
ঈদের বাকি মাত্র
কয়েকদিন, এরই মধ্যে সরকারি অফিস-আদালত ছুটি হয়েছে। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১
জেলায় যেতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথ পাড়ি দিতে হয়।
শুক্রবার (২৯
এপ্রিল) ভোর থেকে এ নৌপথে যানবাহন ও যাত্রীদের চাপ বাড়তে থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে
সঙ্গে এ চাপ স্বাভাবিক হয়। ফলে এবারের ঈদ যাত্রা তুলনামূলক স্বস্তির বলে মনে করছেন
এ পথের নিয়মিত যাত্রীরা।
মহাসড়ক ও ঘাট
এলাকায় যানজট এড়াতে গত বুধবার (২৬ এপ্রিল) রাত থেকেই পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ
করা হয়েছে। তবে বিশেষ প্রয়োজনে পচনশীল পণ্য বহনকারী যানবাহন চলাচলে শিথিলতা রয়েছে।
জানা গেছে, এখনো
পর্যন্ত গার্মেন্টগুলো ছুটি না হওয়ার কারণে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ অতিমাত্রায় বাড়েনি।
আগামীকাল (শনিবার) গার্মেন্টস ছুটি হওয়ার পর মহাসড়ক ও ঘাট এলাকায় চাপ বাড়বে বলে
আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্টরা। ঈদ যাত্রায় ভোগান্তি কমাতে পাটুরিয়া ঘাটে ২১টি ফেরি ও ৩২টি
লঞ্চ দিয়ে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে।
পাটুরিয়া ঘাটের
নৌপথের সক্ষমতা জানিয়ে বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের উপব্যবস্থাপক খালেদ নেওয়াজ
বলেন, চাপ সামলাতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ২১টি ফেরি যানবাহন পারাপার করছে। পাঁচটি
ঘাটের মোট ১১টি পকেট সচল রয়েছে। ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপ এখনো বড় আকারে পড়েনি, তবে
আমাদের প্রস্তুতি আছে। ফেরির ছোটখাটো যান্ত্রিক ত্রুটি মোকাবেলা করে সচল রাখার সক্ষমতা
আছে আমাদের। আমরা যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারব।
পাটুরিয়া লঞ্চ মালিক সমিতির সুপারভাইজার পান্না লাল নন্দি বলেন, যাত্রী পারাপারের জন্য ৩১টি লঞ্চ বহরে যুক্ত আছে এবং একটি লঞ্চ যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য মেরামতে আছে। সেটিও দ্রুত বহরে যুক্ত হবে। সকালের দিকে যাত্রীদের প্রচুর চাপ ছিল। এখন আর কোনো চাপ নেই। ঘাটে প্রতিনিয়ত ১০টির বেশি লঞ্চ নোঙ্গর করা আছে।

