Logo
শিরোনাম

পদ্মা সেতু দিয়ে নতুন ২১ রুটে ৪৫ বাস চালাবে বিআরটিসি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৫৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে ঢাকা থেকে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় নতুন ২১টি রুট তৈরি করে ৪৫টি বাস চালাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)। আগামী ২৬ জুন থেকে এ সব রুটে গাড়ি চলাচল শুরু করবে।  নতুন ২১টি রুট নিয়ে দক্ষিণাঞ্চলে বিআরটিসির মোট রুটের সংখ্যা হবে ২৩টি। এ সব রুটের বাসগুলো হবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। এর আগে ২৫ জুন দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বহুল প্রত্যাশিত পদ্মা সেতু উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিআরটিসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ বিষয়ে গত ১৯ জুন রাজধানীর মতিঝিলে বিআরটিসির প্রধান কার্যালয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিআরটিসি বাসের ডিপো প্রধানেরাও উপস্থিত ছিলেন। আগে ফেরি পার হয়ে দক্ষিণবঙ্গের ২টি রুটে বাস চলত। রুটগুলোর একটি হচ্ছে ঢাকা-খুলনা এবং অন্যটি হচ্ছে ঢাকা-যশোর। বর্তমানে ঢাকা-খুলনা রুটে ১৬টি গাড়ি এবং ঢাকা যশোর রোডে ১৮টি গাড়ি চলাচল করছে। এই গাড়িগুলো ফেরি পারাপার হয়ে চলাচল করছে। বর্তমানে ওই অঞ্চলে ২১টি রুট বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। নতুন ২১টি রুট নিয়ে দক্ষিণাঞ্চলে বিআরটিসির মোট রুট হবে ২৩টি। এ সব রুটে ৪০-৪৫টি বাস চালানো হবে। যা পদ্মা সেতু দিয়ে ২৬ জুন থেকে যাত্রা শুরু করবে। এগুলো চলবে দক্ষিণবঙ্গের প্রতিটি জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত। এই রুটের প্রতিটি বাসই হবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত।

বিআরটিসির জেনারেল ম্যানেজার (আইসিডব্লিউএস) মেজর মোক্তারুজ্জামান বলেন, আমরা দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে সিরিয়াস। আগামী ২৬ জুনের পর আমরা ৩ সপ্তাহ সময় নেব। ৩ সপ্তাহ ওইসব রুটে বাস চলাচল করলেই আমরা বুঝতে পারব, বাসের চাহিদা কেমন, যাত্রীর চাপ কেমন। যদি যাত্রীর চাহিদা বেড়ে যায় আমরা অবশ্যই গাড়ির সংখ্যা বাড়াব। আর যদি যাত্রীর চাহিদা কম হয়, তবে পরে সিদ্ধান্ত নিয়ে একটা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই পথগুলোতে চলাচলকারী প্রতিটি বাসই হবে এসি কোচ। যাত্রীর চাহিদা থাকলে আমরা নন-এসি কোচও চালাব। পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে যদি ডাবল ডেকার বাস চালানোর সুযোগ থাকে এবং দরকার হয়, তবে সেটাও আমরা করব।

বিআরটিএ সূত্রে জানা গেছে, দেশ ও দেশের বাইরে মিলিয়ে মোট ১৯৮টি পথে বাস সার্ভিস পরিচালনা করে সরকারের পরিবহন সংস্থা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)। দেশের বাইরের পথ ২টি হচ্ছে ঢাকা-কলকাতা এবং ঢাকা-আগরতলা।

নিউজ ট্যাগ: বিআরটিসি

আরও খবর



সাভারে ৪ শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা, কবিরাজ গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সাভারে ৪ শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে জয়নাল আবেদীন (৭৩) নামের এক কবিরাজকে গ্রেপ্তার করেছে সাভার মডেল থানা-পুলিশ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী চার শিশুর পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

গ্রেপ্তার জয়নাল আবেদীনকে সাভার মডেল থানা থেকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত সোমবার বিকেলে সাভার সদর ইউনিয়নের দেওগাঁ এলাকায় অভিযান চালিয়ে জয়নাল আবেদীনকে আটক করা হয়। পরে ভুক্তভোগী এক পরিবারের মামলার ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার জয়নাল আবেদীন সাভার সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দেওগাঁ পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত জনাব আলী মুন্সীর ছেলে। তিনি ওই এলাকায় তাবিজ-কবচ বিক্রির নামে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে আসছিলেন।

পুলিশ বলছে, অভিযুক্ত কবিরাজ জয়নাল আবেদীনের নিজের নাতনিসহ ভুক্তভোগী ছয় শিশু একই মাদ্রাসায় লেখাপড়া করত। জয়নালের নাতনির সঙ্গে ভুক্তভোগী চার শিশুর বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই সুবাদে প্রায় ১৫ দিন আগে জয়নালের নাতনির সঙ্গে তাদের বাড়িতে ঘুরতে যায় এক শিশু। এ সময় নাতনিকে কাজে পাঠিয়ে ওই শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করে জয়নাল। পর দিন আবার ভুক্তভোগী শিশুকে বাসায় নিতে চাইলে সে আর যেতে রাজি হয়নি। পরে আরেক শিশু বান্ধবীকে নিয়ে বাসায় যায় জয়নালের নাতনি। এ দিনও একই কাজ করে জয়নাল। এভাবে চার শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করে কবিরাজ।

এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মাইনুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে একাধিক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মামলা দায়ের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 


আরও খবর



২৪ জুন লাবণ্য দাশ হয়ে আসছেন জয়া আহসান

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আগামী ২৪ জুন পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পাচ্ছে জয়া আহসান অভিনীত সিনেমা ঝরা পালক। সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে বাংলা সাহিত্যের নির্জনতম কবি জীবনানন্দ দাশের ওপরে। এটি নির্মাণ করেছেন সায়ন্তন মুখার্জি। জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম অনুসারে এ সিনেমার নাম রাখা হয়েছে। সিনেমায় জয়া আহসান অভিনয় করেছেন জীবনানন্দ দাশের স্ত্রী লাবণ্যর ভূমিকায়। জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর পর স্ত্রীর চিরকালীন না পাওয়ার ক্ষোভ, জীবনযন্ত্রণার অসহায়ত্ব সবকিছু একটি সংলাপের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে। আর সে সংলাপটি হলো, বাংলা সাহিত্যকে তোমার দাদা অনেক কিছুই দিয়ে গেলেন, কিন্তু আমার জন্য কী রেখে গেলেন? ট্রেলার দেখে মনে হয়, কবি জীবনানন্দ দাশের বায়োপিক ঝরা পালক। সিনেমায় জীবনানন্দ দাশের চরিত্রে অভিনয় করেছেন পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ ব্রাত্য বসু।

ঝরা পালক নিয়ে দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান বলেন, আমার চরিত্রটির ভেতরে জীবনানন্দ দাশের অন্য যে চরিত্রগুলো আছে সেগুলোর ছায়াও আছে। আরেকটি বিষয় আমার মনে হয়, জীবনানন্দ দাশের মতো একজন ব্যক্তি ছিলেন, যে কিনা পা থেকে মাথা পর্যন্ত কবিতার ভেতর নিমজ্জিত হয়ে থাকতেন, সে রকম একটি মানুষের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা সহজ কথা নয়। তিনি জীবনে খুব স্বস্তি পেয়েছেন তা নয়। এ চরিত্রে অভিনয় করাটা আমার জন্য চ্যালেঞ্জিং ছিল। সিনেমাটির সঙ্গে যারা সংশ্লিষ্ট তারা প্রত্যেকেই বলেছেন, জয়া আহসানের অভিনয়ের কারণেই জীবনানন্দ দাশের স্ত্রীর চরিত্রটি এক অন্য মাত্রা পেয়েছে। পরিচালক সায়ন্তন মুখার্জি ঝরা পালক সিনেমাকে একটা ক্যানভাসের মতো ব্যবহার করে জীবনানন্দের জীবন, তার ভাবনা, দুঃখ-কষ্ট, আবেগ এবং আশপাশের মানুষজনকে আঁকার চেষ্টা করেছেন। এ ছবির কেন্দ্রে রয়েছে মূলত কবি জীবনানন্দ দাশের দাম্পত্য জীবনের কাহিনী। যাকে লাবণ্য ও জীবনানন্দের সাংসারিক টানাপড়েনের গল্প বলা যেতে পারে। পাশাপাশি রয়েছে সে সময়ের সামাজিক প্রেক্ষাপট, কবি মহলে জীবনানন্দ দাশের অবস্থান এবং কবির জীবনে পাওয়া  না-পাওয়ার দ্বন্দ্ব।

বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় এ কবির দুই বয়সের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে সিনেমায়। তরুণ জীবনানন্দ দাশের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় এবং পরিণত বয়সের কবির চরিত্রে থাকছেন ব্রাত্য বসু। এতে কবি ও শনিবারের চিঠি পত্রিকার সম্পাদক সজনীকান্ত দাসের চরিত্রে দেবশঙ্কর হালদার, কবি বুদ্ধদেব বসুর চরিত্রে কৌশিক সেন ও কাজী নজরুল ইসলামের চরিত্রে সুপ্রিয় দত্ত অভিনয় করেছেন। সিনেমাটি কলকাতার পাশাপাশি বাংলাদেশেও মুক্তির পরিকল্পনার কথা জানান পরিচালক। সায়ন্তন বলেন, জীবনানন্দ দাশের জীবনের অনেকটা অংশজুড়ে বরিশাল, বাংলাদেশ জড়িয়ে আছে। ফলে কাজটা নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করছি। জীবনানন্দ দাশের পাশাপাশি জয়া আহসানও এ সিনেমার আরেকটি ফ্যাক্টর। তাই আমি চাইছি সিনেমাটি বাংলাদেশেও মুক্তি পাক। বড়দিন উপলক্ষে গত বছরের ডিসেম্বরে সিনেমার প্রোমো প্রকাশ করা হয়। কলকাতায় সেই আয়োজনে যোগ দেন ব্রাত্য বসু, জয়া আহসানসহ সিনেমার কলাকুশলীরা। সিনেমা হলে মুক্তির আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবেও সিনেমাটি প্রদর্শিত হয়। জয়া আহসানের প্রশংসা করেন সিনেমাপাড়ার মানুষজন।

ঝরা পালক কবি জীবনানন্দ দাশের লেখা প্রথম কাব্যগ্রন্থ। ১৯৭২ সালে ভারতের কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়। কবি তখন কলকাতা সিটি কলেজে শিক্ষকতা করতেন। বইয়ের প্রচ্ছদে পাখির আটটি পালকের ছবি দেয়া ছিল। বইয়ের দাম ছিল এক টাকা। বইয়ের উৎসর্গে কারো নাম না লিখে কবি শুধু কল্যাণীয়াসু শব্দটা লেখেন। পরে জানা যায়, চাচাতো বোন শোভনাকে বইটি উৎসর্গ করেন। এ বই প্রকাশের তিন বছর পর ১৯৩০ সালে ইডেন কলেজের শিক্ষার্থী লাবণ্য দাশের সঙ্গে বিয়ে হয় জীবনানন্দ দাশের। লাবণ্য দাশ মানুষ জীবনানন্দ নামে একটি বই লিখেছেন। বইয়ে কবির স্ত্রী, সন্তান সর্বোপরি সংসারের প্রতি অনীহার কথা ফুটে উঠেছে। জীবনানন্দ ও লাবণ্য দাশের পারস্পরিক স্বভাব ছিল পুরোপুরি বিপরীত। কবি ছিলেন ধীর, শান্ত। তার স্ত্রী ছিলেন ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা থেকে অনেক দূরে। জীবনানন্দের মৃত্যুর পর লাবণ্য দাশ লেখক ভূমেন্দ্র গুহকে ডেকে বলেছিলেন, বাংলা সাহিত্যের জন্য তিনি অনেক কিছু রেখে গেলেন হয়তো, আমার জন্য কী রেখে গেলেন বলো তো? কবির জীবন নিয়ে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে আগ্রহের কমতি নেই। স্বভাবত ঢাকা ও কলকাতার দর্শকরা সিনেমাটির জন্য অপেক্ষা করছেন। ২০১৭ সালের শেষের দিকে এ সিনেমার শুটিং শুরু হয়েছিল। তারপর নানা কারণে সিনেমাটির মুক্তির তারিখ পিছিয়ে যায়।


আরও খবর

২৭ বছরের সম্পর্কে ইতি টানলেন মীর!

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২

বড় পর্দায় বাম-কংগ্রেস সন্ত্রাস

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




বাংলাদেশের বন্যপ্রাণি (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২

প্রকাশিত:বুধবার ২২ জুন 20২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের বন্যপ্রাণি (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২ সংসদে ০৮ জুলাই, ২০১২ তারিখে কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে মোট ১৩০৭টি প্রাণি ও উদ্ভিদকে সংরক্ষিত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই আইনের ৩৬ ধারা অনুযায়ী বাঘ বা হাতি হত্যা করলে ২-৭ বছর কারাদণ্ড ও সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানা দিতে হবে। একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটলে ১২ বছরের কারাদণ্ড ও ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড হবে। আইনের ৩৭ ধারা অনুযায়ী চিতা বাঘ, লামচিতা, উল্লুক, সাম্বার হরিণ, কুমির, ঘড়িয়াল, তিমি বা ডলফিন হত্যা করলে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড বা তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হবে। এই আইনের ৩৮ ধারা অনুযায়ী পাখি বা পরিযায়ী পাখি হত্যা করলে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হবে। আইনে আরো বলা হয়েছে, লাইসেন্স ছাড়া কোনো ব্যক্তি কারো কাছ থেকে বন্য প্রাণি, বন্য প্রাণির কোনো অংশ, মাংস, ট্রফি বা কোনো দ্রব্য কিনলে সর্বোচ্চ ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হবে।

এই আইনে আরো বলা হয়েছে, সরকারি বন, বনের অংশ, সরকারি ভূমি, জলাভূমি বা যে কোনো এলাকাকে গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা যাবে। অভয়ারণ্যে কেউ চাষাবাদ, শিল্পকারখানা স্থাপন, উদ্ভিদ আহরণ ও ধ্বংস এবং অভয়ারণ্যে কেউ অগ্নিসংযোগ করতে পারবে না। এ সম্পর্কিত বিধিনিষেধ কেউ লঙ্ঘন করলে দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা এক লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

এই আইনের ৮টি ধারা নিচে প্রদান করা হলোঃ

ধারা ৩৪ কোন ব্যক্তি যদি-

(ক) ধারা ১১ এর বিধান অনুযায়ী নিবন্ধিত এবং প্রদত্ত নিবন্ধন চিহ্ন নকল, বিনিময় অথবা অন্য কোনভাবে হস্তক্ষেপ বা পরিবর্তন করেন; বা

(খ) লাইসেন্স অথবা পারমিট প্রাপ্ত কোন ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কাহারো নিকট হইতে কোন বন্যপ্রাণী, বন্যপ্রাণীর কোন অংশ, মাংস, ট্রফি অথবা উহা হইতে উৎপন্ন দ্রব্য বা বনজদ্রব্য বা তফসিল ৪ এ উল্লিখিত উদ্ভিদ অথবা উহা হইতে উৎপন্ন দ্রব্যাদি ক্রয়-বিক্রয় বা আমদানি-রপ্তানি করেন- তাহা হইলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ১ (এক) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটাইলে সর্বোচ্চ ৩ (তিন) বৎসর পর্যন্ত করাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ২ (দুই) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ধারা ৩৫। কোন ব্যক্তি ধারা ১৪ এ উল্লিখিত কোন নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন ও উক্তরূপ অপরাধের জন্য জামিন অযোগ্য হইবেন এবং তিনি সর্বোচ্চ ২ (দুই) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১ (এক) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটাইলে সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৪ (চার) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ধারা ৩৬।  (১) কোন ব্যক্তি ধারা ২৪ এর অধীন লাইসেন্স গ্রহণ না করিয়া তফসিল ১ এ উল্লিখিত কোন বাঘ বা হাতি হত্যা করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন ও উক্তরূপ অপরাধের জন্য জামিন অযোগ্য হইবেন এবং তিনি সর্বনিম্ন ২ (দুই) বৎসর এবং সর্বোচ্চ ৭ (সাত) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন ১ (এক) লক্ষ এবং সর্বোচ্চ ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দডণ্ডত হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটাইলে সর্বোচ্চ ১২ (বার) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ১৫ (পনের) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, বাঘ বা হাতি কর্তৃক কোন ব্যক্তি আক্রান্ত হইলে এবং উহার ফলে তাহার জীবনাশঙ্কার সৃষ্টি হইলে জীবন রক্ষার্থে উক্ত আক্রমণকারী বাঘ বা হাতিকে হত্যার ক্ষেত্রে এই ধারার বিধান প্রযোজ্য হইবে নাঃ

তবে আরো শর্ত থাকে যে, এ সংক্রান্ত বিষয়ে কোন মামলা দায়েরের প্রশ্ন দেখা দিলে, সংশ্লিষ্ট স্টেশন কর্মকর্তা ওয়ার্ডেন এর সহিত পরামর্শক্রমে মামলা দায়ের করিতে পারিবেন।

(২) কোন ব্যক্তি ধারা ১০ এর অধীন পারমিট গ্রহণ না করিয়া তফসিল ১ এ উল্লিখিত কোন বাঘ বা হাতির ট্রফি, অসম্পূর্ণ ট্রফি, মাংস, দেহের অংশ সংগ্রহ করিলে, দখলে রাখিলে বা ক্রয় বা বিক্রয় করিলে বা পরিবহন করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ৩ (তিন) বৎসর পর্যন্ত করাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৩ (তিন) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটাইলে সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ধারা ৩৭। (১) কোন ব্যক্তি তফসিল ১ এ উল্লিখিত কোন চিতা বাঘ, লাম চিতা, উল্লুক, সাম্বার হরিণ, কুমির, ঘড়িয়াল, তিমি বা ডলফিন হত্যা করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ৩ (তিন) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৩ (তিন) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটাইলে সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, চিতা বাঘ বা কুমির কর্তৃক কোন ব্যক্তি আক্রান্ত হইলে এবং উহার ফলে তাহার জীবনাশঙ্কার সৃষ্টি হইলে জীবন রক্ষার্থে উক্ত আক্রমণকারী চিতা বাঘ বা কুমিরকে হত্যার ক্ষেত্রে এই ধারার বিধান প্রযোজ্য হইবে নাঃ

তবে আরো শর্ত থাকে যে, এ সংক্রান্ত বিষয়ে কোন মামলা দায়েরের প্রশ্ন দেখা দিলে, সংশ্লিষ্ট স্টেশন কর্মকর্তা ওয়ার্ডেন এর সহিত পরামর্শক্রমে মামলা দায়ের করিতে পারিবেন।

(২) কোন ব্যক্তি তফসিল ১ এ উল্লিখিত কোন চিতা বাঘ, লাম চিতা, উল্লুক, সাম্বার হরিণ, কুমির, ঘড়িয়াল, তিমি বা ডলফিন এর ট্রফি বা অসম্পূর্ণ ট্রফি মাংস দেহের অংশ সংগ্রহ করিলে, দখলে রাখিলে বা ক্রয় বা বিক্রয় করিলে বা পরিবহন করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ২ (দুই) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১ (এক) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটাইলে সর্বোচ্চ ৪ (চার) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ২ (দুই) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ধারা ৩৮। (১) কোন ব্যক্তি তফসিল ১ ও ২ এ উল্লিখিত কোন পাখি বা পরিযায়ী পাখি হত্যা করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ১ (এক) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১ (এক) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটাইলে সর্বোচ্চ ২ (দুই) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ২ (দুই) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(২) কোন ব্যক্তি তফসিল ১ ও ২ এ উল্লিখিত কোন পাখি বা পরিযায়ী পাখির ট্রফি বা অসম্পূর্ণ ট্রফি, মাংস দেহের অংশ সংগ্রহ করিলে, দখলে রাখিলে বা ক্রয় বা বিক্রয় করিলে বা পরিবহন করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ৬ (ছয়) মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৩০ (ত্রিশ) হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটাইলে সর্বোচ্চ ১ (এক) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ধারা ৩৯। কোন ব্যক্তি ধারা ৬, ১০, ১১ বা ১২ এর বিধান লংঘন করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ১ (এক) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটাইলে সর্বোচ্চ ২ (দুই) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ধারা ৪০। কোন ব্যক্তি ধারা ২৪ বা ২৭ এর বিধান লংঘন করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ১ (এক) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটাইলে সর্বোচ্চ ২ (দুই) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ধারা ৪১। কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহায়তা করিলে বা উক্ত অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা প্রদান করিলে এবং উক্ত সহায়তা বা প্ররোচনার ফলে অপরাধটি সংঘটিত হইলে, উক্ত সহায়তাকারী বা প্ররোচনাকারী তাহার সহায়তা বা প্ররোচনা দ্বারা সংঘটিত অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।


আরও খবর



দিনে ২০০ জন পর্যন্ত সেনা হারাচ্ছে ইউক্রেন: জেলেনস্কির উপদেষ্টা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে প্রতিদিন তাঁর দেশের ১০০ থেকে ২০০ জন সেনার প্রাণহানি ঘটছে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির উপদেষ্টা মিখাইলো পোদোলিয়াক। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানান তিনি।

যদিও একই দিন ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওলেকসি রেজনিকভ বলেছিলেন, রাশিয়ার হামলায় প্রতিদিন তাঁদের ১০০ সেনাসদস্যের মৃত্যু হচ্ছে। আহত হচ্ছেন আরও ৫০০। 

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পূর্ব ইউক্রেনের ডনবাস অঞ্চলের দখল নিতে হামলা জোরদার করেছে রাশিয়া। অবিরাম বোমা হামলায় চাপে রয়েছে ইউক্রেনের সেনারা। 

পোদোলিয়াকের ভাষ্য, ডনবাসে পারমাণবিক অস্ত্র বাদে প্রায় সব ধরনের অস্ত্রই ব্যবহার করছে রাশিয়া। এর মধ্যে রয়েছে, ভারী কামান, রকেট উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা ও যুদ্ধবিমান।

জেলেনস্কির এই উপদেষ্টা জানিয়েছেন, পূর্ব ইউক্রেনে যুদ্ধক্ষেত্রে সক্ষমতার দিক দিয়ে রাশিয়ার দিক চেয়ে ইউক্রেন পিছিয়ে রয়েছে। এ কারণেই ইউক্রেনের বিপুলসংখ্যক সেনা হতাহত হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আগের মতোই তিনি বলেছেন, পশ্চিমা অস্ত্র সহায়তা দরকার।

মিখাইলো পোদোলিয়াক বলেন, ইউক্রেনের ১৫০ থেকে ৩০০টি রকেট উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা প্রয়োজন। কামান পেতে আমরা যে দাবি করেছি, তা খামখেয়ালি কোনো বিষয় নয়, বরং যুদ্ধক্ষেত্রে পরিস্থিতি সামলাতে এর প্রয়োজন রয়েছে।

এদিকে শুধু ইউক্রেনেরই না, পাল্টা হামলায় বিপুলসংখ্যক রুশ সেনাও মারা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওলেকসি রেজনিকভ। একই কথা বলেছেন ডনবাসের লুহানস্ক অঞ্চলের গভর্নর সার্গেই গাইদাইয়ের। 

তবে পোদোলিয়াকের সঙ্গে সুর মিলিয়ে এটাও বলছেন যে, কামানের অভাবে তারা সমস্যার মুখে রয়েছেন।

পূ্র্ব ইউক্রেনে এখন মূল লড়াই চলছে সেভেরোদোনেৎস্ক শহর ঘিরে। সেখানে তীব্র হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া। ইউক্রেনের কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, রাশিয়ার কামান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শহরটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ডনবাস শেষ পর্যন্ত কাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে তা সেভেরোদোনেৎস্কের লড়াইয়ে নির্ধারিত হবে বলে বুধবার জানানন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

সবকিছুর মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে কিয়েভ প্রস্তুত না বলে জানিয়েছেন মিখাইলো পোদোলিয়াক। ২৪ ফেব্রুয়ারি অভিযান শুরুর পর থেকে রাশিয়ার দখলে যাওয়া ইউক্রেনের অঞ্চলগুলো ফিরিয়ে দিলেই কেবল শান্তি আলোচনার পথে হাঁটবেন বলে জানিয়ে জেলেনস্কির এই উপদেষ্টা।


আরও খবর



সৌদি এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজে ত্রুটি, ৯ ঘণ্টা অপেক্ষায় হজযাত্রীরা

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সৌদি অ্যারাবিয়ান (সাউদিয়া) এয়ারলাইন্সে কারিগরি ত্রুটির কারণে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হজ ফ্লাইটে বিপর্যয় ঘটেছে। ফ্লাইটের অপেক্ষায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বসে আছেন ৪ শতাধিক হজযাত্রী।

শনিবার (১৮ জুন) বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে ফ্লাইটটি ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে ছাড়েনি। যে এয়ারলাইন্সটি ঢাকায় এসে যাত্রী নেওয়ার কথা ছিল সেটি এখনো আসেনি।

হজ ক্যাম্প সূত্র জানায়, সাউদিয়া এয়ারলাইন্সের এসভি৩৮১১ ফ্লাইটে শনিবার বিকেলে চার শতাধিক হজযাত্রী সৌদি আরবের জেদ্দায় যাওয়ার কথা ছিল। এ জন্য শনিবার দুপুর দুইটা থেকে বিমানবন্দরে অপেক্ষায় আছেন হজযাত্রীরা। কিন্তু রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ফ্লাইটের বিষয়ে কোনো আপডেট তথ্য দিতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা।

তবে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, সাউদিয়া এয়ারলাইন্সে কারিগরি ত্রুটির কারণে ফ্লাইট বিলম্ব হচ্ছে। রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ হজ যাত্রীদের নিয়ে যাবে সাউদিয়া।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হজ ক্যাম্পের এক কর্মকর্তা বলেন, হজযাত্রীদের ফ্লাইটের কমপক্ষে আট ঘণ্টা আগে হজ ক্যাম্পে আসতে হয়। সে অনুযায়ী সব যাত্রী নির্ধারিত সময়ে ক্যাম্পে আসেন। সেখানে এয়ারলাইনের বোর্ডিং ও বাংলাদেশ প্রান্তের ইমিগ্রেশন করা হয়। এরপর ফ্লাইটের ২ থেকে ৩ ঘণ্টা আগে হজযাত্রীদের নিয়ে যাওয়া হয় বিমানবন্দরে। সেখানে সৌদি ইমিগ্রেশন শেষ করে প্লেনে ওঠেন হজযাত্রীরা। এনিয়মেই প্রতিদিন হজ ফ্লাইটগুলো পরিচালিত হয়। কিন্তু আজ ফ্লাইট বিপর্যয় ঘটায় বিপাকে পড়েছেন হজযাত্রীরা।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন কামরুল ইসলাম বলেন, সাউদিয়ার উড়োজাহাজটি কারিগরি ত্রুটির কারণে নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে যায়নি। তবে যাত্রীদের খাবারসহ সব ব্যবস্থা করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, রাত সাড়ে ১২টায় ফ্লাইটটি ছেড়ে যাবে।


আরও খবর