Logo
শিরোনাম

পদ্মা সেতুতে রেলপথের স্ল্যাব বসানো শেষ

প্রকাশিত:রবিবার ২০ জুন ২০21 | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৯৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

স্বপ্নের পদ্মা সেতুর কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ মূল সেতুতে রেলপথে কংক্রিটের স্ল্যাব বসানো শেষ। কিছু দিনের মধ্যে সেতুতে রেললাইন লাগানোর কাজ চলবে।


পদ্মা সেতু প্রকল্প সূত্র জানায়, ২০২২ সালের জুনের মধ্যে সেতু চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

পদ্মা সেতু প্রকল্পের মূল সেতুর প্রকল্প ব্যবস্থাপক দেওয়ান মোহাম্মদ আবদুল কাদের বলেন, সেতুতে রেলপথের স্ল্যাব বসানোর কাজ সম্পন্ন হয়েছে। মূল সেতুতে রেলপথ এবং সেতুর দুই প্রান্তে ৫শ ৩২ মিটার উড়ালপথ তৈরি করছে সেতু বিভাগ।

দ্বিতল পদ্মা সেতুর নিচতলায় চলবে ট্রেন। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতুটিতে সব মিলিয়ে ২ হাজার ৯৫৯টি রেলওয়ে স্ল্যাব বসানোর কাজ শেষ হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলেন, পদ্মা সেতুতে রেলওয়ে স্ল্যাব সমানো শেষ হয়েছে এখন রেললাইন বসানোর কাজ শুরু হবে। উন্নত প্রযুক্তির পাথরবিহীন রেলপথ দিয়ে পদ্মা সেতু পারাপার হবে ট্রেন। সিঙ্গেল লাইনের রেলপথটিতে মিটার গেজ ও ব্রড গেজ থাকবে। সেখানে দুই ধরনের ট্রেন চলাচলেরই ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।

প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকায় সেতু ও এর দুই প্রান্ত রেললাইন বসানোর দায়িত্ব রেলপথ মন্ত্রণালয়ের। ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত ১৭২ কিলোমিটার ব্রডগেজ রেলপথ নির্মাণের কাজ চলছে। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৪ সাল পর্যন্ত। পুরো প্রকল্পের কাজ তিনটি অংশে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে ঢাকা থেকে মাওয়া, মাওয়া থেকে ভাঙ্গা এবং ভাঙ্গা থেকে যশোর পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ। এর মধ্যে সেতু উদ্বোধনের দিন মাওয়া থেকে পদ্মা সেতু হয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত ট্রেন চালুর অগ্রাধিকার ঠিক করেছে রেলওয়ে। এই অংশের দূরত্ব ৪২ কিলোমিটার, কাজ এগিয়েছে ৭৭ শতাংশ। সেতুর দুই প্রান্তে রেললাইন বসালেও সেতু চালুর প্রথম দিন ট্রেন চালানো কঠিন হবে।

নিউজ ট্যাগ: পদ্মা সেতু

আরও খবর



হোয়াইট হাউসের কাছে এলোপাথাড়ি গুলি

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৪২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির এক অভিজাত এলাকায় একটি রেস্তোরাঁর বাইরে এক বন্দুকধারী এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়েছে। অভিজাত ওই এলাকাটির দূরত্ব হোয়াইট হাউস থেকে দেড় কিলোমিটারের দূরে অবস্থিত। খবর বিবিসির।

বন্দুকধারী ২০টির বেশি গুলি ছুড়েছিল, এ সময় রেস্তোরাঁর বাইরে টেবিলে বসা মানুষজনকে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে দৌড়াদৌড়ি করতে দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাতের এ ঘটনায় দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যমগুলো। তবে আহতদের কারও অবস্থাই গুরুতর নয় বলে জানায় পুলিশ। বন্দুকধারীকে ধরতে অভিযান চলছে বলেও জানান তারা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লোগান সার্কেল এলাকার একটি মেক্সিকান রেস্তোরাঁয় গুলি ছোড়ার পর ওই বন্দুকধারী পালিয়ে যায়।

ওয়াশিংটন ডিসি কর্তৃপক্ষের হিসাবে, যুক্তরাষ্ট্রের এ রাজধানী শহরে ২০১৮ সালের পর থেকে বন্দুক নিয়ে হামলার ঘটনা ক্রমাগত হারে বেড়েই চলেছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত এ ধরনের ৪৭১টি ঘটনার খবর পাওয়া গেছে, গত বছর একই সময় পর্যন্ত এ সংখ্যা ছিল ৪৩৪


আরও খবর



বগুড়ায় ২৪ ঘণ্টায় ১৭ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ১১ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৪৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বগুড়ায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় তিন হাসপাতালে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে ৷ এ সময়ের মধ্যে করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৮৩ জনের। 

রোববার (১১ জুলাই) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন।

অন্যদিকে বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল ও টিএমএসএস হাসপাতালে করোনা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন বাংলানিউজকে জানান, বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শমিজেক) হাসপাতালের পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন (পিসিআর) ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার মোট ২৮২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

এতে ১০৮ জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে, এছাড়া জিন এক্সপার্ট মেশিনে ২৬ নমুনায় ১৬ জন, এন্টিজেন পরীক্ষায় ১৩৮ জনের মধ্যে ৩৬ জন এবং বেসরকারি টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজের পিসিআর ল্যাবে ৪১টি নমুনার মধ্যে ২৩ জনসহ মোট ১৮৩ জনের পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এ নিয়ে বগুড়ায় মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ হাজার ৭০৭ জনে দাঁড়ালো। আক্রান্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৩ হাজার ৫৩৫ জন। এছাড়া নতুন সাত জনসহ মোট মৃত্যু সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৬৭ জনে এবং বর্তমানে করোনা আক্রান্ত চিকিৎসাধীন রয়েছে ১ হাজার ৭০৫ জন।


আরও খবর



টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে সেনাপ্রধানের শ্রদ্ধা

প্রকাশিত:শনিবার ২৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ জুলাই ২০২১ | ৮১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। আজ শনিবার দুপুরে টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি। পরে ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাতে অংশ নেন নবনিযুক্ত সেনাপ্রধান।

এ সময় সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বঙ্গবন্ধুর ভবনে রাখা মন্তব্য বইতে স্বাক্ষর করেন সেনাপ্রধান এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় যশোর সেনানিবাসের জিওসি মেজর জেনারেল নুরুল আনোয়ার, অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ, মিলিটারি সিকিউরিটি মেজর জেনারেল খালেদ আল মামুনসহ অন্যান্য সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মহান মুক্তিযুদ্ধে জাতির বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান নতুন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। আজ শনিবার সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছালে সেনাপ্রধানকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনীর নয় পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর মোহাম্মদ জেনারেল শাহিনুল হক। এরপর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন সেনাপ্রধান। এ সময় উত্তোলন করা হয় জাতীয় পতাকা। পরে জাতীয় স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন তিনি। এর আগে রাজধানীর ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। পরে বঙ্গবন্ধু ভবন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

এ সময় সেনাপ্রধান বলেন, আমাদের হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধা জানাতে পারা সেনাপ্রধান হিসেবে আমার জন্য সৌভাগ্য।

দেশের ১৭তম সেনাপ্রধান হিসেবে গত বৃহস্পতিবার দায়িত্ব নিয়েছেন জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। তিনি পূর্বতন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের কাছ থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।


আরও খবর



টাঙ্গাইলে অ্যাম্বুলেন্স-পিকআপ সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৭৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

টাঙ্গাইল থেকে শরিফুল ইমলাম

ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতীতে অ্যাম্বুলেন্স ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫ জন হয়েছে।

শনিবার (৩ জুলাই) সকালে উপজেলার হাতিয়া নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, অ্যাম্বুলেন্সচালক সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার চালা গ্রামের আল মামুনের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (২৯), চালকের সহকারী ও সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার রানীনগর গ্রামের রাজ্জাক মণ্ডলের ছেলে জুয়েল (২৮), ক্যান্সার আক্রান্ত চট্টগ্রাম ইপিজেডের ত্রিপোর্ট এলাকার মোকসেদের স্ত্রী ফরিদা (৩৬), তার মেয়ে মারিয়া আক্তার (১৫), একই এলাকার ইলিয়াসের স্ত্রী ফেরদৌসী বেগম (৪০)।

আহতরা হলেন, গাজীপুর জেলার বোর্ড বাজার এলাকার হারেজ আলী, গাজীপুরের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে বাদশা, রহিস উদ্দিনের ছেলে শাহজাহান, চট্টগ্রামের মাহবুব আলমের ছেলে মারুফ চট্টগ্রামের মোরশেদ আলমের মেয়ে মাহি।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ওসি শাহিদুল ইসলাম জানান, ক্যান্সারের রোগী নিয়ে উত্তরবঙ্গের দিকে যাওয়া অ্যাম্বুলেন্সটিকে ঢাকাগামী মাছ বহনকারী পিকআপটি ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ৩ জন নিহত হয়। আহত হয় আরও ৭জন। পরে আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর পর সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুইজনের মৃত্যু হয়।

ওসি আরও জানান, দুর্ঘটনা কবলিত পরিবহন ২টি মহাসড়ক থেকে সরানো হয়েছে। নিহতদের পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।


আরও খবর



খুলনার চার হাসপাতালে মৃত্যু আরও ১৭ জন

প্রকাশিত:সোমবার ১২ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৭৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

খুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে আরও ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার চার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে তাদের মৃত্যু হয়। এরমধ্যে খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ১০ জন, শহীদ শেখ আবু নাসের হাসপাতালের করোনা ইউনিটে একজন, গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনজন এবং জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে তিনজন মারা যান।

খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালের ফোকালপারসন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় পাঁচজন ও উপসর্গে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৯৯ জন। যার মধ্যেরেড জোনে ১২৫ জন, ইয়েলোজোনে ৩৪ জন, আইসিইউতে ২০ জন।

খুলনা জেনারেল হাসপাতালের ৮০ শয্যার করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ২০ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১২ জন।

গাজী মেডিকেল হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী ডা. গাজী মিজানুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। বেসরকারি এ হাসপাতালের চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ১২৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ২৯ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩১ জন।

খুলনার শহীদ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডা. প্রকাশ দেবনাথ। হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন ৪৫ জন। এরমধ্যে আইসিইউতে রয়েছে ১০ জন।


আরও খবর