

এটিকে এ ধরনের প্রথম চার্টার বলে বর্ণনা করা হচ্ছে এবং এ ধারণা এসেছে অলাভজনক সংস্থা নুজাম স্পোর্টসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী এবাদুর রহমানের মাথা থেকে।

চার্টারে সব মিলিয়ে ১০টি পয়েন্ট রয়েছে, যার মধ্যে অ্যালকোহল পরিহার এমনকি উদযাপনের সময়েও, প্রার্থনার জন্য উপযোগী স্থানের ব্যবস্থা করা, হালাল খাবার এবং রমজান মাসে রোজা রাখার অনুমতি দেওয়া।

এবাদুর রহমান বলেন, আমি খেলাধুলার জগতে কাজ করার সুবাদে জানি যে এখানে আমার ধর্ম মেনে চলা কতটা কঠিন।

ক্লাবগুলো যাতে বাড়িতে ও কাজের জায়গায় এসব খেলোয়াড়ের সমর্থন দেয়, সে ব্যাপারে তাদের সাহায্য দেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ চার্টার এবং এর প্রতি যে সমর্থন দেওয়া হচ্ছে, তার প্রয়োজন রয়েছে এবং ক্লাবগুলো একে স্বাগত জানাবে।

নুজাম হিসাব করে দেখেছে, ইংল্যান্ডের চারটি প্রধান ফুটবল লিগের প্রথম টিম এবং অ্যাকাডেমিগুলোয় ২৫০ জনের মতো মুসলিম ফুটবলার আছে।

এদের মধ্যে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পল পগবা, লিভারপুলের সালাহ ও মানে, চেলসির এন'গোলো কন্তে এবং অ্যান্তোনিও রুডিগাররা বিশ্বব্যাপী বেশ পরিচিত।

এই চার্টার প্রকাশিত হওয়ার আগেই প্রিমিয়ার লিগের পাঁচটি এবং ইএফএলের ১৫টি ক্লাব ইতোমধ্যে একে সমর্থন জানানোর অঙ্গীকার করেছে।

মুসলমান পুরুষ ও নারী খেলোয়াড়দের সমর্থন করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠার যাতে এগিয়ে আসে, এ চার্টার সেটিই চাইছে। আর যারা এতে স্বাক্ষর করছে, তারা 'ইতিবাচক পরিবর্তন' নিয়ে আসার ব্যাপারে অঙ্গীকার করছে।

সংহতি, সমতা এবং নিজেদের ক্লাব ও টিমে মুসলমান খেলোয়াড়রা যে অবদান রাখছে, তাকে স্বীকৃতি দেওয়ার যে ইতিবাচক আন্দোলন, তাতে যোগ দিতে শুরু করেছে ক্লাব ও সংগঠনগুলো।


আরও খবর



রাজশাহী মেডিকেলে করোনা ইউনিটে প্রাণ গেল আরও ২২ জনের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৭৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে পাঁচজন ও উপসর্গে ১৭ জন মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকালে রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বুধবার (৩০ জুন) সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত রামেক হাসপাতাল করোনা ইউনিটের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ২২ জন মারা গেছেন।

পরিচালক বলেন, ২৪ ঘণ্টায় ২২ জন মৃতদের মধ্যে রাজশাহী জেলারই ১৪ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের একজন, নাটোরের একজন, নওগাঁর পাঁচজন ও ঝিনাইদহের একজন ছিলেন। করোনা সংক্রমণে মারা গেছেন রাজশাহীর তিনজন, নওগাঁর একজন ও ঝিনাইদহের একজন। উপসর্গে মারা গেছেন রাজশাহীর ১১ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের একজন, নাটোরের একজন ও নওগাঁর চারজন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবার দাফন করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

রোগীদের ভর্তি ও সংক্রমণের বিষয়ে রামেক পরিচালক বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় রামেকে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৬৬ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৬ জন। রামেকে করোনা আক্রান্ত হয়ে ১৯৫ জন এবং সন্দেহভাজন ও উপসর্গ নিয়ে ২৬৭ জন ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় রামেকে ৪০৫টি শয্যার বিপরীতে রোগী ভর্তি ছিলেন ৪৬২ জন।

করোনা পরীক্ষার বিষয়ে তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় রামেক হাসপাতালের পিসিআর মেশিনে ১৮৮টি নমুনা পরীক্ষায় ৪৭ জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। মেডিকেল কলেজের পিসিআর মেশিনে ৩৬৫টি নমুনায় ২০১ জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। দুই ল্যাবের টেস্টে মোট ৫৫৩টি নমুনা পরীক্ষায় ২৪৮ জনের করোনা পজিটিভ রেজাল্ট আসে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩৯ দশমিক ৯০ শতাংশ।



আরও খবর



সারা দেশে তাণ্ডব চালাচ্ছে করোনা

১১ জেলায় দুপুরের আগেই শতাধিক মৃত্যুর খবর

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৮৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সারা দেশে তাণ্ডব চালাচ্ছে মহামারি করোনা ভাইরাস। রাজশাহী, বরিশাল, ময়মনসিংহসহ দেশের ১১ জেলায় সোমবার (৫ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এবং উপসর্গ নিয়ে ১০৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে পাঁচজন ও উপসর্গ নিয়ে ১৩ জন মারা গেছেন। সোমবার (৫ জুলাই) সকালে রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নাটোর: সদর হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

টাঙ্গাইল: গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, আক্রান্ত হয়েছেন ২২৭ জন।

বরিশাল: বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ওয়ার্ডে মারা গেছেন ১২ জন। এরমধ্যে পজিটিভ ছিল একজনের। উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১১ জন।

খুলনা: গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনার চারটি হাসপাতলে আরও ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতলে আক্রান্ত হয়ে এবং উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১০ জন, সদর হাসপাতালে দুজন, আবু নাছের হাসপাতালে একজন এবং গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪ জন মারা গেছেন। এদের মধ্যে খুলনার ৯ জন এবং বাগেরহাটের ৩ জন মারা গেছেন। বাকি ৫ জনের ঠিকানা পাওয়া যায়নি।

কুষ্টিয়া: করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে এ জেলায়। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে আরও ১৫ জনের। এ সময় ৮৮৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৯২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। জেলায় এটিই এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ও শনাক্ত। জেলায় এ পর্যন্ত ৮ হাজার ৭৬৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আর মারা গেছেন ২৪৫ জন। সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৮২৩ জন।

সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৮ জন।

চুয়াডাঙ্গা: করোনা ও উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে জেলায়।

কুড়িগ্রাম: গত ২৪ ঘণ্টায় কুড়িগ্রামে ১৪১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৪৮ জন পজিটিভ পাওয়া গেছে। আক্রান্তের হার ৩৩ দশমিক ০৪ ভাগ। জেনারেল হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেট ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন ৩৪ জন। মারা গেছেন একজন।

পঞ্চগড়: নতুন করে আরও ৪৭ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ সময় ১৭৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৪৭ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২২৭ জন। এ পর্যন্ত জেলায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন ৮৫১ জন।

ময়মনসিংহ: ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে যেন মৃত্যুর মিছিল থামছেই না। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ছয়জন করোনায় এবং ৯ জন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। সোমবার (০৫ জুলাই) সকাল ১০টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. মহিউদ্দিন খান মুন।

চট্টগ্রাম: গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৫৯ জন, যা একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড। এ সময় করোনায় মৃত্যু হয়েছে আরও পাঁচ জনের। শনাক্তের হার ৩৪.১২ শতাংশ।


আরও খবর



যশোরে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে ভাঙচুর-বিক্ষোভ

প্রকাশিত:শনিবার ১০ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ জুলাই ২০২১ | ৬৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে (বালক) শিশুরা সংগঠিত হয়ে ভাঙচুর করছে। শনিবার রাত সাড়ে ১০টা থেকে কেন্দ্রের ভবনে দরজা বন্ধ করে ভাঙচুর করে তারা বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। এ ঘটনায় দুই শিশু আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে এবং অপরজনকে কেন্দ্রে রেখেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কেন্দ্রে ৫০ থেকে ৬০ জন পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাত সোয়া ১২টা পর্যন্ত পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

পুলিশ ও কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, এই কেন্দ্রে খাওয়া, চিকিৎসাসহ বিভিন্ন ধরনের সংকট রয়েছে। এসব সংকট নিয়ে শিশুরা বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ-অনুযোগও করেছে। কিন্তু অবস্থার তেমন উন্নতি হয়নি। এর মধ্যে তিন দিন আগে আদালতের মাধ্যমে টঙ্গী থেকে একটি ছেলে এই কেন্দ্রে আসে। সেই ছেলেটি কেন্দ্রে অন্য নিবাসী শিশুদের সংগঠিত করে আজ রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভাঙচুর শুরু করে।

ভবনের মূল ফটকে তালা দেওয়া থাকে। তারা ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে ভেতরে খাট-জানালাসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করতে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য অন্তত ৫০ জন পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ কেন্দ্রের মাঠে অবস্থান করছে। রাত সাড়ে ১২টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী সায়েমুজ্জামানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কেন্দ্রে যান। তারা শিশুদের নেতার সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান বলেন, ওই কেন্দ্রে বর্তমানে ৩০০ শিশু অবস্থান করছে। তারা সংগঠিত হয়ে হঠাৎ রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভাঙচুর চালিয়ে বিক্ষোভ দেখায়। রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। পুলিশ ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সেখানে পাঠানো হয়েছে।

কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক জাকির হোসেন বলেন, আমরা কেন্দ্রে অবস্থান করছি। শিশুরা ভাঙচুর করছে। এতে দুই শিশু আহত হয়েছে। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।


আরও খবর