Logo
শিরোনাম

পদ্মা-যমুনার মোহনায় ধরা পড়ল ১০ মণ ওজনের শাপলা পাতা মাছ

প্রকাশিত:রবিবার ২৯ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৬১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ার ওপর দিয়ে প্রবাহিত পদ্মা নদীতে ধরা পড়েছে ১০ মণ ওজনের বিরল প্রজাতির শাপলা পাতা মাছ। বিশালকৃতির এই মাছটি দেখার জন্য ভিড় জমান উৎসুক জনতা। প্রায় ১৫ বছর আগে রাজবাড়ীতে পদ্মা নদীতে একটি শাপলা পাতা মাছ ধরা পড়েছিল বলে জানান স্থানীয় জেলেরা।

রবিবার (২৯ আগস্ট) ভোরে জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার পদ্মা-যমুনার মোহনায় দৌলতদিয়ার ৭ নং ফেরিঘাট এলাকায় স্থানীয় জেলে বাবু সরদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে।

মাছটি একটি ভ্যানে করে বিক্রির জন্য দৌলতদিয়া ট্রাক টার্মিনাল সংলগ্ন একতা মৎস্য আড়তে নিয়ে আসলে সেখানে ভিড় জমে যায়। পরে মৎস্য আড়তের আড়তদার রেজাউলের আড়তে মাছটি বিক্রির জন্য তুললে রাজবাড়ীর মাছ ব্যাবসায়ী কুটি মন্ডল ৮ হাজার টাকা মণ দরে ৮০ হাজার টাকা দিয়ে মাছটি কিনে নেন।

বাবু সরদার বলেন, আমরা সাধারণত ট্রলারে পদ্মায় বড় মাছ ধরতে যাই। কট সুতার জালে বড় মাছ ধরা পড়ে। কিন্তু হঠাৎ করে বিরল প্রজাতির এই মাছটি ধরা পড়ে। মাছটি দেখে আমরা অনেক খুশি হয়েছি। জালে আটকানোর পড়ে মাছটি বেশি লাফালাফি করেনি। দ্রুত সময়ের মধ্যে মাছটি ডাঙ্গায় তুলতে সক্ষম হই আমরা।

রেজাউল ইসলাম (রাজ) বলেন, পদ্মা নদীতে প্রায় ১৫ বছর পূর্বে একবার শাপলা পাতা মাছ পাওয়া গিয়েছিল। এটি সাধারণত মাটি ছুঁই ছুঁই করে পথ চলে। যে কারণে সহজে জালে ধরা পড়ে না। হয়তো পদ্মার তীব্র স্রোতের কারনে মাটি থেকে ওপরের দিকে এসেছে। যে কারণে জেলের জালে এটি ধরা পড়েছে।

নিউজ ট্যাগ: শাপলা পাতা মাছ

আরও খবর

ইভ্যালির এমডি রাসেল ও তার স্ত্রী গ্রেপ্তার

বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১




শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বাংলাদেশের ৪ কোটির বেশি শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত

প্রকাশিত:বুধবার ২৫ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৮৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাস মহামারিতে বাংলাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত চার কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ।

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে গ্রীষ্মকালীন ছুটি শেষ হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘ শিশু তহবিল ইউনিসেফ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইউনিসেফ জানায়, দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ আছে, যা করোনার কারণে স্কুল বন্ধের ক্ষেত্রে বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম। মহামারির পুরো সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার ফলে প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চতর শিক্ষার স্তর পর্যন্ত চার কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, যত বেশি সময় ধরে শিশুরা স্কুলের বাইরে থাকবে, সহিংসতা, শিশুশ্রম ও বাল্য বিয়ের ঝুঁকির সম্মুখীন হওয়ায় ততই তাদের স্কুলে ফিরে আসার সম্ভাবনা কমে যাবে। ২০২০ সালে বিশ্বব্যাপী স্কুলগুলো গড়ে ৭৯ শিক্ষা দিবস পুরোপুরি বন্ধ ছিল। তবে, মহামারি শুরুর পর ১৬ কোটি ৮০ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য স্কুলগুলো প্রায় পুরো বছর বন্ধ ছিল।

এখনও অনেক শিশুর ক্ষেত্রে দ্বিতীয় বছরের জন্য শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হতে যাচ্ছে বলে জানানো হয় প্রতিবেদনে।

বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি টোমো হোযুমি বলেন, ‌স্কুল এবং সশরীরে উপস্থিত হয়ে শিক্ষা গ্রহণ কার্যক্রম বন্ধ থাকা শিশুদের কেবল পড়াশোনার ক্ষেত্রে নয়, একইসঙ্গে তাদের স্বাস্থ্য, সুরক্ষা ও মনস্তাত্ত্বিক সুস্থতার ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলে। প্রান্তিক শিশুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

তিনি বলেন, নিরাপদে স্কুল পুনরায় খুলে দেওয়া এবং সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পড়াশোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বিনিয়োগ করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের আজকের এই সিদ্ধান্ত এই শিশুদের পুরো জীবনকে প্রভাবিত করবে।

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে গ্রীষ্মকালীন ছুটি শেষ হওয়ার প্রেক্ষাপটে ইউনিসেফের প্রকাশিত নতুন বিশ্লেষণে বলা হয়, প্রায় ১৪ কোটি শিশুর ক্ষেত্রে স্কুলের প্রথম দিন করোনার কারণে বিলম্বিত হচ্ছে। এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৮০ লাখ এমন স্থানে বসবাস করে, যেখানে মহামারির পুরো সময় স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে। এ কারণে সশরীর শিক্ষা গ্রহণের প্রথম দিনটির জন্য তারা এক বছরের বেশি সময় ধরে অপেক্ষা করছে। এ অপেক্ষা বেড়েই চলেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থীও রয়েছে।

২০২০ সালে বিশ্বব্যাপী স্কুলগুলো গড়ে ৭৯ শিক্ষাদিবস পুরোপুরি বন্ধ ছিল। তবে মহামারি শুরুর পর ১৬ কোটি ৮০ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য স্কুলগুলো প্রায় পুরো বছর বন্ধ ছিল। এমনকি এখনও অনেক শিশুকে দ্বিতীয় বছরের জন্য শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। স্কুল বন্ধ থাকার কারণে অনেক শিশুর, বিশেষ করে বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে থাকা ছোট শিক্ষার্থীদের, শেখার ক্ষতি, মানসিক চাপ, টিকা না পাওয়া এবং ঝরে পড়ার উচ্চ ঝুঁকি, শিশুশ্রম ও শিশুবিয়ের মতো পরিণাম ভোগ করতে হবে।


আরও খবর

৫ অক্টোবর খুলছে ঢাবির হল

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

অষ্টম ও নবম শ্রেণির ক্লাসও সপ্তাহে দুই দিন

বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১




ভিক্ষু উইরাথুকে মুক্তি দিল মিয়ানমারের সামরিক জান্তা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে ক্রমাগত হিংসাত্মক বক্তব্য প্রচার ও সহিংসতার উসকানিদাতা হিসেবে পরিচিত মিয়ানমারের উগ্রপন্থি বৌদ্ধ ভিক্ষু আশিন উইরাথুকে মুক্তি দিয়েছে দেশটির জান্তা সরকার।

সোমবার দেশটির সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আশিন উইরাথুর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভূত্থাণের পর তার বিরুদ্ধে মিয়ানমারে দাঙ্গা বাঁধানোর অভিযোগ আনে জান্তা সরকার। মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের তাড়াতে ভয়ানক প্রপাগান্ডা এবং বর্ণবাদী মতাদর্শ প্রচার করেন বিতর্কিত এ ধর্ম গুরু। তার প্ররোচণায়ই রোহিঙ্গাদের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালায় উগ্র বৌদ্ধ মৌলবাদীরা।

তার এ মুসলিমবিদ্বেষী উগ্র আচরণের জন্য তিনি 'বৌদ্ধ বিন লাদেন' বলে পরিচিতি পান।  ২০১৯ সালে তার এ ঘৃণ্য কাজের জন্য তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

এর পর থেকেই কুখ্যাত এ বৌদ্ধ ভিক্ষু তৎকালীন ক্ষমতাসীন এনএলডি সরকার ও গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন।

আনুকূল্য পাওয়ার জন্য উগ্রপন্থী বৌদ্ধ ভিক্ষু আশিন উইরাথু দেশটির সেনাবাহিনীর প্রশংসা করে শোভাযাত্রাও বের করেছেন। 

এ পর্যায়ে তিনি গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান। ২০২০ সালের নভেম্বারে তিনি আত্মসমর্পণ করেন এবং তখন থেকেই তিনি কারাগারে আছেন।

সামরিক শাসনের বাইরে এসে মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক যাত্রা ২০১১ সালে শুরু হয়। ওই সময় থেকে দেশটির রাজনীতিতে উদীয়মান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে উত্থান ঘটতে থাকে দেশটির উগ্র বৌদ্ধ জাতীয়তাবাদী আলোচিত এই ভিক্ষুর।


আরও খবর

আফগানিস্তানে আবারও বিস্ফোরণ, নিহত ৭

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১




মেট্রোরেলের ট্রায়াল রান শুরু

প্রকাশিত:রবিবার ২৯ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৮২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
আগামী বছর তিনটি মেগা প্রজেক্ট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জুনে পদ্মাসেতু, পরে কর্ণফুলী ট্যানেল, বছর শেষে তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নের মেট্রোরেল লাইন-৬ উদ্বোধন হবে

মেট্রোরেল চলাচলের ট্রয়াল রান শুরু হয়েছে। রবিবার (২৯ আগস্ট) বেলা ১১টা ৫৮ মিনিটে সবুজ পতাকা নাড়িয়ে মেট্রোরেলের পরীক্ষামূলক উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

এ সময় ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন সিদ্দিক, বাংলাদেশে জাপান দূতাবাসের প্রতিনিধি, জাইকার বাংলাদেশ অফিস প্রধান ও মেট্রোরেলের পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে। ট্রেনটি ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার বেগে ৬টি বগি নিয়ে ভায়াডাক্টের ওপর দিয়ে দিয়াবাড়ি ডিপো থেকে মিরপুর ১২ নম্বর স্টেশন পর্যন্ত গিয়ে আবার ডিপোতে ফিরে আসে ট্রেন।

এ সময় সেতুমন্ত্রী বলেন, আগামী বছর তিনটি মেগা প্রজেক্ট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জুনে পদ্মাসেতু, পরে কর্ণফুলী ট্যানেল, বছর শেষে তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নের মেট্রোরেল লাইন-৬ উদ্বোধন হবে।

এর আগে গত শুক্রবার (২৭ আগস্ট) সকাল ১০ টার দিকে রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ি থেকে মিরপুর পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে মেট্রোরেল চালানো হয়। মেট্রোরেল ৬টি বগি নিয়ে মিরপুর পর্যন্ত চারটি স্টেশনে চলাচল করে। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো মেট্রোরেল এ রুটে চলাচল শুরু করা হয় বলে জানায় মেট্রো কর্তৃপক্ষ।

মেট্রোরেল লাইন-৬ এর জন্য গত ২০১৭ সালে জাপানের কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়ামকে ২৪ সেট ট্রেন নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দুই পাশে দুটি ইঞ্জিন আর চারটি কোচের সমন্বয়ে ট্রেনের সেটগুলো তৈরি হচ্ছে জাপানে।

উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেলের দৈর্ঘ্য ২০ দশমিক ১০ কিলোমিটার। এই পথে ১৬টি স্টেশন থাকবে। আজ যে ৪টি স্টেশনের মধ্যে পরীক্ষামূলক চলাচল, সেসব স্টেশন হচ্ছে উত্তরা-উত্তর, উত্তরা সেন্টার, উত্তরা-দক্ষিণ ও পল্লবী। এই স্টেশনগুলো পরীক্ষামূলক চলাচলের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। উদ্বোধনের পর উত্তরা-উত্তর স্টেশন থেকে ট্রেনের যাত্রা শুরু হবে। উত্তরায় মেট্রোরেলের ডিপোটি মাটিতে, মূল লাইন উড়ালপথে।

নিউজ ট্যাগ: মেট্রোরেল

আরও খবর

অভিভাবকরা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১




পোশাক নিয়ে আফগান নারীদের হুশিয়ারি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে বর্ণিল পোশাক বেছে নিয়েছেন সারাবিশ্বে ছড়িয়ে থাকা আফগান নারীরা। তালেবানকে হুশিয়ার করে বলেছেন, আমার পোশাকে হাত দিও না

নিজ দেশে তালেবান নতুন নিয়ন্ত্রণকর্তার আসনে বসার পর নারীর পোশাক-পরিচ্ছদের ওপর যে খড়গ নেমে এসেছে, তারই প্রতিবাদে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে #ডো নট টাচ মাই ক্লথ- ক্যাম্পেইন শুরু করেছেন তারা। খবর বিবিসির।

আফগানিস্তানের ঐতিহ্যবাহী বর্ণময় সব পোশাকে নিজেদের সাজিয়ে তারা হাজির হচ্ছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।  ডোন্ট টাচ মাই ক্লথ কিংবা আফগানিস্তান কালচার হ্যাশট্যাগে ফেসবুক-টুইটারে চলছে এ প্রতিবাদ।

কট্টর ইসলামপন্থি তালেবান দুই দশক পর আফগানিস্তানে ক্ষমতায় বসার পর নারীর স্বাধীনভাবে চলার পথ হয়েছে সঙ্কুচিত।

তার প্রতিবাদে আফগান নারীরা যখন তালেবানের বন্দুকের সামনে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভে নেমেছেন, ঠিক তখনই বিপরীত চিত্রে তালেবানের পক্ষ নিয়ে দুদিন আগে হিজাব-বোরকায় আচ্ছাদিত একদল নারীও কাবুলে সমাবেশ করে।

তাদের সেই সমাবেশ থেকে বলা হয়, মেকআপ নিয়ে আধুনিক পোশাক পরা আফগানিস্তানের মুসলিম নারীদের প্রতিচ্ছবি নয় এবং শরিয়াহ আইনের বিরোধী বিদেশি নারী অধিকার আমরা চাই না

সেই সমাবেশের পরই আফগানিস্তানের ঐতিহ্যবাহী ও বর্ণিল পোশাক পরে প্রতিবাদের সূত্রপাত হয়।

আফগানিস্তানের আমেরিকান ইউনিভার্সিটির ইতিহাস বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. বাহার জালালি সোশ্যাল মিডিয়ায় এ প্রতিবাদের সূচনা করেন হ্যাশট্যাগ দুটি ব্যবহার করে।

সবুজ রঙা এক ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে টুইটারে হাজির হন তিনি। অন্যদেরও তিনি অনুপ্রাণিত করেন তাকে অনুসরণ করতে, দেখাতে যে এটিই আফগানিস্তানের প্রকৃত চিত্র

নিউজ ট্যাগ: আফগান নারী

আরও খবর

আফগানিস্তানে আবারও বিস্ফোরণ, নিহত ৭

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১




খুলনা বিভাগে একদিনে করোনায় ১৬ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ২২ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৯৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা বিভাগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে শনাক্ত হয়েছে ৩৯৬ জন।

রবিবার (২২ আগস্ট) বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. জসিম উদ্দিন হাওলাদার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। 

এর আগে শনিবার (২১ আগস্ট) বিভাগে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। একই সময়ে শনাক্ত হয়েছিল ২১১ জনের।

স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ চারজনের মৃত্যু হয়েছে খুলনা ও যশোরে। তিনজন মারা গেছেন ঝিনাইদহে। দুজন করে মৃত্যু হয়েছে নড়াইল, মাগুরা, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গায়।

খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে এক লাখ ছয় হাজার ৬৫৬ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন দুই হাজার ৯১৯ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯২ হাজার ১৭০ জন।


আরও খবর

ঝিনাইদহে নিউমোনিয়া ডায়রিয়ার প্রকোপ

মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১