Logo
শিরোনাম

প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা হচ্ছে না

প্রকাশিত:রবিবার ২০ জুন ২০21 | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৮৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের কারণে চলতি বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা হচ্ছে না। এ পরীক্ষা বাতিলের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রবিবার (২০ জুন) সকালে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক এ এম মনছুরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মহা-পরিচালক জানান, প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার্থীদের বাড়ির কাজের মাধ্যমে মূল্যায়ন চলবে। তবে তাদের অটোপাস দেওয়া হবে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের ক্লাসে আনা সম্ভব হলেও তাদের বার্ষিক পাঠপরিকল্পনার আলোকে পড়ানো হবে। এ প্রক্রিয়ায় মূল্যায়নের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

জানা গেছে, পরীক্ষা না নিয়ে এর পরিবর্তে বাড়ির কাজ দিয়ে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের মাধ্যমে নতুন শ্রেণিতে তোলা হবে। অটোপাস দেওয়া হবে না এবার। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সম্মতি পেলে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এ সংক্রান্ত সারসংক্ষেপ পাঠানো হবে।

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, চলতি বছরের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা নাও হতে পারে। করোনার কারণে এ চার পরীক্ষা গত বছরও নেওয়া হয়নি।


আরও খবর



ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ ম্যাচ হারের রেকর্ড শ্রীলঙ্কার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ জুলাই 2০২1 | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ১১২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সময়টা বেশ খারাপ যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের। ইংল্যান্ড সফরে টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হবার পর ওয়ানডে সিরিজও হেরেছে এক ম্যাচ আগেই। প্রথম ম্যাচে ১৮৫ রানে অল-আউট হয়ে ৫ উইকেটে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে ২৪১ রান করেও হেরে যায় ৮ উইকেটে।

এতে হাতছানি দিচ্ছে আরেকবার হোয়াইটওয়াশের। কিন্তু তার আগেই গড়েছে লজ্জার রেকর্ড। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে হেরেছে। এই দুই হারে শ্রীলঙ্কাকে দেখতে হলো সর্বোচ্চসংখ্যক ম্যাচে হার।

দলটি এখন পর্যন্ত ৮৬০টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে। যেখানে হেরেছে ৪২৮টি ম্যাচ আর জিতেছে ৩৯০টি ম্যাচ। একদিনের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ম্যাচ হারের রেকর্ড ছিল এতদিন ভারতের। তারা ৯৯৩ ম্যাচে হেরেছে ৪২৭টি ম্যাচ আর জিতেছে ৫১৬ ম্যাচ।

এই রেকর্ডে পাকিস্তান রয়েছে তিন নম্বরে। ৯৩৩ ম্যাচে পাকিস্তানের ৪৯০ জয়ের বিপরীতে ৪১৪ ম্যাচে হেরেছে তারা। এছাড়া ৩৮৪ ম্যাচে পরাজয় নিয়ে চার নম্বরে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

নিউজ ট্যাগ: শ্রীলঙ্কা

আরও খবর



বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম গোলচত্বর থেকে ২২ কিলোমিটার যানজট

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

 সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম গোলচত্বর থেকে হাটিকুমরুল গোলচত্বর পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার মহাসড়কে ধীরগতিতে চলছে যানবাহন। যানজট নিয়ন্ত্রণে মহাসড়কটিতে এক লেন বন্ধ রেখে অপর লেনে চালানো হচ্ছে যানবাহন। বন্ধ থাকা লেনে ঘন্টার পর ঘন্টা থেমে রয়েছে গাড়ি। এতে করে যারা প্রিয়জনদের সাথে ঈদ করতে বাড়ি যাচ্ছেন তাদেরকে পোহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ।

শনিবার (১৭ জুলাই) ভোর ছয়টা থেকে আটটা পর্যন্ত মহাসড়কে এমন পরিস্থিতি দেখা গেছে।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ শাহজাহান আলী ও বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ মোসাদ্দেক আলী বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষ ও গরুবোঝাই যানবাহনের চাপ বাড়ায় বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম গোলচত্বর থেকে হাটিকুমরুল গোলচত্বর পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার মহাসড়কে ধীরগতিতে চলছে যানবাহন।

মহাসড়কটিতে যানজট নিয়ন্ত্রণে রাখতে কখনো ঢাকাগামী লেন বন্ধ রেখে উত্তরবঙ্গগামি লেন আবার কখনও উত্তরবঙ্গগামী লেন বন্ধ রেখে ঢাকাগামী লেনে যানবাহন চলাচল করছে।

এদিকে বন্ধ থাকা লেনে ঘন্টার পর ঘন্টা থেমে থাকছে গাড়ি। ফলে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন মহাসড়ক ঘরমুখো মানুষ ও চালকেরা।


আরও খবর



প্রায় তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ তেলের দাম

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৯৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মহামারি করোনাভাইরাসের ধকল কাটিয়ে বেশ চাঙা হয়ে উঠেছে তেলের বাজার। দফায় দফায় দাম বেড়ে বিশ্ববাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ৭৫ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এতে প্রায় তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠে এসেছে তেলের দাম।

বিশ্বাবাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে গত বছরের নভেম্বর থেকেই। তবে জুন মাসে সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে তেলের দামে বড় উত্থান হয়েছে। এর মাধ্যমে ২০১৮ সালের অক্টোবরের বা ৩২ মাস পর অপরিশোধিত তেলের ব্যারেল ৭৫ ডলারে উঠে আসল।

অপরিশোধিত তেলের পাশাপাশি ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল ও হান্টিং অয়েলও প্রায় তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠেছে। ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল ২০১৮ সালের অক্টোবরের পর এবং হান্টিং অয়েল ২০১৮ সালের নভেম্বরের পর এখন সর্বোচ্চ দামে রয়েছে।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, অপরিশোধিত তেলের পাশাপাশি ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল ও হান্টিং অয়েলের দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। গত এক মাসে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে ৯ শতাংশের ওপরে। ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম বেড়েছে সাড়ে ৬ শতাংশের ওপরে। আর হান্টিং অয়েলের দাম বেড়েছে সাড়ে ৩ শতাংশের ওপরে।

গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম দশমিক শূন্য ৪ ডলার কমে ৭৫ দশমিক শূন্য ৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে ১ দশমিক ৪০ শতাংশ। আর মাসের ব্যবধানে বেড়েছে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ।

ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দশমিক ২৭ ডলার বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৭৬ দশমিক শূন্য ৩ ডলারে উঠে এসেছে। এরপরও গত এক সপ্তাহে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম কমেছে দশমিক ২০ শতাংশ। অবশ্য মাসের ব্যবধানে বেড়েছে ৬ দশমিক ৬২ শতাংশ।

অপরদিকে গত এক সপ্তাহে ১ দশমিক ২৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি গ্যালন হান্টিং অয়েলের দাম ২ দশমিক ১৮ ডলারে উঠে এসেছে। এর মাধ্যমে মাসের ব্যবধানে হান্টিং অয়েলের দাম ৩ দশমকি ৫৪ শতাংশ বেড়েছে।

বিশ্বজুড়ে ছড়িয়েপড়া মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপ ভয়াবহ রূপ নিলে গত বছরের ২০ এপ্রিল বিশ্ববাজারে ইতিহাসের সর্বোচ্চ দরপতনের মধ্যে পড়ে তেল। সেদিন প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ঋণাত্মক ৩৭ ডলারের নিচে নেমে যায়।

রেকর্ড এই দরপতনের পরেই অবশ্যই তেলের দাম বাড়তে থাকে। এতে রেকর্ড দরপতনের ধকল সামলে গত বছরের বেশিরভাগ সময় প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ৪০ ডলারে আশেপাশে ঘুরপাক খাচ্ছিল।

কিন্তু বিশ্বজুড়ে মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নতুন করে বৃদ্ধি পাওয়া এবং লিবিয়ার তেল উত্তোলন বৃদ্ধি পাওয়ায় মাঝে বিশ্ববাজারে তেলের বড় দরপতন হয়। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে অপরিশোধিত ও ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম প্রায় ১০ শতাংশ কমে যায়।

তবে এই পতনের ধকল কাটিয়ে গত বছরের নভেম্বর থেকে আবার তেলের দাম বাড়তে শুরু করে। অবশ্য প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ৫০ ডলারের নিচে থেকেই ২০২০ সাল শেষ হয়।

চলতি বছরের শুরুতেও তেলের দামের এই বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা যায়। কয়েক দফা দাম বেড়ে করোনার মধ্যে প্রথমবার ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ৬০ ডলারে উঠে আসে। এর মাধ্যমে মহামারি শুরু হওয়ার আগের দামে ফিরে যায় তেল। আর প্রায় তিন বছর পর গত সপ্তাহে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল আবারও ৭৫ ডলার স্পর্শ করল।


আরও খবর

ব্যাংকে লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১




‘করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে কোরবানির সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা করা হবে’

প্রকাশিত:রবিবার ২৭ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৯৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে কোরবানির সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা করা হবে। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে যাতে কোরবানি হয় সে জন্য স্থানীয় সরকার ইউনিটসহ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও মাঠ প্রশাসন সমন্বিতভাবে কাজ করবে। প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করবে। কোন এলাকায় প্রয়োজন হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত হবে। কোনভাবেই শৃঙ্খলা যাতে ভঙ্গ না হয় সেজন্য যেখানে যা ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, সেটা করা হবে।

রবিবার (২৭ জুন) বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আসন্ন ঈদ উল আযহা উপলক্ষ্যে কোরবানির পশুর চাহিদা নিরূপণ, সরবরাহ এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কোরবানির পশুর অবাধ চলাচল ও পরিবহণ নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, কোরবানির পশু পরিবহনে যাতে ফেরিতে বা রাস্তায় যাতে সমস্যা সৃষ্টি না হয় সে বিষয়টি কঠোরভাবে মনিটরিং করা হব। পশু পরিবহনের ক্ষেত্রে সড়কে চাঁদাবাজি অথবা ফেরি ঘাটে দীর্ঘ সময় আটকে থাকা অথবা অন্য কোনভাবে সমস্যা যাতে না হয়, সে জন্য সকল ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনবোধে প্রতিকূল অবস্থার তাৎক্ষণিক সমাধানে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে মনিটরিং সেল থাকবে এবং কন্ট্রোল রূম চালু করা হবে। খামারিদের চাহিদার আলোকে সড়ক পথের পাশাপাশি রেলের মাধ্যমে পশু পরিবহনের ব্যবস্থা করা হবে।

কোরবানির ব্যবস্থাপনা করোনা পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো যোগ করেন, কোরবানি দিতে গিয়ে ভয়ঙ্কর পরিস্থতির ভিতর কেউ না পড়ুক, এটা আমরা চাইবো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান করোনা মহামারির মধ্যে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কোরবানিসহ অন্যান্য ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা চালিয়ে নিতে। আশা করছি এবছর কোরবানির ব্যবস্থাপনা অন্যান্য বছরের তুলনায় আরো সুশৃঙ্খল হবে। এবছরও সম্পূর্ণ দেশীয় গবাদিপশু দিয়ে কোরবানির পশুর চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। দেশে চাহিদার তুলনায় উদ্বৃত্ত পশু রয়েছে। বিদেশ থেকে গবাদিপশু আমদানির কোন প্রয়োজন নেই। সীমান্ত পথে বিদেশ থেকে অবৈধভাবে যাতে গবাদিপশু আসতে না পারে নে ব্যাপারে কঠোর পদক্ষে নেওয়া হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ্ মোঃ ইমদাদুল হক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ শেখ আজিজুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জননিরাপত্তা বিভাগ, স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পুলিশ, র‌্যাব, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দপ্তরের প্রতিনিধিগণ এবং ডেইরি অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া বিভাগীয় কমিশনারগণ, জেলা ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাগণ সভায় ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।

 

 


আরও খবর



রূপগঞ্জে অগ্নিকাণ্ড : ৫০ জনের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | ১১৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের ভুলতায় হাশেম অ্যান্ড বেভারেজের সেজান জুসের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

শুক্রবার (৯ জুলাই), বেলা ১টার দিকে কারখানা ভবন থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে এ তথ্য জানায় ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিসের রেসকিউ টিমের এক সদস্যের মাধ্যমে জানা যায়, ভবনটির ৪ তলাতেই ৪৯ জনের মৃতদেহ পাওয়া যায়। ৫ ও ৬ তলায় এখনো আগুন জ্বলছে। ভবনটির চারপাশ বন্ধ। শুধু সিঁড়ি দিয়ে ওঠার পথ রয়েছে। যেখানে প্রচণ্ড ধোঁয়ার কারণে বাইরে ল্যাডার দিয়েই আগুন নেভানোর চেষ্টা চলছে। আর কারখানায় প্রচুর দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণ কঠিন হচ্ছে।

এর আগে, শুক্রবার (৯ জুলাই) সকালে সেজান জুসের কারখানাটিতে আবারো আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে ফায়ার সার্ভিসের ১৭টি ইউনিট।

তার আগে, শুক্রবার সকালে, পুলিশ ও নিখোঁজ শ্রমিকদের বিক্ষুব্ধ স্বজনদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সকাল ১০টার দিকে কয়েকজন শ্রমিকের খোঁজ না পেয়ে বিক্ষোভ শুরু করে তাদের স্বজনেরা। পুলিশের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা সংঘর্ষ চলে। এসময় ব্যাপক ভাংচুর চালায় বিক্ষুব্ধরা।

বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে আগুন লাগলে ১৩ ঘণ্টার চেষ্টায় ভোর ৪টার দিকে তা নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিসের ১৮টি ইউনিট।

আগুন লাগার সময় কারখানাটিতে অনেক শ্রমিক ও কর্মচারী কাজ করছিলেন। তবে আগুনের সূত্রপাত নিয়ে কেউ কিছু বলতে পারেনি। কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ও কারখানার একজন ইঞ্জিনিয়ার জানান, হঠাৎ করে তারা ধোঁয়া দেখতে পান।

কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেকশনের ৫টি ফ্লোরে ওভারটাইম কাজ করছিলেন শ্রমিকেরা। তবে দুর্ঘটনার সময় ভবনটিতে কতজন ছিল তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

নিখোঁজ শ্রমিকদের স্বজনরা দাবি করেন, আগুন লাগার পর কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের বের হতে দেয়নি।


আরও খবর