Logo
শিরোনাম

পণ্যবাহী যানবাহনসহ পাটুরিয়ায় ডুবে গেছে ফেরি

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১ | ৫৭৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পণ্যবাহী যানবাহনসহ মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ায় পাঁচ নম্বর ঘাটে ফেরি শাহ আমানত একপাশে কাত হয়ে ডুবে গেছে। আজ বুধবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) পরিচালক (বাণিজ্য) এস এম আশিকুজ্জামান খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ওই ফেরিতে ১৭টি ট্রাক ছিল। তবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি বিআইডব্লিউটিসির লোকজনও উদ্ধারকাজে অংশ নিচ্ছেন বলে তিনি জানান।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফেরিটি দৌলতদিয়া ঘাট থেকে যানবাহন নিয়ে পাটুরিয়ার ৫ নম্বর ফেরিঘাটে নোঙর করে। এ সময় ফেরি থেকে দুই থেকে তিনটি যানবাহন নামার পরই ফেরির একপাশ কাত হয়ে যায়। এতে ফেরিটি ডুবে যায়।


আরও খবর



টাঙ্গাইলে দুর্ঘটনায় তিন মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৬৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তিন বন্ধু নিহত হয়েছে। শুক্রবার (১২ নভেম্বর) দুপুর দুইটার দিকে উপজেলার রুহুলি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো- উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের মাটিকাটা গ্রামের আসাদুল মিয়া (১৫), রাকিব হোসেন (১৬) ও চিতলিয়া পাড়া গ্রামের মকবুল হোসেন (১৬)।

ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল ওহাব এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, দুপুরে মোটরসাইকেল নিয়ে তারা তিন বন্ধু উপজেলার রুহুলি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে আসে। এসময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে মোটরসাইকেলটি বিদ্যালয়ের দেয়ালে সজোরে ধাক্কা খায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। 

নিহতদের মধ্যে একজন ট্রাকচালক, একজন চালকের সহকারী এবং অন্যজন শ্রমিক। তারা তিনজনেই বন্ধু।

নিউজ ট্যাগ: সড়ক দুর্ঘটনা

আরও খবর



নতুন আইন পাস, ধর্ষকের শাস্তি খোজাকরণ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৮৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
অধ্যাদেশে ধর্ষকের রাসায়নিক খোজাকরণের বিধান এবং বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ আদালত স্থাপনের পরামর্শ দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট

একাধিক ধর্ষণের জন্য দোষী সাব্যস্ত যৌন অপরাধীদের রাসায়নিকভাবে খোজা করে দেওয়ার শাস্তির বিধান রেখে পাকিস্তানের সংসদে একটি বিল পাস হয়েছে। দোষীদের দ্রুত সাজা কার্যকর এবং কঠোর শাস্তি নিশ্চিতের লক্ষ্যে দেশটির সংসদে বুধবার এই বিল পাস হয়।

সম্প্রতি দেশটিতে নারী ও শিশু ধর্ষণের ক্রমবর্ধমান ঘটনা এবং অপরাধ দমনে সরকারের প্রতি জনগণের ব্যবস্থা নেওয়ার দাবির মুখে নতুন এই শাস্তির বিধান রেখে বিলটি পাস করা হয়েছে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি এক বছর আগে ধর্ষণ-বিরোধী নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছিলেন এবং সেই সময় পাকিস্তানের মন্ত্রিসভা এই বিলটির অনুমোদনও দিয়েছিল। অধ্যাদেশে ধর্ষকের রাসায়নিক খোজাকরণের বিধান এবং বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ আদালত স্থাপনের পরামর্শ দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট।

অধ্যাদেশ জারির এক বছর পর বুধবার পাকিস্তানের সংসদের যৌথ অধিবেশনে ফৌজদারি আইন (সংশোধনী) বিল-২০২১ সহ আরও ৩৩টি বিল পাস হয়েছে। দেশটির সংবাদমাধ্যম ডন বলছে, সংসদে পাকিস্তান দণ্ডবিধি ১৮৬০ এবং ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ সংশোধনের প্রস্তাবও উঠেছে।

বিলে বলা হয়েছে, রাসায়নিক খোজাকরণ এমন এক প্রক্রিয়া, যেটি করা হলে একজন ব্যক্তি তার জীবনের যে কোনো সময়ে যৌন মিলনে অক্ষম হয়ে পড়েন। নির্দিষ্ট মেডিক্যাল বোর্ডের ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে এই খোজাকরণ বাস্তবায়ন করা হবে। আর এই শাস্তি নির্ধারিত হবে আদালতে।

এদিকে, পাকিস্তানের জামায়াত-ই-ইসলামির সিনেটর মুশতাক আহমেদ এই বিলের বিরোধিতা করে বলেছেন, এটি ইসলাম-সম্মত নয় এবং শরীয়াবিরোধী।

তিনি বলেছেন, একজন ধর্ষককে প্রকাশ্যে ফাঁসি দেওয়া উচিত। শরিয়তে খোজাকরণের কোনও উল্লেখ নেই। সমালোচকরা বলছেন, পাকিস্তানে ৪ শতাংশেরও কম যৌন নিপীড়ন বা ধর্ষণের ঘটনার বিচার হয়।

রাসায়নিক খোজাকরণ হলো যৌন সক্ষমতা কমাতে ওষুধের ব্যবহার। দক্ষিণ কোরিয়া, পোল্যান্ড, চেক রিপাবলিক এবং যুক্তরাষ্ট্রের কিছু অঙ্গরাজ্যে ধর্ষণের শাস্তি হিসেবে খোজাকরণের বিধান কার্যকর আছে।

নিউজ ট্যাগ: ধর্ষণ

আরও খবর



খুলনায় ট্রেনে কাটা পড়ে দুই নারীর মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | ৫৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

খুলনা মহানগরীর আলীম জুট এলাকায় রেললাইনে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই নারীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১০ নভেম্বর) রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া দুই নারী হলেন মর্জিনা (৩৮) ও শেফালী বেগম (৪০)।

জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা খবির আহম্মেদ বলেন, খুলনা রেলস্টেশন থেকে রাত সোয়া ১০টার দিকে ঢাকাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ছেড়ে যায়। এরপরেই দুর্ঘটনা ঘটে।

খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রবীর কুমার বিশ্বাস বলেন, দুজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।


আরও খবর



বাসে পর্ন দর্শন, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর অভিযোগে যুবকের সাজা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১ | ৩৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাসের মধ্যে বসে পর্নোগ্রাফি দেখায় সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর অভিযোগে তিন মাসের কারাদণ্ড হয়েছে এক যুবকের। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড ছাড়াও ওই যুবকের ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত যুবকের নাম মাহবুবুর রহমান। পেশায় রাজমিস্ত্রী ২৬ বছর বয়সী মাহবুবুরের বাড়ি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার সুজনশ্রী গ্রামে।

জানা যায়, সোমবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে বাসে করে সিলেটে আসছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের ওই ছাত্রী। বাসে তার সামনের আসনে বসেছিলেন রাজমিস্ত্রী মাহবুবুর। তিনি ওই তরুণীকে দেখিয়ে মোবাইলে পর্নোগ্রাফি দেখতে শুরু করেন। এমন ভিডিও না দেখতে মাহবুবকে ওই তরুণী কয়েকবার নিষেধ করেন। কিন্তু তারপরেও ওই যুবক পর্নোগ্রাফি দেখতে থাকেন। একপর্যায়ে গাড়ির চালকের সহযোগীর সঙ্গে কথা বলে অন্য এক নারীর পাশে সিট নেন ওই নারী।

মৌলভীবাজারের শেরপুর এলাকায় আসার পর মাহবুবুর গাড়ি থেকে নামতে চাইলে তরুণী বাধা দেন। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে যুবকটিকে গাড়িতে রাখার জন্য অন্য যাত্রীদের সহায়তা চান ওই তরুণী। বিষয়টি নিয়ে গাড়ির ভেতরে চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে মহাসড়কে দায়িত্বরত শেরপুর হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট শিবলু মিয়া বিষয়টি শোনেন। পরে তিনি বিষয়টি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নবীর হোসেনকে অবহিত করেন। ওসি সিলেট অঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. শহিদ উল্লাহকে বিষয়টি জানান। পুলিশ সুপার তাৎক্ষণিকভাবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি মো. নবীর হোসেন বলেন, ঘটনাটি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানানো হলে মঙ্গলবার সকালে শেরপুরে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোস্তাফিজুর রহমান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মাহবুবুরকে ৩ মাসের কারাদণ্ড দেন। এছাড়া তার ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেন। পরে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত যুবককে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।


আরও খবর



মানুষের শরীরে ছাগলের অণ্ডকোষ প্রতিস্থাপন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৪৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

এক অস্ত্রোপচার করেই সারাবিশ্বে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন জন ব্রিঙ্কলে নামে এক হাতুড়ে চিকিৎসক। তার সেই অস্ত্রোপচার নিয়ে বিতর্কের ঝড় ওঠে সেই সময়।

অবশ্য ব্রিঙ্কলের কাণ্ডটাও ছিল তেমন সাড়া ফেলে দেওয়ার। জীবন্ত ছাগলের অণ্ডকোষ কেটে এনে মানুষের শরীরে প্রতিস্থাপন করেছিলেন এই চিকিৎসক।

ওই অস্ত্রোপচারের পর সারা বিশ্বে তাকে গোট গ্ল্যান্ড ডাক্তার হিসেবে পরিচিতি এনে দেয়।

ঘটনাটি ১৯৩০ সালের। যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস স্টেট মেডিকেল বোর্ডের এক দল বিশেষজ্ঞের সামনে কানসাসের মিলফোর্ডে অস্ত্রোপচারটি করেন জন ব্রিঙ্কল।

মিলফোর্ডে জীবন্ত ছাগলের নিম্নাংশ অসাড় করে এটির দুটি অণ্ডকোষ কেটে বার করে আনলেন ব্রিঙ্কল। এর পর পাশের টেবিলে শুয়ে থাকা বিল স্টিটসওয়ার্থ নামে এক ব্যক্তির শরীরে খুব সন্তর্পণে অণ্ডকোষ দুটি প্রতিস্থাপন করলেন।

রাতারাতি খ্যাতি লাভ করেন ব্রিঙ্কল। কারণ তার সেই অস্ত্রোপচার প্রাথমিকভাবে সফল হয়েছিল। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন ছাগলের অণ্ডকোষ লাগানো বিল নামের সেই ব্যক্তি।

ঝড়ের গতিতে ব্রিঙ্কলের এই অস্ত্রোপচারের কাহিনি। প্রচারিত হয় ছাগলের অণ্ডকোষ প্রতিস্থাপন করলে পুরুষের যৌন সক্ষমতা বাড়ে।

ব্রিঙ্কলের ক্লিনিকের বাইরে রোগীদের লাইন পড়ে যেতে শুরু করে। প্রচুর উপার্জন করেন তিনি।

কিন্তু এর পর দুর্ভোগ নেমে আসে ব্রিঙ্কলের কাছে এসে অস্ত্রোপচার করা সেসব রোগীর। অনেকে অসুস্থ হয়ে চিরকালের জন্য অকেজো হয়ে পড়েন। অনেকের সংক্রমণ এতটাই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে যে, তারা একে একে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন।

ফলে ১৯৩০ সালে চিকিৎসক ব্রিঙ্কলের লাইসেন্স বাতিল করে দেয় স্থানীয় সরকার।

তবে তার আগেই কাঁড়ি কাঁড়ি অর্থ উপার্জন করে ধনবান হয়ে যান ব্রিঙ্কল। অবশ্য এসব উপার্জনের বড় একটি অংশ শহরের উন্নয়নে ব্যয় করেন এই হাতুড়ে চিকিৎসক।

সেখানেও তার একটি উদ্দেশ্য ছিল। তা ছিল রাজনীতির মাঠে সফল হওয়ার। মিলফোর্ড শহরে একটি ডাকঘর, একটি ব্যাংক, রাস্তায় বৈদ্যুতিক আলোর সংযোগ লাগিয়েছিলেন ব্রিঙ্কল। দিয়েছিলেন রেডিও স্টেশন। একটি চিড়িয়াখানা খোলার চেষ্টাও করেছিলেন।

অদ্ভুদ চরিত্রের এই হাতুড়ে চিকিৎসক জন ব্রিঙ্কল মূলত ছিলেন বড় ধরনের এক প্রতারক। সে জন্য একবার গ্রেফতারও হয়েছিলেন।

উত্তর ক্যারোলিনাতে জন্ম নেওয়া এই ব্যক্তির বাবাও ছিলেন একজন হাতুড়ে চিকিৎসক। বাবার মতো চিকিৎসক হতে চেয়েছিলেন ব্রিঙ্কল। বাবার ওষুধের বই পড়ে চিকিৎসা নিয়ে বেশ কিছু জ্ঞানার্জন করেছিলেন। তার পর গাড়িতে করে অলিগলিতে ওষুধ বেচার একটি সংস্থায় কাজে যোগ দিয়েছিলেন।

১৯০৮ সালে স্ত্রীকে নিয়ে শিকাগোয় চলে যান ব্রিঙ্কল। সেখানে বেনেট মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। সেখানেই মানব শরীর সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করেন ব্রিঙ্কল। কলেজের বেতন-ফিস না দেওয়ায় তাকে কলেজ থেকে বের করে দেওয়া হয়। যে কারণে চিকিৎসক হওয়ার কোনো সার্টিফিকেট ছিল না তার। তবে তিনি ভুয়া সার্টিফিকেট জোগাড় করে ক্লিনিক খোলেন।

এরই মধ্যে গ্রিনভিলে গিয়ে প্রতারণা শুরু করেন। যৌনশক্তি বর্ধক তেল বানিয়ে বিক্রি করা শুরু করেন। কয়েক মাস পর তার প্রতারণা ধরা পড়ে যায়। ব্যবসা গুটিয়ে সেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। পরবর্তীকালে গ্রেফতারও হন।

১৯১৭ সালে কানসাসে ১৬ রুমের একটি বড় ক্লিনিক খুলে ফের প্রতারণার জাল ফেলেন ব্রিঙ্কল। ভুয়া সার্টিফিকেট দেখিয়ে স্থানীয়দের সবরকম রোগেরই চিকিৎসা করতেন এই ক্লিনিকে। পরবর্তীকালে নিজেকে বড়মাপের সার্জন হিসাবে প্রচার করেন।

তার ওই ক্লিনেকেই এসেছিলেন বিল স্টিটসওয়ার্থ নামের এক ব্যক্তি। নিজের যৌন দুর্বলতা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন বিল। সেই সময় বিলকে প্রতারণার জালে ফেলে তার শরীরে ছাগলের অণ্ডকোষ প্রতিস্থাপনের জন্য রাজি করান ব্রিঙ্কল।

 


আরও খবর

মৃত্যুর ৪০ দিন পর গিনেস বুকে রাণী'র নাম

মঙ্গলবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

বিভিন্ন কুসংস্কারে কালো বিড়াল

সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১